টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির ১৭ বছরের মাথায় প্রথমবারের মতো ভারত সফর করল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে দুই দেশের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি। সেই অর্থে এই টেস্টটি এক কথায় ঐতিহাসিকই বলা চলে।
ঐতিহাসিক এই টেস্ট ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে হায়দরাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশন একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে বহুবছর ধরে বন্ধ থাকা পুরনো এ ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করেছে হায়দরাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশন।
বৃহস্পতিবার ম্যাচ শুরুর পর হায়দারাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশনের (এইচসিএ) সাবেক সেক্রেটারি ও বইটির সম্পাদনাকারী এবং ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজার পিআর মানসিং উপস্থিত সব সাংবাদিকদের হাতে স্মারক গ্রন্থটি তুলে দেন।
এই স্মারক গ্রন্থটি সাজানো হয়েছে বিখ্যাত ক্রিকেটার এবং লেখকদের লেখা এবং নানা দুষ্প্রাপ্য তথ্য দিয়ে। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্কের নানা পরিসংখ্যান এবং তথ্য।
স্মারক গ্রন্থটি সম্পাদনা, ডিজাইন এবং প্রকাশের দায়িত্বে রয়েছেন হায়দারাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশনের (এইচসিএ) সাবেক সেক্রেটারি এবং ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজার পিআর মানসিং।
এই স্মরণিকায় লিখেছেন সাবেক ক্রিকেটার আব্বাস আলি বেগ, মহিন্দর অমরনাথ, চারু শর্মা, ভিভিএস লক্ষণ, এস ভেঙ্কাটারাগাভান, সৈয়দ কিরমানি, সাদ বিন জং, ইউসুফ রহমান বাবু, পার্তাব রামচাঁদ, আর মোহন, সলোমন এস কুমার, ভি ভি সুভ্রামানিয়াম, বিজয় লোকাপালি, এন জগন্নাথ দাস, বিখ্যাত ক্রিকেট লেখক আর মোহন, হার্শা ভোগলে, সুরেশ মেননের, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
হায়দরাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশনের এই স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঐতিহ্য ছিল বহু আগে। যখনই কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর কোনও জাতীয় ক্রিকেট দল হায়দারাবাদে খেলতে আসতো, তখন এই এসোসিয়েশন ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করত। কিন্তু নিয়মটা নব্বই দশকের শুরুর দিকে এসে থেমে যায়। গত কয়েক দশক ধরে আর কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ উপলক্ষে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কোনও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করেনি।
তবে এবার ভারতে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে পুরনো সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত উদ্যোগ নিল হায়দরাবাদ ক্রিকেট এসোসিয়েশন।
/আরআই/এফএইচএম/








