করোনাভাইরাস: ৫০ শতাংশ বেতন কাটা যাচ্ছে নেইমারের

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৫:৪৭, এপ্রিল ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৫১, এপ্রিল ১০, ২০২০

গত মাসের শেষ সপ্তাহে সেন্ত এতিয়েনের সভাপতি বের্নার্দ কাইয়জো জানিয়েছিলেন, করোনাভাইরাসে খেলা বন্ধ থাকলে ছয় মাসের মধ্যে ফ্রান্সের প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগের অনেক ক্লাব দেউলিয়া হয়ে যাবে। না খেললেও বেতন তো ঠিকই দিতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের। ক্লাব ও কর্মচারীদের বাঁচাতে ইউরোপের অনেক ক্লাবই তাই খেলোয়াড়দের বেতন কাটছে। ফরাসি ফুটবলও সেই পথেই হাঁটছে যাচ্ছে।

ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনের খবর, করোনাভাইরাসের কঠিন এই সময়ে কর্মী ছাঁটাই ঠেকাতে বেশি বেতন পান, এমন খেলোয়াড়দের বেতন কাটার পরিকল্পনা করছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল। তাছাড়া ক্লাবের আর্থিক অবস্থাও ঠিক রাখা জরুরি মনে করছে তারা। কারণ নানা দিক থেকে সমস্যার মধ্যে পড়ছে ফরাসি ক্লাবগুলো। এই যেমন খেলা বন্ধ থাকায় কানাল প্লাস ও বিইন স্পোর্টস টেলিভিশন স্বত্বের টাকা দিতে রাজি নয়। বর্দোর সঙ্গে তো স্পন্সররাও চুক্তিই বাতিল করে ফেলেছে!

এই পরিস্থিতিতে নেইমার ও তার মতো শীর্ষ খেলোয়াড়, যারা মোটা অঙ্কের বেতন পান, তাদের ৫০ শতাংশ বেতন কাটা যাচ্ছে বলে একটি সূত্র ইএসপিএনকে নিশ্চিত করেছেন। ‍সূত্রের বরাত দিয়ে ইএসপিএন ছেপেছে, ফ্রান্সের ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব প্রফেশনাল ফুটবল প্লেয়ার্স (ইউএনএফপি) ও অর্থ মন্ত্রণালয় সাময়িক সময়ের জন্য পেশাদার খেলোয়াড়দের বেতন কমানোর ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছেছে।

সেই পরিকল্পনার একটি গ্রাফও তৈরি করা হয়েছে। ফরাসি ফুটবলে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া খেলোয়াড় নেইমার। তার বেতন কাটার পরিমাণও বেশি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের মতো যারা মাসে ১ লাখ ইউরোর বেশি বেতন পান, তাদের কাটা যাবে ৫০ ভাগ। ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ইউরোর মধ্যে থাকা খেলোয়াড়দের বেতন কাটা যাবে ৪০ শতাংশ। ২০ থেকে ৫০ হাজার ইউরো থেকে যাবে ৩০ শতাংশ। আর ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার ইউরোর খেলোয়াড়রা পাবেন ২০ শতাংশ কম বেতন।

তবে ১০ হাজার ইউরোর নিচে বেতন পাওয়াদের কোনও অর্থ কাটা যাচ্ছে না। সেই হিসাবে বলা যায়, সাময়িকভাবে ‘বেকার’ হয়ে যাওয়ার পরও ফ্রান্সের ঘরোয়া লিগের খেলোয়াড়রা গড়ে ৭০ ভাগ বেতন পাবেন। এ প্রসঙ্গে আগেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন ইউএনএফপি সভাপতি ফিলিপে পিয়াত, ‘আমরা কাউকে জোর করতে পারি না। অবশ্য বড় অংশই এটার বিরোধিতা করবে না। আমরা সবাইকে পরামর্শ দেবো এটা মেনে নিতে, যাতে চাকরি বাঁচে।’

/কেআর/

লাইভ

টপ