যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের আইসিটি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিজনেস কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং -এর সহযোগিতায় সম্প্রতি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বক্তব্য রাখেন।
পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নতুন উদ্ভাবনী শক্তি ও উদ্যোক্তাদের কাজে লাগিয়ে হাই-টেক পার্ক ও আইটি পার্ক স্থাপনসহ বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পলক যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ক্ষেত্রে প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্য প্রদানের পরে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনাময় বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের তথ্যবহুল উত্তর প্রদান কালে প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। গোলটেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব কোম্পানি ইতিমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে তাদের প্রতিনিধি ছাড়াও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরাও অংশ নেন।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় উক্ত গোলটেবিল বৈঠকের এর আয়োজন করে। এতে অংশ নেন শামীম আহসান (এনডিসি, কনসাল জেনারেল, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্ক), শাহাবউদ্দিন পাটোয়ারী, (মিনিস্টার-ইকোনোমিক, বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি) এস এম আশরাফুল ইসলাম (নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল), এ এন এম শফিকুল ইসলাম (প্রজেক্ট ডিরেক্টর, কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক প্রজেক্ট), শামীম আহসান (সভাপতি, বেসিস) এবং আনির চৌধুরী, (পলিসি উপদেষ্টা, এটুআই) উপস্থিত ছিলেন। এর পাশাপাশি দুটো সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিএস) এবং আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার ও স্থপতি -এর মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষর হয়। এ সময় সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সাইবার প্রতিরক্ষা, ডাটা সেন্টার, কল সেন্টার এবং আউটসোর্সিং-এই চারটি বিষয়ে সহযোগিতার ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা একমত হন।
বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরে স্টার্ট-আপ প্রকল্প তৈরির ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য জিএপি, বিসিসি ও বেসিস -এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় এমওইউ স্বাক্ষর হয়।
/এই্চএএইচ/
আরও পড়তে পারেন: কী হবে অনিবন্ধিত ১ কোটি ২১ লাখ সিমের?








