X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

সরকারি স্বীকৃতির তিন বছর

কতটা বদলেছে কওমি মাদ্রাসা?

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১১

কওমিদের শোকরানা সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘আগে জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত লেখা হতো, এখন সেখানে স্নাতকোত্তর লেখা হয়, এটাই প্রাপ্তি।’ কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার তিন বছর পর এসে এভাবেই মূল্যায়ন করলেন গোপালগঞ্জের জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম। ২০১৭ সালে আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া’র প্রথম ব্যাচের পরীক্ষার্থী ছিলেন তিনি। তার মতো আরও প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা দিয়ে মাস্টার্সের সমমান লাভ করেছেন। এদের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র অংশ চাকরি পেয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে।

কিন্তু বেশিরভাগ উত্তীর্ণরাই রয়ে গেছেন স্ব-স্ব পেশায়। মাদ্রাসায় শিক্ষকতা, ইমামতি ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যোগদান ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে। আরেকটি ক্ষুদ্র অংশ রয়েছেন, যারা বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। এছাড়া, স্বল্পসংখ্যক ছাত্র উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ভারত, কাতার, সৌদি আরব, মিশরসহ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বেফাকের কার্যালয়ে কর্মরত দায়িত্বশীল আলেমরা

আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে প্রথমবারের দাওরায়ে হাদিসের সরকারিভাবে মাস্টার্সের সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১৯ হাজার ২৮৭ জন। এরমধ্যে স্টার মার্ক (মুমতায) প্রথম (জায়্যিদ জিদ্দান), দ্বিতীয় (জায়্যিদ) ও তৃতীয় বিভাগে (মকবুল) মোট ১৫ হাজার ৩২০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। ২০১৮ সালে চার বিভাগে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৫৩৩ জন, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেন ২০ হাজার ৭৩৮ জন। সদ্য বিদায়ী ২০১৯ সালে ২৬ হাজার ৭৮৮ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে চার বিভাগে পাস করেছেন ১৯ হাজার ৭৯ জন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের সাবেক পরিচালক ড. জুবায়ের আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এই প্রকল্পে ১৮০০ নিয়োগ পাওয়া আলেমের মধ্যে ৯১০-১৫ জন কওমি কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে ৩০ আগস্টের আগে। এরপর ওই প্রকল্পে আর কোনও নিয়োগ হয়নি।

ইফাবা’র প্রভাবশালী একজন পরিচালক এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘নতুন প্রকল্প আসার আগে আর কোনও আলেম নিয়োগের সম্ভাবনা নেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনে।’ 

ইফাবা’র সাবেক পরিচালক জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‘শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের বাইরে অন্যকোনও প্রকল্পে কওমি আলেমদের নিয়োগ হয়নি।’

কওমি মাদ্রাসার আলেমরা বলছেন, স্বীকৃতির পর যে সময় অতিবাহিত হয়েছে, তাতে করে একটি মূল্যায়নের ব্যাপারে ‘মন্তব্য’ করার সঠিক সময় আসেনি। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কীভাবে ফলপ্রসূ হবে, তার জন্য আরও সাত-আট বছর অপেক্ষা করতে হবে।

আল-হাইআতুল উলয়া লি-জামিআতিল কওমিয়া’র কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কয়েকজন আলেম জানান, সামাজিকভাবে ও মানসিকভাবে স্বস্তি তৈরি হয়েছে স্বীকৃতির পর। এই আলেমদের দাবি, সরকারি স্বীকৃতির কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণে তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

সরকারি স্বীকৃতির কারণে কেবল যে চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে তা-ই নয়, মূলত সামাজিকভাবে হীনমন্যতার যে বিষয়টি ছিল, তা অনেকাংশে কেটে গেছে, বলছিলেন মাওলানা তোফাজ্জল হুসাইন (ছদ্মনাম)। ২০১৭ সালে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে তিনি মাস্টার্সের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পে।

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা

গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল এখনও পাইনি। যেকোনও চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম হিসেবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নাম দেখা যায়, কিন্তু হাইআতুল উলয়ার নামটি দেখা যায় না। বা কোনও বিষয়ে গবেষণা করতে চাইলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনও আমাদের জন্য সেই সুযোগ সৃষ্টি হয় নাই। যেগুলো প্রথম থেকেই হওয়া উচিত ছিল। আশা করছি, আগামী দিনে রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।’

‘স্বীকৃতির সুফল শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আস্তে আস্তে প্রতিফলন ঘটবে’, বলে মনে করেন বাহ্মণবাড়িয়ার দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা সাজিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল। দাওরায়ে হাদিসের একটা মান হলো— মাস্টার্সের একটা মান দেওয়া হলো। সামাজিকভাবেও ভালো, রাষ্ট্রীয়ভাবেও এরমাধ্যমে প্রতিফলন আসবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা গোলাম রাব্বানী বেশ কয়েকবছর কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। সরকারি স্বীকৃতির বিষয়ে তার মন্তব্য, ‘আমি কিন্তু এখনও দেখিনি, কোনও প্রভাব চোখে পড়েনি। আলেমরা চেয়েছেন সরকারের একটা স্বীকৃতি, এটা সবাই জানে, মানে। কিন্তু সামগ্রিক উন্নতির দিক থেকে দেখলে বা উচ্চ শিক্ষায় আলেমরা অংশগ্রহণ করছেন, এটা কিন্তু ঘটেনি।’

অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আলেমরা স্বীকৃতি চেয়েছেন, সরকার দিয়েছে। আরও পাঁচ-সাত বছর পর আমাদের চিন্তা ও চাওয়ার প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা করি। এর মধ্যে পরিবর্তন আসবে বলে মনে করি।’

সরকারি সনদের এই স্বীকৃতি কতটা কাজে লাগলো, এমন প্রশ্নে একাধিক কওমি আলেম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সরকারি স্বীকৃতির মানেই যে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে হবে তা নয়, এটা স্বীকৃতি রাষ্ট্রের। একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামাধ্যম হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে কারণেই ‘মাদার অব কওমি’ দারুল উলুম দেওবন্দের মৌলিক নীতিগুলোকে মেনেই স্বীকৃতি গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকারি প্রভাব তৈরি না করতে অর্থনৈতিক কোনও সহযোগিতা গ্রহণ থেকেও সরকার বিরত থাকছে। 

মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম কোনও কোনও আলেম মনে করেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রতিটি মাদ্রাসায় আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। দিনে দিনে ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায়  বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের সময় এসেছে।

ঢাকার কয়েকটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, ছাত্ররা বেশিরভাগই আবাসিক হওয়ায় ছাত্রদেরকে গাদাগাদি করে রাতযাপন করতে হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে চর্মরোগ, জ্বর ও সর্দির মতো রোগগুলো বেশি হয়ে থাকে। তবে বেশি অসুস্থ হলে মাদ্রাসার দায়িত্বেই অসুস্থ ছাত্রকে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানান জামিয়া রাহমানিয়ার ষষ্ঠ শ্রেণির একজন ছাত্র।

কওমি মাদ্রাসার আলেমরা ভারতের উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার কর্মনীতিকে সামনে রেখে সরকারের আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণ করছেন না। দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ কাসেম নানুতুবী’র প্রণীত কর্মনীতিতে সরকার বা আমির-ওমরাদের আর্থিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে এবং যতদূর সম্ভব অধিকহারে অনুদান সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে লেখক ও চিন্তক ড. সলিমুল্লাহ খান মনে করেন, দেওবন্দের আলেমরা উসূলে হাশতেগানা করেছিলেন ব্রিটিশ সরকারের কথা চিন্তা করে। তাদের সংগ্রাম ছিল ব্রিটিশের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের শিক্ষক (ইউল্যাব) ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘সরকারের সহযোগিতাকে কওমি মাদ্রাসাগুলো প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যখন দেশ পরাধীন ছিল। সরকার বলতে তারা বুঝিয়েছিলো ব্রিটিশ সরকারের কথা। কিন্তু এখন ব্রিটিশ সরকার যখন দেশি সরকার হয়ে গেছে, তখনও তারা মনে করে এই সরকার ব্রিটিশই আছে। জাতীয় স্বাধীনতার পরে যারা দেশের শাসনভার গ্রহণ করেছে, তাদেরকে কওমি মাদ্রাসার এরা খানিকটা বিদেশি মনে করছে। এগুলো হচ্ছে মনঃস্তাত্ত্বিক পড়া।’

২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান ডিগ্রির ঘোষণার দিন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আল্লামা আহমদ শফী

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উল্লেখযোগ্য আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৩ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শাখা-১) থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই গেজেটে বলা হয়— কওমি মাদ্রাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট বজায় রেখে ও দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতিগুলোকে ভিত্তি ধরে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করা হলো। ওই বছরই আল-হাইআতুল উলয়া লি- জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া  শুরু করেন কওমি মাদ্রাসার তাকমিল হাদিসের শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শোকরানা মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গওহরডাঙ্গার চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মহাপরিচালক মুফতি রুহুল আমীন কওমি আলেমদের পক্ষ থেকে এই উপাধি দেন।

আলেমরা বলছেন, কওমি মাদ্রাসার সরকারি স্বীকৃতির দাবি প্রথম তোলা হয় ১৯৯৭ সালের দিকে। বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) এ দাবি তোলে। পরে দেশের অন্যান্য বোর্ডগুলো দাবি জানায়, সব বোর্ডকে একত্রে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করার পর আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি তোলা হলেও এ বিষয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি খালেদা জিয়ার সরকার। পরে ২০০৬ সালে ঢাকার মুক্তাঙ্গণে অনশন কর্মসূচি পালন করেন তৎকালীন জোটের শরিক ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অন্যতম নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শায়খুল হাদিসের দাবিসহ দেশের আলেমদের প্রাণের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ওই বছরের আগস্টের শেষ দিকে গণভবনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের উপস্থিতিতে দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেন। যদিও তা ওই সময় গেজেট হয়নি বলে প্রক্রিয়াটি থেমে যায়।

মাওলানা আতাউল্লাহ জানান, ২০০৬ ও ২০১৭ সালে গণভবনের দুটি অনুষ্ঠানেই তিনি উপস্থিত ছিলেন।

২০১২ সালে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মুফতি রুহুল আমীনসহ বিভিন্ন আলেমরা সভা-সেমিনারের মধ্যদিয়ে আবারও দাওরায়ে হাদিসের সরকারি স্বীকৃতির দাবি তোলেন। পরবর্তীতে দফায়-দফায় আগানো-পেছানো, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন ইত্যাদি গঠনের পরও বেফাক একমত না হওয়ায় পাঁচ বছর পর অবশেষে ২০১৭ সালে আলেমদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 



আগামী কাল পড়ুন: ‘ঐতিহাসিক’ পদ্ধতিতে শিক্ষা দিচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৮

সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সৌদি সরকার গুরুত্ব দিয়ে আসছে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে সফররত প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি বাংলাদেশের রূপকল্প ২০৪১ ও সৌদি রূপকল্প ২০৩০ বাস্তবায়নে আগামী দিনে দু’দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন লাভজনক খাতে সৌদি বিনিয়োগের ওপর জোর দেন।

বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে সৌদি আরব তৈরি পোশাক, চামড়াজাত ও প্লাস্টিক পণ্য, হিমায়িত মাছ এবং ঔষধ আমদানি করে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব চাইলে বাংলাদেশ থেকে হালাল মাংস আমাদানির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পারে। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানির মাধ্যমে দু’দেশের বাণিজ্য অসমতা দূর করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ১৩৭টি পণ্যের সৌদি বাজারে প্রবেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। বর্তমানে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়ে থাকে।

২০১৯ সালে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের সময় দু’দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার অনুরোধ জানান সালমান এফ রহমান। এসব সমঝোতা স্মারকসহ বাণিজ্য সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে পর্যালোচনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নে কার্যকর পদেক্ষেপ নিতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি। এ কমিটি কিছু দিন পরপর এসব বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মন্ত্রীকে জানান, সৌদি আরব চাইলে সে দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করে বিশেষ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

দু’দেশের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) বিষয়ে ২০১৮ সালে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকটি দ্রুত স্বাক্ষরের বিষয়ে সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। উপদেষ্টা বলেন, এ সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি কোম্পানির সরাসরি বিনিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত হবে।

সালমান এফ রহমান সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়ে অনুরোধ জানালে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রী ইতিবাচক মত দেন। এ তহবিলের আওতায় তিনি বাংলাদেশে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলযোগাযোগ নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সালমান এফ রহমান বাংলাদেশি যে সব অভিবাসী সৌদি আরবে ব্যবসা করছে তাদের সহায়তার জন্য মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, বিদেশিদের সৌদি আরবে বৈধভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করার বিষয়ে সৌদি সরকার সুযোগ দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তারা তাদের ব্যবসা নিবন্ধনের মাধ্যমে বৈধভাবে সৌদি আরবে ব্যবসা করার সুযোগ পেয়েছে। সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। 

এছাড়া, সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে, সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ ও শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আশা ব্যক্ত করেন।

রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এ ভার্চুয়াল সভায় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন ও বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্ব কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।  

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও একটি ব্যবসায়ী দল নিয়ে শনিবার পাঁচ দিনের সরকারি সফরে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে কয়েকজন মন্ত্রীসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি সভায় অংশ নেবেন।

সূত্র: বাসস

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২২

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন আইন দরকার বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘চোর পালালে বুদ্ধি হয়। তদারকির দুর্বলতার কারণে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হচ্ছে। এগুলো আগামীতে যাতে না হয়, এ জন্য নতুন আইন করতে হবে।’

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে একাত্তর টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন একাত্তর জার্নালে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন নূর সাফা জুলহাজ।

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেলকে মুক্তির দাবিতে গ্রাহকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা ভাবছেন তাকে বাইরে রাখলে হয়তো টাকা আদায় হবে। কিন্তু বাইরে থাকলেও তাদের টাকাটা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা নেই।’

অনুষ্ঠানে অ্যাটোর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘নীতিমালা নয়, ই-কমার্স পরিচালনার জন্য আইন করতে হবে। ই-কমার্স যদি কেউ করতে আসেন, তবে তাকে নির্দিষ্ট টাকা জামানত রাখতে হবে। জমা দেওয়া টাকার বেশি যেন ব্যবসা না করতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে কেউ প্রতারিত হলে সেখান থেকে প্রতারিতদের টাকা দেওয়া যাবে। প্রতারকদের শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে আইনে। মানুষের টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা রাখতে হবে। নতুন বাস্তবতায় নতুন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন আইন করা হয়। বিভিন্ন দেশে এটা করা হয়। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন সেটাও আইনের মধ্যে আনতে হবে।’

 

 

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৭

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ সদস্যের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা, পাঁচ সদস্যের পরিবারকে ৬০ হাজার ও ছয় সদস্যের পরিবারকে ৭৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, জামালপুর বাগেরহাট, নড়াইল ও সুনামগঞ্জ জেলার ৯৬ উপজেলার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার ৯৪টি পরিবারকে এ সহায়তা দেওয়া হবে।

এ জন্য সম্প্রতি ৯৬ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুকূলে ৫০ কোটি টাকার বরাদ্দ মঞ্জুর করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যেই বিষয়টি সম্পর্কে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয় থেকে অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউএনওরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে সহায়তার এ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শেষে অর্থের পরিমাণসহ উপকারভোগীদের তালিকা (পরিবার প্রধানের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি) সংবলিত প্রতিবেদন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে পাঠাবেন। চিঠিতে আরও বলা হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সার্বিক কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করবে ও বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিপালন করবে।

চিঠিতে আরও এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছর (২০২০-২১) বাজেটের অর্থবিভাগ ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার জনসাধারণের জন্য পুনর্বাসন তহবিল’র অধীনে বিশেষ অনুদান খাত থেকে বরাদ্দ কৃত ১০০ কোটি টাকা থেকে ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার জনসাধারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিদ্যমান নির্দেশিকা অনুযায়ী নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাভিত্তিক প্রণীত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বণ্টনের জন্য ৩১ জেলার ৯৬ ইউএনও’র অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা মঞ্জুরি দেওয়া হলো।

 

আরও পড়ুন

শুধু বরাদ্দে ভাঙন থামবে?

৫৫ হাজার পরিবার নিঃস্ব, ক্লান্ত

ভিটেহারা মানুষগুলো আর ফিরে যেতে পারে না

/এসআই/এমআর/

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৭

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসানোর জন্য অনুমোদিত সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার দ্রুত মোবাইল ল্যাব স্থাপন করে শিগগিরই করোনা পরীক্ষা চালু করবে। 

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাবের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে গেলে তাকে একথা জানান সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান। 

বিমানবন্দরের পার্কিং ইয়ার্ডে সাইট পরিদর্শনের সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেন, আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ল্যাব স্থাপনসহ আরটি পিসিআর কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, ল্যাব স্থাপনের জন্য নির্বাচিত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নির্ধারিত স্থানে মোবাইল ল্যাব স্থাপন করে শিগগিরই করোনা পরীক্ষা শুরু করবে। 

এরপর তারা বিমানবন্দরে স্থাপিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শন ও প্রবাসী কর্মীদের জন্য প্রদেয় সেবা কার্যক্রম তদারকি করেন এবং মুজিব কর্নার পরিদর্শন করেন।

/এসও/এনএইচ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫১

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। তিনি মনে করেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নদীতীরকে ভাঙনপ্রবণ করে তুলে।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গ্রিনরোডস্থ পানি ভবন অডিটোরিয়ামে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় উদ্যোগে ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সুশাসন বিষয়ক’ মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, কৃষি পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অতিরিক্ত সচিব আলম আরা বেগম, মন্ত্রণালয় অধীনস্থ সকল সংস্থাপ্রধান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, আবাসন, গাড়িসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে প্রকৌশলীরা দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করছেন। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় সবসময় আন্তরিক।

এর আগে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে নানা দিক নির্দেশনা দিয়ে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। কারিগরি আলোচনা করেন পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব ড. সাঈদ হাসান শিকদার।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

সর্বশেষ

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে ট্রাম সমর্থকদের মিছিল

ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে ট্রাম সমর্থকদের মিছিল

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

‘শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’   

আগারগাঁওয়ে ছয়তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

আগারগাঁওয়ে ছয়তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune