X
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ৬ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০৯

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৪১

পূর্ব প্রকাশের পর

উডল্যান্ড ওয়াটাফ্রন্টে আমাদের বেশি সময় থাকার সুযোগ নেই, কারণ আমাদের আজকের শিডিউলে রয়েছে আরও তিনটি ভেন্যু—চিড়িয়াখানা, রিভার সাফারি আর নাইট সাফারি। তিনটি ভেন্যুই মূলত একই জায়গায়, পাশাপাশি। মোফাজ্জল আমাদেরকে চিড়িয়াখানায় পৌঁছে দিয়ে আমার বাচ্চাদেরকে স্ন্যাকস ও আইসক্রিম খাইয়ে এবং আমাকে কফি খাইয়ে বিদায় নিলো। আমরা ঢুকলাম চিড়িয়াখানায়। এই চিড়িয়াখানার পুরনো নাম ছিলো সিঙ্গাপুর জুয়োলজিকাল গার্ডেনস। ২০০৫ সালের দিকে এর নামকরণ হয় সিঙ্গাপুর জু। তবে লোকমুখে এটি সব সময়ই সিঙ্গাপুর জু বা সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানা নামেই পরিচিত। সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানা, রিভার সাফারি, নাইট সাফারি আর জুরঙ বার্ড পার্ক—এই চারটি প্রতিষ্ঠানেরই তত্ত্বাবধায়ক হলো ওয়াইল্ডলাইফ রিজার্ভস সিঙ্গাপুর নামের একটি সেলফ ফাইনান্সড প্রতিষ্ঠান। ফলে এই চারটির জন্য একসাথে টিকেট কেনা যায় ওয়াইল্ডলাইফ রিজার্ভস সিঙ্গাপুর থেকে। দামে একটু রেয়ায়েতও আসে। আমাদের টিকেটও বন্ধু ইউনুস অনলাইনে সেভাবে কিনে দিয়েছে। চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধায়ক ওয়াইল্ডলাইফ রিজার্ভস সিঙ্গাপুর হলেও, চিড়িয়াখানাটি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। ১৯৭৩ সালে সরকার তৎকালীন ৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ২৮ হেক্টর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই চিড়িয়াখানা তৈরি করে। অবশ্য ১৮৭০ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে চিড়িয়াখানা ছিল, তবে সেটি অন্যত্র এবং অন্যভাবে। ১৯৭৩ সালে নির্মিত এই বর্তমান রূপের চিড়িয়াখানার নির্মাণে আমাদের একজন প্রতিবেশী ভাইয়ের অবদান ছিল। তিনি হলেন শ্রীলঙ্কার কলম্বো জু-এর পরিচালক লিন দে আলভিস (Lyn de Alwis)। এটা আমাদের জন্য একটু আনন্দের। ১৯৭৩ সালে যখন চিড়িয়াখানাটি উন্মুক্ত করা হয় তখন এখানে ৭২ প্রজাতির ২৭০টি প্রাণী ছিল। ১৯৯০ সালের মধ্যে এখানে ১৬০ প্রজাতির ১৬০০ প্রাণী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা হয়। 

যদিও আমি এর আগেও এই চিড়িয়াখানায় গিয়েছি, তারপরও কেমন করে যেন আমাদের ঘোরাটা শুরু হয়ে গেল উল্টো পথে। তাই ট্রামের সুবিধা আমাদের গ্রহণের আর সুযোগ হলো না। ট্রামে ওঠা মানেই আমাদের ঘুরে আসা পথে ফেরত যাওয়া। ২৮ হেক্টরের চিড়িয়াখানাটি খুব যে বড় তা নয়। তা-ও কিছদূর হেঁটে এতদিনের ক্লান্ত পা টানছিলাম। উল্টোমুখো হাঁটার কারণে ট্রামের টিকেট কেনা থেকেও বিরত থাকলাম। চিড়িয়াখানার যে বিষয়টি সবাইকে আনন্দ দিলো তা হলো চিড়িয়াখানাটিকে ৬৫টি অঞ্চলে ভাগ করে এক এক অঞ্চলের মধ্যে সমগোত্রীয় বন্ধুভাবাপন্ন প্রাণীগুলোকে রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ খাঁচা ছাড়া। খাঁচা নেই তবে বড় বড় পরিখা আছে এবং টপকানোর অযোগ্য মাটির বেড় আছে। যেসব প্রাণী দেয়াল বাইতে পারে সেগুলোর ক্ষেত্রে মাটির দেয়ালগুলো বাইর থেকে মাটির হলেও ভিতরের দিকে কাচের। পাখিগুলোর খাঁচার জাল এত উঁচু যে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে আকাশ ভেবে তার মধ্যে উড়তে পারে। বানরজাতীয় প্রাণীগুলোর এলাকা অনেক দূর থেকে মোটা জিআই তারের জাল দ্বারা সীমায়িত। দুনিয়ার সব হিংস্র জন্তুকে এভাবে খাঁচা ছাড়া রাখায় মাঝে মাঝে ভয়ই লাগে। আর এ ভয়ের ঐতিহাসিক কিছু ভিত্তিও রয়েছে। এই খাঁচাহীনতার সুযোগে ১৯৭৩ সালে চিড়িয়াখানা উদ্বোধনের আগেই একটি ব্ল্যাক প্যান্থার পালিয়ে যেতে পেরেছিল। ১৯৭৪ সালে একটি জলহস্তী পালিয়ে গিয়ে ৪৭ দিন পাশের সেলেতার হ্রদে লুকিয়ে ছিল। ২০০৮ সালে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে দুটি সাদা বাঘ মিলে হত্যা করেছিলো। এতসব ঘটনার ইতিহাস স্বাভাবিকভাবেই একটু ভয় পাইয়ে দেয়। 

আমাদের হাতে সময় কম বিধায় আমরা চিড়িয়াখানার নিয়মিত শো-গুলো সব দেখতে পারলাম না। চিড়িয়াখানায় আমরা বিভিন্ন সাইজের পাখির একটি শো দেখে বের হয়ে আসলাম। আমাদের পরের গন্তব্য হলো রিভার সাফারি। নামটি রিভার সাফারি হলেও আমরা সেখানে কোনো রিভার পাইনি। পেয়েছি একটা লেক, যা মূলত একটি রিজারভয়ার। এটিও মূলত ২০১২ সাল থেকে উন্মুক্ত একটি চিড়িয়াখানা যার মূল আকর্ষণ হলো পান্ডা ফরেস্ট। এর আগে জীবনে পান্ডা দেখেছিলাম দার্জিলিং চিড়িয়াখানায়। একটিই। সেটিও বসেছিল মরামরা। কিন্তু এখানে দেখলাম দুটো। একটি ঘুমন্ত ছিল। আরেকটি খুব আয়েশ করে ইক্ষুর মতো বাঁশ ছুলছিলো আর খাচ্ছিলো। সে এক ম্যাজেস্টিক দৃশ্য। এখানে একটি একুয়ারিয়াম আছে। প্রায় তিন তলা পরিমাণ উঁচু। চারপাশ দিয়ে পথ উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঘোরানো। ঘুরে ঘুরে দেখা যায়। আমার চেয়ে বড় সাইজের কয়েকটি মাছ আছে। মাঝে মাঝে মনে হয় কাচ ফুটো করে মাছটি হয়তো আমার দিকেই তেড়ে আসছে। তখন ভয় লাগে। নৌকায় করে আমাজনের পাড়ের জীবজন্তু দেখার একটি রাইড আছে—‘আমাজন রিভার কোয়েস্ট’। আমরা যখন ভিতরে ঘুরছি তখন নিউজিল্যান্ড থেকে আমার এক ছোট বোন ফোন করে বললো ওটা যেন বাচ্চাদেরকে দেখিয়ে নেই। নিয়ে গেলাম সেটি দেখাতে। ১৫ ফুট উঁচু থেকে নৌকাটি ধপাস করে ছেড়ে দেয়ার একটা থ্রিল রাইডে আছে। আর যা আছে সব নলেজ। আমার খুব ভালো লাগেনি।

রিভার সাফারি দেখা শেষ করে সেলেতার রিজারভয়ারের ব্রিজের ওপরের বৈঠকঘরের মতো জায়গায় কতক্ষণ শুয়ে কাটিয়েও দেখলাম সন্ধ্যা হতে ঘণ্টা দুই বাকি। ভাবলাম বাসায় যাই। বাসায় রেস্ট নিয়ে ফ্রেশ হয়ে তারপর এসে ঢুকবো নাইট সাফারিতে। বাচ্চারাও এ প্রস্তাবে খুব সানন্দে রাজি হয়ে গেল। বাসায় এসে রেস্ট নিয়ে তৌফিকার আয়োজনে চা-পর্ব সেরে ইউনুসের গাড়িতে গেলাম নাইট সাফারি। ইউনুস বাইরে আমাদের জন্য অপেক্ষা করতে থাকলো। আমরা বের হলে আমাদেরকে নিয়ে সে বাসায় যাবে। তার বাসায় আমাদের উদ্দেশ্যে আজ পার্টি আছে। আমরা ভিতরে ঢোকার জন্য কিউতে দাঁড়িয়ে দেখলাম হাজার হাজার লোক আমাদের আগে এসে দাঁড়ানো। সাড়ে চার হাজারের মতো ভিজিটরকে প্রত্যেকদিন নাইট সাফারিতে ঢোকার সুযোগ দেয়া হয়। আমার মনে হচ্ছিলো ওদিনের সেই সাড়ে চার হাজারের চার হাজারই আমাদের সামনে দাঁড়ানো ছিল। তবে এখানে ইউনিভার্সেল স্টুডিওর মতো এক্সপ্রেস টিকেটের আলাদা কিউ নেই এটাই শান্তি। মনে হলো ঘণ্টা দেড়েকের অপেক্ষার পরে আমাদের টার্ন আসলো।

ট্রামে করে ৪০ মিনিট ঘুরতে হয় নাইট সাফারিতে। যেখান থেকে যায় সেখানকার কোন পাশে কী আছে তার কমেন্ট্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকে। কোথাও চলতেই চলতেই বলে। কোথাওবা কিছু সময় থামিয়ে একটু দীর্ঘতর সময় নিয়ে বলে। এটিই বিশ্বের প্রথম নৈশ চিড়িয়াখানা বা নাইট সাফারি। ১৯৮০’র দশকে সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানার সাবেক চেয়াম্যান ড. অং সুই ল এরকম একটি চিড়িয়াখানার ধারণা দেন। তৎকালীন ৬৩ মিলিয়ন ডলারে এটি স্থাপিত হয় এবং ১৯৯৪ সালের মে মাসে এটি উদ্বোধন করা হয়। ৩৫ হেক্টর জমি জুড়ে এটি বিস্তৃত। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ১০০ প্রজাতির ৯০০ প্রাণী এখানে সংরক্ষিত আছে। এর ৪১% প্রাণীই বিরল প্রজাতির। পাশের চিড়িয়াখানায় তো প্রাণীগুলো খাঁচা ছাড়া হলেও কিছু প্রাকৃতিক বাঁধা তাদের চতুর্দিকে আছে বলে দেখেছি। কিন্তু এখানে মনে হলো তাদের চতুর্দিকে কোনো বাঁধাই নেই। ভিতরে আলোগুলো পূর্ণিমার জোছনার চেয়েও অনুজ্জ্বল। যেখানে প্রচুর গাছপালা সেখানে গাঢ় অন্ধকার। আমার এক দাদি ছিলেন, যিনি একাদশী-দ্বাদশীর জোছনাকে বলতেন ‘বাইল্যা বাইল্যা জোছনা’। দাদির সেই বাইল্যা জোছনার আদত রূপটি আমি সিঙ্গাপুর নাইট সাফারিতে দেখেছি। সেই জোছনার মধ্যে যেখানে একটি জন্তু দেখা যেতো সেখানে জোছনাটুকু আরেকটু গাঢ় থাকতো। আলো বিষয়ে কর্তৃপক্ষের এমনটাই আয়োজন। ঐ গাঢ় জোছনায় জন্তুগুলোর উজ্জ্বল চোখ অদ্ভুত এক দৃশ্যব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতো। অটোমেটিক কমেন্ট্রিতে যে নলেজের বয়ান চলছিলো তার চেয়ে এই দৃশ্যব্যঞ্জনা অনেক আনন্দের ছিল আমার কাছে।

নাইট সাফারি থেকে বের হয়ে বন্ধু ইউনুসের গাড়িতে গল্প করতে করতে সরাসরি গিয়ে উঠলাম তার দ্বিতীয় বাড়িতে যেখানে সে এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকে। ইউনুসের এই দ্বিতীয় বাসাটি নিউটন এলাকায় ইভলিন রোডে অবস্থিত। সেখানে বাংলাদেশি আরও এক দম্পতি আজ বেড়াতে এসেছে। সেটি আমাদের এক ছোট ভাই আবদুল্লাহ আল আমিন মাসুমের পরিবার। মাসুম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়য় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পুলিশ বিভাগে চাকুরি করে। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পথে তারা দু’দিনের জন্য সিঙ্গাপুর ঘুরতে ট্রানজিট নিয়েছে। বন্ধু মোফাজ্জলও আসলো কিছুক্ষণে। বেশ আড্ডা হলো। আমার ছেলে তামিম ইউনুসের ছোট দুই ছেলের সাথে খুব ভালো ভাব জমিয়ে ফেললো দেখলাম। মনে হলো আমরা তার সোশালাইজেশন নিয়ে অযথাই উদ্বিগ্ন। আইটেমের পর আইটেমে দীর্ঘ পরিসরের পার্টি। শেষ করে বায়জিদ, তৌফিকাসহ আমরা চারজন সেভেন সিটারের এক ক্যাবে রওয়ানা হলাম ৬১০১৭৭।

পরের দিন ছিলো সিঙ্গাপুরে আমাদের শেষ দিন। ভ্রমণের তালিকায় রয়েছে জুরঙ বার্ড পার্ক, সাইন্স সেন্টার ও সামান্য কেনাকাটার জন্য মুস্তফা সেন্টার। প্রথমেই জুরঙ বার্ড পার্ক। ৪৯ একর জমি জুড়ে জুরঙ পাহাড়ের ঢালে এর অবস্থান। ২০০০ সালে এটি সিঙ্গাপুর ওয়াইল্ড লাইফ রিজার্ভসের আওতাধীন চলে আসে। ওয়াইল্ড লাইফ রিজার্ভস ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে যে, ২০২০ সালের মধ্যে এটিকে মান্দাই লেক রোডে স্থানান্তর করা হবে। ১৯৬৮ সালে তখনকার অর্থমন্ত্রী ড. গো কেং সুই এমন একটি বার্ড পার্কের ধারণা প্রথম ব্যক্ত করেন। ১৯৬৯ সালে প্রজেক্টটি শুরু হয়। ১৯৭১ সালে তৎকালীন সাড়ে তিন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ৩৫ একর জমিতে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। বর্তমানে পার্কটিতে ৪০০ প্রজাতির ৫০০০ পাখি রয়েছে।

জুরঙ বার্ড পার্কে ঢুকেই চোখে পড়ে এ পার্কের সবচেয়ে মনকাড়া অংশ—পেঙ্গুইন কোস্ট। আমি এযাবৎ দুনিয়ায় এই এক জায়গায়ই পেঙ্গুইন দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার ‘তরঙ্গ জু’-তেও পেঙ্গুইন দেখিনি। নিউজিল্যান্ডে পেঙ্গুইন ক্রস করে রাস্তার এমন সব জায়গায় রাতে ওত পেতে থেকেও পেঙ্গুইন দেখতে পাইনি। অথচ জুরঙ বার্ড পার্কে ঢুকতেই দুই ঘর শুধু পেঙ্গুইন। ১৭০০০ বর্গফুটের বিশাল স্পেসে এখানে রাখা হয়েছে দুনিয়ার ৫ প্রজাতির পেঙ্গুইন : Humboldt, rockhopper, macaroni ও  king penguin । ৪০০ প্রজাতির আর সব পাখির কী আর বয়ান দেব? আমার ছেলেমেয়েরা বার্ড পার্ক থেকে যেন বের হতেই চায় না। বার্ড পার্কে পেঙ্গুইন গ্যালারি এখানকার দুটো শো : একটি শিকারী পাখি শকুন, ঈগল ইত্যাদির, আরেকটি হরেক রঙের তোতা পাখির। তোতা পাখি সেখানে ইংরেজি আর চাইনিজ দুই ভাষাই জানে। আমার ছেলেমেয়েরা দুটি শোই দেখলো। এরপরও যে ভিতরে ঢুকলো আর বের হওয়ার নাম নেই। আমি বসে বসে বিরক্ত হতে হতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে তাদের মায়ের কাছে ফোন করে নালিশ পর্যন্ত দিয়েছি, তখনো তারা বের হয় না।

এক সময় তারা বের হলো এবং আমিও বের হলাম। রওয়ানা হলাম সোজা সাইন্স সেন্টার। সিঙ্গাপুর সাইন্স সেন্টারটির অবস্থানও জুরঙে, নিকটেই। এটি সিঙ্গাপুর জাদুঘর থেকে আলাদা হওয়া একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৬৯ সালে এর পরিকল্পনা করা হয় এবং ১৯৭৭ সালে জুরঙে ৬০০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। পরে এর সাথে আরও যুক্ত হয়েছে অমনি-থিয়েটার ও স্নো সিটি। এখানে ৮টি বড় আকারের এক্সিবিশন গ্যালারিতে ৮৫০টি বিজ্ঞানবিষয়ক প্রদর্শন-আইটেম রয়েছে। অনেকগুলো গ্যালারি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য বুকড থাকে। বেশিরভাগ বিজ্ঞানের বস্তুই আমার জ্ঞান ও বুঝের বাইরে হওয়ায় আমি তেমন মজা পাচ্ছিলাম না। সাইন্স সেন্টারে লেখকের ছোট মেয়ে আমার ছেলে ও ছোট মেয়ে বেশ মজা পাচ্ছিলো কিন্তু আমাদের মুরুব্বি দু’জনের যন্ত্রণায় তারা বেশিক্ষণ থাকতে পারলো না। পাশের মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের স্নো সিটিতে আমাদের যাওয়াই হলো না। গেন্টিং হাইল্যান্ডসে বরফের ঘরে তারা একবার আগে ঢুকেছে বলে এখানে তাদের আগ্রহও প্রখর ছিল না। ফলে আমরা এখান থেকে বের হয়ে পাশে কেএফসি বা ম্যাকডোনালসে খেয়ে রওয়ানা হলাম আমাদের কেনাকাটার মার্কেট মুস্তফা সেন্টারে।চলবে

আরও পড়ুন : সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০৮

//জেডএস//

সম্পর্কিত

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা : বিষয়বিন্যাস

অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা : বিষয়বিন্যাস

সর্বশেষ

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা : বিষয়বিন্যাস

অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা : বিষয়বিন্যাস

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune