সকাল থেকে রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘলা। এর ওপর সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই বাসায়। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায়ও এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় আবহাওয়া ছিল ঠান্ডা। ভ্যাপসা গরমের পর তাই বৃষ্টি স্বস্তিই বয়ে এনেছে। তবে যারা ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন তাদের জন্য আবার ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও ভারতের উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত করেছে। মৌসুমি বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় ও অন্য এলাকায় তা মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থার রয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে টেকনাফে ৭২ মিলিমিটার। এছাড়া খেপুপাড়া ৬৩ মিলিমিটার, হাতিয়ায় ৪৬, কুতুবদিয়া ৩২, কক্সবাজারে ২৫, যশোর ও মাইজদিকোর্টে ২২, শ্রীমঙ্গলে ১৬, পটুয়াখালীতে ১৩, চট্টগ্রামে ১১, মোংলা ১০, বরিশালে ৮, ফেনী ও মাদারীপুরে ৭, ভোলা ও চুয়াডাঙ্গা ৬, তাড়াশ, বগুড়া ও ঈশ্বরদীতে ৫, সন্দ্বীপে ৪, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে ৩, বান্দরবান, খুলনা, চাঁদপুর, বদলগাছি, ঢাকা ও ফরিদপুরে ২ ও রাঙামাটিতে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া গোপালগঞ্জেও সামান্য বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।








