‘লাল মেশিনের’ সঙ্গে পেরে ওঠেনি সেভিয়া

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৫:১০, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৭, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০

উয়েফা সুপার কাপ জিতলো বায়ার্ন মিউনিখ                    - ছবি: উয়েফা                   একটা সময় পর্যন্ত মনে হচ্ছিল সেভিয়া জিতেও যেতে পারে। চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনার ৮-২ লজ্জার কিছুটা মুছে দিতে পারে লা লিগার সহযাত্রীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেভিয়া অফুরন্ত শক্তির ‘লাল মেশিন’ বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হার মানতে বাধ্য হলো। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় বায়ার্ন ২-১ গোলে জিতে উড়ালো কনফেত্তি। আরেকটি ট্রফি জিতলো বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা। চারে চার। ঘরোয়া ‘ডাবল’ বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপের পর ইউরোপের ডাবল চ্যাম্পিয়নস লিগ ও উয়েফা সুপার কাপ।  

সেভিয়া হেরেছে বটে, তবে ১০৪ মিনিটের লড়াইয়ে বায়ার্নের ইস্পাতকঠিন স্নায়ুকে ভালোই নাড়িয়ে দিয়েছে। একজন স্প্যানিশই স্প্যানিশ দলটির দুঃখের কারণ হয়েছেন- জাভি মার্তিনেজ। ডেভিড আলাবার শট সেভিয়া গোলকিপার বোনো থাবা দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার পর সেটি চলে যায় বদলি নামা মার্তিনেজের মাথার নাগালে। দীর্ঘদেহী স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের হেড চলে যায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। হাঙ্গেরির রাজধানীতে উয়েফা সুপার কাপ জয়ের উৎসব করেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

আলাবাই বক্সে ইভান রাকিতিচকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি উপহার দেন সেভিয়াকে। ১২ মিনিটে স্পট কিকে গোল করেন লুকাস ওকাম্পোস। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠ থেকে উঠে গেলেও বার্সেলোনা থেকে কদিন আগে সাবেক ক্লাব সেভিয়ায় যোগ দেওয়া রাকিতিচ ছিলেন যথেষ্টই উজ্জ্বল। পেনাল্টি এনে দিয়ে ভূমিকা রাখলেন ক্লাবের দ্বিতীয় অভিষেকেই। ৩৪ মিনিটে লেওন গোরেৎস্কার গোলে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচের নিষ্পত্তি হলো অতিরিক্ত সময়ে মার্তিনেজের গোলে।

চ্যাম্পিয়নস লিগের মতো দর্শকশূন্য ছিল না স্টেডিয়াম। ৬৭ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে সাড়ে দর্শক ছিল সাড়ে ১৫ হাজার। ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন সেভিয়ার সমর্থনে স্পেন থেকে আসে শ পাঁচেক দর্শক। চ্যাম্পিয়নস লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের সমর্থনে জার্মানি থেকে আসে ১০০০ দর্শক।

ম্যাচে বায়ার্নের আক্রমণই বেশি ছিল। আরও দুবার তারা জালে বল পাঠিয়েও গোল বাতিলের বাঁশি শুনেছে। দ্বিতীয়ার্ধে একবার লেরয় সানে জালে বল পাঠিয়ে উল্লাস করেন, কিন্তু রেফারির হুইসেল জানিয়ে দেয় আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় বক্সে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে ফাউল করেছিলেন লেভানডভস্কি। এর আগে লেভানডভস্কিও জালে বল পাঠিয়ে গোলের উদযাপন করেন, কিন্তু রেফারির হুইসেল বলে দেয় অফসাইডের ফাঁদে পড়েছিলেন পোলিশ স্ট্রাইকার।

আক্রমণের ধার কম থাকলেও সেভিয়া ভালোই পরীক্ষা নিয়েছে বায়ার্নের। তাদের উইং প্লে ছিল দারুণ। অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আগে ম্যাচটি তাদেরই হতে পারতো যদি না ৮৭ মিনিটে অসাধারণ এক সেভ করতেন ম্যানুয়েল নয়্যার। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে বদলি মিডফিল্ডার ইউসেফ এন নেসিরি শট নেন গোলে, একেবারে মুখোমুখি অবস্থায় অবিশ্বাস্য সেভ করেছেন বায়ার্ন গোলকিপার।    

/পিকে/

লাইভ

টপ