X
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কৃষকের কান্নায় ভারী হয়েছে হাওরের আকাশ

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ১৫:২৪

কৃষকের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে নেত্রকোনার হাওর অঞ্চলের আকাশ। রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতের কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন মুহূর্তে বিলীন হয়ে গেছে। ঝড়ে শীষের ধান ঝরে পড়েছে, এখন জমিতে শুধু গাছ দাঁড়িয়ে আছে। এ অবস্থায় সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে হাওর অঞ্চলে চলছে কৃষকদের বিলাপ আর কান্না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে মদন পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে এবার ১৭ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা ছিল কৃষকদের।

২৮ ধানের পাশাপাশি কাটা শুরু হয়েছে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধান। কষ্টে ফলানো সোনার ফসল ঘরে তুলতে অনেকেই ব্যস্ত সময় পার করছিলেন। ধান ঘরে তুলতে দিন-রাত কাজ করছেন চাষিরা। কিন্তু গত রাতের কয়েক মিনিটের ঝড় ও গরম বাতাস কৃষকদের সব স্বপ্ন নষ্ট করে দিয়েছে। ধার-দেনা করে এক ফসলি জমির ফসল হারিয়ে এখন পথে বসা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই কৃষকদের।

তিয়শ্রী ইউনিয়নের বাগজান গ্রামের কৃষক নূরুল ইসলাম, শামীম আহম্মেদ, কোঠুরীকোনা গ্রামের রোজ আলী, পৌর সভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজ মিয়াসহ অনেকেই জানান, হাওরের এক ফসলি বোরো জমির ফসল দিয়ে সারা বছর পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে রবিবার রাতের কয়েক মিনিটের গরম বাতাসে জমির সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণ করে ফসল উৎপাদন করেছিলেন তারা। এখন সারা বছর কি খাবেন ও কিভাবে ধার পরিশোধ করবেন, এ নিয়েই তাদের যত চিন্তা।

কৃষকরা বলেন, সরকার যদি আমাদের পাশে না দাঁড়ায়, পথে বসা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না।

এদিকে সকালে মদন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কদ্দুছসহ কৃষি বিভাগের লোকজন হাওর অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রায়হানুল হক জানান, গত রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে কৃষদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়। আমাদের লোকজন মাঠে আছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য এখনও বলা যাচ্ছে না।



/টিটি/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৩১

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার পর এই তথ্য জানা গেছে।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৮৫ হাজার ১৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৬১৫ জন মহানগর এলাকার, বাকি ২১ হাজার ৫২৯ জন বিভিন্ন উপজেলার। অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৯৪ জন। এর মধ্যে ৫৯১ জন নগরীর, বাকি ৪০৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতকালের তুলনায় আজ চট্টগ্রামে করোনা রোগী শনাক্ত বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৩৫ জন চট্টগ্রাম নগরীর, বাকি ৪৩৮ জন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে তিন হাজার ৪৫০টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৪৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৭৭৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫৬৭টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২৩২টি এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। 

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ২৩৮ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ২২৬ জন, চমেক ল্যাবে ১৯৩ জন, সিভাসু ল্যাবে ১০৫ জন এবং আরটিআরএল ল্যাবে ২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এদিন ৮১৩ টি অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৭৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮ জন, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ৪৩ টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জন এবং ইপিক হেলথ কেয়ারে ২২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ছয় জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:১৭

যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হতে পেরেছে। একসময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও ভাগ্য বদলাতে পারেননি রাজশাহীর পবা উপজেলার হুজরিপাড়া ইউনিয়নের শরিষা কুড়ি কলেজপাড়া এলাকার হতদরিদ্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান। মাসে সরকারিভাবে পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে পাঁচ শতক জায়গার ওপর টিনের ঘর বানিয়ে বসবাস করছেন দেশের এই সূর্য সন্তান।

জরাজীর্ণ ঘরে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের বসবাস জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। বড় ছেলে মিনারুল ইসলাম আলাদা সংসার করছেন। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং তাদের স্ত্রীসহ ছয় জনের সংসারের খরচ চালাচ্ছেন তিনি। অর্থের অভাবে ছেলেমেয়েকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারেননি। ছেলেরা কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।

দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরেও নিজের ভাগ্যের কেন পরিবর্তন হয়নি জানতে চাইলে ৬৫ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, ‘নিজের কোনও আবাদি জমি ছিল না। বর্তমানেও নেই। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাই। এতে করে ছেলেমেয়েদের নিয়ে সংসার করে বাড়তি কিছু করতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রথম মেয়াদ থেকে ৩০০ টাকা থেকে এখন ১২ হাজার টাকা করে প্রত্যেক মাসে সরকারি ভাতা পেয়ে আসছি। সোনালী ব্যাংক পবা উপজেলার বায়া শাখায় ভাতা উত্তোলনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আমার নাম রয়েছে।’

 খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সাব-সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আব্দুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার আনুমানিক বয়স ছিল ১৬ বছর। পবা উপজেলার দারুশা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, তখন তরুণ আব্দুর রহমান ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ স্বাধীনের প্রস্তুতি নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রথমে ভারতের পানিপিয়া ক্যাম্পে যোগদান করেন। পরে ভারতের শিলিগুড়িতে প্রশিক্ষণের জন্য যান। সেখানে প্রশিক্ষণ শেষ করে আবার বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর পবা থানার দুয়ারি এলাকায় ব্রিজ অপারেশন, তানোর থানায় পাকিস্তানি বাহিনীসহ তার অনুসারী রাজাকার, আলবদর এবং বিহারিদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। একের পর এক অভিযানে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীনের অংশীদার হন আব্দুর রহমান।

 বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, ‘বাংলার মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন থেকে যাতে মুক্তি পায় সে জন্য যুদ্ধে গিয়েছিলাম। তখন ভাবিনি দেশ স্বাধীন হলে আমি আর্থিকভাবে লাভবান হবো। দেশ স্বাধীনের পর যে সম্মান পেয়েছি তা অনেক। তবে আমাদের মতো দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শেখ হাসিনা। আমাদের আগের চেয়ে বহুগুণে সম্মানিত করছেন। সেই সঙ্গে আর্থিকভাবে সহায়তা করছেন। এতে আমি গর্ববোধ করছি।’

 তিনি আরও বলেন, ‘যতদিন বেঁচে আছি ততদিন যেন মাথা গোঁজার জন্য ভালোভাবে বসবাসের ঠাঁই পাই। আমি এখন অসুস্থ। তাই চিকিৎসার জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবে কেউ সহায়তা করলে অনেক ভালো হতো। যে ভাতা পাই তা দিয়ে সংসার চালিয়ে চিকিৎসা খরচ চালাতে পারি না।’

 

/এএম/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

বগুড়ায় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে ছুরিকাঘাত

বগুড়ায় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে ছুরিকাঘাত

দেড় বছরে ১৬ হাজার করোনা বেড স্থাপন হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেড় বছরে ১৬ হাজার করোনা বেড স্থাপন হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৫৭

দীর্ঘ চাকরি জীবন শেষে অবসরে গেলেন টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল ফারুক আহমেদ। দিনটিকে স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন করে শেষ কর্মস্থল এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকর্মীরা। তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দিতে সাজানো হয় পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি। সোমবার (২ আগস্ট) বিকালে পুলিশ সদস্য ফারুক আহমেদ বিদায় সংবর্ধনা নিয়ে ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো গাড়িতে করে বাড়ি ফেরেন। তার সঙ্গে স্ত্রী রিনা বেগম ও মেয়ে রুনা আক্তারও সঙ্গী হয়। এসময় কনস্টেবল ফারুক আহমেদের চোখে-মুখে ছিল কান্নার ছাপ। সৎ ও নিষ্ঠাবান কনস্টেবল ফারুক আহমেদকে বিদায় দিতে গিয়ে তার সহকর্মীরাও আবেগ আপ্লুত হন।

এদিকে ফারুক আহমেদের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গ্রামের বাড়িতে গাড়িটি পৌঁছালে সেখানেও স্বজনরা তাকে বরণ করে নেন। এই ব্যতিক্রমী বিদায়ে সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফারুক আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। আনন্দঘন এই আয়োজন দেখতে ফারুকের বাড়িতে ভিড় জমান স্থানীয়রাও।

জানা গেছে, ফারুক আহমেদ ১৯৮৬ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। প্রায় ৩৭ বছরে ডিএমপি, ঢাকা রেঞ্জ, পাবর্ত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন থানায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন করে শেষ কর্মস্থল এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকর্মীরা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কনস্টেবল ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমি কর্মজীবনের দীর্ঘ সময়ে অনেক থানায় দায়িত্ব পালন করেছি। শেষ কর্মস্থলের সহকর্মীরা বিদায়কালের এভাবে সম্মান দিবে কখনও ভাবিনি। আমার পরিবারসহ এই সম্মান পেয়ে আমি আবেগ আপ্লুত। আমি সহকর্মীদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।’

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘ফারুক আহমেদ গত ৯ মাস ধরে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। আজ তিনি অবসরে গেলেন। তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানোসহ ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পরে সুসজ্জিত গাড়িতে করে তিনিসহ তার স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রবীণ এই পুলিশ সদস্যের চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।’

প্রসঙ্গত, এরআগে গত ৩১ জুলাই জেলার সখীপুর থানার কনস্টেবল জাহিদ হাসানকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।  

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৩৬

রোহিঙ্গা বসতির কারণে বনভূমি ধ্বংস ও মানুষের নানা অত্যাচারে আবাসস্থল হারিয়ে কক্সবাজারে হ্রাস পেয়েছে বন্য হাতি। এসবের মধ্যে টেকনাফ পাহাড়ের গহীনে একটি বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের সুসংবাদ দিয়েছে দক্ষিণ বন বিভাগ। এ নিয়ে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি।

দক্ষিণ বন বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার (০২ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনে একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। এ নিয়ে গত এক বছরে বন বিভাগে বন্য হাতির বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টি।

টেকনাফের হোয়াইক্যং রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বলেন, ‘বনের ভেতর একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে দেখতে পেয়ে দায়িত্বরত সিপিজির সদস্যরা বন বিভাগকে জানান। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘সবকিছু প্রাকৃতিকভাবেই ঘটছে। মা হাতি ও বাচ্চা সুস্থ এবং স্বাভাবিক আছে। সিপিজি সদস্যদের মা ও বাচ্চা হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে।’

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, ‘২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে উখিয়া ও টেকনাফের অন্তত ১০ হাজার একর বনভূমি ধ্বংস করে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এ কারণে বনাঞ্চলে হাতিগুলোর পরিবেশ, আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। বন্য হাতির জীবন সংকটে পড়েছে। বন্ধ হয়ে যায় তাদের চলাচল। এসবের মধ্যে বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের খবর অত্যন্ত সুখকর। এই অবস্থায় হাতিদের যে আবাস্থল রয়েছে, তা নিরাপদ রাখতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তাসহ নানাভাবে হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শেখ নাজমুল হুদা বলেন, ‘হাতির আবাসস্থলের এসব এলাকায় আগের পরিবেশ ফিরে এসেছে। এখনও হাতির নিরাপদ আবাসস্থল জোন হিসেবে রয়েছে এসব বনাঞ্চল। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ এবং সহনীয় পরিবেশ রয়েছে বলে এখনও হাতিরা এসব এলাকায় বিচরণ করছে। সেই সঙ্গে বাচ্চা প্রসব করছে। এসব বন্য হাতিকে বিরক্ত করা যাবে না। যদি মানুষের কারণে অবাধ চলাফেরা করতে না পারে, তাহলে হাতিগুলো অন্যত্র চলে যেতে পারে। তাই বন বিভাগকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’  

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন বনাঞ্চলে গত এক বছরে এক বছর বয়সী  প্রায় ১৬টি বাচ্চা দেখা গেছে। হিমছড়ি, ধোয়াপালং, পানেরছড়া, ইনানী, হোয়াইক্যং, শীলখালী রেঞ্জের বনাঞ্চলে এসব বাচ্চা প্রসব করে মা হাতি। এসব হাতি এশিয়ান প্রজাতির।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, সর্বশেষ ২ আগস্ট দক্ষিণ বন বিভাগের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনের অভ্যন্তরে একটি হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। মা এবং বাচ্চা হাতি সুুুস্থ আছে। ২০১৭ সালের সর্বশেষ জরিপে কক্সবাজারের এই দক্ষিণ বনাঞ্চলে মোট এশিয়ান হাতির সংখ্যা ছিল ৬৩টি। এসব হাতি থেকে প্রজনন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সারাদেশে ২৬৮টি মহাবিপন্ন এশিয়ান হাতির দুই-তৃতীয়াংশের বাস কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। কিন্তু কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে রেললাইন, বিভিন্ন প্রকল্প, অবৈধ দখলসহ বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে হাতির আবাসস্থল উজাড়, চলাচলের করিডোর বাধাগ্রস্ত হয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছিল এসব হাতি। ফলে বাধ্য হয়ে খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দেওয়ায় বন্য হাতি ও মানুষের মধ্যে তিক্ততা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, ফসলরক্ষায় এসব হাতিকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ও গুলি করে হত্যার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে গত তিন বছরে কক্সবাজার দক্ষিণ ও উত্তর বনাঞ্চলে ১৮টি বন্য হাতির মৃত্যু হয়।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০১:২৪

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ সানি নামে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আরও তিন জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

সোমবার (০২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার গোলান্দাইল বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানি (১৮) গোলাকান্দাইল বিজয়নগর এলাকার মিল্লাত হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাকান্দাইল দক্ষিণপাড়া এলাকার মিছির আলীর ছেলে মাহফুজ ফেসবুকে সানিকে নিয়ে পোস্ট দেয়। এ নিয়ে দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। সোমবার রাত ৮টার দিকে সানি ও তার লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গোলাকান্দাইল বেড়িবাঁধ এলাকায় মাহফুজকে খুঁজতে যায়। এ সময় মাহফুজের দুই সহযোগীকে আটক করে তারা। খবর পেয়ে মাহফুজ ও তার লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সানি ও তার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। 

এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ লেগে যায়। এ সময় রামদা ও চাপাতি দিয়ে সানিকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। একই সঙ্গে হীরা ও সায়েমসহ আরও তিন জনকে কুপিয়ে আহত করে তারা। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন বলেন, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে দুই কিশোর গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

/এএম/

সম্পর্কিত

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

রাস্তায় ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা, ভিডিও করলেও এগিয়ে আসেনি কেউ

রাস্তায় ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা, ভিডিও করলেও এগিয়ে আসেনি কেউ

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কমনওয়েলথ সম্মেলনের প্রথম ভাষণে যা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

কমনওয়েলথ সম্মেলনের প্রথম ভাষণে যা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

চূড়ান্ত হলো  বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিচ্ছেদ

চূড়ান্ত হলো  বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিচ্ছেদ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহশিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

রাজনীতি ছাড়লেও এমপি পদ রাখবেন ভারতের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

রাজনীতি ছাড়লেও এমপি পদ রাখবেন ভারতের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

ভারতে ভুয়া ঘোষিত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতে ভুয়া ঘোষিত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়

পতনের মুখে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ প্রাদেশিক রাজধানী

পতনের মুখে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ প্রাদেশিক রাজধানী

নকল পুলিশের গাড়িতে আসল পুলিশের হানা 

নকল পুলিশের গাড়িতে আসল পুলিশের হানা 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

অক্সিজেন ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে অনুদানের ট্যাংক

অক্সিজেন ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে অনুদানের ট্যাংক

গণপরিবহনে পোশাক শ্রমিকদের চেয়ে সাধারণ যাত্রীই বেশি 

গণপরিবহনে পোশাক শ্রমিকদের চেয়ে সাধারণ যাত্রীই বেশি 

বগুড়ায় একদিনে ১৬ মৃত্যু

বগুড়ায় একদিনে ১৬ মৃত্যু

সিনহা হত্যার পর পুলিশের একটি ‘বন্দুকযুদ্ধ’

সিনহা হত্যার পর পুলিশের একটি ‘বন্দুকযুদ্ধ’

© 2021 Bangla Tribune