X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

মুনিয়ার মৃত্যু: দোষীদের বিচার দাবি

আপডেট : ২৬ মে ২০২১, ২০:৩৮

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের ভালোবাসায় মোসারাত জাহান মুনিয়া তার বোনকে প্রত্যাখ্যান করে চলে গিয়েছিল। তাই মুনিয়াকে নিয়ে বেশি কথা বলতে রাজি নন তার বোন নুসরাত। বুধবার (২৬ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মুনিয়ার বোন নুসরাত। এ সময় মুনিয়ার মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন তিনি। 

নুসরাত বলেন, ‘মুনিয়াকে আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু আমি তাকে নিয়ে কথা বলতে চাই না। আনভীরের ভালোবাসায় সে আমার ভালোবাসাকে প্রত্যাখ্যান করে চলে গেছে।’

বাড়ি ভাড়া করতে দিয়েছেন কেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু কাজে আমি তার জেদের কাছে পরাজিত হয়েছিলাম। ‘২৬ এপ্রিল সকালে সে আমাকে ফোন করে বলেছে আনভীর তাকে নানারকম অপবাদ দিচ্ছে। আমি জানতে চাইলাম কী অপবাদ? সে বললো আজকে আমি তোমাকে সব বলে দেবো। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি অনেক ভুল করেছি। আনভীর আমাকে অনেক ধোঁকা দিয়েছে। এরপর সে অনেক চিৎকার করেছে। কান্নাকাটি করেছে।’

অপবাদ প্রসঙ্গে নুসরাতের ভাষ্য, ‘মুনিয়া নাকি আনভীরের শত্রু শারুনের সঙ্গে যুক্ত। আমি জানতে চাইলাম শারুন কে? মুনিয়া বললো, তুমি এলে আমি সব বলবো।’

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদি হাসান বলেন, ‘আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে সাধারণত কোনও এজাহার হলেই পুলিশ উচ্চ অভিযোগকৃত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়। সন্দেহভাজন অনেককেই গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করে। মুনিয়া হত্যা মামলার ক্ষেত্রে প্রধান আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মনে সংশয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে কি আমরা বুঝে নেবো প্রশাসন তাদের হাতে জিম্মি?’

তিনি আরও বলেন, “এটা হত্যাকাণ্ড না আত্মহত্যা এটা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। মৃত্যুর আগে শারমিন সাহেদ ও মুনিয়ার বড় বোন তানিয়ার ফোনালাপে মুনিয়ার মৃত্যুর আশঙ্কায় উদ্বেগ, লাশ উদ্ধারের সময় রুমের দরজায় অবস্থান, লাশের অবস্থান, রুমের পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও মুনিয়ার লিখিত ডায়েরিসহ বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনায় অবস্থাদৃষ্টে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনও বলয়ের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করলে মুনিয়া হত্যার প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আমরা মনে করি। আনভীর দেশে না বিদেশে তা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি ও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ‘মুনিয়া হত্যায়’ ন্যায়বিচার আদৌ হবে কিনা তা নিয়েও আমরা শঙ্কিত।”

এ সময় কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা না হলে বসুন্ধরা গ্রুপ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ও সর্ব পর্যায়ের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যৌক্তিক দাবি আদায়ে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম কমান্ডের যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুল্লাহ মেজবাহ প্রমুখ।

/এসও/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মুনিয়া হত্যা মামলা: এজাহারে যা আছে

মুনিয়া হত্যা মামলা: এজাহারে যা আছে

মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা: বসুন্ধরার এমডিকে পুলিশের অব্যাহতি

মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা: বসুন্ধরার এমডিকে পুলিশের অব্যাহতি

মুনিয়া মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবির মানববন্ধন পণ্ড

মুনিয়া মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবির মানববন্ধন পণ্ড

‘আত্মহত্যা’র দিন সকালে যশোর যেতে চেয়েছিলেন মুনিয়া

‘আত্মহত্যা’র দিন সকালে যশোর যেতে চেয়েছিলেন মুনিয়া

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪৭

‘২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ইভ্যালির দায় ছিল ৪০৩ কোটি টাকা, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ ছিল ৬৫ কোটি টাকা’- বিভিন্ন সংস্থায় প্রকাশিত এই বিপুল পরিমাণ দেনার বিষয়ে র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও সিইও মোহাম্মদ রাসেল কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। বরং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ দেনার পরিমাণ আরও বেশি; ‘প্রায় হাজার কোটি টাকা’ বলে র‌্যাবকে জানিয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। 

তিনি জানান, রাসেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন- বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বর্তমানে ইভ্যালির প্রায় ৩০ লাখ টাকা রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি গেটওয়েতে ৩০-৩৫ কোটি টাকা আটকে আছে, যেগুলো গ্রাহকের টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির দেনার বিষয়ে রাসেল কোনও সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানিটির আরও বহু দেনার কথা জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আমাদের প্রায় হাজার কোটি টাকা দেনার কথা জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃত রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা

ইভ্যালি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একটি লোকসানি কোম্পানি উল্লেখ করে খন্দকার আল মঈন বলেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে এখন পর্যন্ত কোনও ব্যবসায়িক লাভ রাসেল করতে পারেননি। গ্রাহকের অর্থ দিয়েই তিনি তার যাবতীয় ব্যয়, বেতন, নিজস্ব খরচ নির্বাহ করতেন। ক্রমে ক্রমে তার দেনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন পদাধিকারবলে ইভ্যালি থেকে মাসে ৫ লাখ টাকা করে বেতন নিতেন বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা। এছাড়া তারা কোম্পানির টাকায় অডি ও রেঞ্জ রোভার দুটি দামি গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করেন।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৯

অস্বাভাবিক সব অফার দিয়ে দেশে ‘ভেলকি’ সৃষ্টি করেছিল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। আর এর ফলে দায় বেড়ে খাদের কিনারায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার করে ঠিক সময় পণ্য না পেয়ে মামলাও করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক। গ্রেফতার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল বলছেন, প্রথমত তিনি একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তি সময়ে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা দেশের বড় কোনও প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল তার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সম্পর্কে এমন তথ্য র‌্যাবকে জানিয়েছেন বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

তিনি জানান, মোহাম্মদ রাসেল ‘জেনে-শুনেই’ এই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন।

এছাড়াও ইভ্যালিকে শেয়ার মার্কেটেও অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ছিল মোহাম্মদ রাসেলের। খন্দকার আল মঈন জানান, প্রতিষ্ঠানটির বয়স তিন বছর অতিবাহিত হলে তিনি শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত হতেন- এমনটাই প্রচেষ্টা ছিল তার। সম্প্রতি ইভ্যালি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে প্রায়শই ফেসবুক লাইভে এসে গ্রাহকের কাছে সময় চাইতেন মোহাম্মদ রাসেল। এটা তার সময়ক্ষেপণের একটা ‘অপকৌশল’ ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, রাসেল ২০০৭ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ সালে ব্যাংকিং সেক্টরে চাকরি শুরু করেন। প্রায় ৬ বছর চাকরির পর ২০১৭ সালে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি প্রায় এক বছর শিশুদের ব্যবহার্য একটি আইটেম নিয়ে ব্যবসা করেন এবং পরে তিনি ওই ব্যবসা বিক্রি করে দেন। ২০১৮ সালে আগের ব্যবসালব্ধ অর্থ দিয়ে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু হয়। কোম্পানিতে তিনি সিইও এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আরও বলেন, ইভ্যালির অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়াকৃত স্পেসে ধানমন্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাস্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়াকৃত স্থান আমিন বাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউজ চালু করা হয়। কোম্পানিতে শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার স্টাফ ছিল। সেই সঙ্গে প্রায় ১৭০০ অস্থায়ী কর্মচারীও ছিল। যা বর্তমানে ১৩০০ জন স্টাফ এবং প্রায় ৫০০ জন অস্থায়ী কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রথমদিকে কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাবদ ইভ্যালির খরচ হতো প্রায় ৫ কোটি টাকার বেশি, যা বর্তমানে দেড় কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গত জুন থেকে অনেকের বেতন দিতে সক্ষম হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল 
ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?
ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৩

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ব্যবসা বাড়াতে তিনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আইটেম নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি তার এই ইভ্যালির মাধ্যমে মোবাইল সেট, টিভি, ফ্রিজ, এসি, মোটরবাইক এমনকি গাড়িও বিক্রি করেছেন। মূল্যছাড়ের অফারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি বিশাল আকারের লাইবেলিটিজ তৈরি হয়।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’ 

গ্রেফতারকৃত রাসেল ‘জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছেন’ বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বিদেশি একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে লোভনীয় অফারের আলোকে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৯

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে (এবিটি) সক্রিয় থাকার অভিযোগে ময়মনসিংহ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন চেচুয়া বাজারস্থ কালীবাড়ি মসজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত সদস্যরা হলেন মো. কাওসার আহাম্মেদ মিলন (৩০) এবং জাহিদ মোস্তফা (২০)। এসময় তাদের কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, চারটি সিম কার্ড, সাতটি উগ্রপন্থী বইয়ের সফটকপি ও প্রিন্টেট হার্ড কপি জব্দ করার কথা জানিয়েছে এটিইউ। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব বইয়ের মধ্যে আল বালাগ, তিতুমীর মিডিয়া, সাহম আল হিন্দ মিডিয়া, জসীমউদ্দিন রহমানী ও আনোয়ার আল আওলাকীর বই রয়েছে। এছাড়া ফেসবুক ও মেসেঞ্জার থেকে তাদের সংগঠনের উগ্রবাদী কার্যক্রম ও বই বিক্রি সংক্রান্ত ৩৪ পাতা স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস শাখার পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি মো. কাওসার আহাম্মেদ ও জাহিদ মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আল রিহাব পাবলিকেশন ও অনলাইনে আশ শাবাব প্রকাশনী হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’-এর প্রধান মুফতি জসীমুদ্দিন রহমানিসহ অন্যান্য উগ্রবাদী লেখকের উগ্রপন্থী বই অনলাইনে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করতেন। সরকার ও রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে ত্রাস, ভীতি ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা, গোপনে অনলাইন এবং অফলাইনে উগ্রবাদী ও জিহাদী বই বিক্রির ও জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কার্যক্রম পরিচালনা ও ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আরও অজ্ঞাতনামা দুই-তিন জনকে নিয়ে আলোচনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত কাওসার আহম্মেদ ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম' এর মতাদর্শ প্রচারকারী বই সংগ্রহ করে বিক্রি ও সরবরাহের কাজে নয় বছর ধরে জড়িত। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি জাহিদ মোস্তফা তাকে এই কাজে দুই বছর ধরে সহযোগিতা করে আসছিলো। আসামিরা চেচুয়া বাজারে বইয়ের দোকানের আড়ালে একাধিক ফেইক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সারা দেশে এবিটি সদস্যদের কাছে উগ্র মতাদর্শের বই বিক্রি করে আসছিলো। মুক্তাগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৪

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে একদিনে আরও ৭৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে আজ  শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ সকালে ডিএমপি মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়েরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত এই ৭৮ জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৯৫ গ্রাম ৬৫০ পুরিয়া হেরোইন, ২৬ কেজি ৮০ গ্রাম ১৩০ পুরিয়া গাঁজা, ৭৫ বোতল ফেন্সিডিল, ১০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ১৫ হাজার ৫৬১ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মুনিয়া হত্যা মামলা: এজাহারে যা আছে

মুনিয়া হত্যা মামলা: এজাহারে যা আছে

মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা: বসুন্ধরার এমডিকে পুলিশের অব্যাহতি

মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা: বসুন্ধরার এমডিকে পুলিশের অব্যাহতি

মুনিয়া মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবির মানববন্ধন পণ্ড

মুনিয়া মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবির মানববন্ধন পণ্ড

‘আত্মহত্যা’র দিন সকালে যশোর যেতে চেয়েছিলেন মুনিয়া

‘আত্মহত্যা’র দিন সকালে যশোর যেতে চেয়েছিলেন মুনিয়া

মুনিয়ার মৃত্যু: নিরপেক্ষ তদন্ত চায় মহিলা আইনজীবী সমিতি

মুনিয়ার মৃত্যু: নিরপেক্ষ তদন্ত চায় মহিলা আইনজীবী সমিতি

মুনিয়া-আনভীরের কল রেকর্ডের ফরেনসিক চেয়ে আইনি নোটিশ

মুনিয়া-আনভীরের কল রেকর্ডের ফরেনসিক চেয়ে আইনি নোটিশ

হত্যা মামলার আবেদন নিয়ে মুনিয়ার ভাই-বোনের ভিন্ন অবস্থান

হত্যা মামলার আবেদন নিয়ে মুনিয়ার ভাই-বোনের ভিন্ন অবস্থান

মুনিয়ার বাসায় আনভীরের যাতায়াতের তথ্য পেয়েছে পুলিশ

সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণমুনিয়ার বাসায় আনভীরের যাতায়াতের তথ্য পেয়েছে পুলিশ

হুইপপুত্র শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়ার ভাইয়ের মামলার আবেদন

হুইপপুত্র শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়ার ভাইয়ের মামলার আবেদন

নিরাপত্তা চেয়ে জিডি ‍মুনিয়ার বোনের

নিরাপত্তা চেয়ে জিডি ‍মুনিয়ার বোনের

সর্বশেষ

স্কুল মাঠ দখল করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ধান চাষ  

স্কুল মাঠ দখল করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ধান চাষ  

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় ‘পীর’ গ্রেফতার

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় ‘পীর’ গ্রেফতার

ড্রেনে পড়েছিল ২ যুবকের লাশ

ড্রেনে পড়েছিল ২ যুবকের লাশ

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন বদলের কথা অস্বীকার করলেন আইএমএফ প্রধান

প্রতিবেদন বদলানোর কথা অস্বীকার করলেন আইএমএফ প্রধান

© 2021 Bangla Tribune