লিওনেল মেসি ও রাসেল মাহমুদ জিমির মধ্যে বেশ কিছু মিল রয়েছে। দুজনেরই বয়স ৩৯ বছর। পাশাপাশি দুজনই নিজ নিজ দলের অন্যতম ভরসার নাম। তাই হয়তো জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার জিমিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।
জিমিকে নিয়ে গেরহার্ড বলেছেন, ‘‘তরুণ বয়স থেকে ওকে আমি দেখেছি। আমার কোচিং ক্যারিয়ারে দুজন 'ভেরি ডিফিকাল্ট' খেলোয়াড়কে দেখেছি। একজন ভারতের ধনরাজ পিল্লাই, অন্যজন জিমি। পিল্লাই মোর অ্যারোগেন্ট দ্যান জিমি। ২০০৪ অলিম্পিকে আমি ভারতের কোচ ছিলাম। একদিন আমি হাফটাইমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলছি, সে তখন ফোনে কথা বলছে। আমি বলছি, 'ধনরাজ, এটা তুমি করতে পারো না।’’
জিমির মাঠের নৈপুণ্য ও প্রভাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গেরহার্ড বলেন, ‘জিমি বাংলাদেশের হকির প্রিন্স। বাংলাদেশের হকির মেসিও। সে এমন একজন, যে ম্যাচের কিছু বিশেষ মুহূর্ত তৈরির ক্ষমতা রাখে। আপনার কোনো দরকার নেই সে ৬০ মিনিট একই ছন্দে খেলবে। সে দু–তিন মিনিট ঝলক দেখিয়েই ম্যাচ বদলাতে পারে।’
গেরহার্ডের প্রশংসায় আবেগাপ্লুত জিমিও। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে বয়সের কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার আমাকে ফেরানো হয়েছে। ১৯৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি, ডাবল সেঞ্চুরি হতে ৬টি বাকি। কোচ চূড়ান্ত দলে রাখলে চেষ্টা করবো ২০০ ম্যাচ খেলার লক্ষ্য পূরণের।’








