বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনও বাকি কয়েক দিন। এরই মধ্যে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে লিওনেল মেসির হোটেলের রুম নম্বর। কানসাস সিটির অরিজিন হোটেলে মেসির রুম নম্বর ২০২, যার সংখ্যাগুলোর যোগফল ৪। কাতার বিশ্বকাপেও তার কক্ষ নম্বর ছিল ২০১, যার যোগফল ছিল ৩। অবাক করার বিষয় হচ্ছে, সেবারই তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। তাই অনেকের বিশ্বাস, এবারও সংখ্যার এই মিলে দুইয়ে-দুইয়ে চারে হয়তো চতুর্থ বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে মেসির দল। অথচ দল থেকে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
বিশ্বকাপ ভেন্যুতে আর্জেন্টিনার পৌঁছানোর দিনটি ছিল বেশ আলোচিত। রবিবার রাতে মায়ামি থেকে ব্যক্তিগত বিমানে কানসাস সিটিতে পৌঁছান মেসি ও রদ্রিগো দে পল। তারাই ছিলেন দলের প্রতিনিধি দলের শেষ দুই সদস্য। বিমানবন্দরে তাদের বরণ করতে জড়ো হয়েছিলেন কয়েক ডজন আর্জেন্টাইন সমর্থক।
বিমানবন্দর থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ অতিক্রম করে তারা পৌঁছান অরিজিন হোটেলে। কানসাস নদীর তীরে অবস্থিত এই হোটেলটি পুরোপুরি আর্জেন্টিনা দলের জন্য সংরক্ষিত। এর আগেই সেখানে পৌঁছে অপেক্ষা করছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া।
তবে প্রথম রাতটি মোটেও শান্ত ছিল না। টর্নেডো সতর্কতাসহ একটি শক্তিশালী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। দলের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে হোটেলের চারপাশে স্থাপন করা নিরাপত্তা বেষ্টনী, তাঁবু ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরদিন আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র ক্লারিন জানায়, আশপাশের এলাকায় গাছপালা উপড়ে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিল। যদিও আর্জেন্টিনা দলের ক্যাম্পের বড় কোনও ক্ষতি হয়নি।
সোমবারের মধ্যে ২৬ সদস্যের পুরো স্কোয়াড একত্রিত হয়েছে। সবার শেষে যোগ দেন মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার পাশাপাশি আলজেরিয়া, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসেরও ঘাঁটি হবে কানসাস সিটি। বিশ্বকাপের জন্য শহরটি ছিল অনেক দলেরই পছন্দের তালিকায়। গত ডিসেম্বরে দীর্ঘ আলোচনার পর স্পোর্টিং কানসাস সিটির ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয়ে নির্মিত কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করে এএফএ।
খেলোয়াড়রা অবস্থান করছেন অরিজিন হোটেলে, যা অনুশীলন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ মিনিটের দূরত্বে। পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা একটি হোটেলেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।








