৬৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ধুকছিল, তখন ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু ৮২ রানের ইনিংস খেলে যেভাবে আউট হলেন, সেই সমালোচনা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় নেই বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের। দিনশেষে তাই সাকিবকেই দাঁড়াতে হবে কাঠগড়ায়।
মুমিনুল ফিরে যাওয়ার পর সাকিব যখন ক্রিজে নামলেন, হায়দরাবাদ রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামের গ্যালারির এক পাশ ‘সাকিব-সাকিব’ ধ্বনিতে মুখরিত! আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলে বেশ আগেই ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন সাকিব। সেই হিসেবে ঘরের ছেলেই সাকিব!
শনিবার দলের প্রাথমিক বিপর্যয়ে ব্যাট হাতে দারুণ কিছু করার প্রয়োজন ছিল সাকিবের। শুরুটা ভালো করেও শেষে এসে তরী ডোবালেন তিনি নিজেই।
মিডঅনে বাজে একটি শট খেলে অশ্বিনের বলে যাদবের তালুবন্দী হন সাকিব। নিউজিল্যান্ডে সিরিজেও বেশ কয়েকবার এমন করে আউট হয়েছেন সাকিব। ওয়েলিংটন টেস্টের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে দায়িত্বজ্ঞাণহীনতার পরিচয় দিয়ে সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন সাকিব। শনিবার হায়দরাবাদে আবারও তারই পুনরাবৃত্তি মঞ্চায়ন করলেন তিনি।
শনিবার চা বিরতির কয়েক ওভার আগে সাকিব আউট হয়েছেন। ওই মুহূর্তে ওই শটটি একদমই অপ্রয়োজনীয় ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের সেরা এই ক্রিকেটার ভেতরে ঢুকে যাওয়া অশ্বিনের বলটি উঠিয়ে মারতে গিয়ে আউট হলেন।
যদিও আউট হওয়ার আগে ব্যক্তিগত একটি মাইফলকে পৌঁছাতে পেরেছেন সাকিব। ভারতের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি ছিল না তার। শনিবার সেটা অর্জন করেছেন তিনি।
অশ্বিনের বলেই ঝুঁকিপূর্ণ একটি শট খেলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই অলরাউন্ডার। ৬৯ বলে ১০ চারে তিনি পৌঁছান এই মাইফলকে। শেষ পর্যন্ত ১০৩ বলে ১৪ চারে তিনি তার ৮২ রানের ইনিংসটি সাজান।
/আরআই/এফএইচএম/








