জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রতি বছরই দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু এই পুরস্কারে জট লেগেছে। ২০১২ সাল পর্যন্ত দেওয়া হলেও এরপর থেকে দীর্ঘ বিরতি। এবার ক্রীড়া মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছে ২০১৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ঘোষিত পুরস্কারপ্রাপ্তদের একসঙ্গে ক্রীড়া পুরস্কার তুলে দেওয়ার।
আগামীকাল (বুধবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে উপস্থিত থেকে পুরস্কার দেবেন। তবে আগামীতে পুরস্কার যেন নিয়মিত দেওয়া হয়, সেদিকে জোর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্ত ৮৫ জন খেলোয়াড় ও সংগঠকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালও রয়েছেন। খেলোয়াড় ও সংগঠক দুই ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। পুরস্কারপ্রাপ্তরা প্রত্যেকে ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক ও এক লাখ টাকার পাশাপাশি সম্মাননাপত্র পাবেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল দীর্ঘদিনের অচলায়তন ভাঙতে পেরে খুশি, ‘অবশেষে চূড়ান্তভাবে ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করছি। আনন্দিত আমরা, সব একসঙ্গে দিতে পেরে। অচল অবস্থা ছিল, সেটা কাটতে যাচ্ছে।’
৮৫ জন সংগঠক ও খেলোয়াড় এবার পুরস্কার পাচ্ছেন। এরমধ্যে কারও কারও পুরস্কার নিয়ে আপত্তি উঠেছে। তবে যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘তিনটি কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাচাই হয়ে থাকে। এর আগে ফেডারেশন থেকে নাম আসে। কেবিনেট মিটিংয়ে চূড়ান্ত হয় সবকিছু। তারপরও কারও কারও বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা আমরা জরুরি সভা করে দেখবো। যেন কোনও জটিলতা না থাকে।’
৮৫ জনের মধ্যে পাঁচজন মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন। এছাড়া প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দেরও দেওয়া হচ্ছে ক্রীড়াক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় এই পুরস্কারটি।









