সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে বাঁচলেন লিটনপত্নী!

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১২:৪৯, মার্চ ৩০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:২৬, মার্চ ৩০, ২০২০


ডিলিট করে দেওয়া সেই স্ট্যাটাস। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার লিটন দাসের স্ত্রী দেবশ্রী বিশ্বাস সঞ্চিতা। নিজ বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। তবে দুর্ঘটনায় শরীরের অনেক জায়গা পুড়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার। কিন্তু তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে কোন কিছু জানা যায়নি। রবিবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ ঘটনার বিবরণ দেন লিটন দাসের স্ত্রী সঞ্চিতা। যদিও ঘটনাটি রাখঢাকের চেষ্টা করেন তিনি। স্ট্যাটাস দিয়ে কিছুক্ষণ পরই তা ডিলেট করে দিয়েছেন।

ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেওয়া সেই স্ট্যাটাসে সঞ্চিতা লিখেছিলেন, ‘আসলে আমি একটি দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছিলাম। তাই মেসেঞ্জারে অ্যাক্টিভ ছিলাম না, অনেকের উত্তর দিতে পারিনি। গত পরশু বরাবরের মতই আমি রান্নাঘরে যাই চা বানাতে। আমি যখন চুলা প্রথমবার অন করি তখন অল্প জ্বলে তা নিভে গেল। এরপর দ্বিতীয়বার বার্নার প্রেস করতেই বিস্ফোরণ হয়। নতুন বাসা তাই সিলিন্ডার ব্যবহার করি। যদিও সিলিন্ডারটা নিচে ছিল। নিচের সমস্ত কেবিনেটে এক সঙ্গে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হলে যেভাবে আগুন বের হয়, ঠিক সেভাবেই বের হয়েছিল। আমি ডান হাত দিয়ে মুখটা রক্ষা করার চেষ্টা করি। তাই ডান হাতটা বেশি পুড়ে গেছে এবং ঘুরে যাওয়ার কারণে পেছনের প্রায় সব চুলেই আগুন ধরে গিয়েছিল। নিজেকে কোনোভবে রক্ষা করি।’


দুর্ঘটনায় আক্রান্ত সঞ্চিতা সবাইকে সাবধান করে লিখেছেন, ‘আগের দিনই আমার মনে হয়েছিল যে গ্যাস প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। তবে এটা (চুলা) কাজ করায় আমি গুরুত্ব দিচ্ছিলাম না। হয়তো গ্যাস শেষ, তাই এভাবে বিস্ফোরণ হয়েছিল। আমি এটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। আর এটা আমার পক্ষে ভোলাও সম্ভব নয়। কারণ মৃত্যুর অনেক কাছ থেকে ফিরে এসেছি। সামনে হাত দিয়ে ঘুরে না দাঁড়ালে পুরো মুখটাই পুড়ে যেত। এখন আমার চুল কাটতে হবে। এটা খুব কষ্টদায়ক। তবে ঠিক হয়ে যাবে। যদি মুখে আগুন লেগে যেত, কী হতো জানিনা। তাই এসব ক্ষেত্রে সবসময় সবাই খুব সাবধান থাকবেন। আপনাদের সকলের দোয়া প্রার্থী।’

লিটন দাসও স্বীকার করলেন দুর্ঘটনার কথা, 'হ্যাঁ ভাই। বড় এক বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি আমরা। রান্নার সময় ওর হাতের একটা অংশে আগুনের আঁচ লেগে চামড়া কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, চুলেও লেগেছে। যে কারণে চুল ছোট করতে হয়েছে। ডাক্তার বলেছে দুই সপ্তাহ লাগবে, ঠিক হয়ে যাবে। আশা করছি বড় কোন সমস্যা হবে না।'

/আরআই/এফআইআর/

লাইভ

টপ