উচ্চগতির ইন্টারনেট ডি-লিংকের কভার রাউটারে

Send
দায়িদ হাসান মিলন
প্রকাশিত : ১৬:৫০, অক্টোবর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৫০, অক্টোবর ২৯, ২০২০

কভার রাউটাররাউটার ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ শোনা যায়- ঠিকমতো কাভারেজ দেয় না, গতি কমে যায়,কানেকশন বারবার ছেড়ে দেয়-ইত্যাদি। এসব অভিযোগের মূল কারণ রাউটার সঠিকভাবে বাছাই করতে না পারা।  কারও সবসময় দ্রুতগতির ইন্টারনেটের প্রয়োজন হলে রাউটার বাছাইয়ে মনোযোগী হতে হবে। কাভারেজের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ধরা যাক,আপনার দরকার আড়াই হাজার বর্গফুট কাভার করে এমন একটি রাউটার। কিন্তু আপনি না বুঝেই একটি রাউটার কিনলেন যা ওই আয়তনে কাভারেজ দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে।

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রাউটার পাওয়া যাচ্ছে। এরমধ্যে কিছু রাউটার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যেগুলোতে শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগের পাশাপাশি অনেক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। তেমনই একটি রাউটার ডি-লিংকের ‘কভার (সিওভিআর)’। এগুলোকে বলা হচ্ছে এসি১২০০ ডুয়াল ব্যান্ড হোল হোম মেশ ওয়াই-ফাই সিস্টেম। স্মার্ট ব্যবহারকারীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই রাউটার কিনতেই আগ্রহী হবেন।  ডি-লিংকের কভার নামে রাউটারটির দুটি মডেল আছে। একটি মডেল কভার-সি-১২০৩ এবং অন্যটি কভার-সি-১২০২। কভার-সি-১২০৩ মডেলের রাউটারে তিনটি প্যাক বা ইউনিট আছে। আর কভার-সি-১২০২ মডেলে আছে ২টি প্যাক বা ইউনিট। এই দুটি মডেলের মধ্যে কভার-সি-১২০৩ মডেলটি বেশি শক্তিশালী।

দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হয় এমন কাজ ঝামেলা ছাড়াই করা যাবে ডি-লিংকের কভার রাউটারের সাহায্যে। যেমন ধরা যাক,আপনার একই সঙ্গে এইচডি স্ট্রিমিং ও ভিডিও চ্যাট করার প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আপনি কভার রাউটার ব্যবহার করতে পারেন নিশ্চিন্তে। কভার-সি-১২০৩ রাউটারের তিনটি ইউনিট মিলে ৫ হাজার বর্গফুট জায়গা কাভার করতে সক্ষম। আর কভার-সি-১২০২ মডেলটি ৩ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গায় কাভারেজ দিতে সক্ষম।  অনেক সময় দেখা যায়, কাভারেজের আওতায় থাকার পরও ঘরের কোনও কোণে বা কোনও নির্দিষ্ট স্থানে ঠিকমতো ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। কাভার রাউটারের ক্ষেত্রে এই সমস্যা হবে না। আপনার বাসা বা অফিসের ইন্টারনেটের ‘ডেড জোন’ দূর করবে এই রাউটার।

বাসায় কখনও কখনও এক রুম থেকে অন্য রুমে হাঁটাহাঁটি করতে করতে ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।  কিংবা ভিডিও কল করতে করতে একরুম থেকে অন্য রুমে যেতে হয়। এ সময় ইন্টারনেটের গতি এবং ভিডিওর মান খারাপ হয়ে যেতে পারে। আবার রুম থেকে বের হয়ে ছাদে গেলেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাসার পাশাপাশি অফিসেও হতে পারে এমন সমস্যা। তবে কভার রাউটার ব্যবহার করলে এসব সমস্যা হবে না। কভার রাউটার সবসময় শক্তিশালী সিগন্যাল সরবরাহ করবে।

ডি লিংকের নতুন রাউটার

অনেক সময় দেখা যায়, একই রাউটারের আওতায় কয়েকজন ব্যবহারকারী একসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে গতি কমে যায়। এ সময় কারও কারও ডিভাইসে বাফারিং হতে থাকে। কভার রাউটারে এসব সমস্যা নেই। কারণ,কভার রাউটারে আছে স্মার্ট স্টিয়ারিং ফিচার। একটি রাউটারের অধীনে যখন ফাইভ গিগাহার্টজের কয়েকটি ডিভাইস যুক্ত হয় তখন সেই রাউটারের গতি কমে যায়। কিন্তু ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন অনুসারে কভার রাউটার কাউকে ফাইভ,কাউকে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজের সংযোগ দেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এতে ইন্টারনেটের গতি কমবে না এবং কেউ বাফারিং সমস্যার সম্মুখীন হবে না।

ডি-লিংকের কভার রাউটারের অন্যতম প্রধান ফিচার হলো-প্যারেন্টাল কন্ট্রোল। এই ফিচারের সাহায্যে আপনি যেকোনও ডিভাইস বা ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখতে পারবেন। ধরা যাক, আপনার সন্তানকে আপনি নির্দিষ্ট কিছু সাইটে প্রবেশ করার অনুমতি দিতে চান না। সেক্ষেত্রে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ফিচারের মাধ্যমে ওইসব সাইট ব্লক করে রাখা যাবে। এমনকি এই ফিচারের সাহায্যে আপনার সন্তানের ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা যাবে। 

ডি-লিংকের অত্যাধুনিক কভার রাউটার ডুপ্লেক্স বাসা থেকে শুরু করে ৪তলা বিল্ডিংয়ে ব্যবহার করা যাবে। এটি সেটআপ করাও খুব সহজ। ডি-লিংক ওয়াইফাই অ্যাপের মাধ্যমে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে সহজে রাউটারটি সেটআপ করা যায়। ফলে রাউটার সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে আস্থা রাখা যায় ডি-লিংকের কভার রাউটারের ওপর। ২টি বা তিন প্যাক বা ইউনিটের রাউটারটি দেখতে বেশ নজরকাড়া। মসৃণ ত্রিকোণাকৃতির একটি ইউনিট মূল সংযোগের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে। আরেকটি শোবার ঘরে বা দূরে কক্ষে রাখা যাবে রাখা যাবে চার্জ দিয়ে। আর তিনটির আরেকটি ইউনিট আপনি আপনার ইচ্ছে মতো বা যেখানে প্রয়োজন সেখানেও রাখতে পারেন। রাখতে পারে স্মার্ট টিভির নিচেও।  

প্রতিটি ইউনিটের ওজন ২৫০ গ্রাম। প্রতিটিতে ৩ দশমিক ৫ ওয়াটের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় এগুলোতে বাইরে থেকে কোনও অ্যান্টেনা দেখা যায় না। অ্যান্টেনা আছে,তবে ভেতরে। ফলে যেকোনও জায়গায় ইউনিটগুলো রাখা যায়। আর নিরাপত্তার দিক থেকে এটি অনন্য। একটি বাটন টিপেই এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেটআপ করা যায়। আর তা নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে অন্তত ৯টি সিকিউরিটি কোম্পানির সার্টিফিকেশন। 

/এইচএএইচ/

লাইভ

টপ