X
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: যে অপেক্ষার শেষ নেই

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২০, ১১:৫৬
image

মিয়ানমার জাতিগত নিধন আর নৃশংস মানবতাবিরোধী অপরাধের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য করেছিল ৩ বছর আগে। এরমধ্যে তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও নিরাপদে দেশে ফিরতে পারেনি।

জ্বালিয়ে দেওয়া সহায়-সম্বল পেছনে রেখে বাংলাদেশে শরণার্থী জীবন যাপন করা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের শিবিরে রয়েছে ভয়াবহ করোনা-ঝুঁকিতে। মিয়ানমারের শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। আসন্ন কথিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাই নাই পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন এই জনগোষ্ঠীর মানুষের। সবমিলে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও মর্যাদাকর প্রত্যাবাসন যেন এমন এক অপেক্ষা, যার কোনও শেষ নাই।

বিশ্লেষকদের মত, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্পষ্টতই ব্যর্থ হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। তারা কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। ৯০ দশকে পালিয়ে আসা আরও ৩ থেকে ৫ লাখ রোহিঙ্গা তো আগে থেকেই ছিল। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হলেও তা কেবলই এক প্রহসন হিসেবে হাজির রয়েছে।

২০১৯ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) মিয়ানমার কর্তৃক জোরপূর্বক রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন ও সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গণহত্যা প্রতিরোধে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ ঘোষণা করে। তবে কিছুই মানেনি মিয়ানমার। দেশের ভেতরে সংঘটিত গুরুতর অপরাধ তদন্তের জন্য জাতিসংঘকেও অনুমতি দেয়নি তারা। নিজেরাও সামরিক নৃশংসতার বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য কোনও তদন্ত চালায়নি। 

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) এশিয়াবিষয়ক পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের বোঝা উচিত যে রোহিঙ্গাদের জন্য তারা যে ধরনের ভয়াবহ ভোগান্তি তৈরি করেছে তার কথা বৈশ্বিক করোনা মহামারি পরিস্থিতির মধ্যেও মুছে ফেলা যাবে না। মিয়ানমারের উচিত রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমাধানসূত্র গ্রহণ করা।’

বাংলাদেশের জনাকীর্ণ শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের করোনাঝুঁকি নিয়ে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে এইচআরডব্লিউ-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে ৬ লাখ রোহিঙ্গা থেকে গেছে, তাদের প্রচণ্ডরকমের দমন-পীড়ন ও সহিংসতার শিকার হতে হচ্ছে। স্বাধীনভাবে চলাফেরার কিংবা অন্য মৌলিক অধিকার তাদের নেই।

মরিয়াভাবে মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গারা নিজেদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে বের করতে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। কেউ কেউ কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাস ধরে সাগরে আটকা পড়ে থাকে। মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডের উপকূল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া নৌকাগুলো সাগরে ভাসতে থাকে। অনেকসময় নৌকায় থাকা শত শত মানুষ সেখানেই মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। তীরে পৌঁছে যাওয়া রোহিঙ্গাদের আটক করে মালয়েশিয়া। অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের মূল কারণ অনুসন্ধান করতেও ব্যর্থ হয়েছে মিয়ানমার। তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশটি। আব্দুল হামিদ নামে এক রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলেন, ‘আমরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যার শিকার হতে দেখেছি। তুলাতলি নদীতে মৃতদেহ ভাসছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা হয়নি।’

যেসব রোহিঙ্গা শরণার্থী হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সঙ্গে কথা বলেছে তারা সবাই স্বতস্ফূর্তভাবেই নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তাদের শর্ত, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে, চলাফেলার স্বাধীনতা দিতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনও নৃশংসতা হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী শেরু হাতু বলেন, ‘আমরা খুব করে দেশে ফিরে যেতে চাই। আমাদের জমি ফিরে পেতে চাই, পোষা প্রাণীর কাছে যেতে চাই। যতক্ষণ পর্যন্ত না আমাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা সম্ভব নয়।’

জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত সর্বসম্মতিক্রমে রুল জারি করেছিল,  রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের গণহত্যার হুমকি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার এবং অপরাধের আলামত সংরক্ষণ করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে মিয়ানমারের। তবে আদালতের এ আদেশ মেনে দৃঢ় কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি মিয়ানমারকে।

আদালতের আদেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যবস্থা নিতে চাইলে মিয়ানমার সরকারকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করতে হবে। কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে চলাফেলার স্বাধীনতার ওপর জারি করা প্রতিবন্ধকতা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। বৈষম্যমূলক বিধি-বিধান ও স্থানীয় আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে।

রাখাইন রাজ্যের আটটি এলাকায় মোবাইল-ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরোপ করে রেখেছে সরকার। এলাকাগুলোর একটি চীন রাজ্যের কাছে অবস্থিত। এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বেসামরিক নাগরিকরা তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাখাইন রাজ্যে অবাধে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে দেওয়া হচ্ছে না।

বাংলাদেশ সরকার বেশ কয়েকবার আনুষ্ঠানিকভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। তবে তা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, রোহিঙ্গাদের আশঙ্কা তাদের মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হতে হবে। আর সেকারণে তারা দেশে ফিরতে রাজি হয়নি। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনও রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফিরে যাওয়ার উপযোগী নয়।

সাদেক হোসেন নামের এক রোহিঙ্গা বলেন, ‘আমাদের অধিকার নিশ্চিত করলেই কেবল আমি মিয়ানমারে ফিরে যাবো।’ শামিমা নামের আরেক রোহিঙ্গা বলেন, ‘আমাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার নিশ্চয়তা পেলেই কেবল আমরা দেশে ফিরে যেতে পারবা।’

তবে নিরাপদ বোধ করার কোনও কারণ সেখানে নাই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গারা রাখাইনে থাকলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। উগ্র বৌদ্ধবাদকে ব্যবহার করে সেখানকার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্থাপন করেছে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের চিহ্ন। ছড়িয়েছে বিদ্বেষ। ৮২-তে প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে পরিচয়হীনতার কাল শুরু হয় রোহিঙ্গাদের। এরপর কখনও মলিন হয়ে যাওয়া কোনও নিবন্ধনপত্র, কখনও নীলচে সবুজ রঙের রশিদ, কখনও ভোটার স্বীকৃতির হোয়াইট কার্ড, কখনও আবার ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ কিংবা এনভিসি নামের রঙ-বেরঙের পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষকে। ধাপে ধাপে মলিন হয়েছে তাদের পরিচয়। ক্রমশ তাদের রূপান্তরিত করা হয়েছে রাষ্ট্রহীন বেনাগরিকে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসেই অ্যামনেস্টির সবশেষ গবেষণায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বহু  গ্রাম জ্বালিয়ে ও বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার আলামত উঠে এসেছিল। রিগনভিত্তিক মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ইউরো এশিয়া রিভিউ একই বছর মার্চে জানায়, ২০১৭ সালে শেষ থেকে মিয়ানমার সরকার ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কমপক্ষে ৪৫৫টি গ্রামের সব অবকাঠামো ও ফসলের ক্ষেত ধ্বংস করে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অর্ধশতাধিক গ্রাম বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস। বলা হচ্ছিল, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক বাহিনীর নিধনযজ্ঞ আড়াল করতেই গ্রামগুলোতে বুলডোজার চালানো হচ্ছে।

২০১৮ সালেই এএফপির প্রতিবেদনে উঠে আসে রাখাইন বৌদ্ধদের জন্য ‘আদর্শ বৌদ্ধ গ্রাম’ নির্মাণের কথা। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৌদ্ধদের অর্থায়নে এবং সেনা মদতে বেসরকারি প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাশূন্য রাখাইন গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। ওই প্রকল্পের উপদেষ্টাদের একজন  রাখাইনের আইনপ্রণেতা উ হ্লা বলেন, সিআরআরের উদ্দেশ্য, রাজ্যের রাজধানী সিতউয়ে থেকে শুরু করে মংডু শহর পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি রোহিঙ্গাশূন্য ‘বাফার জোন’ প্রতিষ্ঠা করা।

রোহিঙ্গাহীন রাখাইন নির্মাণের সেই স্বপ্ন বাস্তবের পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এশিয়ান টাইমস-এ লেখা নিবন্ধে দ্য রিচার্ডসন সেন্টার ফর গ্লোবাল এনগেজমেন্ট-এর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও প্রকল্প পরিচালক স্টিভ রস বলছেন, ‘তিন বছর পরও রোহিঙ্গাদের অধিকার রক্ষায় বিশ্ব ব্যর্থ। অদূর ভবিষ্যতে তাদের জন্য নিরাপত্তা সুরক্ষা, মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার কোনও আভাস নেই। এমন অবস্থায় নিজ দেশে গণহত্যার শিকার হওয়া, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে গাদাগাদি করে থাকা কিংবা সাগরপথে ঝুঁকি নিয়ে উন্নত দেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করা ছাড়া তাদের অন্য কোনও উপায় নেই।’

/বিএ/এমএমজে/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

রোহিঙ্গাদের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীরা

রোহিঙ্গাদের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীরা

রোহিঙ্গাদের ফেরা নিয়ে সংশয় প্রকাশ মিয়ানমার জান্তা প্রধানের

রোহিঙ্গাদের ফেরা নিয়ে সংশয় প্রকাশ মিয়ানমার জান্তা প্রধানের

রোহিঙ্গাদের ‘ন্যায়বিচারের আশ্বাস’ মিয়ানমার জান্তাবিরোধী নেতার

রোহিঙ্গাদের ‘ন্যায়বিচারের আশ্বাস’ মিয়ানমার জান্তাবিরোধী নেতার

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৮

নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুত্তের নিরাপত্তা ব্যাপক পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ মাদক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত পাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবগত সূত্রের বরাতে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

নেদারল্যান্ডসে বন্দুক সহিংসতার ঘটনা বেশ বিরল। তবে গত কয়েক বছরে আন্ডারওয়ার্ল্ডের লোকেরা কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠায় মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

সরকারি একটি সূত্র প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাড়ানোর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে ডাচ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ওই খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুত্তে বলেন, ‘নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার ইস্যুতে কখনোই প্রকাশে আলাপ করা যায় না।’

মার্ক রুত্তের রক্ষণশীল সরকার সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে গত ১১ বছর ধরে ক্ষমতাও থেকেও সীমিত পরিমাণ ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিয়েছেন এই প্রধানমন্ত্রী। রাজধানী হেগের রাস্তায় প্রায়ই সাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে সরকারি অফিসে যেতে দেখা যায় তাকে। সেই সময় পথচারীদের সেলফি তোলার আব্দারও মিটিয়ে থাকেন তিনি।

মাদক ব্যবসায় সহিংসতা বাড়ার ইঙ্গিত হিসেবে গত জুলাইতে আমস্টারডামে প্রকাশ্য দিনের আলোতে খুন হন সুপরিচিত ডাচ ক্রাইম রিপোর্টার পিটার আর দে ভ্রাইস। একটি চাঞ্চল্যকার মাদক মামলায় স্বাক্ষ্য দেওয়ার পর খুন হন তিনি। 

/জেজে/

সম্পর্কিত

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০২

কিছু সময়ের জন্য আইসল্যান্ডবাসী ভেবে নিয়েছিলো যে, ইউরোপে প্রথমবারের মতো নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্লামেন্ট গড়েছে তারা। তবে পুনর্গননার পর দেখা গেলো ইতিহাস গড়া হয়নি তাদের।

দেশটির ৬৩ আসনের পার্লামেন্টের ৩০টি (৪৭.৬ শতাংশ) আসনে জয় পেয়েছে নারীরা। তবে আগে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায় ৩৩টি (৫২ শতাংশ) আসনে নারীরা জয়ী হয়েছে।

ইউরোপের কোনও দেশেই এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ আসনে নারীরা জয় লাভ করতে পারেনি। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের তথ্য অনুসারে সবচেয়ে নিকটবর্তী সুইডেনের পার্লামেন্টের ৪৭ শতাংশ আসনে জিতেছে নারীরা।

অন্য অনেক দেশের মতো আইসল্যান্ডে নারী প্রতিনিধিত্বের কোনও আইনি কোটা নেই। তবে কয়েকটি রাজনৈতিক দল নুন্যতম নারী প্রার্থী রাখার বিধান রেখেছে।

নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্লামেন্ট গঠিত হওয়ার ঘোষণায় অনেকেই এই অর্জনকে মাইলফলক আখ্যা দেন। পুনর্গনণার আগে প্রেসিডেন্ট গাডনি জোহানেসন সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভিকে বলেন, ‘ঐতিহাসিক এবং আন্তর্জাতিকতার আলোকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো আইসল্যান্ডের পার্লামেন্টে প্রথমবার নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, আর ইউরোপেও এটা প্রথম। এটা ভালো খবর।’

লৈঙ্গিক সমতায় বিশ্বের শীর্ষ দেশ বিবেচিত হয়ে আসছে আইসল্যান্ড। গত ১২ বছর ধরে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রতিবেদনে তারা এই সংক্রান্ত তালিকার শীর্ষে।

নারী ও পুরুষের জন্য সমান প্যাটার্নাল ছুটি দেয় দেশটি। এছাড়া সম বেতন নিশ্চিতে ১৯৬১ সালে আইন করে তারা। ১৯৮০’র দশকে বিশ্বে প্রথমবারের মতো নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় দেশটিতে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

ভোট কেন্দ্রে ভুল করে বসলেন লাশেট!

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৪

জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে ভুলভাবে ব্যালট ভাঁজ করলেন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ)'র চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেট। লাশেট ভুলভাবে ব্যালট ভাঁজ করায় তা আর গোপন থাকেনি, তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছে, ভুল করে ব্যালট উল্টো দিকে ভাঁজ করা হয়েছিল। তাকে নতুন একটা ব্যালট পেপার দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ব্যালট একবার বাক্সে ফেলে দিলে আর কিছু করার নেই। তার ভোট বৈধ।

এদিকে লাশেটের নেতৃত্বাধীন সিডিইউ শলৎসের এসপিডি-র থেকে পিছিয়ে পড়েছে। ভোট ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় জার্মানির জাতীয় নির্বাচনে নিজ দলকে বিজয়ী দাবি করেছেন বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি)র প্রার্থী ওলাফ শলৎস। 

যদিও ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবিরের নেতা আরমিন লাশেট এখনও পরাজয় মেনে না নেওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া জটিল হতে পারে। সমর্থনে বিশাল ঘাটতি সত্ত্বেও অ্যাঙ্গেলার সম্ভাব্য উত্তরসূরি আরমিন লাশেট এখনই সরকার গড়ার আশা ছাড়ছেন না। লাশেট মনে করেন, বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন অংকের হিসাব। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

জার্মানিতে জোট সরকার গড়তে চান ওলাফ শলৎস

জার্মানিতে জোট সরকার গড়তে চান ওলাফ শলৎস

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: বুথ ফেরত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

জার্মান নির্বাচন: বুথ ফেরত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৭

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর করোনাভাইরাস মহামারিতে পশ্চিম ইউরোপে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গড় আয়ু কমেছে। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, চিলি থেকে শুরু করে ৩৯টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা গত বছর গড় আয়ু কমার পরিমাণ শনাক্ত করেছে।

সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষদের। ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর তাদের গড় আয়ু কমেছে ২.২ বছর। এরপরে রয়েছে লিথুনিয়ার পুরুষেরা। তাদের কমেছে ১.৭ বছর।

অক্সফোর্ডের লেবারহাম সেন্টার ফর ডেমোগ্রাফিক সাইন্সের বিজ্ঞানীদের পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে গড় আয়ু কমার পরিমাণ কম।

গবেষণাটির সহ লেখক ড. জোসে আবুরতো বলেন, স্পেন, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস, ইতালি, বেলজিয়ামের মতো পশ্চিম ইউরোপের দেশগেুলোতে এর আগে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু কমার ঘটনা ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।

গবেষণাটি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এপিডেমিলোজিতে প্রকাশ হয়েছে। ড. জোসে আবুরতো বলেন, গবেষণার আওতায় থাকা ২২টি দেশে গড় আয়ু বেশি কমেছে ২০২০ সালের প্রথম ছয় মাসে। তিনি বলেন, আটটি দেশের নারী এবং ১১টি দেশের পুরুষদের আয়ু এক বছরের বেশি কমেছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না ইতালি

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মানিতে জোট সরকার গড়তে চান ওলাফ শলৎস

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৬

জার্মানির জাতীয় নির্বাচনে নিজ দলকে বিজয়ী দাবি করেছেন বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি)র প্রার্থী ওলাফ শলৎস। ম্যার্কেলের রক্ষণশীল দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ)'র আর ক্ষমতায় থাকা উচিত হবে না মনে করছেন চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী শলৎস। নির্বাচনে এগিয়ে থেকে সোমবার তিনি বলেন, ‘সবুজ এবং লিবারেল পার্টির সঙ্গে জোট গঠনের সময় এসেছে’।

যদিও ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবিরের নেতা আরমিন লাশেট এখনও পরাজয় মেনে না নেওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া জটিল হতে পারে। সমর্থনে বিশাল ঘাটতি সত্ত্বেও অ্যাঙ্গেলার সম্ভাব্য উত্তরসূরি আরমিন লাশেট এখনই সরকার গড়ার আশা ছাড়ছেন না। লাশেট মনে করেন, বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন অংকের হিসাব। 

এদিকে প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি (২৫.৭ শতাংশ), ক্রিশ্চিয়ান গণতন্ত্রী সিডিইউ/সিএসইউ (২৪.১ শতাংশ), সবুজ দল (১৪.৮ শতাংশ), মুক্ত গণতন্ত্রী এফডিপি (১১.৫ শতাংশ), অভিবাসনবিরোধী এএফডি (১০.৩ শতাংশ), বাম দল (৫ শতাংশ) ও অন্যান্য (৮.৭ শতাংশ) ভোট পেয়েছে।

একটি জোট সরকার গঠনের চাবিকাঠি রয়েছে গ্রিন পার্টি এবং এফডিপি’র হাতে। দুটি দলের কেউই আলাদা করে ভালো ফল ঘরে না তুলতে পারলেও তাদের দুই দলের ভোট একসঙ্গে করলে জোট সরকার গঠনে চমক হতে পারে। জোট সরকার গঠন জার্মানিতে বর্তমানে একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট কোনো দলই পায় না। যাই হোক না দীর্ঘ ১৬ বছর পর নতুন কোনও সরকার পেতে যাচ্ছে জার্মানরা।

এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সময় পর জার্মানিতে ক্ষমতা হারাতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের রক্ষণশীল দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ)।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ভোট কেন্দ্রে ভুল করে বসলেন লাশেট!

ভোট কেন্দ্রে ভুল করে বসলেন লাশেট!

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ম্যার্কেলের বিরোধীরা

জার্মান নির্বাচন: বুথ ফেরত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

জার্মান নির্বাচন: বুথ ফেরত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

রোহিঙ্গাদের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীরা

রোহিঙ্গাদের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীরা

রোহিঙ্গাদের ফেরা নিয়ে সংশয় প্রকাশ মিয়ানমার জান্তা প্রধানের

রোহিঙ্গাদের ফেরা নিয়ে সংশয় প্রকাশ মিয়ানমার জান্তা প্রধানের

রোহিঙ্গাদের ‘ন্যায়বিচারের আশ্বাস’ মিয়ানমার জান্তাবিরোধী নেতার

রোহিঙ্গাদের ‘ন্যায়বিচারের আশ্বাস’ মিয়ানমার জান্তাবিরোধী নেতার

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে ‘তহবিল সংগ্রহের চেষ্টায়’ মিয়ানমারের সামরিক সরকার

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে ‘তহবিল সংগ্রহের চেষ্টায়’ মিয়ানমারের সামরিক সরকার

আটকে পড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ বাধ্য নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আটকে পড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ বাধ্য নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর বন্ধের আহ্বান

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর বন্ধের আহ্বান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও ২০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও ২০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

সর্বশেষ

নির্বাচন কমিশনের জন্য কি মঙ্গল গ্রহ থেকে লোক আনবেন: কৃষিমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশনের জন্য কি মঙ্গল গ্রহ থেকে লোক আনবেন: কৃষিমন্ত্রী

সৌরভের ‘বন্ধু’ ইফতেখার বিসিবি নির্বাচনে

সৌরভের ‘বন্ধু’ ইফতেখার বিসিবি নির্বাচনে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বল্পমেয়াদী উদ্ভাবনীর ট্রেন্ড চারটি: গার্টনার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বল্পমেয়াদী উদ্ভাবনীর ট্রেন্ড চারটি: গার্টনার

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

পদোন্নতিপ্রাপ্ত  ১৫৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

পদোন্নতিপ্রাপ্ত ১৫৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

© 2021 Bangla Tribune