বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এর প্রভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কা নেই, গভীর নিম্নচাপ পর্যন্ত যেতে পারে। এটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা বা রাতের মধ্যে ওড়িশার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে এর প্রভাব দেশের কোস্টাল এরিয়া— খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রামে বাতাসের গতি বেশি থাকবে।
এদিকে, আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও পাশের ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টায় নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও আরও ঘনীভূত হতে পারে। তাতে ৪ সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং পাশের বাংলাদেশ উপকূলের ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার; যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাসমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেতই দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।









