কী বিপদেই না পড়েছিল বাংলাদেশ! বিনা উইকেটে ৬৭ রানে শেষ দিন খেলতে নেমে দলীয় স্কোরবোর্ড ১০৪ রান হতেই নেই ৫ উইকেট। প্রথম ঘণ্টাটা দাপট দেখায় শ্রীলঙ্কার দুই স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা ও রঙ্গনা হেরাথ। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলে উঠেছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। দুই ব্যাটসম্যানের অর্ধশতাধিক রানের জুটিতে ৫ উইকেটে ১৫৭ রানে লাঞ্চে গেছে বাংলাদেশ।
মাহমুদউল্লাহ আউট হলে ক্রিজে নামেন লিটন। অধিনায়ককে উপযুক্ত সঙ্গ দিয়েছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তাদের ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শক্ত প্রতিরোধ গড়েছে সফরকারীরা। মুশফিক ৩৪ রানে খেলছেন। ৩২ রানে টিকে আছেন লিটন।
ড্রকে প্রাধান্য দিয়ে শনিবার শেষ দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটা কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় মাত্র ১৬ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারানোয়। এর পর শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথের এক ওভারেই আরও দুজন ব্যাটসম্যান আউট।
বিনা উইকেটে ৬৭ রানে চতুর্থ দিন শেষ করা বাংলাদেশ পঞ্চম দিনটাই শুরু করে উইকেট হারিয়ে। গলেতে দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকানো সৌম্য সরকার ছিলেন ভরসার প্রতীক। কিন্তু তার আউট দিয়েই শুরু হয় দিন।
আসেলা গুনারত্নের পেসে পঞ্চম দিন রানের খাতা না খুলে বোল্ড হন সৌম্য। ৫৩ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। এর পর দিলরুয়ান পেরেরা তার অফ স্পিনে পরপর দুই ওভারে সাজঘরে ফেরান মুমিনুল হক ও তামিম ইকবালকে। মুমিনুল ৫ রানে এলবিডব্লিউর শিকার। আর তামিমকে ১৯ রানে ক্যাচ দিতে হয় গুনারত্নের কাছে।
৪৫৭ রানের লক্ষ্যে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ। হেরাথের সপ্তম ওভারে সাকিব ৮ রানে ক্যাচ তুলে দেন দিমুথ করুনারত্নের হাতে। মাহমুদউল্লাহ নেমেই দ্বিতীয় বলে এলবিডব্লিউর শিকার, রানের খাতা খোলা হয়নি তার।
/এফএইচএম/








