তৃণমূল থেকে ক্রীড়াবিদ তুলে আনার লক্ষ্যে রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে শেখ কামাল যুব গেমসের দ্বিতীয় আসরের চূড়ান্ত পর্ব। আর্মি স্টেডিয়ামে সন্ধ্যায় গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবল, হ্যান্ডবল, হকি, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, জুডো ও তায়কোয়ানদো। যদিও উদ্বোধনের আগেই আজ থেকে ভলিবল ও দাবা শুরু হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে করার চেষ্টা করছে আয়োজকরা। ৯০ মিনিটের অনুষ্ঠানে অন্যতম আকর্ষণ থাকছে আতশবাজি। শেষদিকে তিন মিনিট হবে এই প্রদর্শনী। এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যান্ড দলের জাতীয় সংগীত বাজানো দিয়ে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
তারপর তিন মিনিট গেমসের বিভিন্ন ইভেন্টের অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী রয়েছে। খেলোয়াড়দের ভেন্যুতে আগমন ও প্যারেডের পর বক্তব্য শেষে উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশাল মাঠ প্রদক্ষিণ করবে, বাজবে থিম সং। গেমসের মশাল প্রজ্বালন করবেন এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণজয়ী স্প্রিন্টার ইমরানুর রহমান ও ২০১৯ সালের এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী কারাতেকা মারজান আক্তার প্রিয়া।
গেমসে ক্রীড়াবিদদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন দেশের দ্রুততম মানবী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্প্রিন্টার শিরিন আক্তার। বিচারকদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়ব হাসান শামছুজ্জামান। শেষের দিকে এএসপিটিএস ও ভারতেশ্বরী হোমসের প্রদর্শনীও রয়েছে।
আয়োজক বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, দেশের বর্তমান অবস্থা চিন্তা করে আমরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সেভাবেই করতে চাইছি। অন্য প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকছে আতশবাজিও। যদিও দেশের বাইরে থেকে তা আনা হচ্ছে না। দেশের ভেতরে এখন তৈরি হচ্ছে। সেখান থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে। আশা করছি, সবকিছু সুন্দর ভাবে হবে।’
গেমসে আটটি বিভাগের ২৪ ডিসিপ্লিনে ১৯৩ স্বর্ণ, ১৯৩ রুপা ও ২৮৭ ব্রোঞ্জ পদকের জন্য লড়বেন প্রায় ৪ হাজার ক্রীড়াবিদ। ২ থেকে ১০ জানুয়রি অনুষ্ঠিত হয়েছে গেমসের প্রাথমিক পর্বের খেলা। ১৬ থেকে ২২ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত পর্বের পর্দা নামবে ৪ মার্চ।









