X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

সরকারি স্বীকৃতির তিন বছর

কতটা বদলেছে কওমি মাদ্রাসা?

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১১

কওমিদের শোকরানা সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘আগে জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত লেখা হতো, এখন সেখানে স্নাতকোত্তর লেখা হয়, এটাই প্রাপ্তি।’ কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার তিন বছর পর এসে এভাবেই মূল্যায়ন করলেন গোপালগঞ্জের জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম। ২০১৭ সালে আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া’র প্রথম ব্যাচের পরীক্ষার্থী ছিলেন তিনি। তার মতো আরও প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা দিয়ে মাস্টার্সের সমমান লাভ করেছেন। এদের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র অংশ চাকরি পেয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে।

কিন্তু বেশিরভাগ উত্তীর্ণরাই রয়ে গেছেন স্ব-স্ব পেশায়। মাদ্রাসায় শিক্ষকতা, ইমামতি ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যোগদান ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে। আরেকটি ক্ষুদ্র অংশ রয়েছেন, যারা বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। এছাড়া, স্বল্পসংখ্যক ছাত্র উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ভারত, কাতার, সৌদি আরব, মিশরসহ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বেফাকের কার্যালয়ে কর্মরত দায়িত্বশীল আলেমরা

আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে প্রথমবারের দাওরায়ে হাদিসের সরকারিভাবে মাস্টার্সের সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১৯ হাজার ২৮৭ জন। এরমধ্যে স্টার মার্ক (মুমতায) প্রথম (জায়্যিদ জিদ্দান), দ্বিতীয় (জায়্যিদ) ও তৃতীয় বিভাগে (মকবুল) মোট ১৫ হাজার ৩২০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। ২০১৮ সালে চার বিভাগে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৫৩৩ জন, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেন ২০ হাজার ৭৩৮ জন। সদ্য বিদায়ী ২০১৯ সালে ২৬ হাজার ৭৮৮ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে চার বিভাগে পাস করেছেন ১৯ হাজার ৭৯ জন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের সাবেক পরিচালক ড. জুবায়ের আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এই প্রকল্পে ১৮০০ নিয়োগ পাওয়া আলেমের মধ্যে ৯১০-১৫ জন কওমি কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে ৩০ আগস্টের আগে। এরপর ওই প্রকল্পে আর কোনও নিয়োগ হয়নি।

ইফাবা’র প্রভাবশালী একজন পরিচালক এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘নতুন প্রকল্প আসার আগে আর কোনও আলেম নিয়োগের সম্ভাবনা নেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনে।’ 

ইফাবা’র সাবেক পরিচালক জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‘শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের বাইরে অন্যকোনও প্রকল্পে কওমি আলেমদের নিয়োগ হয়নি।’

কওমি মাদ্রাসার আলেমরা বলছেন, স্বীকৃতির পর যে সময় অতিবাহিত হয়েছে, তাতে করে একটি মূল্যায়নের ব্যাপারে ‘মন্তব্য’ করার সঠিক সময় আসেনি। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কীভাবে ফলপ্রসূ হবে, তার জন্য আরও সাত-আট বছর অপেক্ষা করতে হবে।

আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া’র কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কয়েকজন আলেম জানান, সামাজিকভাবে ও মানসিকভাবে স্বস্তি তৈরি হয়েছে স্বীকৃতির পর। এই আলেমদের দাবি, সরকারি স্বীকৃতির কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণে তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

সরকারি স্বীকৃতির কারণে কেবল যে চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে তা-ই নয়, মূলত সামাজিকভাবে হীনমন্যতার যে বিষয়টি ছিল, তা অনেকাংশে কেটে গেছে, বলছিলেন মাওলানা তোফাজ্জল হুসাইন (ছদ্মনাম)। ২০১৭ সালে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে তিনি মাস্টার্সের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পে।

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা

গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল এখনও পাইনি। যেকোনও চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম হিসেবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নাম দেখা যায়, কিন্তু হাইআতুল উলয়ার নামটি দেখা যায় না। বা কোনও বিষয়ে গবেষণা করতে চাইলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনও আমাদের জন্য সেই সুযোগ সৃষ্টি হয় নাই। যেগুলো প্রথম থেকেই হওয়া উচিত ছিল। আশা করছি, আগামী দিনে রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।’

‘স্বীকৃতির সুফল শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আস্তে আস্তে প্রতিফলন ঘটবে’, বলে মনে করেন বাহ্মণবাড়িয়ার দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা সাজিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল। দাওরায়ে হাদিসের একটা মান হলো— মাস্টার্সের একটা মান দেওয়া হলো। সামাজিকভাবেও ভালো, রাষ্ট্রীয়ভাবেও এরমাধ্যমে প্রতিফলন আসবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা গোলাম রাব্বানী বেশ কয়েকবছর কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। সরকারি স্বীকৃতির বিষয়ে তার মন্তব্য, ‘আমি কিন্তু এখনও দেখিনি, কোনও প্রভাব চোখে পড়েনি। আলেমরা চেয়েছেন সরকারের একটা স্বীকৃতি, এটা সবাই জানে, মানে। কিন্তু সামগ্রিক উন্নতির দিক থেকে দেখলে বা উচ্চ শিক্ষায় আলেমরা অংশগ্রহণ করছেন, এটা কিন্তু ঘটেনি।’

অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আলেমরা স্বীকৃতি চেয়েছেন, সরকার দিয়েছে। আরও পাঁচ-সাত বছর পর আমাদের চিন্তা ও চাওয়ার প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা করি। এর মধ্যে পরিবর্তন আসবে বলে মনে করি।’

সরকারি সনদের এই স্বীকৃতি কতটা কাজে লাগলো, এমন প্রশ্নে একাধিক কওমি আলেম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সরকারি স্বীকৃতির মানেই যে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে হবে তা নয়, এটা স্বীকৃতি রাষ্ট্রের। একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামাধ্যম হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে কারণেই ‘মাদার অব কওমি’ দারুল উলুম দেওবন্দের মৌলিক নীতিগুলোকে মেনেই স্বীকৃতি গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকারি প্রভাব তৈরি না করতে অর্থনৈতিক কোনও সহযোগিতা গ্রহণ থেকেও সরকার বিরত থাকছে। 

মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম কোনও কোনও আলেম মনে করেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রতিটি মাদ্রাসায় আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। দিনে দিনে ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায়  বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের সময় এসেছে।

ঢাকার কয়েকটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, ছাত্ররা বেশিরভাগই আবাসিক হওয়ায় ছাত্রদেরকে গাদাগাদি করে রাতযাপন করতে হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে চর্মরোগ, জ্বর ও সর্দির মতো রোগগুলো বেশি হয়ে থাকে। তবে বেশি অসুস্থ হলে মাদ্রাসার দায়িত্বেই অসুস্থ ছাত্রকে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানান জামিয়া রাহমানিয়ার ষষ্ঠ শ্রেণির একজন ছাত্র।

কওমি মাদ্রাসার আলেমরা ভারতের উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার কর্মনীতিকে সামনে রেখে সরকারের আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণ করছেন না। দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ কাসেম নানুতুবী’র প্রণীত কর্মনীতিতে সরকার বা আমির-ওমরাদের আর্থিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে এবং যতদূর সম্ভব অধিকহারে অনুদান সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে লেখক ও চিন্তক ড. সলিমুল্লাহ খান মনে করেন, দেওবন্দের আলেমরা উসূলে হাশতেগানা করেছিলেন ব্রিটিশ সরকারের কথা চিন্তা করে। তাদের সংগ্রাম ছিল ব্রিটিশের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের শিক্ষক (ইউল্যাব) ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘সরকারের সহযোগিতাকে কওমি মাদ্রাসাগুলো প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যখন দেশ পরাধীন ছিল। সরকার বলতে তারা বুঝিয়েছিলো ব্রিটিশ সরকারের কথা। কিন্তু এখন ব্রিটিশ সরকার যখন দেশি সরকার হয়ে গেছে, তখনও তারা মনে করে এই সরকার ব্রিটিশই আছে। জাতীয় স্বাধীনতার পরে যারা দেশের শাসনভার গ্রহণ করেছে, তাদেরকে কওমি মাদ্রাসার এরা খানিকটা বিদেশি মনে করছে। এগুলো হচ্ছে মনঃস্তাত্ত্বিক পড়া।’

২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান ডিগ্রির ঘোষণার দিন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আল্লামা আহমদ শফী

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উল্লেখযোগ্য আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৩ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শাখা-১) থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই গেজেটে বলা হয়— কওমি মাদ্রাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট বজায় রেখে ও দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতিগুলোকে ভিত্তি ধরে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করা হলো। ওই বছরই আল-হাইআতুল উলয়া লি- জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া  শুরু করেন কওমি মাদ্রাসার তাকমিল হাদিসের শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শোকরানা মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গওহরডাঙ্গার চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মহাপরিচালক মুফতি রুহুল আমীন কওমি আলেমদের পক্ষ থেকে এই উপাধি দেন।

আলেমরা বলছেন, কওমি মাদ্রাসার সরকারি স্বীকৃতির দাবি প্রথম তোলা হয় ১৯৯৭ সালের দিকে। বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) এ দাবি তোলে। পরে দেশের অন্যান্য বোর্ডগুলো দাবি জানায়, সব বোর্ডকে একত্রে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করার পর আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি তোলা হলেও এ বিষয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি খালেদা জিয়ার সরকার। পরে ২০০৬ সালে ঢাকার মুক্তাঙ্গণে অনশন কর্মসূচি পালন করেন তৎকালীন জোটের শরিক ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অন্যতম নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শায়খুল হাদিসের দাবিসহ দেশের আলেমদের প্রাণের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ওই বছরের আগস্টের শেষ দিকে গণভবনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের উপস্থিতিতে দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেন। যদিও তা ওই সময় গেজেট হয়নি বলে প্রক্রিয়াটি থেমে যায়।

মাওলানা আতাউল্লাহ জানান, ২০০৬ ও ২০১৭ সালে গণভবনের দুটি অনুষ্ঠানেই তিনি উপস্থিত ছিলেন।

২০১২ সালে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মুফতি রুহুল আমীনসহ বিভিন্ন আলেমরা সভা-সেমিনারের মধ্যদিয়ে আবারও দাওরায়ে হাদিসের সরকারি স্বীকৃতির দাবি তোলেন। পরবর্তীতে দফায়-দফায় আগানো-পেছানো, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন ইত্যাদি গঠনের পরও বেফাক একমত না হওয়ায় পাঁচ বছর পর অবশেষে ২০১৭ সালে আলেমদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 



আগামী কাল পড়ুন: ‘ঐতিহাসিক’ পদ্ধতিতে শিক্ষা দিচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩৫

দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮১ জন চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সকলেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী। মঙ্গলবার শেষ দিনে বাকি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এসব জনপ্রতিনিধি একক প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ৩১০ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে নয় হাজার ১৬১ জন এবং সদস্য পদে ২৮ হাজার ৭৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদিন থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম। আগামী ১১ নভেম্বর এসব ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদে চার হাজার ৭৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই ৩১টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী হন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী।

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৫৭২ জন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ জনে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৩টি উপজেলার ৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ২১টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা জয় পেয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৮১টি বাদে বাকি ৭৬৫ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন হাজার ৩১০ প্রার্থী।

ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯৩ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভোটের মাঠে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নয় হাজার ১৬১জন প্রার্থী। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৭৬ জন। একইভাবে সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ২৮ হাজার ৭৪৭ জন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এক হাজার ৬৬৪জন। এ পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৩০ হাজার ৮৮৩জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ২০৩ জন। বাকিদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।

/ইএইচএস/এলকে/

সম্পর্কিত

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:১০

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে (এলডিসি গ্রাজুয়েশন) জাতিসংঘের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) গুলশানে বিজিএমইএ পিআর অফিসে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এবং সাবলীল উত্তরণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশকে কোন কোন ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিতে হবে, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন ফারুক হাসান ও মিয়া সেপ্পো।

তারা এলডিসি পরবর্তী তৈরি পোশাক শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে কৌশল নির্ধারণে গবেষণা এবং নীতি সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে তৈরি পোশাক খাত কীভাবে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে সে বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতাও চান বিজিএমইএ সভাপতি।

/জিএম/এফএ/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা চলমান কয়েকটি মামলা সম্পর্কে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

মঙ্গলবার ব্রাসেলসে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনার এ বিষয়ে জানতে চান।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইইউ জানায় ওই আইনের কয়েকটি ধারা ডিজিটাল অপরাধ দমনের থেকে অন্য কাজে বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

গত ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউতে বাংলাদেশ যেসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছিল সেগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য ইইউ উৎসাহ প্রদান করেছে। এ ছাড়া কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক সুশাসন শক্তিশালীর বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

সম্প্রতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও যেকোনও ধরনের বৈষম্যের প্রতি নিন্দা জানায়।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫১

দক্ষ ও স্বল্প-দক্ষ বাংলাদেশিদের বৈধভাবে ইউরোপে কর্মসংস্থানের আরও সুযোগ তৈরির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনারের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এই প্রস্তাব করেন।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইউরোপে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত আনার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বাস্তবায়নে বাংলাদেশে যে অগ্রগতি হয়েছে সেটাকে স্বাগত জানায় ইইউ।

এ বিষয়ে আরও ভালো ফলাফলের জন্য বাংলাদেশকে আহবান জানায় ইউরোপীয় দেশগুলোর সংগঠনটি এবং একইসঙ্গে ইউরোপে অবস্থানরত যে অবৈধ ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে সেটার বিষয়ে প্রতিবেদ্ন দেওয়ার তাগাদাও দিয়েছে তারা।

বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তাদের নতুন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি বাংলাদেশের কাছে উপস্থাপন করে। মিয়ানমার ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতিসহ এই অঞ্চলে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন ও সহযোগিতার বিষয়ে উভয়পক্ষ আলোচনা করে।

নিরাপদে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনের বিষয়ে উভয়পক্ষ জোর দিয়েছে এবং ভাসানচরে কাজ করা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরকেও স্বাগত জানিয়েছে ইইউ।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫৫

বৈশ্বিক তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যগুলো অর্জন এবং প্যারিস রুলবুকের চূড়ান্তকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ), ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (সিসিএ)-এর উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-গ্লোবাল পার্লামেন্টারি গ্রুপ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন স্পিকার। বৈশ্বিক জলবায়ুর বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ফোরামে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, সেখানে তিনি এসব দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই আমরা কপ-২৬ প্লাটফর্মে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তড়িৎ সমাধান হিসেবে ভর্তুকির আহ্বান জানিয়েছি। বাংলাদেশ শক্তির স্বাধীনতা অর্জন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং শক্তিবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে ইতোমধ্যে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করেছে। প্ল্যানিটারি ইমার্জেন্সি মোকাবিলার মাধ্যমে গ্রহ রক্ষা এবং এর যথাযথ সংরক্ষণে বৈশ্বিক সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি।’

অনারারি আইপিইউ প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জিসিএ সভাপতি বান কি মুন, আইপিইউ মহাসচিব মার্টিন চুংগঙ, মালদ্বীপের স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদ, ফিলিপাইনের ডেপুটি স্পিকার লরেন লেগার্দা এবং ইউকে হাউজ অব কমন্সের সংসদ সদস্য ডেরেন জোন্স কি-নোট বক্তব্য রাখেন। সিভিএফ প্রেসিডেন্সি অব বাংলাদেশের স্পেশাল এনভয় আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

আমরা চাই রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা চাই রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬ 

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬ 

পাসপোর্ট অধিদফতরে নতুন মহাপরিচালক

পাসপোর্ট অধিদফতরে নতুন মহাপরিচালক

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদটিকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদটিকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ

সর্বশেষ

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

আর কত সুযোগ পাবেন লিটন?

আর কত সুযোগ পাবেন লিটন?

কারখানা থেকে ফেরার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পোশাক শ্রমিক

কারখানা থেকে ফেরার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পোশাক শ্রমিক

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

© 2021 Bangla Tribune