সিঙ্গেল ডোজ ভ্যাকসিনের অনুমতি চাইলো জনসন অ্যান্ড জনসন

বিদেশ ডেস্ক
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৩২আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৩২

ফার্মা জায়ন্ট জনসন অ্যান্ড জনসন জানিয়েছে, জরুরি ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে তাদের উদ্ভাবিত সিঙ্গেল ডোজ করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)- এর কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।

জনসন অ্যান্ড জনসনের মালিকানাধীন বেলজিয়ামভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জ্যানসেন এই ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছে। ২৯ জানুয়ারি ভ্যাকসিনটির বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন অনুসারে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে তাদের ভ্যাকসিন ৬৬ শতাংশ কার্যকর। মডার্না ও ফাইজার-বায়োএনটেকের মতো জনসনের ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ প্রয়োজন নেই। এক ডোজ প্রয়োগের এই কার্যকারিতা পাওয়া গেছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এটির কার্যকারিতা ৫৭ শতাংশ বলে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উঠে এসেছে।

জনসন অ্যান্ড জনসনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পল স্টোফেলস এক বিবৃতিতে বলেন, জরুরি ব্যবহারের জন্য আমাদের উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অনুমোদনের পেলে সরবরাহ শুরু করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। যত তাড়াতাড়ি জনসাধারণের কাছে সহজলভ্য করা যায়, সে জন্য দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।

কোম্পানির আবেদনের পর ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তথ্য পর্যালোচনা করবে এবং উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক আয়োজন করা হবে। এর আগে কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, মার্চ মাসে ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

এফডিএ জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা ভ্যাকসিনের ফলাফল পর্যালোচনা নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উন্মুক্ত আলোচনা করবেন।

কোম্পানিটি জানায়, ভ্যাকসিনের দুই ডোজ প্রয়োগ করা হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয় কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, প্রাথমিক ট্রায়ালে দেখা গেছে দুই ডোজে করোনা প্রতিরোধে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা ৮৫ শতাংশ কার্যকর।

চলতি বছর বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। যুক্তরাজ্য এরইমধ্যে এই ভ্যাকসিনের ৩ কোটি ডোজ অগ্রিম অর্ডার দিয়ে রেখেছে। এই ভ্যাকসিনে সাধারণ ঠান্ডার ভাইরাস ব্যবহার করা হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটিকে নিরীহ করা হয়েছে, যাতে কোনও ক্ষতি না হয়।

 

 

/এএ/
সম্পর্কিত
ট্রাম্পকে ‘যুদ্ধের ফাঁদে’ আটকে ফেলেছে ইরান
কেন একাকী থাকার পথে হাঁটছেন নারীরা
কী, কেন, কীভাবেযুক্তরাষ্ট্রে আস্থা হারিয়ে কেন পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে কুয়েত
সর্বশেষ খবর
শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ দিন ছুটি
আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ দিন ছুটি
আমিরাতের ভিসা জটিলতা নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুর
আমিরাতের ভিসা জটিলতা নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুর
জাফনার জয়ে আলো ছড়ালেন হৃদয়-সাকিব 
জাফনার জয়ে আলো ছড়ালেন হৃদয়-সাকিব 
সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনা যেদিক দিয়েই আসবেন সেদিক দিয়েই বরণ করবো: এসএম জিলানী
শেখ হাসিনা যেদিক দিয়েই আসবেন সেদিক দিয়েই বরণ করবো: এসএম জিলানী
৩ নেতা একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের পতন: কর্নেল অলি আহমদ
৩ নেতা একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের পতন: কর্নেল অলি আহমদ
তোমরা আমার চাকরিটা খাইও না, হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ শিক্ষকের
তোমরা আমার চাকরিটা খাইও না, হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ শিক্ষকের
এবার আর ‘ভুল’ নয়, যেসব বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি বানাবে বিএনপি
এবার আর ‘ভুল’ নয়, যেসব বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি বানাবে বিএনপি
খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা অর্থায়নের আভাস: প্রস্তাব পেলে একনেকে উপস্থাপনের আশ্বাস
খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা অর্থায়নের আভাস: প্রস্তাব পেলে একনেকে উপস্থাপনের আশ্বাস