বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্রীড়া ফেডারশেনের নিজস্ব আয় নেই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সামান্য অনুদানে চলতে হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আয়ের আবার অন্যতম উৎস স্টেডিয়াম সংলগ্ন দোকান ভাড়া। সেখান থেকে বেশি অর্থ পেলে ফেডারেশনগুলোরে ক্রীড়া খাতে সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রীড়া উপদেষ্টার। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রাপ্ত ভাড়া ও দোকানদারদের প্রদেয় ভাড়ায় রয়েছে তারতম্য। এই বিষয় নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি কমিটি করেছে।
কমিটির আহ্বায়ক ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব অণুবিভাগের যুগ্ম সচিব কাজী মোশতাক জহির। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম সদস্য ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীমা আক্তার কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন।
এই কমিটির কাজ হবে দোকানের লিজ প্রক্রিয়া, এতে ক্রীড়া পরিষদের লাভ কী হয়েছে, আইনগত দিকের পাশাপাশি বর্তমান আর্থিক বাস্তবতার বিষয়ও পর্যালোচনা করবে। আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে এই কমিটিকে মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।









