X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘করোনার ১০ মাসে তথ্যপ্রযুক্তিতে ১০ বছর এগিয়েছি’

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২১, ১৭:১৩

করোনার সময়ে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত অন্তত ১০ বছর এগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, ১০ বছরে আইটি সেক্টরে যে উন্নতি ও সচেতনতা তৈরি হয়েছিল, এক বছরে তার দ্বিগুণ গতি পেয়েছি। অগ্রগতিও দ্বিগুণ। আমি বলবো, আগামী ১০ বছরে যে পরিবর্তন আশা করেছিলাম  সেটা গত ১০ মাসে হয়েছে।

পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কোনও গন্তব্য নয়। এটি একটি স্টেশন। ২০২১ সালে আমরা একটি স্টেশনে পৌঁছেছি। ২০৩১ সালে আরেক স্টেশনে পৌঁছাবো। সামনে থাকবে স্টেশন ২০৪১।

ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাতে আইসিটি টাওয়ারে নিজ দফতরে জুনাইদ আহমেদ পলক বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কথা বলেন তথ্যপ্রযুক্তিসহ নানা বিষয়ে। করোনার টিকা নিবন্ধনের জন্য তৈরি সুরক্ষা অ্যাপ, ডিজিটাল বাংলাদেশ স্টেশন, করোনাকালে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি, সফটওয়্যার ও ই-কমার্স খাতের প্রবৃদ্ধি বিষয়েও কথা বলেন তিনি।

বাংলা ট্রিবিউন: ডিজিটাল বাংলাদেশ কোনও ডেস্টিনেশন নয়, একটি স্টেশন। আপনার মুখে শোনা নতুন কথা। যদি বিস্তারিত বলতেন...।

জুনাইদ আহমেদ পলক: যখন ২০২১ সালে চলে আসছি তখন আমাদের অনেকের মনে একটা সন্তুষ্টি ভাব। ডিজিটাল বাংলাদেশ তো হয়ে গেলো, মনে হয় আর কোনও কাজ নেই। আমাদের যে স্টেকহোল্ডার, অর্থাৎ সরকার, প্রাইভেট সেক্টর এবং ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়া—তিনটি সেক্টরকে আমরা সবসময় বলছি ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০২১ সালে শেষ হয়ে যাচ্ছে না। গন্তব্য আরও সুদূরপ্রসারী। আমরা যেন সন্তুষ্টিতে ভুগে কার্যক্রম থামিয়ে না দিই। সে কারণে বলছি, ডিজিটাল বাংলাদেশ একটি স্টেশন। সামনে আরও স্টেশন পার হতে হবে। আমাদের যে গন্তব্য- একটি উন্নত আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক সোনার বাংলা গড়ে তোলা, যেটি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার থাকবে সমান। মৌলিক চাহিদা-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান এসব তো আছেই। এরপরেই আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১। সেখানে আছে মর্যাদাসম্পন্ন মধ্যম আয়ের রাষ্ট্র এবং প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ। সেটা আমরা ২০২১ সালে পূরণ করবো।

২০৩১ সালে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হতে হবে। তখন অটোমেশনে যেতে হবে। সে সময় আমাদের মাথাপিছু আয় হবে পাঁচ হাজার ডলার। ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার টার্গেট। ভিশন-২০৪১ অনুযায়ী মাথাপিছু আয় হবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার। এই যে তিনটি মাইলস্টোন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করে দিয়েছেন; সেজন্যই বলেছি, আমরা কেবল প্রথম স্টেশন পার করলাম। সামনে স্টেশন ২০৩১। চূড়ান্ত গন্তব্য ২০৪১।

গত ১২ বছর ধরে সজীব ওয়াজেদ জয় (প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা) ভাই নির্দেশনা দিয়েছেন। কানেক্টিভিটি ফর অল, ১১ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, হাইটেক পার্ক ৩৯টি—সব ধাপে ধাপে এগোচ্ছে। বিভিন্ন ব্লক তৈরি হয়েছে। এখন ব্লকগুলোর সঙ্গে একটা ওয়াল তৈরি হচ্ছে। ফাউন্ডেশন হয়ে যাবে ২০২১ সালেই। এর ওপরেই গড়ে উঠবে ২০৩১, ২০৪১।

১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব তৈরি হয়েছে। আমাদের ৩৫ হাজার ল্যাব করার টার্গেট। হাইটেক পার্ক, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি, স্টার্টআপ বাংলাদেশ, এটুআই প্রজেক্ট, বিসিসি, ডাটা সেন্টার; এসবই একেকটি ব্লক।

ট্রেনিং চলছে, স্পেশালাইজড ল্যাব চলছে। ২০৪১ সালে আসন্ন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব কিন্তু সারা বিশ্বকে এলোমেলো করে দেবে। তখন শুধু প্রযুক্তি নয়, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি নেতৃত্ব দেবে। এখন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার হচ্ছে গাড়িতে, তখন পুরো গাড়িটিই একটি ডিজিটাল ডিভাইস হবে। স্মার্টহোম হবে, স্মার্ট সিটি হবে, স্মার্ট রোড হবে। সবকিছু মেশিন টু মেশিন রেসপন্স করবে। আর সেটাকে মাথায় রেখেই শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি করা হচ্ছে।

১২ বছর আগে যদি আইসিটি সাবজেক্টটি বাধ্যতামূলক না করা হতো, তবে আজ এই মানবসম্পদ তৈরি হতো না। সাড়ে ছয় লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার হতো না। ই-কমার্সের এত দ্রুত প্রসার হতো না।

একইভাবে পরের স্টেশনে যাওয়ার জন্য এখন থেকে বীজ বপন করা হচ্ছে। স্কুল অফ ফিউচার করা হচ্ছে। পরবর্তী ১০ বছরের চাহিদা কেমন হবে তা মাথায় রেখেই এগুচ্ছি। আবার ২০৩১ সালে যে কাজগুলো আমরা শুরু করবো, সেগুলোর পরিকল্পনাও করছি। ১৭ কোটি মানুষের দেশ আমরা। প্রযুক্তির শক্তিতে এমনভাবে শক্তিশালী হতে চাই, যাতে ২০৪১ সালে সুপার পাওয়ার হতে পারি।

বাংলা ট্রিবিউন: করোনাকালে বাংলাদেশের আইটি কতটা এগুলো?

জুনাইদ আহমেদ পলক: আমার মনে হয় আইটি খাত দ্বিগুণ এগিয়েছে। আমাদের ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের (করোনার শুরুতে ছিল ১০৫০ জিবিপিএস, এখন ১৭০০-১৭৫০ জিবিপিএস) পরিমাণ খেয়াল করলে বুঝবেন আইটি কতটা এগিয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে বেশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছে। ই-কমার্স, মোবাইল ওয়ালেট—এসব জায়গায় ৩০-৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এজন্য আমি বলছি ওভারঅল এটি দ্বিগুণ হয়েছে।

১০ বছরে আইটি সেক্টরে যে উন্নতি, অগ্রগতি, সচেতনতা তৈরি হয়েছিল, এক বছরে আমরা তা দ্বিগুণ করেছি। আগামী ১০ বছরে যে পরিবর্তন আশা করেছিলাম সেটা ১০ মাসে হয়েছে। করোনা আমাদের বিরাট সংকট ছিল। কিন্তু সংকটটাকে আমাদের আইটি উদ্যোক্তারা সম্ভাবনায় রূপ দিয়েছে। একদিকে ট্রাডিশনাল ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি কমেছে, কিন্তু আইটি সেক্টরে চাকরি তৈরি হয়েছে। অনেক প্রজেক্ট পাঁচ বছর আটকে ছিল। যেমন, ভার্চুয়াল কোর্টের কথা বলতে পারি, ই-ফাইলিংয়ের কথা বলতে পারি, অনলাইনে পাঠদানের কথা বলতে পারি। এই জায়গাগুলোতে বড় অগ্রগতি হয়েছে। আগে যে পরিমাণ ই-ফাইল এক বছরে তৈরি হয়েছিল, সেটা এখন প্রতি মাসে হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা যাবে?

জুনাইদ আহমেদ পলক: ধরে রাখতে হয়, এমনি থাকে না। পৃথিবীতে দুই শতাধিক দেশ। সব রাষ্ট্রের জিডিপি গ্রোথ কি পজিটিভ? মাত্র তিনটি দেশ পজিটিভ গ্রোথ ধরে করতে পারছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। গত জুন পর্যন্ত আমাদের ৫.২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য, দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। যখন লকডাউন করতে হবে তখন লকডাউন করা হয়েছে। যখন শিথিল করতে হবে, তখন তা করা হয়েছে। কখন ভ্যাকসিনের অর্ডার দিতে হবে সেটাও বিশেষজ্ঞ মতামতের সাপেক্ষে দেওয়া হয়েছে। ফলে গত ১১ মাসেও বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়েছে। আমি মনে করি যতদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করবেন, ততদিন গ্রোথ পজিটিভ থাকবে।

বাংলা ট্রিবিউন: করোনাকালে অনেক প্রযুক্তির উদ্ভব হলো। এরমধ্যে সফল কোনগুলো?

জুনাইদ আহমেদ পলক: প্রথমত, সেন্ট্রাল এইড ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের (ক্যামস) কথা বলতে হয়। যেটি চমৎকার একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি আমাদের নিজস্ব হোমগ্রোন সলিউশন এবং নো-কস্ট সলিউশন। এর মাধ্যমে ৫০ লাখ কর্মহীন পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে সুচারুভাবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পৌঁছে দেওয়া হলো। প্রথম দিকে অনেকে মনে করেছিল ভুয়া নাম পাঠিয়ে দিলে টাকা পাওয়া যাবে। যখনই যাচাই করা হলো, দেখা গেলো ২০ শতাংশই ভুয়া। তখনই জবাবদিহিতায় আনা গেছে। একটু সময় লাগলেও পরে মাঠ থেকে সঠিক তথ্য এসেছে। এতে কিন্তু অনেক টাকা বেঁচে গেলো, স্বচ্ছতাও এলো। 

এছাড়া সুরক্ষা অ্যাপ করেছি, করোনাভাইরাস ট্রেসার অ্যাপ করেছি, ডেটা অ্যানালাইটিকস টাস্কফোর্স করেছি, বিভিন্ন বট (চ্যাটবট) করেছি। তারপরে করেছি করোনা ডট গভ ডট জিওভি। যাতে কোটি মানুষ ভিজিট করেছে। এই দুটোকে আমি বলবো ইউনিক।

আরেকটা হলো ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট। এটা বিরাট চ্যালেঞ্জিং ছিল। আইসিটি বিভাগের একদল প্রোগ্রামার কোনও অতিরিক্ত সম্মানি না নিয়ে, দিন-রাত পরিশ্রম করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকা পাঁচ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার খরচ এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। আমাদের এক টাকাও লাগেনি।

বাংলা ট্রিবিউন: করোনাকালে আইটি খাতে ছাঁটাইয়ের কথাও শোনা গেছে। সংখ্যাটা কেমন?

জুনাইদ আহমেদ পলক: প্রথমদিকে একটা আশঙ্কায় বেশ কিছু আইটি কোম্পানি ছাঁটাই শুরু করেছিল। পরে আমরা তাদের সঙ্গে ক্লোজলি বসে সমাধান দিলাম। বললাম, আপনারা ৫০ ভাগ বা ২০ ভাগ বেতন কম দেন। কিন্তু ছাঁটাই করবেন না। বিষয়টি কাজে এসেছিল।

সরকার তো সরাসরি এমন কিছু করতে পারে না। আমরা খুব ক্লোজলি পরামর্শ দিয়েছি। আরেকটা একটা হলো ব্যাংকগুলো থেকে বিনা জামানতে প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া। অনেক ব্যাংকের সঙ্গে আমি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। বিনা জামানতে ঋণের ব্যবস্থা করা কিন্তু বিশাল ব্যাপার। সে ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েশনগুলো সহযোগিতা করেছে, আমরাও করেছি। এতে খুব একটা বড় ছাঁটাই কিন্তু আইসিটি খাতে হয়নি। বরং ই-কমার্সে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রবৃদ্ধিও সন্তোষজনক।

বাংলা ট্রিবিউন: সফটওয়্যার খাত কেমন গেলো?

জুনাইদ আহমেদ পলক: পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তাতে ধাক্কা লেগেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির যে নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল সেটা তো এড়ানো যাবে না। সফটওয়্যারের যারা আমদানিকারক (৬০টি দেশ) তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত। ইউরোপ, আমেরিকাও ক্ষতিগ্রস্ত। তবে আমি মনে করি একটা পাশে কমলেও আরেক দিকে বাড়বে।

এখন আমরা আইসিটি রফতানিতে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছি- হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, সেবা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন। ২০২৫ সালের মধ্যেই আমরা এ টার্গেট পূরণ করতে পারবো। হাইটেক পার্ক সবগুলো হয়ে গেলে বেশ কিছু বিনিয়োগ আসবে। সেখান থেকে রফতানির সুযোগ তৈরি হবে।

এখন পর্যন্ত আমরা ২০২৫ সালকে সামনে রেখে ৫ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছি। আমরা বড় টার্গেট করি। এতে কম হলেও আমরা অন্তত এগোতে পারি।

বাংলা ট্রিবিউন: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

জুনাইদ আহমেদ পলক: বাংলা ট্রিবিউনের জন্য শুভেচ্ছা।

শ্রুতিলিখন: রাসেল হাওলাদার

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২০:৫০

বেশ কিছুদিন পরে আসবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ ‘উইন্ডোজ ১১’।  নতুন এই সংস্করণে বিশেষ আলাদা কিছু না থাকলেও তা বেশ আকর্ষণীয় হবে বলেই দাবি নির্মাতাদের। উইন্ডোজের ১১-এর একটি প্রি-রিলিজ ভার্সন এখন নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যবহারকারীর কাছে দেওয়া হয়েছে পরীক্ষা করার জন্য।

তবে অনেক অতি উৎসাহী প্রি-রিলিজ সংস্করণটিই বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। এই তাদের জন্যই আশঙ্কার খবর। উইন্ডোজ- ১১ এর এই ইনস্টালারটি যে শুধু কাজই করবে তা নয়; বরং অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু বিপজ্জনক সফটওয়্যারের আক্রমণের শিকার হবে সেই পিসিগুলো।

সংবাদ মাধ্যম স্ল্যাশগিয়ার জানায়, নতুন এই সংস্করণটি মূলত উইন্ডোজ ১০ এর ওপর ভিত্তি করে  তৈরি করা। এতে অল্প কিছু নতুন ফিচার সংযোজন করা হয়েছে। করা হয়েছে নতুন কিছু নান্দনিক পরিবর্তন, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ আনন্দের হবে।  

ব্যবহারকারীরা ওয়েবে এখনও উইন্ডোজ-১১ খুঁজে বেড়াচ্ছে। অ্যান্টি ভাইরাস প্রতিষ্ঠান ক্যাস্পারস্কি জানায়, ক্র্যাকড উইন্ডোজ ১১  এর অনেকগুলো উৎস তারা ওয়েবে পেয়েছে, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে ক্র্যাকড উইন্ডোজ ১১ এর কোনও সাইটই নয়। সেগুলো মূলত অ্যাডমিন প্রিভিলিজ নিয়ে অন্য সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে ফেলে।

এই প্রোগ্রামগুলো মূলত ট্রোজান এবং বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার। ক্যাস্পারস্কি আরও জানায়, তারা ইতোমধ্যে এ রকম আক্রমণের অনেক চেষ্টাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

 

 

 

 

/এইচএএইচ/আইএ/

সম্পর্কিত

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৩

মুভি ডাউনলোড করার জন্য এখন আর ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা কর‍তে হবে না। মাত্র এক সেকেন্ডেই ডাউনলোড করা যাবে। তাও আবার একটি-দুটি নয়, সেকেন্ডে ডাউনলোড করা যাবে ৫০ হাজার মুভি।

এমনই অকল্পনীয় দ্রুত গতির ইন্টারনেটের জন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি। প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩১৯ টেরাবাইট (টিবিপিএস) গতির ইন্টারনেটের নজির সৃষ্টি হয়েছে দেশটিতে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছিল ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের। সেখানে গবেষকরা ১৭৮ টিবিপিএস-এর রেকর্ড গড়েছিলেন। এবার তার প্রায় দ্বিগুণ গতির ইন্টারনেট দেখা গেলো জাপানে।

অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে ইন্টারনেটের এত গতি দিয়ে কী হবে? না, মুভি ডাউনলোডের জন্য এত গতি মোটেও নয়। আসলে দ্রুত ডেটা ব্যাক আপ, আপডেট ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই ধরনের দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, মহাকাশ অভিযানের ডেটা স্ট্রিমিং ও আপডেট, প্রচুর তথ্যের ব্যাক আপ নেওয়া ইত্যাদি কাজে এ ধরনের দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন।

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছু তথ্য:

১. টিবিপিএস মানে টেরাবিটস পার সেকেন্ড।

২. বিশ্বের সর্বোচ্চ ফিক্সড-লাইন ব্রডব্যান্ড গতির রেকর্ডের মালিক সিঙ্গাপুরে। এই গতির পরিমাণ ২০১৫ এমবিপিএস।

৩. তাত্ত্বিকভাবে ১৭৮ টিবিপিএস-এ মাত্র এক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো নেটফ্লিক্স ডাউনলোড করা সম্ভব। এদিকে নতুন রেকর্ডের স্পিড ৩১৯ টিবিপিএস। অর্থাৎ, পুরো নেটফ্লিক্স ২ বার ডাউনলোড করা যাবে এক সেকেন্ডে।

৪. নাসার সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে ৪০০ জিবিপিএস গতিতে চলে।

 

/এইচএএইচ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রি হয়েছে ২৪২৪ কোটি টাকার

ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রি হয়েছে ২৪২৪ কোটি টাকার

কৌশলগত অংশীদার হলো ক্রাউডফান্ডলি ও অথল্যাব

কৌশলগত অংশীদার হলো ক্রাউডফান্ডলি ও অথল্যাব

হোয়াটসঅ্যাপের মাল্টিডিভাইস ফিচার সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন

হোয়াটসঅ্যাপের মাল্টিডিভাইস ফিচার সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৯

মহামারির এ কালেই আচমকা যেন রকেট-গতিতে এগিয়েছে ডিজিটালাইজেশন। অটোমেশনে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিভিন্ন খাত সংকটে পড়লেও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পোয়াবারো। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আইটিপ্রো-পোর্টালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের চেয়ে প্রযুক্তিকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করছেন উদ্যোক্তারা। প্রতিবেদনে এমন কিছু প্রযুক্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে যেগুলো দখল করতে যাচ্ছে আগামীর দিনগুলো।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

গত দশক থেকে আলোড়ন সৃষ্টি করা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে এখনও উদীয়মান প্রযুক্তি হিসেবেই ধরা হয়। আমাদের জীবনের অংশ হতে এআই-এর এখনও ঢের বাকি। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপস্থিতি কিন্তু দেখা যাচ্ছে। ছবি ও কথা বোঝা, মোবাইলের পারসোনাল অ্যাসিসট্যান্ট, নেভিগেশন অ্যাপ ইত্যাদিতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে চিকিৎসা ও জলবায়ু গবেষণায় এর প্রয়োগ আরও বাড়বে।

ফাইভ-জি

ফাইভ-জি মানে কেবল ওয়েবপেজ দ্রুত লোড হওয়া বা ইউটিউব ভিডিও দ্রুত দেখা বোঝায় না। এটি বিস্তৃত একটি ধারণা, অনেকটা বাস্তুসংস্থানের মতো। ফাইভ-জি এমন এক প্রযুক্তি, যা মানুষের জীবনকে সামগ্রিকভাবে গতিশীল ও স্বয়ংক্রিয় করবে। এই প্রযুক্তির সঙ্গে অন্যান্য অ্যাডভান্সড অনুষঙ্গ ও হাইস্পিড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা সকল যন্ত্রপাতিকে আরও সহজে ব্যবহার করতে পারবো। ফাইভ-জি প্রযুক্তি প্রকৃতপক্ষে শিল্পখাতের জন্য। আগামীতে শিল্পখাত হবে ফাইভ-জি নির্ভর।

এজ কম্পিউটিং

এজ কম্পিউটিং

এজ কম্পিউটিং নতুন একটি ধারণা। দ্রুত ও কম সময়ে ডেটা প্রসেসিং করবে এ সিস্টেম। ক্লাউডে বিভিন্ন জটিল পদ্ধতির অনুসরণ ছাড়াই ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে বা এজ সার্ভারে ডেটা স্থানান্তর করা যায় এ প্রযুক্তিতে। এটি ডেটা এবং কম্পিউটিংয়ের মধ্যকার গ্যাপও দূর করবে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জন্য ৪ কিউবিটের একটি আইবিএম প্রসেসর

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং

এখনও বলতে গেলে আঁতুরঘরে আছে এ প্রযুক্তি। তবে সন্দেহ নেই, ভবিষ্যতের কম্পিউটার হবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। সুপারকন্ডাক্টর সার্কিটের কারণে এতে অকল্পনীয় গতি পায় প্রসেসর। সাধারণ কম্পিউটার যেখানে হাইভোল্টেজ (১) ও লো ভোল্টেজ (০) বুঝতে পারে, সেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার আরেকটি ‘দশা’ গণনা করতে পারে। একে বলে কিউবিট। আর এ ধরনের কম্পিউটার পূর্ণগতিতে কাজ শুরু করলে দেখা যাবে সিমুলেশন ঘটিয়ে দিনে দিনেই তৈরি করা যাবে যেকোনও ভ্যাকসিন। এখনও করোনাভাইরাসের কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরিতে এ প্রযুক্তির কিছুটা কাজে লাগানো হচ্ছে।

গুগলের ল্যাবে আছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার

তবে এ কম্পিউটারের বিপদও আছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বেষ্টনী মুহূর্তেই ভেঙে ফেলতে পারবে একটি পূর্ণাঙ্গ কোয়ান্টাম কম্পিউটার। আর তাই নিরাপত্তার ঝুঁকি চিহ্নিত করতেও এ প্রযুক্তি কাজ করবে। প্রথাগত কম্পিউটারের চেয়ে কোয়ান্টাম কম্পিউটার কয়েক কোটি গুণ দ্রুতগতির সম্পন্ন। গুগলের কাছে এমন একটি কোয়ান্টাম কম্পিউটার আছে যা কিনা আইবিএম এর সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন সুপারকম্পিউটারের চেয়ে ১৫ কোটি ৮০ লাখ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন!

ব্লকচেইন

ব্লকচেইন

প্রযুক্তির ট্রেন্ডের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করতে যাচ্ছে ব্লকচেইন। অনেকে মনে করেন, ব্লকচেইন মানেই ক্রিপ্টোকারেন্সি। ব্যাপারটা সেরকম নয়। মোটের ওপর বলা যায়, বিটকয়েন ও অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো হলো ব্লকচেইন প্রযুক্তির একটি অংশ মাত্র। ব্লকচেইন মূলত তথ্য সংরক্ষণের একটি নতুন নকশা। যাতে আগের মতো বড় বড় ডেটাবেজ তৈরি না করে তথ্যগুলোকে ছোট ছোট ডিজিটাল ব্লক আকারে রাখা হয়। ব্লকগুলো আবার স্থায়ী। একবার তৈরি হওয়ার পর সেই তথ্য-ব্লক আজীবনের জন্য একটি চেইনের অংশ হয়ে যায়। মূলত প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় লেনদেনের তথ্য যখন ব্লকচেইন আকারে থাকে, তখন সেখানে জবাবদিহিতার জায়গাটা থাকে সুস্পষ্ট। আবার এই প্রযুক্তি আরও অনেক ক্ষেত্র নিয়েও কাজ করে যেমন- স্বাস্থ্যসেবা, সাপ্লাই চেইন অ্যান্ড লজিস্টিকস, বিজ্ঞাপন বাজার ইত্যাদি।

সাইবার সিকিউরিটি

অন্যান্য প্রযুক্তির মতোই উন্নতি ঘটছে সাইবার সিকিউরিটি প্রযুক্তির। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন থ্রেট বা হুমকি সামনে আসায় এই প্রযুক্তিতে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে।  হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্যে অবৈধ হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে।  ভবিষ্যতেও তারা এ চেষ্টা চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে সাইবার সিকিউরিটির মাধ্যমে তথ্যের সুরক্ষা আরও ভালোভাবে নিশ্চিতের চেষ্টা করা হবে। ফলে বাড়বে সাইবার সিকিউরিটি নির্ভর প্রযুক্তির চাহিদা।

ডিস্ট্রিবিউটেড ক্লাউড

ক্লাউড কম্পিউটিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে ডিস্ট্রিবিউটেড ক্লাউড টেকনোলজি। পাবলিক ক্লাউড রিসোর্সকে বিভিন্নভাবে বিতরণের ব্যবস্থা করবে এটি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দারুণভাবে উপকৃত হবে। বিশেষ করে ডিস্ট্রিবিউটেড ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণে সময়ক্ষেপণ কমবে। ডেটা হারানোর ঝুঁকি ও ব্যয়ও কমাতে পারবে এ প্রযুক্তি।

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৫:৩০

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘যোগাযোগ’ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের উদ্যোক্তারা তথ্য, উপাত্ত ও যোগাযোগের জন্য নিজেদের মধ্যে একটি নিজস্ব অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও গ্রুপ তৈরি করতে পারবে। উদ্যোক্তাদের বিদেশ নির্ভর হতে হবে না।

প্রতিমন্ত্রী শনিবার (২৪ জুলাই) উইমেন ইন ই-কমার্স (উই) আয়োজিত এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টারক্লাস সিরিজ-২ -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।  

পলক বলেন, আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইতোমধ্যে জুম’র বিকল্প বৈঠক প্ল্যাটফর্ম এবং করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সুরক্ষা অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।  

তিনি আরও বলেন, নিজস্ব যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ’র বিকল্প হিসেবে আলাপন নামেরও একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। তিনি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মসহ নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, উইমেন ইন ই-কমার্স এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উপকৃত হবে।

তিনি মনে করেন, উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো ঝুঁকি নেওয়ার সাহস থাকা। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে উদ্ভাবনে নিজেদের নিয়োজিত করতে নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে আইসিটি অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজাউল মাকসুদ জাহেদি, সিল্ক গ্লোবাল’র প্রধান নির্বাহী এবং উই’র বৈশ্বিক উপদেষ্টা সৌম্য বসু, উই’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা প্রমুখ সংযুক্ত ছিলেন। 

প্রতিমন্ত্রী পরে মাস্টার ক্লাস সিরিজ ২ -এর উদ্বোধন করেন।

 

 

/এইচএএইচ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৫২

এ মহামারির মধ্যেও যাতে ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারেন সেই পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে স্যোশাল নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান টেকমেন্ড বিডি। পুরনো ব্যবসায়ীদের অনলাইনমুখী করা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের অনলাইন ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকছে প্রতিষ্ঠানটি।  

 

টেকমেন্ড বিডি

টেকমেন্ড বিডি মূলত একটি স্যোশাল মিডিয়া এজেন্সি। ব্যবসায়ীদের ওয়েবসাইট বা পেইজ সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করে এটি। ২০২০ সালে দুই তরুণ উদ্যোক্তা আহাম্মেদ আলী রবিন ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খাঁনের হাত ধরে এর যাত্রা শুরু।

প্রতিষ্ঠাতা রবিন জানান ‘মহামারির এ সময় পুরো বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য বলতে গেলে বন্ধ। বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলো নতুন আইডিয়া জেনারেট করে বাণিজ্য সচল রাখার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় অনলাইন উদ্যোক্তা ও তাদের মার্কেটিং কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে ২০২০ সালে টেকমেন্ড বিডির যাত্রা শুরু। আমাদের এই ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্মে মানুষ ঘরে বসেই তাদের সব ব্যবসা অনলাইনে নিয়ে আসতে পারছে।’

তিনি বলেন, ‘উদ্যোক্তার পণ্য আমার সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্রেতার সামনে তুলে ধরি।’

 

টেকমেন্ডের সেবা

ব্যবসায়ীদের স্যোশাল মিডিয়ায় নিয়ে আসে এ প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ই-কমার্স গঠনেও সহযোগিতা করে। এর বাইরে হ্যাক হওয়া পেইজ রিকভার, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, সফটওয়ার তৈরি এসবও করে থাকে।

সাইবার বুলিং নিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও করে টেকমেন্ড। বেকারত্ব দূর করতেও বিনামূল্যে নির্দেশনা দিচ্ছে তারা।

 

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক

টেকমেন্ডের উদ্যোক্তারা জানালেন, উদ্যোক্তারা সমস্যায় পড়লে আমাদের পেইজে যোগাযোগ করে। আমরা সেটার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করি। আবার কেউ যদি ব্ল্যাকমেইল বা হ্যারাসমেন্টের সমস্যায় পড়ে তাদেরও নির্দেশনা দিচ্ছি- কীভাবে কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে, কীভাবে জিডি বা মামলা করতে হবে।

/এআরআর/এফএ/

সম্পর্কিত

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

সর্বশেষ

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা করোনায় আক্রান্ত

সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা করোনায় আক্রান্ত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

‘উইন্ডোজ ১১’ এর নামে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

আগামীর হাল ধরবে যে প্রযুক্তিগুলো

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অনলাইন উদ্যোক্তাদের পাশে টেকমেন্ড বিডি

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

ইনস্টাগ্রামে দেখা যাবে বিদেশি ভাষার স্টোরি

ইনস্টাগ্রামে দেখা যাবে বিদেশি ভাষার স্টোরি

ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রি হয়েছে ২৪২৪ কোটি টাকার

ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রি হয়েছে ২৪২৪ কোটি টাকার

© 2021 Bangla Tribune