নতুন সরকার আসার পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এরই মধ্যে একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্তের পাশাপাশি বদলি করা হয়েছে। এই তালিকায় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রশিদুজ্জামান সেরনিয়াবাত ও আইন কর্মকর্তা এস এম কবিরুল ইসলাম রয়েছেন। গত ১ অক্টোবর কবিরুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আর ২৫ নভেম্বর প্রায় ৭০ লাখ টাকা চেয়ে ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে তাকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রশাসক মো. নিয়াজুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আইন কর্মকর্তা পদটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত নয়। উক্ত পদে থেকে ২০১২ সালের ১৭ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে ৬৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৯ টাকা নিয়েছেন।
এরূপ অর্থ গ্রহণে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে অডিটে আপত্তি উঠেছে। সেই অর্থ আদায়যোগ্য মনে করছে ক্রীড়া পরিষদ। অনতিবিলম্বে এই অর্থ ক্রীড়া পরিষদের তহবিলে জমা দিতে বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ঘর ভাড়া বাবদ ১২ হাজার ৩০৬ টাকাও জমা দিতে বলা হয়েছে।
ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে জানা গেছে অর্থ ফেরত না পেলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্হা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কবিরুলের সঙ্গে রাতে ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।









