behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

অসতর্ক অর্থমন্ত্রী, উদ্বিগ্ন নাগরিক

তুষার আবদুল্লাহ১২:২৬, মার্চ ১৯, ২০১৬


অর্থমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার থেকেই আভাস পাওয়া গেল সরকারের ভেতরে শক্তিশালী আমলা ও রাজনীতিকদের একটি অংশের সঙ্গে তার বনিবনা ভালো নেই। ওই অংশের শক্তি হয়তো তার চেয়েও বেশি। যে কারণে বেসিক ব্যাংকের অর্থ-কেলেঙ্কারির বিষয়ে তিনি শক্ত অবস্থান নিতে পারেননি। একই কারণ বা প্রভাবে এনবিআরের চেয়ারম্যানকে নিজ ছায়াতলে আনতে পারছেন না।

অর্থমন্ত্রী খোলামেলা ভাবে কথা বলেছেন। যারা ব্যাংকিং ও রাজস্বখাত ঘনিষ্ঠ তারা বলতে পারবেন কথাগুলো কতোটা বাস্তবতার কাছাকাছি। তবে আমরা যারা দূরে আছি, তারা এতোটুকু বুঝতে পারি কোথাও একটা সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। দখল, পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা আছে। এই প্রতিযোগিতা বরাবরই সরকার বা ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে থাকে। দল বা সরকারের পক্ষ-বিপক্ষের বিরোধ ও টানাপোড়নে যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়, বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় রাজস্ব বোর্ডের কাজে। তখন তো উদ্বিগ্ন হতেই হয়। অর্থমন্ত্রীর কাছেও সাধারণ নাগরিকেরা প্রশ্ন রাখতেই পারেন- গভর্নর ঘটনার গভীরে যাননি। কিন্তু আপনি কতোটা গভীরে পৌঁছে ফেডারেল রির্জাভ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিলেন?

লেখার শেষ প্রান্তে যখন, তখনই অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে বার্তা এলো প্রকাশিত সাক্ষাৎকার গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বার্তায় আরও বলেছেন বয়সের ভারে তিনি সতর্ক থাকতে পারেন না সকল সময়ে।

অর্থমন্ত্রী এই বার্তার মাধ্যমে রাষ্ট্রের নাগরিকদের আরও উদ্বেগের মধ্যে নিক্ষেপ করলেন। সত্যিইতো একজন অসতর্ক মন্ত্রী কতোটা নিরাপদ রাখতে পারবেন অর্থখাত? নাগরিকরা এবিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সতর্ক হবার তাগিদ বোধ করছেন।

লেখক: বার্তা প্রধান, সময় টিভি

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ