behind the news
Vision  ad on bangla Tribune
Mojo ad on Bangla Tribune

ফিরে দেখা- ২০১৬না ফেরার দেশে…

বিনোদন ডেস্ক০০:০৬, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬

চলতি বছর দেশের বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন গুণী মানুষ না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। তাদের হারিয়ে শোকাতুর ছিল সাংস্কৃতিক ভুবন।

তাদের ফেরা, না ফেরার দেশে…পরিচালক শহিদুল ইসলাম খোকন

ঢাকাই চলচ্চিত্রের বরেণ্য নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে আমরা চিরতরে হারিয়েছি ৪ এপ্রিল। দীর্ঘদিন রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুখগহ্বরের ‘মটর নিউরো ডিজিস’ (এএলএস)-এ আক্রান্ত ছিলেন খোকন। বিস্তারিত

অভিনেত্রী দিতি

চিত্রনায়িকা দিতির চলে যাওয়াটা দেশের অভিনয়জগতকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে। একাধারে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে কাজ করা এ গুণী মানুষটি পরিচালক হিসেবেও বেশ নাম করেন। তার দীর্ঘ রোগভোগের সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের নানা শুভাশীষ ছিল।

তবে ২০ মার্চ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরদিনের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। ভারতের মাদ্রাজের এমআইওটি হাসপাতালে বেশ কয়েকবার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। পরে দেশে ফিরে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিস্তারিত

সংগীতশিল্পী খোন্দকার নূরুল আলম

খ্যাতিমান সুরস্রষ্টা ও কণ্ঠশিল্পী খোন্দকার নূরুল আলম ২২ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন তিনি।

‘চোখ যে মনের কথা বলে’, ‘এতো সুখ সইবো কেমন করে’, ‘তুমি এমনই জাল পেতেছো সংসারে’, ‘আমি চাঁদকে বলেছি আজ রাতে’, ‘কাঠ পুড়লে কয়লা হয়’, ‘এক বরষার বৃষ্টিতে ভিজে’ এমন বহু কালজয়ী গান সুর করেছেন তিনি। বিস্তারিত

সংগীত পরিচালক রবিন ঘোষ

খ্যাতিমান সুরকার-সংগীত পরিচালক রবিন ঘোষ ১৩ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান। রাজধানী গুলশানের কিউর মেডিক্যাল সেন্টারে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বেশ ক’দিন ধরেই ব্রঙ্কাইটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। তার স্ত্রী চিত্রনায়িকা শবনম। বিস্তারিত

অভিনেতা ফরিদ আলী

বিটিভির প্রথম নাটক ‘একতলা দোতলার’ অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আলী ২২ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। অসংখ্য চলচ্চিত্র ও নাটকে অভিনয় করা এ অভিনেতার জনপ্রিয় সংলাপ ‘দুবাই যামু ট্যাকা দ্যান'। যা একসময় মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে। বিস্তারিত

অভিনেতা মধু দা

অভিনেতা গোলাম হাবিবুর রহমান। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২৩ নভেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কাছের মানুষের প্রিয় মধু দা তিনি।

১৯৬২ সাল থেকে চলতি চছর পর্যন্ত তিনি অভিনয় করে গেছেন। বিস্তারিত

নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর লাশ পাওয়া যায় ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকায়। দেশ-বিদেশে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। নিহত তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের (সম্মান) ছাত্রী এবং একই কলেজের নাট্য সংগঠন ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সদস্য ছিলেন।

নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠু

চিত্রপরিচালক ও চিত্রশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠু ৭ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান। তার মৃত্যুটি ছিল বছরের অন্যতম মর্মান্তিক ঘটনার একটি। ধানমণ্ডি এলাকায় রিক্সা করে বাসায় ফেরার পথে তার গায়ের উপর একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ ভেঙে পড়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘গহীনে শব্দ’। প্রথম ছবিই তাকে এনে দেয় শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর ‘জোনাকির আলো’ নামে তিনি আরেকটি ছবি নির্মাণ করেও বেশ প্রশংসা কুড়ান।

চিত্রশিল্পী হিসেবেও তিনি ছিলেন খ্যাতনামা। বিস্তারিত

নজরুলসংগীতশিল্পী সালমা সুলতানা

৭০-৮০ দশকের নন্দিত নজরুলসংগীতশিল্পী সালমা সুলতানা না ফেরার দেখে গেছেন ২৯ সেপ্টেম্বর। এদিন রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিস্তারিত

নাট্যকার যোশেফ শতাব্দী

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার যোশেফ শতাব্দী মারা যান ৮ সেপ্টেম্ব। ‘আসামি হাজির’, ‘ধর্ম আমার মা’, ‘আসমান জমিন’, ‘কোরবানি’, ‘মাটির দুর্গ’, ‘সুজন বন্ধু’সহ বেশকিছু ছবিতে চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন। সবশেষ শাহ আলম মণ্ডলের ‘সাদা কালো প্রেম’ ছবির চিত্রনাট্য লিখেন তিনি। এছাড়া ডিপজল অভিনীত বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে তাকে পাওয়া গেছে। এরমধ্যে আছে ‘দাদি মা’, ‘চাচ্চু’, ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’, ‘পিতার আসন’ প্রভৃতি।

রূপসজ্জাশিল্পী মোহাম্মদ ফারুক

দীর্ঘদিন ধরে যকৃতের সমস্যায় ভুগতে থাকা নাটক ও চলচ্চিত্রের গুণী রূপসজ্জাশিল্পী মোহাম্মদ ফারুক ২ অক্টোবর মারা যান। তিনি  রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মোহাম্মদ ফারুক ১৯৬৫ সাল থেকে দেশের অভিনয় জগতের মানুষের কাছে পরিচিত। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য নাটক ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। বিস্তারিত

মহসীন খান

শূন্য দশকের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মহসীন। ৫ জুন হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর।  তিনি অনেক দিন ধরে লিভার ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

সংগীত জীবনে তিনি প্রায় শতাধিক একক ও মিশ্র অ্যালবামে গান করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য একক অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে, ‘সুখে থেকো বন্ধু আমার’, ‘কতদিন দেখি না তোমায়’ প্রভৃতি। বিস্তারিত

এ বছর এছাড়া বেশ কয়েকজন শিল্পী হয়েছেন রোগ আক্রান্ত। তাদের মধ্যে অন্যতম নায়ক রাজ রাজ্জাক, লাকী আখান্দ, আলাউদ্দিন আলী,আলম খান, কবির বকুল ও স্বীকৃতি অন্যতম। তাদের জন্য ভক্তদের উৎকণ্ঠা ছিল বছরজুড়েই।

/এমআই/এমএম/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

Mojo  ad on Bangla Tribune
টপ