বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড ২৫১ রান সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশকে জিততে হলে করতে হবে ২৫২ রান। এই মাঠে গত বিশ্বকাপে ৩১৯ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাস সঙ্গে করেই ব্যাটিংয়ে নামবে টাইগাররা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে টসে জিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাশরাফির সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল সেটা বোঝা গেলো কিছু মুহূর্ত পরেই।
নেলসনে খুব ভালোভাবেই কিউইদের চেপে ধরেছে মাশরাফিরা। শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলাররা নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পেরেছে। মাঝে অবশ্য নাইল ব্রুম চতু্র্থ উইকেটে জেমস নিশামের সঙ্গে ৫১ ও ষষ্ঠ উইকেটে লুক রঞ্চির সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি না বাঁধলে অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত নাইল ব্রুমের সেঞ্চুরিতেই লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে কিউইরা।
ইনিংসের প্রথম ওভারে মাশরাফি কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিলকে ফিরিয়ে শুভ সূচনা করেন। শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান টম ল্যাথাম ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তখনই আঘাত হানেন গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। উইলিয়ামসকে ব্যক্তিগত ১৪ রানে সাকিবের তালুবন্দী করে সাজঘরের পথ ধরান। সঙ্গী হারিয়ে সাকিবের বলে ফিরে যান ল্যাথামও। তিনি ২২ রান করে সাকিবের ঘূর্ণিতে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন।
ততক্ষণে অবশ্য ক্রিজে নেমে পড়েন ব্রুম। বৃহস্পতিবার তার ব্যাট না হাসলে বিপদই ছিল কিউইদের। শেষ পর্যন্ত ব্রুম ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। চতুর্থ ও ষষ্ঠ উইকেটে ৫০ ছাড়ানো দুটি জুটির পাশাপাশি বেশ কিছু ছোটখাটো জুটি গড়েন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। এটা ব্রুমের ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি।
কিউই অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লুক রঞ্চি ৩৫, জেমস নিশাম ২৮ ও টম ল্যাথাম ২২ রান করেছেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি ৪৯ রান খরচ করে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও সাকিব আল হাসান প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। অভিষিক্ত পেসার শুভাষিশ ও স্পিনার মোসাদ্দেক হোসেন একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/কেআর/








