টোকিও অলিম্পিকের জন্য অ্যাথলেটিকস ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে তিনজনকে বাছাই করা হয়েছিল। দ্রুততম মানব মোহাম্মদ ইসমাইল ও মানবী শিরিন আক্তারের সঙ্গে ৪০০ মিটার দৌড়ে জহির রায়হান ছিলেন তালিকায়। শেষ পর্যন্ত ফেডারেশন জহিরকেই চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে। কিন্তু এই বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইসমাইল। তার দাবি, ‘আমার সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে।’
গত মাসে হওয়া বাংলাদেশ গেমসে আবারও দ্রুততম মানব হয়েছেন নৌবাহিনীর ইসমাইল। এরপর ইরানের একটি আনর্তজাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। বুধবার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত দেখে ইসমাইল যেন ক্ষোভে ফেটে পড়লেন, ‘আসলে ফেডারেশনের সিলেকশন কমিটি এটা চূড়ান্ত করেনি। করেছে মন্টু স্যার (আব্দুর রকিব মন্টু) নিজেই! আমি জানতে পেরেছি, কোনও বাছাই প্রক্রিয়াই তো হয়নি। ঠিকভাবে করলে হয়তো আমার নামই আসতে পারতো। আসলে আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।’
চূড়ান্ত হওয়া জহির সম্পর্কে তার ব্যাখ্যা, ‘ও তো সবশেষ বাংলাদেশ গেমসে অংশ নেয়নি। তাহলে ও কীভাবে অলিম্পিকের জন্য মনোনোয়ন পেয়েছে? ওর সবশেষ পারফরম্যান্স তো দেখা হয়নি।’
যদিও সিলেকশন কমিটির আহ্বায়ক ও ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ফারুকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমার কাছে ফেডারেশন জানতে চেয়েছিল। আমি লিখিতভাবে বলেছি, সবশেষ পারফরম্যান্স দেখে অ্যাথলেট চূড়ান্ত করতে হবে। সেক্ষেত্রে তো জহির সবশেষ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি। তাহলে শিরিন কিংবা ইসমাইলের মধ্যে একজন হতে পারতো। এখন ফেডারেশন এটা ভালো বলতে পারবে।’
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মন্টু অবশ্য আগেই সিলেকশন কমিটির ওপর দায় চাপিয়েছেন, ‘আমাদের সিলেকশন কমিটি সবকিছু দেখেশুনে জহির রায়হানকে মনোনীত করেছে। টোকিও অলিম্পিকে জহিরই আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবে।’









