X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

স্মরণ

উত্তর ‘জানে আলম’!

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২১, ১৬:৫৭

আমার নিরানন্দ কিংবা বেকার সময়ের সঙ্গী ছিলেন সংগীতশিল্পী জানে আলম! জীবনের ‘নাই কাজ তো খই ভাজ’ সময়গুলোতে আমি চলে যেতাম এই আনন্দময় মানুষটার কাছে।

বেশিরভাগ সময় তাকে খেপাতাম, তিনি বিরক্তির চূড়ান্ত চূড়ায় উঠলে আমি বা আমরা কেটে পড়তাম। যতক্ষণ না উনি বলতেন, ‘শিল্পী হিসাবে আমারে দেখছাস? (উনি এভাবে উচ্চারণ করতেন) যদি রিপোর্টারের চোখে দেখতে চাস তাইলে চইলা যা এক্ষুনি।’ আমি বা আমরা বুঝে যেতাম, জানে আলম ভাই খেপেছেন। আমরা কেমন একটা আনন্দ নিয়ে চলে আসতাম। চলে আসার আগে বলতাম, ‘আপনার ৪ হাজার গানের একটা হওয়া উচিত ছিল—রাগলে তোমায় লাগে আরও ভালো (চুমকি চলেছে একা পথে)।’

জানে আলম ভাই হয়তো অনেক কিছু বাড়িয়ে বলতেন। এই বলার ভেতরে গর্ব বা অহংকার ছিল না, এক ধরনের সরলতা ছিল। একদিন বললেন, ‘আমার গানের সংখ্যা অনেক।’ আমি জানতে চাইলাম, কত? উনি বললেন, ‘৪ হাজার’। আমি কয়েকজনের কাছে জানতে চাইলাম। সবাই জানালো জানে আলম ভাই সাধারণত ৪ হাজারের নিচে নামেন না। একদিন এক ক্যামেরাম্যানকে সাথে করে নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম জানে আলম ভাইয়ের সামনে। ভাই খুব খুশি। ভাবলেন তাকে নিয়ে রিপোর্ট হবে। অনেক কথা বলার পর জানতে চাইলাম, আপনার গানের সংখ্যা কত? যদি ৪ হাজার হয় তাহলে সেটা কেমনভাবে প্রমাণ করা যাবে? এই ধরেন ক্যাসেটের যুগে এক ক্যাসেটে ১০ বা ১২টা গান থাকতো। ৪ হাজার গান থাকলে কয়টা ক্যাসেট লাগে? আপনার কয়টা ক্যাসেট বা অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে? এর বাইরে রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচার হওয়া গানের সংখ্যা কত? জানে আলম ভাই চুপ করে কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘শিল্পী হিসাবে আমারে দেখছাস? যদি রিপোর্টারের চোখে দেখতে চাস তাইলে চইলা যা এক্ষুনি।’

আমরা হাসতে হাসতে বেরিয়ে এলাম। জানে আলম ভাই খেপেছেন। তাকে খেপানোর অনেক অনুষঙ্গ পেয়ে যেতাম। পাওয়া মাত্রই প্ল্যান করে তার কাছে যেতাম এবং শুরু করতাম খেপানো। অভিনেতা জাহিদ হোসেন শোভন (তাকেও জীবনে বহুবার খেপিয়েছি)। তার নাম জাহিদ হাসান শোভন লিখলেই সে খেপে যেত। বাংলা সিনেমায় সে ‘আকাশ’ নামে ‘নায়কগিরি’ করতো। আমরা জাহিদ হাসান আকাশ বললে সে আরও খেপে যেত। শোভনের সঙ্গে একবার দেখা জানে আলম ভাইয়ের। সম্ভবত দুজনেই ‘মানিকগঞ্জিয়ান’ (মানিকগঞ্জ বাড়ি)। আলোচনার কথাবার্তায় আমার নাম উঠে এলে জানে আলম ভাই বললেন, ‘আরে চুল নাই আহসান কবিরের কথা বলছাস? ও তো আমার আপন ভাই!’

এরপর জাহিদ হোসেন শোভনের সাথে দেখা হলে সে আমার কাছে জানতে চাইলো, ‘তুমি যে জানে আলম ভাইয়ের আপন ভাই সেটা তো জানতাম না!’ শোভনের সাথে কথা শেষ করে আমি আবারও আনন্দ নিতে চলে গেলাম জানে আলম ভাইয়ের কাছে। জানতে চাইলাম, আমি আপনার আপন ভাই হইলাম কবে? এই প্রথম জানে আলম ভাই কিছু বললেন না, ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলেন!

এরপর থেকে জানে আলম ভাই আমাকে দেখলেই কেমন করে যেন তাকিয়ে থাকতেন। ভাবতেন নতুন করে আমি আবার কী বলবো? একবার এক টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জানে আলম ভাইয়ের সাথে দেখা। আমার সাথে হাত মিলিয়েই মঞ্চে উঠে বললেন, ‘আমার আজ একটা গান গাইবার কথা।’ সেই গানটা গাচ্ছি বলেই শুরু করলেন—একটি গন্ধমেরও লাগিয়া আল্লায় বানাইলো দুনিয়া...। গান শেষে তুমুল করতালি। সেই আনন্দের বন্যায় ভেসে জানে আলম ভাই ঘোষণা দিলেন, ‘আমার আরও একটি জনপ্রিয় গান গাইবো। যদিও একটামাত্র গান গাইবার কথা, কারণ অনেক শিল্পী আছেন এখানে। তবু আরেকটা গাইছি।’ এই বলেই শুরু করলেন—গ্রামেরই নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান...।

গান শেষে মঞ্চ থেকে নিচে নেমে এলে আমি জানতে চাইলাম, ‘গ্রামেরই নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান’ আপনার গান কী করে হলো? এটা তো শাহ আবদুল করিমের বিখ্যাত গান। ঢোক গিললেন জানে আলম ভাই। কী যেন ভেবে বললেন, ‘যখন রবীন্দ্রসংগীত গাই গানটাকে তখন আপন মনে করি। মনে করি গানটা আমার জন্যই লেখা হয়েছে। ধরে নে শাহ আবদুল করিম গানটা আমার জন্যই লিখেছেন’—বলেই হাঁটা শুরু করলেন। আমি জানতে চাইলাম, আপনার কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত শুনতে চাই। কবে গাইবেন? জানে আলম ভাই এই প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন না।

গত পাঁচ ছয় বছর আমাকে দেখলে মাঝে মাঝে খেপে যেতেন, অভিমান করতেন। একজীবনে তাকে খেপানো ছাড়া আমি নাকি আর কিছু করিনি। এরমাঝে একবার ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের জিয়াউল হাসান পিয়ালের রেকর্ডিং স্টুডিও ‘তানপুরা’তে জানে আলম ভাইয়ের সাথে দেখা। আড্ডা জমলেও মনে হলো জানে আলম ভাই অতি সাবধানী। মন খুলে কথা বলছেন না। সংগীতশিল্পী শ্রদ্ধেয় নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরীর কথা উঠলো আড্ডায়। আবেগপ্রবণ হয়ে গেলেন জানে আলম ভাই। বললেন, ‘ওস্তাদ নিয়াজ চৌধুরীর জীবনের একটা সেরা গান কিন্তু আমার।’ আমি লুফে নিলাম কথাটা। বললাম, কোন গানটা? জানে আলম ভাই বললেন, ‘আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে’! আমি বললাম, এই গানটা আপনার ৪ হাজার গানের ভেতরের কোনও গান না। এটা শ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী ও সুরকার লাকি আখান্দের সুর করা। যদিও এই অ্যালবামটা আপনার গানের কোম্পানি থেকে বের হয়েছে।

এবার একটু আগেভাগেই খেপে গেলেন জানে আলম ভাই। বললেন, ‘এই কবির তুই কি আমার চেয়ে বেশি জানছাস? আমি যদি লাকি ভাইরে ভালোই না বাসতাম তাইলে কি উনি এমন ভালো গান সুর করতে পারতেন?’ আমি জানে আলম ভাইয়ের কথা শুনে তব্দা খেয়ে গেলাম। সত্যি তো! ভালো না বাসলে কি এমন সৃষ্টি সম্ভব? আমি জানতে চাইলাম, আলম ভাই আপনি কী আমারে লাকি ভাইয়ের মতো ভালোবাসবেন?

জানে আলম ভাই এই প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন না। শেষদিকে আমার প্রশ্নের উত্তর দিতেন না। লেখক ও ছড়াকার পলাশ মাহবুব একবার সিদ্ধান্ত নিলো যে সে মজাদার প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে একটা টেলিভিশন শো করবে। টেলিভিশন শো—‘উত্তর জানে আলম’! আমি পলাশ মাহবুবকে নিয়ে ছুটলাম জানে আলম ভাইয়ের কাছে। ‘উত্তর জানে আলম’ টিভি শো’র কথা শুনে হো হো করে হাসা শুরু করলেন জানে আলম ভাই। তারপর বললেন, ‘কবির আমাকে শিল্পী হিসেবে দাম দেয় না! কমেডি মার্কা প্রশ্ন নিয়া টানাটানি করতে আসে মাঝে মাঝে!’ এরপর খুব আবেগ নিয়া প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা কবির আমার গান কি কখনও মনোযোগ দিয়া শুনছাস? একটা গানও কি তোর ভালো লাগে না?’ আমি বললাম, অবশ্যই লাগে। এই যেমন, যাইবো নারে যাইবো না কপালের লিখন/ কোথায় আমি পইড়া রইছি কোথায় ছমিরন!

জানে আলম ভাই আর কোনও কথা বললেন না। কোনও প্রশ্নের উত্তর দিলেন না। ছমিরনের কথা মনে পড়ে গেলো কিনা বুঝলাম না!

এরপর বহুদিন গেছে। জীবনের প্রয়োজনে যে যার মতো ব্যস্ত থেকেছি। জানে আলম ভাইয়ের কাছ থেকে উত্তর জানা হয়নি যে ছমিরন বলে তার জীবনে কেউ ছিল কিনা? না হলে এমন বুকভাঙা গান কীভাবে সৃষ্টি হয়? জানা গেলো না করোনার দিনগুলোতে নতুন কোনও সুর তিনি সৃষ্টি করেছিলেন কিনা। জানা গেলো না আমার মতো তার আপন ভাইয়ের সংখ্যা কতজন?

কিছু দিন আগে তার স্ত্রী মারা গিয়েছিলেন। জানা গেলো না জানে আলম ভাই তার চিরচেনা ‘গন্ধমের’ রাজ্যেই চলে গেলেন কিনা! জানা গেলো না আসলে তিনি কতগুলো গান গেয়েছিলেন কিংবা সুর করেছিলেন।

গানের ক্যাসেট বা সিডি প্রকাশের মাধ্যমে অনেক শিল্পীর স্বপ্ন (দোয়েল প্রডাক্টস ছিল তার গানের কোম্পানি) তিনি পূরণ করেছিলেন। দিলখোলা হাসি দিয়ে জানতে চাইতেন, ‘কেমন আছাস?’ আজ আমি শুধু জানতে চাই, আপনি কেমন আছেন জানে আলম ভাই? বিশ্বাস করেন, আমি আর কোনোদিন কোনও কমেডি মার্কা প্রশ্ন তুলে আপনাকে বিরক্ত করবো না। আপনি কেমন আছেন ভাই?

বিশেষ দ্রষ্টব্য: জানে আলম ভাই আমাকে তার গানের ‘সিডি-সমগ্র’ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘শোন আমার কতো গান আছে সেটা গোনা বাদ দে। আমি মরে গেলে আমাকে নিয়ে লিখবি। তুই আজম খানকে নিয়া লিখছাস! এন্ড্রু কিশোররে নিয়া লেখাটা পইড়া মনে হইছিল তুই গান শুনতে শুনতে ঘুমাস, গান শুনতে শুনতে খাওয়া দাওয়া করাস! কেউরে বাঘে খায়, কেউরে নেশায় খায়, কিন্তু খুব কম মানুষ আছে যারে গানে খায়! শোন, গান যারে খায় সেই-ই শিল্পী, বুঝছাস?’

গান যারে খায় তার জীবনটাও কি গানের মতো হয়? জানে আলম ভাই আপনি যেখানে আছেন সেটা কি গানের জগৎ? আপনি কি এখনও গান নিয়ে আছেন কিংবা গান কি এখনও আপনাকে কুরে কুরে খায়?

লেখক: সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমালোচক

/এমএম/

সম্পর্কিত

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৩৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিনে (২৮ সেপ্টেম্বর) মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’। এর পরপরই তৈরি হবে একই ধরনের আরও একটি সিনেমা। এর নাম ‘মুজিব ভাই’।

দুটি প্রজেক্টই পৃষ্ঠপোষকতায় আছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগ।

বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বিভাগটির প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘মুজিব আমার পিতা’ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, ‘‘মুজিব আমার পিতা’র পরই নির্মাণের দ্বিতীয় পার্ট হিসেবে আমরা আরও একটি দ্বিমাত্রিক চলচ্চিত্র তৈরি করছি। এর নাম ‘মুজিব ভাই’। ‘খোকা’, ‘বঙ্গবন্ধু’র মতোই ‘মুজিব ভাই’ সম্বোধনটি ওনার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় অংশজুড়ে ছিলো। আমরা সেটিই নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরতে এই ছবি নির্মাণ করছি।’’

তিনি জানান, ‘‘মুজিব আমার পিতা’র নির্মাণ খরচ ১ কোটি টাকার ওপরে হয়েছে। তবে তার খরচ দুই কোটির নিচে। এই প্রজেক্টের অংশ হিসেবেই নির্মাণ হবে ‘মুজিব ভাই’। এছাড়াও আমরা একটি অ্যাপ তৈরি করছি। সব মিলিয়ে ২ কোটি টাকা আমাদের খরচ হবে।’’ মুজিব আমার পিতা

চলচ্চিত্রটি তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি ডিভিশনের অর্থায়নে এগুলো তৈরি হচ্ছে প্রোলেন্সার স্টুডিও থেকে। 

‘মুজিব আমার পিতা’ চলচ্চিত্রটিকে বলা হচ্ছে দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন ফিল্ম। এটি পরিচালনা করছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা।

পরিচালক জানান, তিনিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একদল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এতে কাজ করেছেন। এর দৈর্ঘ্য ৪৯ মিনিট। এটি তৈরি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বে।

/এম/এমএম/

সম্পর্কিত

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৮

মুক্তির আগেই বাংলাদেশে তোলপাড় করেছে ভারতের নতুন ছবি ‘খুফিয়া’। ‘হায়দার’-খ্যাত বলিউড নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ বাস্তব ঘটনা নিয়ে চলচ্চিত্রটি তৈরি করছেন। আর সেখানে আছে বাংলাদেশের যোগসূত্র!

গল্পের কারণেই এতে বাংলাদেশি অভিনেত্রী চাইছিলেন তিনি। প্রস্তাব এসেছিল বিদ্যা সিনহা মিম, মেহজাবীন চৌধুরী ও আজমেরী হক বাঁধনের কাছে। গল্পে দেশকে নিয়ে নেতিবাচক উপদান থাকায় বিশালকে ‘না’ করে দিয়েছিলেন প্রথম দুজন। 

তাই বাংলাদেশের কেউ এতে থাকছেন কিনা- তা জানতে অনেকেরই রয়েছে আগ্রহ। তবে নেটফ্লিক্সের এই প্রযোজনায় আদৌ বাংলাদেশের কেউ থাকছেন কিনা- তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে, আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে ‘খুফিয়া’র টিজার। সেখানেও নেই বাংলাদেশের কেউই। 

ভিডিওটির পুরোটা সময়ে সিনেমাটিতে মূখ্য ভূমিকায় থাকা অভিনেতা আলি ফজলকে দেখা গেছে। ২ মিনিট ৬ সেকেন্ডের এই টিজারের একদম শেষে আওয়াজ ভেসে আসে বলিউড অভিনেত্রী টাবুর। আলি ফজলকে তিনি ‘বেঈমান’ বলে সম্বোধন করেন।

এছাড়াও টিজারে বেশ কয়েকজন অভিনেতার নাম প্রকাশিত করা হয়। তাদের মধ্যে আছেন বলিউডের আশিষ বিদ্যার্থি ও পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বি।

চলতি মাসে বাংলাদেশে নতুনভাবে আলোচনায় আসেন বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। জানা যায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করছেন ভারতীয় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এ নির্মাতা। আর যে কারণে প্রয়োজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী। 

মিম ও মেহজাবীন জানান, বাংলাদেশ নিয়ে অসত্য রাজনৈতিক তথ্য এতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যা ভালো লাগেনি তাদের। যার কারণে প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন তারা।

জানা যায়, চলচ্চিত্রটি তৈরি হচ্ছে অমর ভূষণের বই থেকে। যার নাম- ‘এসকেপ টু নোহোয়ার’। এতে দেখা যাবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (র) ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও একজন যুগ্ম সচিব হঠাৎই অদৃশ্য হয়ে যান।

তবে চলচ্চিত্রটি যেহেতু গোপন নথির ওপর তৈরি হচ্ছে তাই অনেক কিছুই এখনও প্রকাশ্য করতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। 

/এম/

সম্পর্কিত

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

নেটফ্লিক্সে গা ছমছমে চার সিনেমা

নেটফ্লিক্সে গা ছমছমে চার সিনেমা

এটি আমার পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকার গান: সুমন

এটি আমার পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকার গান: সুমন

নায়ক-নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট, ডিবিতে অভিযুক্তদের তলব

নায়ক-নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট, ডিবিতে অভিযুক্তদের তলব

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৪

দেশের জনপ্রিয়তম অভিনেতা মোশাররফ করিম। দেশের বাইরেও তাই। এই জাঁদরেল অভিনেতা চলতি বছরই ‘মহানগর’ নামের ওয়েব সিরিজ দিয়ে অনলাইনে ঝড় তুলেছিলেন।

এবার আসছেন ওয়েব ফিল্মে। আর তা ভিন্ন এক চরিত্র- দালাল হিসেবে। ছবিটির নামও ‘দ্য ব্রোকার’। ওটিটি প্ল্যাটফরম জিফাইভের জন্য এটি তৈরি করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। আগামী ১ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পাবে।

পরিচালক বললেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে কাজটি শেষ করেছি। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা। আশা করি, আগামী ১ তারিখে এই প্রিয় অভিনেতাকে অন্যভাবেই পাবেন ভক্তরা।’

‘গুলশান এলাকার বাসা-বাড়ি পরিবর্তন ও ইন্টেরিয়রের মতো বিভিন্ন কাজের ব্রোকার মোশাররফ করিম। অর্থের জন্য অনৈতিক কাজও হাসিল করে দেন। আর সে কারণেই শেষ দিকে এসে মানসিক পরিবর্তন হতে শুরু করবে এই অভিনেতার’- এভাবেই এর গল্পটা বললেন আবু হায়াত মাহমুদ।

‘দ্য ব্রোকার’ ৪৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি ওয়েব কনটেন্ট। যেখানে মোশাররফ করিম ছাড়া আরও রয়েছেন নাজিয়া হক অর্ষা, শহীদুল্লাহ সবুজ, মীর রাব্বি প্রমুখ। 

/এম/

সম্পর্কিত

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

নেটফ্লিক্সে গা ছমছমে চার সিনেমা

নেটফ্লিক্সে গা ছমছমে চার সিনেমা

এটি আমার পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকার গান: সুমন

এটি আমার পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকার গান: সুমন

নায়ক-নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট, ডিবিতে অভিযুক্তদের তলব

নায়ক-নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট, ডিবিতে অভিযুক্তদের তলব

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৩৭

শুধু সংগীতাঙ্গনকে ঘিরে স্বীকৃতি প্রদানের প্রচলন নতুন নয়। বরং অতীতে সংগীতকেন্দ্রিক আয়োজনগুলো নজর কেড়েছে সবার। মূলত এমন উদ্যোগ প্রথমে নিয়েছে দেশের অন্যতম বেসরকারি টিভি চ্যানেল আই। সেটির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এখনও।

তবে এবার সেই উদ্যোগে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে আরেক জনপ্রিয় বেসরকারি চ্যানেল আরটিভি। চ্যানেলটি এখন থেকে নিয়মিত সংগীতকেন্দ্রিক স্বীকৃতি প্রদানের অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দিয়েছে। যার প্রথম আসরটি বসছে ২ অক্টোবর রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও-এর বলরুমে। 

‘আরটিভি মিউজিক অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে মোট নয়টি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে পুরস্কার। ক্যাটাগরিগুলো যথাক্রমে- শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী (পুরুষ), শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী (নারী), শ্রেষ্ঠ লোকসংগীতশিল্পী (পুরুষ), শ্রেষ্ঠ লোকসংগীতশিল্পী (নারী), শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড, শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ প্রমিজিং সিঙ্গার, শ্রেষ্ঠ মিউজিশিয়ান এবং বাংলা সংগীতে স্মরণীয় অবদান রাখার জন্য একজন ব্যক্তিত্বকে দেওয়া হবে আজীবন সম্মাননা।

এ প্রসঙ্গে আরটিভি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘সংগীত মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গলা যেমনই হোক, অবসরে কিংবা মনের আনন্দে গুণগুণ করেন না, এমন মানুষ নেই। আরটিভি সবসময় ভালো কাজে উৎসাহ প্রদান করতে অগ্রগামী। একাধিক জনপ্রিয় গানের অনুষ্ঠান আমরা নিয়মিত করে আসছি। তাদের মধ্য থেকে সম্মানিত বিচারকগনের রায়ে শ্রেষ্ঠদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।’ 

অনুষ্ঠানটি ২ অক্টোবর বিকাল ৫টায় হোটেল সোনারগাঁও-এর বলরুম থেকে আরটিভি চ্যানেল ও আরটিভি ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

/এমএম/

সম্পর্কিত

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’। দ্বিমাত্রিক এ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে লেখিকার জন্মদিনেই। 

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে এটি রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখানো হবে। টানা তিন দিন চলবে বিশেষ প্রদর্শনী। যেখানে পথশিশুসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির দর্শকরা ছবিটি দেখবেন। 

মুক্তির বিষয়টি জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের আগে হয়েছে চলচ্চিত্রটির প্রথম বিশেষ প্রদর্শনী।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সেদিনসহ ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর স্টার সিনেপ্লেক্সে বিশেষ প্রদর্শনী চলবে। এরপর সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি পাবে ১ অক্টোবর। আমি অনুরোধ করবো, কেউ যেন চলচ্চিত্রটির ভিডিও ফুটেজ ধারণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করেন। আইসিটি বিভাগের অর্থায়নে এই ছবিটি দেশের সম্পদ। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের যে বাংলাদেশে প্রথম দ্বিমাত্রিক পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ হলো।’

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তিনি জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তুলে ধরতে সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এই চলচ্চিত্র নির্মাণ। বঙ্গবন্ধুর জীবন সংগ্রাম থেকে যেন নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অনুপ্রেরণা খুঁজে পায়, সেই চেষ্টাটি করা হয়েছে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ছবির মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর ও রাজনৈতিক যে দর্শন তা তুলে ধরতে। আর এটি তার মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে কেউ ভালো বলতে পারবেন না। এ কারণেই তার বই থেকে ছবিটি তৈরি।’ ​

‘মুজিব আমার পিতা’ চলচ্চিত্রটিকে বলা হচ্ছে দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন ফিল্ম। এটি পরিচালনা করছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা।

পরিচালক জানান, তিনিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একদল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এতে কাজ করেছেন। এর দৈর্ঘ্য ৪৯ মিনিট।

/এম/এমএম/এমওএফ/

সম্পর্কিত

৬ টিভি চ্যানেলে ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’

৬ টিভি চ্যানেলে ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

ওয়েব ফিল্মে মোশাররফের অন্যরূপ 

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

এবার মিউজিক অ্যাওয়ার্ড চালু করছে আরটিভি

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম

চাঁদে জমি কিনলেন নির্মাতা হিমু আকরাম, পেলেন নাগরিকত্বও!

চাঁদে জমি কিনলেন নির্মাতা হিমু আকরাম, পেলেন নাগরিকত্বও!

প্রথমটির নামে দ্বিতীয় অ্যালবামের গান! (ভিডিও)

প্রথমটির নামে দ্বিতীয় অ্যালবামের গান! (ভিডিও)

মাদককাণ্ড: পুলিশের তোপের মুখে অর্জুন পরিবার

মাদককাণ্ড: পুলিশের তোপের মুখে অর্জুন পরিবার

‘সুলতান সুলেমান’র চেয়েও বেশি সাড়া ‘বাহার’-এ!

‘সুলতান সুলেমান’র চেয়েও বেশি সাড়া ‘বাহার’-এ!

ঢালিউডের প্রথম কোনও ছবি একই দিনে তিন মহাদেশে মুক্তি!

ঢালিউডের প্রথম কোনও ছবি একই দিনে তিন মহাদেশে মুক্তি!

সর্বশেষ

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র করোনায় আক্রান্ত

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র করোনায় আক্রান্ত

তালেবানকে না জানিয়ে আফগানিস্তানে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

তালেবানকে না জানিয়ে আফগানিস্তানে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাবিতে পদার্থ বিজ্ঞানে এমএস কোর্সে ভর্তির আবেদন আহ্বান

ঢাবিতে পদার্থ বিজ্ঞানে এমএস কোর্সে ভর্তির আবেদন আহ্বান

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আইসিটি বিভাগ নির্মাণ করছে আরও একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

© 2021 Bangla Tribune