সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে প্রথমার্ধটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যেমন স্বপ্নের, তেমনই নাটকীয়। পুলিসিকের অনুপস্থিতি একরকম ভুলেই গেছে স্বাগতিক দর্শকরা।
১১ মিনিটে শুরু— ফোলারিন বালোগুনের দারুণ রান থেকে বল পেলেন রিকার্ডো পেপি, আর তার দিকে পাস ব্লক করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন বার্গেস বল নিজের জালেই পাঠিয়ে দেন। দুর্ভাগ্যজনক আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
৪৩ মিনিটে এলো আরও নাটকীয় মুহূর্ত। অ্যান্টনি রবিনসনের চতুর ফ্রি-কিক বাইলাইন থেকে কাট-ব্যাক হলো, সতীর্থের লুপড বল অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলায়, আর অ্যালেক্স ফ্রিম্যান হেডে গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচকে পরাস্ত করেন। প্রথমে অফসাইডের পতাকা ওঠে— কিন্তু দীর্ঘ ভিএআর পরীক্ষার পর জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ইতালিয়ানোই ফ্রিম্যানকে অনসাইডে রেখেছিলেন বলের ডিফ্লেকশনের সময়। গোল বহাল! পুরো স্টেডিয়াম গর্জে উঠলো।
এর মাঝে একটা চিন্তার মুহূর্তও এসেছিল— ৩৯ মিনিটে ফ্রিম্যান ও অস্ট্রেলিয়ার পল ওকন-এংস্টলারের সংঘর্ষে দুই দলের মেডিক্যাল টিমই মাঠে নামে। দুজনেই নিজেরাই উঠে দাঁড়ান এবং খেলা চালিয়ে যান।
অস্ট্রেলিয়ার আলেসান্দ্রো সিরকাটি মালিক টিলম্যানকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন। অস্ট্রেলিয়া পুরো প্রথমার্ধে দাপটের সঙ্গে লড়াই করেও সাউটারের হেড ও লেকির ক্রসের মতো সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি।
প্রথমার্ধের শেষে সাত মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়— অস্ট্রেলিয়া তখন প্রবল চাপে ছিল।
বিরতিতে স্কোরবোর্ড বলছে যুক্তরাষ্ট্র ২, অস্ট্রেলিয়া ০। পুলিসিকহীন আক্রমণভাগও কতটা ধারালো হতে পারে, সেটাই দেখিয়ে দিলো পচেত্তিনোর দল। দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রেলিয়া কীভাবে ফিরে আসে, সেটাই এখন দেখার।









