ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান মারিনোর বিপক্ষে শুরুতে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। কোচ থমাস ডুলির প্রথম অ্যাসাইনমেন্টের ম্যাচে তপু বর্মণের গোলে লাল সবুজ দল এগিয়ে যায়। তবে বিরতির আগেই স্বাগতিকেরা ম্যাচে সমতায় ফেরে। ১-১ স্কোর লাইন রেখে ড্রেসিং রুমে গেছে দুই দল।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ইউরোপীয় দেশ সান মারিনোর অন্যতম শহর সেরাভেল্লেতে ‘সান মারিনো স্টেডিয়ামে’ খেলতে নামেন ডুলির শিষ্যরা। ম্যাচের শুরুতে স্বাগতিকরা বল দখলে এগিয়ে ছিল। তবে একটু গুছিয়ে বাংলাদেশ আক্রমণে আসে। ম্যাচের ১৭ মিনিটে বক্সের ভিতরে বল পেয়ে জামাল ভূঁইয়ার লক্ষ্যে শট রক্ষণে বাধা পায়। এর দুই মিনিট পরেই তপু বর্মণের গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। ডান দিক থেকে শেখ মোরসালিনের মাপা ক্রসে তপু অন্য প্রান্তে বুদ্ধিদ্বীপ্ত হেডে জাল কাঁপান। গোলকিপার জায়গা থেকে ঝাঁপালেও গোল বাচাতে পারেননি।
৩১ মিনিটে সান মারিনো ম্যাচে সমতা ফেরায়। বেরাদিকে ডান প্রান্তে আটকাতে গিয়ে বাই লাইন পেরিয়ে যান তপু বর্মণ। বেরাদি সুযোগ পেয়ে দেখে শুনে দারুণ এক পাস দেন নিকোলাস জিয়াওকোপেত্তিকে। ১১ নম্বর জার্সিধারি ফুটবলার প্লেসিং করে গোলকিপার মিতুলকে পরাস্ত করেন। যদিও মিতুল ডান দিকে বলের লাইনে ঝাঁপিয়েছিলেন। বল হাত স্পর্শ করলেও গোল হজম থেকে দলকে বাঁচাতে পারেননি।
৩৭ মিনিটে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারতো। মোরসালিনের পাসে বক্সে ঢুকে সাদ উদ্দিন গোলকিপার কে একা পেয়ে ওপর দিয়ে মেরে দারুণ সুযোগ নষ্ট করেন।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়েছিল। তবে বাংলাদেশের রক্ষণে বাধার কারণে আর এগিয়ে যাওয়া হয়নি।
এর আগে কোচ থমাস ডুলির প্রথম অ্যাসাইনমেন্টের ম্যাচে একাদশে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। যিনি কাবরেরার সময় বেঞ্চে সময় কাটাতেন। আর শমিত সোমের জায়গা হয়নি একাদশে।
বাংলাদেশের একাদশ
মিতুল মারমা, সাদ উদ্দওন, তারিক কাজী, তপু বর্মণ, ইসা ফয়সাল, সোহেল রানা, জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও শেখ মোরসালিন।









