সরকারি চাকরিজীবীরা অবসর গ্রহণের পর ছয় মাস পর্যন্ত সাধারণ ভবিষ্য তহবিলে (জিপিএফ) অর্থ জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে তারা বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী সুদও প্রাপ্য হবেন। এছাড়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও জিপিএফে অর্থ কর্তন করতে পারবেন।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। অবসরে যাওয়ার পর জিপিএফে কর্তন ও মুনাফা পাবেন কিনা এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তরা জিপিএফে টাকা কাটতে পারবেন কিনা এ বিষয়ে পেনশন সহজীকরণ আদেশ-২০২১ এর ধারা স্পষ্ট করা হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে।
ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীরা অবসর গ্রহণের পরদিন অর্থাৎ পিআরএল শুরুর দিন থেকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাপ্রাপ্ত হবে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট কর্মচারী পিআরএল-এ যাওয়ার পরও ছয় মাস পর্যন্ত প্রচলিত নিয়মেই অর্থ জমা দিতে পারবেন এবং ওই সময় পর্যন্ত মোট জমার ওপর মুনাফা প্রাপ্য হবেন।
প্রজ্ঞাপনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের ভবিষ্য তহবিল প্রসঙ্গে বলা হয়, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত না হলে যে তারিখে পিআরএল শুরু হতো সে তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত সাধারণ প্রচলিত হারে অর্থ দেওয়া যাবে এবং মোট জমার ওপর মুনাফা করতে হবে। ওই ছয় মাস সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মচারী সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালা অনুযায়ী স্বেচ্ছাধীন চাঁদা হিসেবে নতুন করে জমা দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে ভবিষ্য তহবিলে জমাকৃত অর্থের মুনাফা হিসাবকালে তার পূর্বের জমাকৃত অর্থ বিবেচনা করা হবে না।
প্রসঙ্গত সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের নির্দিষ্ট একটি অংশ জিপিএফ বা ভবিষ্য তহবিলে জন্য কর্তন করেন। কর্মচারীরা তাদের মূল বেতনের সর্বনিম্ন পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত জিপিএফে কর্তন করতে পারেন এবং জিপিএফে জমার ওপর বছরের ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা প্রাপ্ত হন।









