২২ - ৩০ এপ্রিল চীনের সানিয়া শহরে হতে যাচ্ছে এশিয়ান বিচ গেমসের ষষ্ঠ আসর। বাংলাদেশ থেকে গেমসে অংশ নিচ্ছে ৬ থেকে ৩১ খেলোয়াড়। যারা প্রস্তুতি সেরেছে পল্টনের আউটার স্টেডিয়াম ও পূর্বাচলে। এই দু’জায়গায় বালু দিয়ে অস্থায়ী মাঠ বানিয়ে অনুশীলন করার অভিজ্ঞতা নিয়ে মূল টুর্নামেন্টে তাদের অংশ নিতে হচ্ছে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে!
বিচ গেমসের প্রস্তুতির জন্য সহায়ক কক্সবাজারসহ দেশে আরও বিচ থাকার পরও কেন ‘কৃত্রিম বিচ’ বানিয়ে অনুশীলন করেছেন তারা? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব জোবায়দুর রহমান আজ বিওএ’র সংবাদ সম্মেলন কক্ষের বাইরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘সময় স্বল্পতা ছিল। আর কক্সবাজারে গেলে খরচটা আরও বাড়তো। তবে ৩০০ ফিটে আমরা ভালোভাবেই সেই মানের একটা প্রস্তুতি নিতে পেরেছি।’
গেমসের শেফ দ্য মিশন বিওএ’র সহ সভাপতি মেজর(অব.) ইমরোজ আহমেদ অবশ্য প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমাদের দিক থেকে প্র্যাকটিসের ঘাটতি আমরা অন্ততপক্ষে দেখিনি। কারণ অলিম্পিক থেকে এটা মনিটরিং করা হয়েছে।’
বিচ গেমসের বাজেট প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। তার মধ্যে প্রশিক্ষণ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ২.১৫ কোটি। অর্থায়নটা আপাতত বিওএকে করতে হচ্ছে। পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অর্থ ছাড় দিলে তা সমম্বয় করা হবে।
এশিয়ান বিচ গেমসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্জন তিন ব্রোঞ্জ। তিন পদকই কাবাডি থেকে এসেছে। প্রস্তুতি অস্থায়ী অনুশীলন মাঠে হলেও এবারও কাবাডিতেই পদকের আশা। মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদের আশা, ‘কাবাডি আগেও ভালো করেছে। আশা করি, এবারও তারা পদক নিয়ে ফিরবে।’
এবারের বিচ গেমসে অংশ নেবে ৪৫ দেশের ১ হাজার ৮০০ জন খেলোয়াড়। কাবাডি ছাড়াও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস, সুইমিং, হ্যান্ডবল, রেসলিং ও ভলিবলে অংশ নিচ্ছে।









