ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইডেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে ফ্রান্স। নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোলের দেখা পাচ্ছিল না দিদিয়ের দেশমের দল। শেষ পর্যন্ত ৪৫+২ মিনিটে জালের দেখা পান ফরাসি অধিনায়ক।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে একাদশে চারটি পরিবর্তন এনে মাঠে নামে ফ্রান্স।
নরওয়ের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের একাদশ থেকে লুকাস দিনিয়ে, আদ্রিয়াঁ রাবিও, উইলিয়াম সালিবা ও ব্র্যাডলি বারকোলাকে শুরুর একাদশে রাখেন কোচ দিদিয়ের দেশম। ফলে বেঞ্চে বসতে হয় মানু কোনো, ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া, দেজিরে দুয়ে ও থিও হার্নান্দেজকে।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে সুইডেনও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার হুমকি তৈরি করে। চতুর্থ মিনিটেই আলেকসান্দার ইসাকের শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ। ২১ মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস থেকে এমবাপ্পে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়।
৩২ মিনিটে রাবিওর কাছ থেকে আসা জোরালো শট ঠেকান সুইডিশ গোলরক্ষক ইয়াকব ভিডেল জেটারস্ট্রম। রিবাউন্ডও বিপদমুক্ত করেন অধিনায়ক ভিক্টর লিন্ডেলফ। এর এক মিনিট পরই গোলের খুব কাছে পৌঁছে যায় ফ্রান্স। ওলিসের ক্রস থেকে এমবাপ্পের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
৩৭ মিনিটে অসাধারণ এক ওভারহেড কিকে পোস্টে আঘাত করেন ওলিসে। ফিরতি বলে উসমান দেম্বেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি।
৪০ মিনিটে ওলিসের ফ্রি-কিক থেকে দায়োত উপামেকানোর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৪১ মিনিটে দূরপাল্লার আরেকটি শট নেন এমবাপ্পে, তবে সেটিও জেটারস্ট্রমের হাতে জমা পড়ে।
অন্যদিকে, ৩৮ মিনিটে ইসাকের কাছ থেকে আরেকটি সুযোগ তৈরি হলেও তার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। যোগ করা সময়ে এলিয়ট স্ট্রাউডও ফরাসি বক্সে সুযোগ পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান গড়ে ফ্রান্স। বক্সের বাঁ দিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জোরালো শটে দূরের কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান এমবাপ্পে। গোল করার পর সাম্প্রতিক ব্যক্তিগত কঠিন সময় পার করা কোচ দিদিয়ের দেশমের কাছে গিয়ে উদযাপন করেন তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে অ্যান্থনি এলাঙ্গা বক্সে লুকাস দিনিয়ের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে পেনাল্টির আবেদন করলেও তার আগেই অফসাইডের পতাকা ওঠায় সেটি আর বিবেচনায় আসেনি।
বিরতিতে যাওয়ার আগে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-০।









