খেলোয়াড় ও বোর্ডের সমঝোতার মধ্য দিয়ে থামল বেতন ভাতা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের ঝামেলা। বৃহস্পতিবার সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। আর এ ‘মূল সমস্যা’র সমাধানে দেশের ক্রিকেটে আবারও ভক্তদের আস্থা ফিরল বিশ্বাস সিএ’র প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ডের। সব শঙ্কা দূর হওয়ায় পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হবে জানান তিনি।
সমঝোতা চুক্তির পর এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘দুই পক্ষের অনেক আপসের ফসল আজকের এ চুক্তি।’ তিনি আরও যোগ করেছেন, এটা দেশের ক্রিকেট নিয়ে সব ধরনের সংশয় দূর করেছে। আগামী ১০ আগস্ট থেকে ডারউইনে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি খুশিমনে শুরু করতে পারে। সাদারল্যান্ড বলেছেন, ‘প্রাদেশিক ও আন্তর্জাতিক- আমাদের সব খেলোয়াড়রা তাৎক্ষণিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হবে। এছাড়া বাংলাদেশ সফরসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ হবে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী।’
বোর্ডের লভ্যাংশ খেলোয়াড়দের না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিএ। এনিয়ে খেলোয়াড়দের সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানায়। যে কারণে গত ৩০ জুন আগের সমঝোতা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েন ২৩০ ক্রিকেটার। তবে দীর্ঘদিনের বিতর্ক শেষে নতুন চুক্তিপত্রে খেলোয়াড়দের লভ্যাংশ দেওয়ার ব্যাপারটি অন্তর্ভুক্ত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। দাবি অনুযায়ী ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ পাবে ক্রিকেটাররা, যেটা আগে ছিল ২৬ শতাংশ। নতুন চুক্তি অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে নারী ক্রিকেটাররা। তাদের বেতন সাড়ে ৭ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৫৫.২ মিলিয়ন ডলার। এসিএ প্রধান নির্বাহী অ্যালিস্টার নিকলসন বলেছেন, ‘এ বেতন কাঠামোয় লিঙ্গ বৈষম্য নেই। অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বেশি বেতন বাড়ার ঘটনা।’
সব মিলিয়ে খুশি খেলোয়াড়দের সংগঠনের এ প্রধান নির্বাহী, ‘যারা এখন খেলছে এবং ভবিষ্যতে খেলবে, ওইসব ছেলে ও মেয়ে ক্রিকেটারদের জন্য এসিএ খুশি।’ এনডিটিভি, ডেইলি মেইল
/এফএইচএম/








