বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (বিএসপিএ) আয়োজনে ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ফাউন্ডেশন অদম্য নারী’ শিরোনামে নারী ক্রীড়াবিদদের মিলনমেলা বসেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে। শনিবার বিকাল ৪টায় এক ছাদের নিচে মিলিত হয়েছিলেন দেশের সফল নারী ক্রীড়াবিদরা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক আসরে ২০ জন স্বর্ণপদক পাওয়া নারী ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা জানানো হয়। এরা হলেন- মাহফুজা খাতুন শিলা (সাঁতার), মাবিয়া আক্তার সীমান্ত (ভারোত্তোলন), শারমিন ফারজানা রুমি (তায়কোয়ান্দো), শাম্মী আক্তার (তায়কোয়ান্দো), মুন্নি খানম (কারাতে), জ উ প্রু (কারাতে), উসাইনু মারমা (কারাতে), মরিয়ম খাতুন (কারাতে), ইতি ইসলাম (উশু), শারমিন আক্তার রত্মা (শ্যুটিং), সৈয়দা সাদিয়া সুলতানা (শ্যুটিং), তৃপ্তি দত্ত (শ্যুটিং), শারমিন আক্তার (শ্যুটিং), ফৌজিয়া হুদা জুঁই (অ্যাথলেটিকস), লাভলী চৌধুরী আঁখি (শ্যুটিং), রহিমা খানম যুঁথি (অ্যাথলেটিকস), সাবরিনা সুলতানা (শ্যুটিং), কাজী শাহানা পারভীন (শ্যুটিং), মোল্লা সাবিরা সুলতানা (ভারোত্তোলন) ও শাহরিয়া সুলতানা সুচি (ভারোত্তোলন)। এছাড়া ক্রীড়ায় বিশেষ অবদান রাখায় রানী হামিদকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর প্রধান অতিথি হিসেবে কৃতী নারী ক্রীড়াবিদদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
দাবার রানী রানী হামিদ বিশেষ সম্মাননা পেয়ে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে। অদম্য নারী- এমন পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। অনেককেই আজ দেখতে পেরেছি এই অনুষ্ঠানের কল্যাণে। তাই আমার মনটাও ভালো। বিদেশের মাটিতে লাল সবুজের পতাকা উড়ানো এই মেয়েদের দেখে আমি খুব আনন্দিত। ধীরে ধীরে এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে-এই প্রত্যাশাই করছি।’
১৯৯১ ও ১৯৯৯ সাফ গেমসে স্বর্ণ জয়ী শ্যুটার কাজী শাহানা পারভীন বলেন, ‘অদম্য নারী শিরোনাম শুনলেই স্পিরিট বেড়ে যায়। খুব ভালো লাগছে সম্মাননা পেয়ে। নতুনদের জন্য শুধু এটুকুই বলব- সাধনা কর, ফল পাবে।’
১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সাফ গেমসে স্বর্ণজয়ী শ্যুটার সাবরিনা সুলতানা বলেন, ‘অদম্য নারী শব্দ দু’টাই ভালো লাগে। দেশের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এটা ভাবতেই ভালো লাগে।’
গৌহাটি-শিলং এসএ গেমসে দু’টি স্বর্ণজয়ী সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলার কথা, ‘স্বর্ণ জয়ের পর যেন সংবর্ধনায় ভাসছি। তবে ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন ক্রীড়ালেখক সমিতির কাছ থেকে এমন সম্মাননা পেয়ে আমি গর্বিত। আশাকরি এই পুরস্কার আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’
সাফ স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত বলেন, ‘স্বর্ণজয়ের পর আমার জীবনে আশাতীত পরিবর্তন এসেছে। তবে আগামীতে সাফল্য পেতে হলে আমাদের জিমন্যাশিয়াম আরও বড় করা প্রয়োজন।’
/আরএম/এফআইআর/








