অপরাধী হলে তাকে জেলে দিন: ইয়োভিচের বাবা

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০:৩১, মার্চ ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:১৯, মার্চ ২৩, ২০২০

লুকা ইয়োভিচ।বিষয়টি একেবারেই চুকেবুকে যায়নি। রিয়াল মাদ্রিদের সার্বিয়ান ফরোয়ার্ড লুকা ইয়োভিচের করোনাভাইরাস কোয়ারেন্টিন আইন ভাঙা নিয়ে সার্বিয়ার সংবাদমাধ্যম এখনও সরব। তার জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। তার বাবা মিলান ইয়োভিচকেও কথা বলতে হচ্ছে সেটি নিয়ে।


ইয়োভিচ সিনিয়র মনে করেন বেলগ্রেডে এসে তার ছেলে যদি কোয়ারেন্টিন আইন ভেঙেই থাকে, তাহলে যে শাস্তিই দেওয়া হোক সেটি তাকে মানতেই হবে। মাদ্রিদ থেকে বেলেগ্রেডে আসার পর ইয়োভিচের স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি থাকার কথা ১৪ দিন। কিন্তু তিনি সার্বিয়ান সরকারের এই আইন না মেনে নাকি বান্ধবীর জন্মদিন উদযাপন করতে গেছেন, এই খবরটাই আগুন জ্বেলে দিয়েছে গোটা দেশে। সমালোচনার ঝড় চলছে তাকে ঘিরে, গালমন্দ শুনতে হচ্ছে তাকে। পালস ওয়ান অনলাইন পত্রিকায় আবারও ২২ বছর বয়সী ছেলের হয়ে সওয়াল করতে হয়েছে ইয়োভিচ সিনিয়রকে। বলেছেন, ‘লুকার দুবার করোনাভাইরাস পরীক্ষা হয়েছে, দুবারই ফল এসেছে নেগেটিভ। এ জন্যই সে ভেবেছিল সার্বিয়ায় আসবে।’
ইয়োভিচের বাবা ছেলের কোনও অপরাধ দেখেন না। তবে রাষ্ট্র যদি প্রমাণ করতে পারে ছেলে অপরাধ করেছে, তাহলে তার শাস্তি মেনে নিতে কোনও আপত্তি নেই তার, ‘এখন মনে হচ্ছে সে-ই মূল আসামী। জেলে যদি তাকে যেতেই হয় যাবে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন (ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি), সেটির সঙ্গে আমি পুরোপুরিই একমত। তবে সে যে অপরাধী এটি আগে প্রমাণ হতে হবে।’
বেলগ্রেডের রাস্তায় বান্ধবী সোফিয়াকে নিয়ে খোশমেজাজে ইয়োভিচ, এরকম কিছু ছবি ছাপা হয়েছে পত্রিকায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মিলান ইয়োভিচ দাবি করেছেন এই ছবিগুলি স্পেনের, যে সময়ে তারা মাদ্রিদে ছিলেন। ইয়োভিচ সিনিয়র এটা বিশ্বাসই করেনা না যে, তার ছেলে ঘরের বাইরে গেছেন, ‘সে যদি ভুল করে থাকে তাহলেই আমি সরকারের সিদ্ধান্ত সমর্থন করবো। কিন্তু সে বেলগ্রেডে এসে বাড়িতেই ছিল। আর সোফিয়া (তার বান্ধবী) তো সন্তানসম্ভবা, জন্মদিন উদযাপনের জন্য তার বাইরে যাওয়ার উপায় নেই। তাদের দুজনের আনন্দময় মুহূর্তের যেসব ছবি বেরিয়েছে, সেগুলো স্পেনের।’

/পিকে/

লাইভ

টপ