বোস্টন স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধটা ছিল মরক্কোর একতরফা প্রদর্শনী। কিকঅফের ৭০ সেকেন্ডের মধ্যেই গোল করে সাইবারি লিখে ফেলেন ইতিহাস। এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল, আর ২০২২ সালে আলফোনসো ডেভিসের গোলের পর সর্বকালের দ্রুততম দ্বিতীয় গোল বিশ্বকাপের ইতিহাসে।
গোলটি এসেছে গ্র্যান্ট হ্যানলির রক্ষণভাগের ভুল থেকে। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস পেয়ে সাইবারি ফাঁকা জায়গায় ঢুকে শট মারেন। গোলটি সংক্ষিপ্ত ভিএআর পরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়। এই গোলের মধ্য দিয়ে সাইবারি হয়ে গেলেন প্রথম মরোক্কান যিনি পরপর দুই বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করলেন।
পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে মরক্কোর নিয়ন্ত্রণ
গোল হজম করার পর স্কটল্যান্ড কখনোই ম্যাচে সুস্থির হতে পারেনি। মরক্কো ৭৮ শতাংশ বল দখলে রেখে পুরো প্রথমার্ধে স্কটল্যান্ডকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখে।
৩৬ মিনিটে মরক্কোর আরেকটি বড় সুযোগ আসে। সাইবারির পাস থেকে বিলাল এল খানৌস শট নেন, কিন্তু বল যায় গোলের ওপর দিয়ে। এর আগে রায়ান ক্রিস্টির কাছ থেকে বল কেড়ে আজেদিন ওনাহি আক্রমণে উঠলেও তার ক্রস কাজে আসেনি।
হাকিমিও একবার বক্সে ঢুকে জোরালো শট নেন, কিন্তু অ্যাঙ্গাস গান অসাধারণ সেভে দলকে বাঁচান। আরেকবার সাইবারির পাস থেকে ওনাহি ফাঁকায় ক্রস পাঠালেও স্কটল্যান্ডের কেউ বলের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।
স্কটল্যান্ডের আক্রমণে তেমন কিছুই ছিল না। কিয়েরান টিয়ার্নির একটি বিপজ্জনক ক্রসই ছিল তাদের সেরা আক্রমণাত্মক মুহূর্ত। বিরতির কাছাকাছি গিয়েও স্কটল্যান্ড একটিও শট নিতে পারেনি। যদিও ৪৭ মিনিটে দুটি শট নিলেও তা ব্লক হয়ে যায়, ফলে মরোক্কান গোলরক্ষক বুনুকে সেভ করতেই হয়নি।
বিরতিতে চিত্র স্পষ্ট
মরক্কো পাঁচটি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রেখেছে, স্কটল্যান্ড এখনও খাতা খুলতে পারেনি। হাইতির বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করা স্কটল্যান্ডের জন্য এই ম্যাচটা এখন পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গের গল্প। দ্বিতীয়ার্ধে স্টিভ ক্লার্কের দলকে বড় পরিবর্তন আনতে হবে, নাহলে ব্রাহিম দিয়াজ-সাইবারি জুটি আরও ক্ষত করতে পারে তাদের।









