X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:১৭

সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটি যোগ হওয়ায় অবকাশ উদযাপনে দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় ছুটেছে মানুষ। এদের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায়।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের ভিড়

সরকারি তিন দিনের ছুটিতে গত বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)  রাত থেকেই পর্যটকের আগমন ঘটে সূর্য উদয় ও সূর্যাস্তের এ বেলাভূমিতে। শীতের শেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নানা বয়সের হাজারও মানুষের পদচারণায় এখন মুখর সকল দর্শনীয় স্পট। আগত পর্যটকরা প্রিয়জনের সঙ্গে সেলফি তোলাসহ সমুদ্রের ঢেউয়ে সাঁতার কেটে হৈ-হুল্লোড় আর আনন্দ উম্মাদনায় মেতেছেন। অনেকেই পছন্দের পণ্য, বস্ত্র, শো-পিস ও শুটকি কেনাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হোটেল মোটেলেও ঠাঁই নেই। একেবারে ঠাসা সেগুলো, বেশিরভাগেরই শতভাগ কক্ষে রয়েছে বুকিং। পর্যটন মৌসুমে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে ব্যাপক পর্যটকের আগমনে কুয়াকাটায় ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য।

কুয়াকাটায় সাগর পাড়ে চলছে ঘোরাঘুরি আর সেলফি তোলা

পর্যটক সন্ধ্যা রানি বলেন, আমরা সপরিবারে ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় এসেছি। চাকরিতে একসাথে তিনদিনের ছুটি পাওয়া মুশকিল। ২১শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে এ সুযোগ পেয়েছি। তাই কুয়াকাটায় এসে আনন্দে সময় কাটালাম, বাচ্চারা অনেক আনন্দ করেছে। করোনায় অনেকদিন বন্দি ছিল, এখানে এসে অনেক খুশি । তাছাড়া অনেক কিছু কিনেছি, ভালো লাগছে।

আগত এসব পর্যটকের সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

/টিএন/

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২১, ১৪:৪০

করোনার আগ্রাসনে গেল বছর বিশ্বজুড়ে সব কিছুই থমকে গিয়েছিলো। ঘর থেকে বের হওয়াই যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে বিদেশ ভ্রমণ তো দূরের কথা! বিশ্বজুড়ে তাই বড় বড় পর্যটন স্পটগুলো বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। তবে এই করোনার আগ্রাসনকেও বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মালদ্বীপ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এক ট্যুরিস্ট স্পটে পরিণত হয় গত বছর। কীভাবে তা সম্ভব হলো?

মন ভোলানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য মালদ্বীপকে রোমান্সের এক ক্ষেত্র হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। তাই কোয়ালিটি টাইম কাটাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা বয়সী মানুষ ছুটে যান সেখানে। প্রতি বছর মালদ্বীপে প্রায় ২০ লাখ পর্যটক সমাগম হয়। কোভিড নাইনটিনের কারণে গেল বছরে সেই সংখ্যা ৫ লাখে নেমে এলেও  বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পর্যটন স্পটের তালিকায় ঠিকই উপরের দিকে ছিলো দ্বীপদেশ মালদ্বীপ। বিশ্বের বেশরিভাগ পর্যটন স্পট করোনার কারণে বন্ধ থাকলেও গত বছরের জুলাই মাস থেকেই সব দেশের পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয় মালদ্বীপ। এক্ষেত্রে আর্থিক বিষয়টা অনেকাংশেই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির তথ্য মতে মালদ্বীপের জিডিপিতে ২৮ শতাংশ অবদান রাখে পর্যটন খাত, যা বিশ্বে খুব কম দেশেই দেখা যায়।

করোনার দুঃসময়ে যখন তাহিতি, বালি, ফুকেটের মতো পর্যটন দ্বীপঅঞ্চলগুলো বন্ধ ছিলো, তখন সুযোগটা ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে মালদ্বীপ। কয়েকটি দেশে করোনা সতর্কতা হিসেবে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিলো। যেমন- থাইল্যান্ড ও শ্রীলংকায় গেলে সেখানে হোটেলে দুই সপ্তাহ বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থেকে এরপর দেশ দুটির অন্য স্থানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো। এক্ষেত্রে মালদ্বীপ কোনও কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেনি। শুধুমাত্র পর্যটকদের কোভিড নাইনটিন টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট দেখালেই মিলেছে মালদ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ। অনেক ক্ষেত্রে রিসোর্টে পর্যটকদের করোনা টেস্ট করানো হতো। মালদ্বীপের পর্যটন সংস্থা জানিয়েছে, দ্বীপদেশটির বিশেষ ভৌগলিক অবস্থান করোনাকালেও দেশটির পর্যটন ব্যবসা অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পর্যটকদের বিভিন্ন দ্বীপের রিসোর্টে থাকার যে সুব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে, তাতে সামাজিক দূরত্বের শর্তটাও সহজে বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। অনেক রিসোর্টে প্রাইভেট বোট বা প্লেন ছিলো। এতে করে পর্যটকরা ভিড়ের শংকা থেকেও রেহাই পেয়েছেন।

অনেক রিসোর্ট তুলনামূলক কম খরচে মাসব্যাপী পর্যটকদের থাকার সুযোগও করে দেয়। যেমন ২৮ দিনের জন্য চার সদস্যের পরিবারের কাছ থেকে খাবার, হাই স্পিড ইন্টারনেট ও বেশ কিছু সুবিধাসহ থাকার জন্য ৪২ হাজার ৬০০ ডলারের মতো নেওয়া হতো। এমনকি ‘দ্য অনন্তারা ভেলি’ নামের একটি রিসোর্ট আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে দারুণ এক সুযোগ করে দেয়। তাদের প্যাকেজ অনুযায়ী পর্যটকদের এক বছরের জন্য ৩০ হাজার ডলারে থাকার সুযোগ ছিলো। এসব মন ভোলানো অফার বিশ্বের অন্য কোনো পর্যটন কেন্দ্রে করোনাকালে কেউ আর দেয়নি। মালদ্বীপের আরেকটি বড় ইতিবাচক দিক হলো ওয়ার্ল্ড মিটারের তথ্য মতে করোনায় শুরু থেকে গত মাস পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মারা গেছে মাত্র ৬৪ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২১ হাজারের মতো মানুষ। তাই প্রকৃতির উদার সৌন্দর্যে ভরা, নিরাপদ পর্যটন স্পট হিসেবে মালদ্বীপকে বেছে নিতে পর্যটকরা খুব বেশি ভাবেননি।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

/এনএ/

সম্পর্কিত

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২১, ১৪:০৫

সময়টা ২০১০ সাল। রফিক সাহেব তার পুরো পরিবার নিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার প্ল্যান করছেন অনেকদিন ধরেই। কিন্তু সবার সময়ের মিলটা ঠিক একসাথে হয়ে উঠছিলো না দেখেই যাওয়াটা বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু এবার সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে বেশ বড় একটা ছুটি সবাই একসাথেই পেয়েছে, তাই সুযোগটা আর হাতছাড়া করতে চাইছেন না তিনি। পরিবার পরিজন নিয়ে যাচ্ছেন বলেই একটু ভালো হোটেল এ উঠতে চাইছেন এবার, যেখানে রুমগুলো বড় এবং নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। 

তিনি কল করলেন তার পরিচিত একটি বড় হোটেলেই। জানতে চাইলেন যে তার ওই তারিখের মধ্যে ভালো কোনও রুম অ্যাভেইলেবল আছে কিনা। হোটেল রিসিপশন থেকে পাওয়া উত্তরটা শুনে কিছুটা হলেও একটু ভড়কে গেলেন। সরকারি এবং সাপ্তাহিক ছুটি পরপর হওয়াতে প্রচুর মানুষ নাকি হোটেল রুমের খোঁজ করছেন এবং যে যেটা অ্যাভেইলেবল পাচ্ছেন, নিয়ে নিচ্ছেন। এমন অবস্থায় রফিক সাহেবের মন মতো রুম পাওয়াটা নাকি বেশ কঠিন হবে। পাওয়া গেলেও, তাকে বেশ অনেকখানি টাকা খরচ করতে হবে। প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর তিনি জানতে পারলেন যে হোটেলে দুটো রুম রফিক সাহেবকে দেওয়া সম্ভব, কিন্তু পর্যটকদের চাহিদা প্রচুর হওয়াতে তাকে পরিশোধ করতে হবে বেশ চড়া দাম, যা কিনা স্বাভাবিক দামের চেয়ে অনেক বেশি। রুমের সাইজটা কেমন, অন্যান্য কী কী ফ্যাসিলিটি আছে, লেট চেক আউটের ব্যবস্থা করা সম্ভব কিনা, এমন কী রুম নেওয়ার সাথে হোটেলের অন্যান্য কী কী সুযোগ সুবিধা তিনি পাবেন, তার কিছুই তিনি জানতে পারলেন না। তাকে জানানো হল, সব কিছু নাকি রুমে চেকইন করার পর নিজেই বুঝতে পারবেন। খানিকটা সংকোচবোধের পরেও রফিক সাহেব তার পরিবারের কথা চিন্তা করে রুম ২টি বুক করেই ফেললেন, পরে যদি এটাও না পাওয়া যায় এই ভয়ে। 

হোটেলে চেকইন করার পর তো তিনি বেশ বিব্রতই হলেন। যেমনটা তিনি আশা করেছিলেন, রুমগুলো তেমন নয়। এতো বড় হোটেলের রুমগুলোতে তিনি বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা আশা করেছিলেন যার কোনটিই তিনি পাচ্ছেন না প্রচুর পর্যটক হওয়াতে। সি ভিউ রুম তো পাননি, উল্টো যে রুমটা তাকে দেওয়া হয়েছে, সেখানে বারান্দাই নেই কোনও। কিন্তু কিছু করার ছিল না তার এই ব্যাপারে, এই রুম দুটোই নাকি শুধু মাত্র অ্যাভেইলেবল ছিল। 

২০২০ সাল। রফিক সাহেবের ছেলে আদনান তার বাবা-মাসহ পুরো পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে যাবে কক্সবাজার। তার বাবা যাওয়ার দুদিন আগে ওকে জিজ্ঞেস করলেন, হোটেল কিছু ঠিকঠাক করা আছে কিনা। নাকি তিনি তার সেই এজেন্টকে ফোন দিয়ে ব্যবস্থা করে দিতে বলবেন, আদনান তার বাবার কথা শুনে এবার একটু হেসেই ফেললো। অনলাইন ট্র্যাভেল বুকিং প্ল্যাটফর্মগুলো যে ঘরে বসেই হোটেল বুকিং প্রসেসটা কতো সহজ করে ফেলেছে, তা বোধয় বাবা এখনও জানেনই না! 

বাবার সামনেই গো যায়ানের ওয়েবসাইটে লগইন করে প্রথমেই তার চেকইন এবং চেকআউট এর ডেটটা ইনপুট করলো আদনান। যথারীতি কয়েক সেকেন্ডের মাঝেই ওই দিনগুলোতে পুরো কক্সবাজারে যতগুলো হোটেল গো যায়ানের ইনভেন্টরিতে ছিল, সবগুলো স্ক্রিনে চলে এলো। প্রায় সবগুলো হোটেলেই বেশ ভালো ডিসকাউন্ট গো যায়ানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় বলেই এখান থেকেই সব ধরনের হোটেল বুকিং করে আদনান। যেহেতু পরিবার নিয়ে যাচ্ছে, তাই ফিল্টার অপশন থেকে আগেই সে ৪ স্টার এবং ৫ স্টার ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে নিয়ে সেই মানের হোটেলগুলো শর্ট লিস্ট করে ফেললো। রফিক সাহেব বেশ আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, যে রুমে কি কি ফ্যাসিলিটি আছে সেটা আগে থেকেই দেখে নেওয়া সম্ভব কিনা। আদনান ফোনটা বাবার হাতে দিয়ে ফিল্টার অপশন থেকেই ফ্যাসিলিটি লিস্টটা বের করে বললো কোন কোন সুযোগ সুবিধা তিনি চান, যেন একদম মন মতো সিলেক্ট করে ফেলেন। ব্রেকফাস্ট, সুইমিং পুল, ফিটনেস সেন্টার, লেটচেক আউটসহ আরও কতো রকমের সুযোগ সুবিধার কথা যে সেখানে দেওয়া আছে! রফিক সাহেব বেশ অবাক হলেন দেখে। এরপর নির্ধারিত সুযোগ সুবিধাগুলো সিলেক্ট করে যতগুলো হোটেলে সেসব অ্যাভেইলেবল আছে, তা চলে এলো। সেখান থেকেই একটা হোটেল সিলেক্ট করে আদনান বাবাকে জিজ্ঞেস করলো কী ধরনের রুম তার পছন্দ। রফিক সাহেব বললেন, হোটেলের কোন রুমটা তিনি চাইছেন, সেটাও সিলেক্ট করা সম্ভব? সি ভিউ থেকে শুরু করে হিল ভিউ রুম, টুইন রুম এবং ডিলাক্স কাপল রুম এমনকি জুনিয়র স্যুটও বুক করা সম্ভব নিজের পছন্দ অনুযায়ী ওয়েবসাইট এই। পুরো পরিবার নিয়ে যেন একসাথেই থাকতে পারে, আদনান একটা জুনিয়র স্যুট বুক করে ফেললো এবং সেই সাথে ওয়েবসাইটেই একটি এক্সট্রা বেড দিয়ে দেওয়ার অনুরোধটাও করে দিলো। এবার পেমেন্টের পালা, অনলাইনেই মোবাইলে ব্যাংকিং এবং কার্ড পেমেন্টের মধ্যে ডিসকাউন্ট অফারগুলো একটু দেখে পেমেন্ট কমপ্লিট করতেই ই-মেইলে চলে এলো কনফার্মেশন। এবার সেই মেইলটা বাবাকে দেখিয়েই বললো আদনান, এই ই-মেইলটা রিসিপশনে দেখালেই নাকি কাজ হয়ে যাবে, আর কিছু লাগবে না! রফিক সাহেব তো অবাক! 

দেশ জুড়ে প্রায় ১৫০টিরও বেশি হোটেলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়া গো যায়ান এ ইতোমধ্যেই আছে কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, সিলেট, শ্রীমঙ্গল, কুয়াকাটা ও বান্দরবনের অধিকাংশ ৫ তারকা, ৪ তারকা ও ৩ তারকা হোটেল। রয়্যাল টিউলিপ, সায়েমান বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইস, সিগাল হোটেল, লং বিচ, সি ক্রাউন,  দ্য কক্স টুডে, গ্র্যান্ড সুলতান, দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, ফয়েজ লেক, রিসোর্ট আটলান্টিস, ট্রপিকাল ডেইজি, শিকদার রিসোর্ট, রোজ ভিউ, মোমো ইনসহ আরও স্বনামধন্য হোটেল যে কেউ বুক করতে পারবে অনলাইনেই! 

আর অনলাইন পেমেন্টে সকল সুবিধা এবং চমৎকার সব ডিসকাউন্ট নিয়ে গো যায়ানের সাথে পার্টনারশিপে এসেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, সিটি এমেক্স, ইবিএল, ইউসিবি, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, লঙ্কা বাংলা, বিকাশ এবং নগদ। 

হোটেল বুকিং এর অভিজ্ঞতাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে গো যায়ান কাজ করে যাচ্ছে ২০১৭ থেকেই। ভ্রমণ পিপাসুদেরকে ভ্রমণে আরও বেশি উৎসাহ দিতেই পুরো ভ্রমণ সংক্রান্ত সকল ব্যবস্থা নিয়ে আসা হয়েছে অনলাইনে, গো যায়ানের ওয়েবসাইটে। 

কোনও ঝামেলা ছাড়াই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যেকোনো হোটেল বুক করতে ক্লিক করুন এখানে এবং সেই সাথে হোটেল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ভিজিট করুন বা কল করুন গো যায়ানের হট লাইন নাম্বারে ০৯৬৭৮-৩৩২২১১।

/এনএ/

সম্পর্কিত

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:২৬

করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ভ্রমণপ্রিয়রা শুরু করেছেন ঘোরাঘুরি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের পাশাপাশি অনেকে যাচ্ছেন দেশের বাইরেও। যদিও বেশিরভাগ দেশই এখনও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য দুয়ার খোলেনি। তবে আশা করা যায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে শুরু করবে পর্যটনশিল্প। ভ্রমণপ্রিয়রা এখন থেকেই আলাদা করে ফেলতে পারেন ভ্রমণ খাত। জেনে নিন ভ্রমণে গেলে কীভাবে লাগাম টেনে ধরবেন খরচের।

  • ট্রিপের চার-পাঁচ মাস আগে টিকিট কেটে ফেলুন। এতে মূল্য বেশ খানিকটা কম থাকে।
  • প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ভ্রমণ খাতে জমা রাখুন। এতে ভ্রমণের সময় অনেকটাই নিশ্চিতে থাকতে পারবেন।
  • কম খরচের ঘুরতে চাইলে কয়েকজন একসঙ্গে ঘোরার পরিকল্পনা করুন। এতে মাথা পিছু খরচ বেশ কিছুটা কমে যায়।
  • বাইরে ঘুরতে গিয়ে বিলাসি পদে মনোযোগ না দিয়ে সেই স্থানের বিশেষ খাবারগুলো পরখ করে দেখুন।
  • বিমানে যাতায়াত করলে ব্যাগের ওজনের দিকে নজর দিন।
  • ভ্রমণে গেলে লোকাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারের চেষ্টা করুন। 
  • নতুন কোথাও গেলে কেনাকাটা বাবদ নির্দিষ্ট বাজেট রাখুন। এর বাইরে খরচ করবেন না।
/এনএ/

সম্পর্কিত

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:৪৪

মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও সাপ্তাহিক টানা তিন দিনের ছুটিতে বিপুল পরিমাণ পর্যটকের সমাগম হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ পর্যটকের ঢল নামায় হোটেলগুলোতে আগেই বুক হয়ে যায় সবগুলো কক্ষ। বাধ্য হয়ে বাকিদের সৈকতের বালিয়াড়ি ও বাসে রাত্রি যাপন করতে হয়েছে। এ সুযোগে একটি চক্র অসাধু ব্যবসায় নেমেছে। কেউ কেউ সৈকতের আশেপাশে বাসাবাড়িতে রুম ভাড়া দিয়ে আদায় করছে বাড়তি টাকা। তবে ট্যুরিস্ট পুলিশ দাবি করছে, রাতে তারা সৈকতে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে এবং অন্য সমস্যাগুলো  প্রতিরোধে কাজ করছে।

গত বৃহস্পতিবারের পর থেকে কক্সবাজারমুখী হয়ে উঠে বিপুল পরিমাণ পর্যটক। এদিন এবং এরপর শুক্রবারে কক্সবাজারের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল এমনভাবেই ভরে গেছে যে চড়া দামেও রুম পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সৈকতের বালিয়াড়িতে রাত যাপন করছেন বেশিরভাগ পর্যটক। আবার যারা নিজেরা বাস রিজার্ভ করে ভ্রমণে এসেছেন তাদের রাত কেটেছে বাসের ভেতরেই। গভীর রাতেও সৈকতে মশার ভনভনানির মধ্যেও গিজগিজ করছিল পর্যটক।

করোনা পরিস্থিতির পর কক্সবাজারের এমন চিত্র একেবারেই অন্যরকম। হোটেল কক্ষগুলোতে দুই লাখ পর্যটকের সংস্থান হয়, আর তিন দিনের ছুটিতে এসেছেন অন্তত ৬ লাখ। (শনিবারের ছবি)

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান জানান, ‘ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছেন। হুট করে এত পর্যটকের উপস্থিতি দেখে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে দ্বিগুণ জোরদার করেছে। কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও হোটেল-মোটেল জোনে বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করছে। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে সাদা পোশাকে বিশেষ পুলিশ। সৈকতে তিল ধারণের জায়গাও নেই। এত বিপুল সংখ্যক ভ্রমণকারী গত ৫ বছরের সময়েও একসঙ্গে ভিড় জমাননি।

ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক শাকের আহমদ জানান, ‘বাড়তি পর্যটকের বাড়তি সেবা। সৈকতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা প্রদানে ট্যুরিস্ট পুলিশের ১২টি ইউনিট কাজ করছে। মাস্ক পরিধানসহ শারীরিক দূরত্ব মানতে প্রচারণার পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অভিযোগ কেন্দ্র চালু, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।’

তিনি দাবি করেন, ‘আগের মতো শনিবারও কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

কক্সবাজার কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুখিম খান বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছে। শনিবার একদিনেই কমপক্ষে তিন লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। এর আগের দিন শুক্রবারও ছিল একই রকম। কক্সবাজারের সাড়ে চার শতাধিক হোটেলে দুই লক্ষাধিক অতিথি থাকতে পারেন। বাদবাকিদের একটু কষ্ট করে রাত অতিবাহিত করতে হচ্ছে।’

এদিকে হোটেলে সিট না পাওয়ার সুযোগে খাবার হোটেলগুলোও বাড়িয়ে দিয়েছে খাবারের দাম। পর্যটন জোনে রাস্তা মেরামতের কাজ চলমান থাকায় যানজটসহ দিনভর নানা সংকট ও দুর্ভোগে পড়েন অসংখ্য পর্যটক। অনেক ভ্রমণকারী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন রাত কাটানোর একটি কক্ষের জন্য। সাগর পাড়ের হোটেল-মোটেলে সিট না পেয়ে শহরের ঘিঞ্জি এলাকার নিম্নমানের আবাসিক হোটেলের রুম পর্যন্ত বাড়তি ভাড়ায় পর্যটকরা ভাড়া নিয়ে রাত পোহাতে আশ্রয় নিয়েছেন।

ঢাকা থেকে আসা মাসুদুল আলম নামের এক পর্যটক জানান, ‘ছুটিতে প্রথমবার কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে এসেছি। কিন্তু, এখনকার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ঢাকার মতো মানুষের ভিড়। শুক্রবার কক্সবাজার আসলেও এক রাত সৈকতে ঘোরাঘুরি করে কাটিয়ে শনিবার চড়া দামে হোটেলে রুম পেয়েছি। আমার মনে হয় মৌসুমে কক্সবাজার না এসে অফ-সিজনে আসা উচিত।’

ফরিদপুরের শামশুল হক দম্পতি জীবনের প্রথমবার এসেছেন কক্সব্জাারে। তিনি জানান,‘এই প্রথমবার এসে কক্সবাজারকে দেখলাম। এক সাথে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ আর দেখিনি। সৈকতে এত বেশি মানুষ দেখে মনে হচ্ছে এটা ঢেউয়ের সাগর নয় যেন মানুষের সাগর।’

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দিনে এমন উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও রাতে হোটেল মিলছে না চার লাখ পর্যটকের। টানা তিনদিনের ছুটিতে এ অবস্থাঘটেছে করোনার পর।

নারায়ণগঞ্জের রিজভী আহমদ ন্যান্সী বলেন-‘এতদিন করোনার কারণে ঘরে বন্দি জীবন কাটিয়েছি। সাগর পাড়ে এসে মনে হচ্ছে, এখন আমরা মুক্ত পাখির মতো উড়ছি আর ঘুরছি।’

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই গাড়িতে গাড়িতে দলবেঁধে পর্যটকরা কক্সবাজারে আসতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা কয়েকশ নৈশ কোচ শুক্রুবার ও শনিবার সকালে এসে পৌঁছে কক্সবাজারে। এ কারণেঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অসহনীয় যানজট লেগে যায়। একসঙ্গে প্রচুর সংখ্যক যানবাহন আসায় কক্সবাজার শহরের কয়েক কিলোমিটার দূরে থামিয়েই যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে বাসগুলো। এতে করে পর্যটকদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে দলে দলে পর্যটকরা নামেন কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে। দুপুর হতে না হতেই সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্ট থেকে কলাতলি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকা ভরে যায় মানুষে মানুষে। এ ছাড়াও হিমছড়ি, ইনানী পাথুরে সৈকত থেকে শফির বিল, পাটুয়ারটেক, মনখালী এবং টেকনাফ সৈকত পুরোটাই  ভ্রমণকারীর মিলন মেলায় পরিণত হয়।

এদিকে, কক্সবাজার সৈকত ছেড়ে ভ্রমণকারীরা পর্যটক জাহাজে চড়ে ছুটছেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন্স। কক্সবাজার থেকে একটি এবং টেকনাফ থেকে আরও ৭ টি পর্যটক জাহাজসহ সবগুলো জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং স্পিড বোটে করে একদিনে কমপক্ষে ১০ হাজার পর্যটক প্রবাল দ্বীপটি ভ্রমণে গেছেন। এছাড়াও কক্সবাজারের ডুলাহাজারার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, মহেশখালী, সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি ও কুতুবদিয়াসহ অন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও ভিড় করছেন পর্যটকরা।

/টিএন/

সম্পর্কিত

কক্সবাজারে ১০ লাখ পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা

কক্সবাজারে ১০ লাখ পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা

যাত্রা শুরু সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের

যাত্রা শুরু সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের

ট্রাভেল এজেন্টদের জন্য এমিরেটসের সরাসরি বুকিং প্ল্যাটফর্ম

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৫৪

ট্রাভেল এজেন্টদের জন্য এনডিসি সক্ষম সরাসরি যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ’এমিরেটস গেটওয়ে’ চালু হতে যাচ্ছে। এমিরেটস প্রথম এয়ারলাইন এ সুবিধা দেবে ট্রাভেল এজেন্টদের। ১ জুলাই থেকে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ট্রাভেল এজেন্টরা সেবা পাবেন। একই দিন থেকে গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস (জিডিএস) এর মাধ্যমে সকল বুকিং এর ক্ষেত্রে সারচার্জ প্রযোজ্য হবে।

এমিরেটস জানিয়েছে, বিভিন্ন চ্যানেলে ট্রেড পার্টনারদের যোগাযোগ অপশন, বিশেষ পণ্য ও সুবিধা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে গত বছরের অক্টোবরের মাসে ‘এমিরেটস গেটওয়ে’ যাত্রা শুরু করে। এয়ারলাইনগুলোর কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশনকে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে আইএটিএ নিউ ডিস্ট্রিবিউশন ক্যাপাবিলিটি (এনডিসি) উদ্ভাবন করে।

এমিরেটসের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আদনান কাজিম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো ট্রেড পার্টনারদের ক্ষমতায়ন, যাতে তারা গ্রাহকদের আরও ভালো সেবা দিতে পারেন। বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে যে সকল সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলো কাটিয়ে এজেন্টদের অতিরিক্ত অনেক কনটেন্ট ও অপশন প্রদানের জন্যই এমিরেটস গেটওয়ে চালু করা হয়।’

যে সকল এজেন্সি এমিরেটস গেটওয়েতে সাইন আপ করেনি তারাও এয়ারলাইনটির জিডিএস পার্টনারের (যেমন অ্যামাডিয়াস, ট্রাভেলপোর্ট, ট্রাভেলস্কি, ইনিফিনি এবং সিরেনার) মাধ্যমে এমিরেটসের গতানুগতিক কনটেন্ট লাভের সুবিধা পাবেন। জিডিএস ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে এয়ারলাইনকে যে ক্ষতি স্বীকার করতে হয়, তা কমিয়ে আনতে ১ জুলাই থেকে সেক্টরের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে টিকিট প্রতি ১৪-২৫ মার্কিন ডলার ডিস্ট্রিবিউশন সারচার্জ আরোপিত হবে।

আগ্রহী ট্রেড পার্টনারদের এমিরেটস গেটওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এমিরেটস নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এমিরেটস গেটওয়েতে এমন অনেক প্রকারের কনটেন্ট ও ভাড়া অফার করা হচ্ছে যা পরোক্ষ চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব নয়। অধিকন্তু এমিরেটস গেটওয়েতে কোন ডিস্ট্রিবিউশন সারচার্জও নেই।

এমিরেটস গেটওয়েতে বিভিন্নভাবে প্রবেশ করা সম্ভব,  যেমন এমিরেটস বুকিং পোর্টাল- ১৬টি ভাষার এই বুকিং পোর্টালটি সরাসরি এমিরেটস রিজার্ভেশন সিস্টেমের সাথে যুক্ত, যার ফলে বুকিং, টিকিটিং, টিকিটিং পরবর্তী সেবা পাওয়াটা অনেকটাই সহজ; এমিরেটস গেটওয়ে ডিরেক্ট- এনডিসি এপিএই গুলোর মাধ্যমে এমিরেটস কনটেন্টে প্রবেশ করতে হয় এবং ট্রেড পার্টনাররা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী এপ্লিকেশন তৈরি করে নিতে পারেন। এমিরেটস গেটওয়ে সিংক- এমিরেটস পণ্য ও সেবা গ্রহণের জন্য একটি সুবিধাজনক লিংক, যা প্রদান করছে আইএটিএ নিবন্ধনপ্রাপ্ত এবং এমিরেটস সনদপ্রাপ্ত টেকনোলজি পার্টনাররা।

 

/সিএ/এফএএন/

সম্পর্কিত

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

করোনাকালেও যেভাবে পর্যটনশিল্পে সেরা মালদ্বীপ

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

হোটেল বুকিং হোক আরও সহজে গো যায়ানের সাথে

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

ভ্রমণে খরচ কমানোর ৭ উপায়

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক

সর্বশেষ

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

টিভিতে উল্লেখযোগ্য যত নাটক-টেলিছবি-স্বল্পদৈর্ঘ্য...

ঈদের পঞ্চম দিনটিভিতে উল্লেখযোগ্য যত নাটক-টেলিছবি-স্বল্পদৈর্ঘ্য...

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune