স্বপ্নের বাজেট, বাস্তবের দুঃস্বপ্ন 

মৌসুমী ইসলাম
১২ জুন ২০২৬, ১২:০০আপডেট : ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট শুধু একটি আর্থিক দলিল নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন কৌশল এবং জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার সময় নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি, উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের নানা স্বপ্ন দেখানো হয়। বাজেট বক্তৃতায় উঠে আসে—কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দারিদ্র্য-বিমোচন, নারী ক্ষমতায়ন এবং শিল্পায়নের প্রতিশ্রুতি।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, অর্থবছর শেষে সেই প্রতিশ্রুতির বড় একটি অংশ কাগজেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। প্রকল্পের কাজ শেষ হয় না, বরাদ্দের অর্থ ব্যয় হয় না, আবার কোথাও কোথাও অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছায় না। ফলে বাজেটের ঘোষিত লক্ষ্য ও বাস্তব অর্জনের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান তৈরি হয়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটও এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা থেকে পুরোপুরি মুক্ত নয়। একজন উদ্যোক্তা, শিল্পনেতা এবং নারী উন্নয়নকর্মী হিসেবে আমি মনে করি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর বাজেটের আকার নয়; বরং বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও জবাবদিহি।

বাজেট বড় হচ্ছে, কিন্তু অর্থনীতির ভিত কি শক্ত হচ্ছে?

গত এক দশকে বাংলাদেশের বাজেটের আকার কয়েকগুণ বেড়েছে। অবকাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে—এই ব্যয়ের বিপরীতে দেশের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা কতটা বেড়েছে? রাজস্ব আয়ই একটি বাজেটের মূল ভিত্তি। অথচ প্রতি বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। করজালের বাইরে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়ে গেছে। কর ফাঁকি, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামোর কারণে সম্ভাব্য রাজস্বের একটি বড় অংশ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

ফলাফল হিসেবে সরকারকে ঘাটতি বাজেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঋণের বোঝা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ব্যাংকিং খাত: অর্থনীতির দুর্বলতম ভিত্তি

দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় উদ্বেগের নাম ব্যাংকিং খাত। খেলাপি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। বড় বড় ঋণখেলাপিরা নানা সুযোগ-সুবিধা পেলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এখনও সহজে ঋণ পান না। অনেক তরুণ উদ্যোক্তা এবং নারী উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও জামানতের অভাব, জটিল কাগজপত্র এবং ব্যাংকের অনীহার কারণে তারা ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একদিকে ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের চাপে দুর্বল হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে উৎপাদনশীল খাতে অর্থপ্রবাহ কমে যাচ্ছে। ফলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির গতি মন্থর হয়ে পড়ছে।

মূল্যস্ফীতি: সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় বড় পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষের কাছে অর্থহীন হয়ে পড়ে যখন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকে। গত কয়েক বছরে খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও বাস্তবে বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ কিংবা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর কৌশল খুব কমই দেখা যায়। সাধারণ মানুষ আজ জানতে চায়—তার আয় বাড়ার চেয়ে দ্রব্যমূল্য কেন দ্রুত বাড়ছে? এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর এখনও নীতিনির্ধারকদের কাছে নেই।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও আমদানি নির্ভরতার চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ এখনও বিপুল পরিমাণ শিল্প কাঁচামাল, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রযুক্তি পণ্য এবং জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। ডলার সংকটের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে এবং অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল আমদানিতে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানি নির্ভরতা কমানো ছাড়া এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। কিন্তু বাজেটে সেই ধরনের সুস্পষ্ট রূপকল্প এখনও যথেষ্ট দৃশ্যমান নয়।

বাজেটের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা: বাস্তবায়নের ঘাটতি

বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা সম্ভবত বাজেট বাস্তবায়ন। প্রতি বছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার প্রত্যাশার তুলনায় কম থাকে। অর্থবছরের প্রথম দিকে প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলে, অথচ শেষ কয়েক মাসে তড়িঘড়ি করে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা দেখা যায়। যে সংস্কৃতিকে অনেকেই ‘জুন মাসের উন্মাদনা’ বলে অভিহিত করেন, তা প্রকল্পের গুণগত মান, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। একটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ না হলে শুধু ব্যয়ই বাড়ে না, জনগণও দীর্ঘদিন কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত থাকে।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: বরাদ্দ বাড়লেও সেবার মান কেন বাড়ছে না?

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি বলা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই দুই খাতে বরাদ্দের তুলনায় ফলাফল এখনও আশানুরূপ নয়। স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় এখনও জিডিপির তুলনায় খুবই কম। ফলে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য নিজের পকেট থেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। একইভাবে শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়লেও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য যে ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন, তা এখনও পর্যাপ্ত নয়।

নারী উদ্যোক্তারা এখনও প্রান্তিক

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবু তৃণমূল নারী উদ্যোক্তারা এখনও নানা বৈষম্যের শিকার। এজিডাব্লিউইবি’র সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, অধিকাংশ নারী উদ্যোক্তার প্রধান সমস্যা হলো—অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ এবং বাজার সংযোগের অভাব। বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে অনেকেই সেই সুবিধা পান না। প্রশাসনিক জটিলতা, তথ্যের অভাব এবং মধ্যবর্তী স্তরের দুর্নীতি তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে শুধু বরাদ্দ নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়ন ও সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

চিকিৎসা যন্ত্রপাতি শিল্প: সম্ভাবনা থাকলেও নীতিগত সহায়তা সীমিত

বাংলাদেশে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি উৎপাদন শিল্প দ্রুত বিকাশ লাভ করতে পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা যেমন রয়েছে, তেমনি রফতানিরও সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বর্তমান নীতিগত কাঠামো দেশীয় উৎপাদকদের যথেষ্ট সহায়তা দিতে পারছে না। অনেক ক্ষেত্রে কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানির ওপর শুল্ক কাঠামো এমনভাবে নির্ধারিত যে স্থানীয় উৎপাদকরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন। এই খাতে কর সুবিধা, গবেষণা সহায়তা এবং রফতানি প্রণোদনা বাড়ানো হলে বাংলাদেশ নতুন একটি শিল্পখাত গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

এসএমই খাতকে বাঁচাতে হবে

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ হলো— ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাত। দেশের অধিকাংশ কর্মসংস্থান এই খাত থেকেই সৃষ্টি হয়। কিন্তু ব্যবসা নিবন্ধন, লাইসেন্স, ঋণ, কর প্রদান এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় জটিলতা উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে। একটি কার্যকর ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ ব্যবস্থা চালু করা গেলে উদ্যোক্তাদের সময়, ব্যয় ও হয়রানি অনেক কমে আসবে।

কী করা জরুরি?

বাংলাদেশের বাজেটকে কার্যকর করতে হলে কয়েকটি বিষয়ে অবিলম্বে গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রথমত, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে।

দ্বিতীয়ত, নারী উদ্যোক্তা ও এসএমই খাতের জন্য জামানতমুক্ত অর্থায়ন সহজ করতে হবে।

তৃতীয়ত, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

চতুর্থত, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ডিজিটাল যাচাই ও সরাসরি অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে।

পঞ্চমত, দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমদানি নির্ভরতা কমানোর রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে।

বাজেট নয়, বাস্তবায়নই হোক উন্নয়নের মাপকাঠি

একটি বাজেট যত বড়ই হোক না কেন, তার প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় বাস্তবায়নের মাধ্যমে। জনগণ বাজেট বক্তৃতার ভাষণ মনে রাখে না; তারা মনে রাখে বাজারের দাম, কর্মসংস্থানের সুযোগ, চিকিৎসা সেবা এবং জীবনযাত্রার মান। আজ বাংলাদেশের মানুষ নতুন কোনও প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চায়। তারা চায় কর্মসংস্থান, সুলভ ঋণ, ন্যায্যমূল্যের বাজার, মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা।

তাই সময় এসেছে বাজেটের আকার নিয়ে গর্ব না করে তার বাস্তবায়ন নিয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার। কারণ বাজেট একটি দলিল হতে পারে, কিন্তু উন্নয়ন একটি বাস্তবতা। আর সেই বাস্তবতা তখনই অর্জিত হবে, যখন প্রতিটি টাকার সুফল প্রকৃত অর্থে জনগণের কাছে পৌঁছাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী অধ্যায় নির্ভর করছে বাজেট ঘোষণার ওপর নয়, বরং বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপর। তাই সরকারের প্রতি আহ্বান— বাজেটকে শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা হিসেবে নয়, বাস্তবায়নকে জাতীয় অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করুন।

মৌসুমী ইসলাম: সভাপতি, এজিডব্লিউইবি ও মেডমেব চেয়ারপারসন, প্রোমিক্সকো গ্রুপ

/এপিএইচ/এমওএফ/ 
সম্পর্কিত
দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ঢাকার একার নয় 
ঘরের রান্না, সম্পর্কের উনুন ও বদলে যাওয়া নগরজীবন 
ছয় দফা থেকে বাঙালির স্বাধীনতার অভিযাত্রা
সর্বশেষ খবর
প্রবৃদ্ধি-বিনিয়োগ-রাজস্ব সব লক্ষ্যই চাপে: সিপিডি
প্রবৃদ্ধি-বিনিয়োগ-রাজস্ব সব লক্ষ্যই চাপে: সিপিডি
ইরানি অভিবাসীদের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি অভিবাসীদের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশে ঢুকেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার, গাড়িতে আসছেন ঢাকায়
বাংলাদেশে ঢুকেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার, গাড়িতে আসছেন ঢাকায়
হাসপাতাল নয়, আদ্-দ্বীনের প্যাথলজির লাইসেন্স বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ
শিশির মনিরের দাবিহাসপাতাল নয়, আদ্-দ্বীনের প্যাথলজির লাইসেন্স বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ
সর্বাধিক পঠিত
১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল, কার কত বেতন
১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল, কার কত বেতন
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
পেনশনের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুয়িটি পাবেন বেসরকারি চাকরিজীবীরা
পেনশনের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুয়িটি পাবেন বেসরকারি চাকরিজীবীরা
দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত
ভাইকে দেখে কাঁদতে শুরু করেন সেই বৃদ্ধ, ভারতে গেলেন কীভাবে
ভাইকে দেখে কাঁদতে শুরু করেন সেই বৃদ্ধ, ভারতে গেলেন কীভাবে