জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার আগে সীমিত ওভারের দলে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের অনুশীলনের করার কথা ছিল আজ। সোমবার ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের মাঝে- মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, রুবেল অনুশীলন করলেও সেখানে ছিলেন না নাঈম শেখ ও সাইফউদ্দিন।
জানা গেছে, বিসিবির একাডেমিতে একজন স্টাফের করোনা পজিটিভ আসায় ভয়ে অনুশীলন করেননি সাইফউদ্দিন-নাঈম। ক্রিকেটাররা যেহেতু মিরপুরের একাডেমিতেই থাকেন, তাই সতর্ক থাকতেই তারা অনুশীলনে যোগ দেননি। ইতোমধ্যে প্রথম করোনা পরীক্ষায় তাদের ফল নেগেটিভ এসেছে। তবে সতর্কতা হিসেবে আরও একবার পরীক্ষা করাবে বিসিবি।
এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই নিয়ে আপাতত কোন শঙ্কা নেই। কেননা প্রথম পরীক্ষায় তারা নেগেটিভ হয়েছে। ওরা দুইজন অনুশীলন না করলেও সমস্যা নেই, বাকিরা তো করেছে। তবে আমরা আবারও পরীক্ষা করাবো।’
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ জুলাই ভোরে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে উড়াল দিচ্ছেন মোস্তাফিজ-সাইফাউদ্দিনরা। জিম্বাবুয়েতে বাংলাদেশ দলকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে না। তবে অনুশীলনের অনুমতি পেতে ক্রিকেটারদের করোনা নেগেটিভ হতেই হবে। বিমানবন্দরে নেমে আবারও করোনা পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে সীমিত ওভারে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের।
৫০ ওভারের দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন- নাঈম শেখ, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজ, মোসাদ্দেক ও রুবেল। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি দলে আছেন সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, শামীম হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।
৮ বছর পর জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়া বাংলাদেশ দলের মাঠের লড়াই শুরু হবে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। আট বছর আগে ২০১৩ সালের সর্বশেষ সিরিজে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করলেও ওয়ানডে সিরিজে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবারও তিন ফরম্যাটে খেলতে পূর্ণশক্তির দল যাচ্ছে জিম্বাবুয়েতে।
আগামী ৭ জুলাই একমাত্র টেস্ট ম্যাচ দিয়ে শুরু দু’দলের লড়াই। তার আগে দুই দিন অনুশীলন করার সুযোগ থাকছে সাকিব-তামিমদের। এরপর ১৬, ১৮ ও ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তিন ওয়ানডে। ২৩, ২৫ ও ২৭ জুলাই তিনটি টি-টোয়েন্টিতে লড়বে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে। টেস্টের মতো সীমিত ওভারের সব ম্যাচও হবে হারারেতে।







