নিজেকে বদলানোর চেষ্টায় নাজমুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৫৯, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৪, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

অনুশীলনে নাজমুল হোসেন শান্ত। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের ধাপ পেরিয়ে আসা নাজমুল হোসেন শান্তকে সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারই ভাবেন নির্বাচকরা। সেই কারণে গত কয়েক বছর ধরে জাতীয় দল কিংবা তার আসে পাশেই ছিলেন তিনি। এমনকি নাজমুলকে যথাযথভাবে তৈরি করতে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে দলের সঙ্গেও রেখেছিল। কিন্তু যেভাবে সুযোগ পাচ্ছিলেন, ঠিক সেভাবে প্রতিদানটা দিতে পারছিলেন না। সেই উপলব্ধি থেকে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করছেন টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যান।

নাজমুল নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। কিন্তু আগের চার ইনিংসের ব্যর্থতায় প্রায় দেড় বছর আর কোন ম্যাচ খেলারই সুযোগ হয়নি তার। চলতি বছর পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টে ভালো খেলে আবার আলোচনায় আসেন। শেষ তিন ইনিংসে নাজমুলের রান ছিল ৭১, ৩৮ ও ৪৪। শুধু তাই নয়, সর্বশেষ লংগার ভার্সন ক্রিকেট বিসিএলেও ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। সবমিলিয়ে অভিজাত এই সংস্করণে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন এই তরুণ।

বৃহস্পতিবার মিরপুরের অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে নাজমুল নিজেকে বদলে ফেলার রেসিপিটা জানালেন, ‘অতীতে যে ভুলগুলো ছিল বা অতীতে যেসব ভালো ফল করেছি। সেসব নিয়ে চিন্তা করার খুব ভালো একটা সুযোগ ছিল। আমি মনে করি যদি সামনে সুযোগ পাই, তাহলে এই অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগবে। এই মুহূর্তে আমি আমার খেলাটা খুব ভালো করে বুঝতে পারছি।’

কীভাবে ইনিংসগুলোকে বড় করা যায়, কীভাবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করা যায়, সেই দিকেই এখন লক্ষ্য নাজমুলের, ‘আমার মনে হয় লাস্ট দুই তিনটা ইনিংস ভালো ব্যাটিং হয়েছে। আমি সবচেয়ে যে জিনিসটা চাই, তা হল ইনিংসগুলো যেন লম্বা হয়। আর নিয়মিত পারফরম্যান্স যেন করতে পারি।’

প্রত্যেকে ক্রিকেটারের মতো নাজমুলেরও লকডাউনের সময়টা খুবই বাজে কেটেছে। করোনাকালের হতাশা তিনি আর গোপন করেননি, ‘লকডাউনটা কষ্টকর ছিল কারণ ক্রিকেট খেলা শুরু করার পর থেকে এরকম লম্বা একটা ব্রেক কখনোই পাইনি। মাঠ ছাড়া বাসার মধ্যে এতদিন থাকা, অনেক কঠিন ছিল। কিন্তু ইতিবাচক দিক হলো অনেকদিন পর আবার মাঠে ফিরতে পারছি, ভালো লাগছে। আশা করি, আমরা সবাই আবারও আগের ছন্দ ফিরে পাবো।’

শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দল এখন জীবানু সুরক্ষিত বলয়ে অনুশীলন করছে। হোটেল সোনারগাঁওয়ের একটি ফ্লোরে আটকা থেকে প্রতিদিন রুটিন আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিম বাসে করে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলনের জন্য আসা যাওয়া করতে হচ্ছে। এছাড়া করোনার কারণে দুই দিন পর পরই ক্রিকেটারদের টেস্ট করতে হচ্ছে। বিষয়টি অস্বস্তিকর উল্লেখ করে নাজমুল বলেছেন, ‘এটা অবশ্য অনেক কঠিন, করোনা টেস্ট দুই দিন পর পর করতে হচ্ছে, এই জিনিসটা একটু অস্বস্তিকর লাগে। নাকের ভেতর কিট দেওয়া, পরীক্ষা করা- এ বিষয়টা আমার জন্য অস্বস্তিকর। আর কোয়ারেন্টিনে থাকতে কারোরই ভালো লাগে না। এতো সিকিউরিটির মধ্যে থাকা ভালো লাগে না। কিন্তু আস্তে আস্তে মানিয়ে নিচ্ছি, মানসিকভাবে এভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

 

/আরআই/এফআইআর/

লাইভ

টপ