দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। দুই বছর পরপর আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে এখন বাংলাদেশের ফুটবলের সম্পর্ক বেশ নিবিড়। ৫ নভেম্বর সাফ আবারও মাঠে গড়াচ্ছে। যার এবারের আয়োজক বাংলাদেশ। তবে জানলে অবাক হবেন যে, সাফের যাত্রার শুরুতে ছিল না বাংলাদেশ। ১৯৯৩ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল মাত্র চারটি দেশ- ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও পাকিস্তান। সেই আসরেই প্রথম দক্ষিণ এশীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ভারত।
দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ১৯৯৩ সালে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে এর নাম ছিল ‘সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন গোল্ড কাপ’। ১৯৯৫ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘সাউথ এশিয়ান গোল্ড কাপ’। ১৯৯৭ সালে আবারও নাম বদলে হয় ‘সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন গোল্ড কাপ’। ২০০৫ সাল পর্যন্ত এই নামেই পরিচিত ছিল প্রতিযোগিতাটি। ২০০৮ সাল থেকে এর নাম হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ফুটবলের উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বর্তমানে সাফের সদস্য সাত দেশ- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। ২০২৩ সালের আসরে দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের দুই দেশ লেবানন ও কুয়েতকেও অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
আফগানিস্তান ২০০৫ সালে সাফের সদস্য হয়েছিল। তবে ২০১৫ সালে মধ্য এশীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কাফা) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগ দিতে সাফ ছেড়ে যায় দেশটি।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। এখন পর্যন্ত ১৪ আসরের মধ্যে ১৩ বার ফাইনালে খেলেছে তারা, শিরোপা জিতেছে ৯ বার। ২০২৩ সালের সর্বশেষ আসরের ফাইনালে কুয়েতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সুনীল ছেত্রীর দল। ফলে তারাই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন।
ভারতের পর সবচেয়ে বেশি সাফল্য মালদ্বীপের। তারা দুবার সাফের শিরোপা জিতেছে। বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
এশিয়া কাপের দলে সাব্বির