X
রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

হামাসের যে রহস্যময় নেতাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইসরায়েল

আপডেট : ০১ জুন ২০২১, ১০:১৯

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের একজন প্রভাবশালী একজন নেতা সম্প্রতি ইসরায়েলকে অশুভ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তার অস্পষ্ট এক অডিও রেকর্ডিংয়ে বলা হয়েছিল, হামাসের দাবি মানা না হলে ইসরায়েলকে ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে। এই অডিও রেকর্ডিংটি ছিল হামাসের সামরিক শাখার নেতা মোহাম্মদ দেফ, কোনওভাবেই যার নাগাল পাচ্ছে না দখলদার বাহিনী।

ইসরায়েলের ফেরারি তালিকায় মোহাম্মদ দেফের নাম সবার ওপরে। গত সাত বছরের মধ্যে এই প্রথম তার কোনও কথা শোনা গেছে।

মোহাম্মদ দেফের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারিকে ইসরায়েল পাত্তা দেয়নি। এরপর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় টানা ১১ দিন ধরে নারকীয় তাণ্ডব চালায় দখলদার বাহিনী। হত্যা করা হয় অন্তত ২৫৩ ফিলিস্তিনিকে। নিহতদের মধ্যে ৬৬ শিশুও রয়েছে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বহু স্থাপনা। পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে চার হাজারেরও বেশি রকেট নিক্ষেপ করে হামাস। এতে ইসরায়েলের এক সেনাসদস্যসহ ১৩ জন নিহত হয়। ১১ দিনের সংঘাতের পর এক পর্যায়ে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় উভয় পক্ষ। এ যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দাবি করে হামাস। ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে রাজপথে নেমে আসে গাজাবাসী।

জাতিসংঘ বলছে, গাজায় নিহতদের মধ্যে ১২৯ জনই বেসামরিক মানুষ। তবে ইসরায়েলের দাবি, নিহতদের মধ্যে ২০০ জনই ছিল ‘জঙ্গি’। গাজার হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার অবশ্য জানিয়েছেন, তাদের ৮০ জন যোদ্ধা শহীদ হয়েছেন।

ইসরায়েল এই লড়াইয়ের সময় মোহাম্মদ দেফকেও হত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু তাদের সে চেষ্টা বিফলে যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র হিডাই যিলবারম্যান নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘এই পুরো অভিযান চলার সময় আমরা মোহাম্মদ দেফকে হত্যার চেষ্টা করেছি।’

আইডিএফের কর্মকর্তারা বিবিসি-র কাছে নিশ্চিত করেছেন যে, মোহাম্মদ দেফকে হত্যার জন্য অন্তত দুইটি চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু এবারও তাদের যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। মোহাম্মদ দেফ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। বলা হচ্ছে, গত দুই দশকে ইসরায়েল এ নিয়ে মোহাম্মদ দেফকে হত্যার জন্য অন্তত সাত বার বিফল চেষ্টা চালিয়েছে।

মোহাম্মদ দেফকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ইঁদুর-বেড়াল খেলা নিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হতাশ। সর্বশেষ লড়াইয়ের সময়েও তাদের লক্ষ্য ছিল হামাসের সব শীর্ষ সামরিক অধিনায়ককে হত্যা করা। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ম্যাথিউ লেভিট বলেন, ‘এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, হামাসের সামরিক সক্ষমতার পেছনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাদের একটা তালিকা ইসরায়েলের কাছে আছে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন মোহাম্মদ দেফ।’

‘গাজার অতিথি’

মোহাম্মদ দেফ সম্পর্কে যতটুকু জানা যায়, সেটি মূলত ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে। এসব রিপোর্ট অনুসারে, তার জন্ম ১৯৬৫ সালে গাজার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে। গাজা তখন মিসরের দখলে। জন্মের সময় তার নাম রাখা হয়েছিল মোহাম্মদ ডিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি। কিন্তু ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে বাঁচতে তাকে যেভাবে সারাক্ষণ যাযাবরের মতো জীবনযাপন করতে হয়, পরে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেন 'দেফ' নামে, আরবিতে যার অর্থ 'অতিথি।'

বহু দশক ধরে চলতে থাকা প্যালেস্টাইন-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে কীভাবে তিনি বেড়ে উঠেছেন, সে সম্পর্কেও জানা যায় খুব কম। হামাস যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন মোহাম্মদ দেফ একজন তরুণ। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি হামাসে যোগ দেন। হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চায়। দলটির সামরিক শাখা 'ইজেদিন আল-কাসেম ব্রিগেড'-এ মোহাম্মদ দেফ বেশ দ্রুত ওপরের দিকে উঠতে থাকেন। তিনি বেশ বিখ্যাত হয়ে উঠেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের সন্ত্রাসবাদবিরোধী একজন উপদেষ্টা মিস্টার লেভিট। তিনি বলেন, ‘তাকে বেশ কট্টরপন্থী হামাস কর্মকর্তা বলেই মনে করা হয়।’ তিনি জানান, মোহাম্মদ দেফ হামাসের খুব কট্টরপন্থী কিছু অধিনায়কের বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এদের একজন হচ্ছেন ইয়েহিয়া আইয়াশ। তিনি ছিলেন বেশ দক্ষ বোমা প্রস্তুতকারক, তাকে লোকে চিনতো 'ইঞ্জিনিয়ার' নামে। ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে ইসরায়েলে যাত্রীবাহী বাসে অনেকগুলো বোমা হামলার জন্য আইয়াশকে দায়ী করা হয়। ১৯৯৬ সালে ইসরায়েল তাকে হত্যা করে। কিন্তু এর ঠিক পরেই ইসরায়েলে বাসে আরও অনেকগুলো বোমা হামলা হয়। মোহাম্মদ দেফ ছিলেন আইয়াশের শিষ্য। অভিযোগ উঠে, প্রতিশোধ হিসেবে তিনিই এসব হামলা পরিচালনা করেছেন।

এই ঘটনার পর মোহাম্মদ দেফ হামাসের সামরিক শাখায় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। ২০০২ সালে দলটির সামরিক শাখার প্রতিষ্ঠাতা সালাহউদ্দীন শেহাদেহকে হত্যার পর নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।

হামাসের যে বিখ্যাত 'কাসাম রকেট', সেটির পরিকল্পনা এবং তৈরির কৃতিত্ব দেওয়া হয় মোহাম্মদ দেফকে। গাজার ভূগর্ভে যেসব টানেল খনন করা হয়েছে, সেগুলোও নাকি মোহাম্মদ দেফের পরিকল্পনা। তিনি নাকি বেশিরভাগ সময় এসব টানেলের মধ্যে কাটান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চোখ এড়িয়ে এখান থেকেই তিনি হামাসের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

নয় বার প্রাণে বেঁচে গেছেন যেভাবে

ইসরায়েলি নজরদারিকে ফাঁকি দেওয়ার ওপরই যেন নির্ভর করে মোহাম্মদ দেফের জীবন। ২০০০ সালের পরবর্তী কয়েক বছরে তাকে হত্যার জন্য ইসরায়েলিরা চার দফা চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে কয়েকটি হামলায় তিনি আহত হলেও পালাতে সক্ষম হন। ইসরায়েলি রিপোর্ট অনুযায়ী, তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শরীরের কয়েকটি অংশ উড়ে গেছে।

২০০৬ সালে ইসরায়েলের হামলায় মোহাম্মদ দেফ যে গুরুতর আহত হয়েছেন সেটা নিশ্চিত করেছেন আইডিএফের এক সাবেক গোয়েন্দা প্রধান। তিনি বিবিসিকে বলেছিলেন, ‘লোকে ভেবেছিল মোহাম্মদ দেফ আর নেতা হিসেবে বা একজন সামরিক পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন না। কিন্তু খুব দ্রুতই তিনি সেরে উঠেন।’

ইসরায়েলের এসব হামলা ব্যর্থ হওয়ার পর মোহাম্মদ দেফের খ্যাতি আরও বেড়ে যায়। তাকে তার শত্রুপক্ষ বর্ণনা করতে থাকে 'নয়বারের জীবন পাওয়া বিড়াল' হিসেবে। ২০১৪ সালে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় তার ওপর পঞ্চম হামলাটি চালানো হয়। গাজার শেখ রাদওয়ান এলাকায় একটি বাড়ির ওপর ইসরায়েলিরা বিমান হামলা চালায়। হামলায় মোহাম্মদ দেফের স্ত্রী উইদাদ এবং তাদের শিশুপুত্র আলি নিহত হয়। ইসরায়েলিরা ভেবেছিল, তারা মোহাম্মদ দেফকেও হত্যা করতে পেরেছিল। কিন্তু তিনি আসলে তখন সেই বাড়িতে ছিলেন না।

ওই হামলার পরপরই হামাস জানিয়েছিল, মোহাম্মদ দেফ এখনও বেঁচে আছেন এবং তিনিই হামাসের সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোহাম্মদ দেফ যে বারবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে ফাঁকি দিতে পারছেন তার কারণ তিনি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার একেবারেই এড়িয়ে চলেন। মিস্টার লেভিট বলেন, ‘যদি আপনি ফোন ব্যবহার না করেন, কম্পিউটার ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনি কোথায় আছেন, সেই ধারণা পাওয়া আধুনিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য খুব কঠিন হবে।’ ইসরায়েলের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বলছেন, মোহাম্মদ দেফকে হত্যার চেষ্টা যে ব্যর্থ হচ্ছে তার অনেক কারণ আছে। হামাসের টানেলগুলো যে রকম গভীর এবং বিস্তৃত এবং তার সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য এতো পুরনো, সেটা তাকে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করছে। এছাড়া কিছু হত্যা প্রচেষ্টার সময় অস্ত্র ঠিকমতো কাজ করেনি।

অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার একদিন আগে হামাসের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছিলেন, গাজায় লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদ দেফ। আর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, মোহাম্মদ দেফের ব্যাপারে তাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে এসব মিশন যেহেতু বেশ গোপনীয়, তাই তারা এর বেশি তথ্য দিতে পারছেন না।

ম্যাথিউ লেভিট বলেন, মোহাম্মদ দেফকে নিয়ে ইসরায়েল যে এতো বেশি মাথা ঘামাচ্ছে, সেটা তাকে অবাক করছে না। কিন্তু যেভাবে তিনি বার বার হত্যা প্রচেষ্টা থেকে বেঁচে যাচ্ছেন, সেটা তাকে ঘিরে রহস্য আরও বাড়াবে। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল তার শেষ দেখতে আগ্রহী, কারণ তিনি হামাসের পুরনো ধারার একজন। দলটির একেবারে শুরু থেকে যারা ছিলেন, তাদের গুটিকয় এখনও আছেন। তিনি সেই অল্প কয়েকজনের একজন। সেদিক থেকে মোহাম্মদ দেফ অনন্য।’

মোহাম্মদ দেফের জীবন নিয়ে রহস্য অনেক। গাজার রাস্তায় পর্যন্ত তাকে দেখে চিনতে পারবেন খুব কম সংখ্যক মানুষ। কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করা হলো, তখন কিছু ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ দেফের নাম ধরে স্লোগান দেয়। গাজার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা উদযাপনকালে তারা বলছিলেন, ‘দেফ, আমাদের আত্মা এবং আমাদের রক্ত দিয়েই আমরা তোমাকে মুক্ত করবো।’ সূত্র: বিবিসি বাংলা।

/এমপি/

সম্পর্কিত

সাড়ে ১৩ হাজার তালেবান সদস্যকে হত্যার দাবি আফগান সরকারের

সাড়ে ১৩ হাজার তালেবান সদস্যকে হত্যার দাবি আফগান সরকারের

গুরুত্বপূর্ণ তিন শহরের দখল নিতে তালেবানের তীব্র লড়াই

গুরুত্বপূর্ণ তিন শহরের দখল নিতে তালেবানের তীব্র লড়াই

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

১০০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরে বিয়ের পিঁড়িতে কনে (ভিডিও)

১০০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরে বিয়ের পিঁড়িতে কনে (ভিডিও)

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৭:৫২

প্রিন্সেস ডায়ানা ও যুবরাজ চার্লসের বিয়ের এক টুকরো কেক নিলাম উঠছে। ৪০ বছরের পুরনো সেই কেকের টুকরো আগামী ১১ আগস্ট নিলাম হবে, এমন খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর।

বিখ্যাত সেই রাজকীয় বিয়েতে হাতে সাদা গোলাপ-টিউলিপের তোড়া আর সাদা প্রিন্সেস গাউন, মাথায় স্পেনসার টিয়ারা পরে পরীর সাজে সেন্ট পলস ক্যাথিড্রালে এসেছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। প্রিন্সেসের মৃত্যুর পরও সেই দৃশ্য আজও রঙিন।

১৯৮১ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ হন রাজকুমারী ডায়ানা। প্রায় ৪০ বছর আগে তাদের বিবাহ উপলক্ষে ব্রিটেনের রাজবাড়িতে মোট ২৩টি কেক কাটা হয়েছিল। কেকের এক টুকরো যত্নে রেখে দেন রানির কর্মচারী মোয়রা স্মিথ। সেই টুকরোটিই আগামী ১১ আগস্ট নিলামে তুলতে যাচ্ছে নিলাম সংস্থা ডমিনিক উইন্টার। ৩০০ থেকে ৫০০ পাউন্ডে বিক্রির আশা করছে সংস্থাটি।

৪০ বছর আগের কেক-এর টুকরো

মজার বিষয় হচ্ছে, কেকের টুকরো তখন যেভাবে স্লাইস করে কাটা হয়েছিল ঠিক সেরকমই আছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এসেছে, মোয়রা শুধু ওই টুকরোটি যত্নে নিজের কাছে রেখে দেন ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরে একজন স্লাইসটি তার থেকে চেয়ে নিজের বাড়িতে রাখেন। পরবর্তীতে নিলাম প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ হয়।

/এলকে/

সম্পর্কিত

টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রিন্সেস ডায়ানার মূর্তি উন্মোচনে একত্রিত হলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

প্রিন্সেস ডায়ানার মূর্তি উন্মোচনে একত্রিত হলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

নিলামে বিক্রি হলো প্রিন্সেস ডায়ানার গাড়ি

নিলামে বিক্রি হলো প্রিন্সেস ডায়ানার গাড়ি

ব্রিটেনে বাড়ছে স্থূল মানুষ, জাঙ্ক ফুড বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ

ব্রিটেনে বাড়ছে স্থূল মানুষ, জাঙ্ক ফুড বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৬:৪০

টানা তিন ধরে দাবানলে জ্বলছে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশ। দমকা বাতাস আগুনের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুনে বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত পশু-পাখিও মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির পাঁচটি প্রদেশ ‘দুর্যোগ অঞ্চল’ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া দাবানলে পুড়ে গেছে অনেক ঘর-বাড়ি ও বনভূমি। তবে দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টায় শনিবার পর্যন্ত ৮৮ জায়গার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। দাবানলের ভয়াবহতা থামাতে লড়ছে দেশটির বিভিন্ন জরুরি সংস্থার কর্মীরা। কিছু জায়গার পরিস্থিতি উন্নতি হলেও পুরোপুরি নিন্ত্রেণ আনা যায়নি।

কৃষি ও বনমন্ত্রী বেকির পাকদেমিরলি শনিবার টুইট করেন, এন্টালিয়ার জনপ্রিয় পর্যটক অঞ্চলে তিনটি স্থানের আগুন এখনো সক্রিয় রয়েছে। 

তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে আগুন বিশেষভাবে গুরুতর ছিল। সেখানে প্রবল বাতাস অগ্নি নির্বাপণে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে অনেক অঞ্চল এবং হোটেল খালি করা হয়েছে। পর্যটকদের নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। এদিেক বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত অনেক পশু-পাখি আগুন পুড়ে মারা গেছে। এ সংখ্যা কত এখনও জানা যায়নি।

পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, দাবানলে আমাদের যে মানুষগুলো আহত এবং মৃত্যু হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’।

তুরস্কের ভূম্যধ্যসাগরের উপকূলীয় পাঁচ প্রদেশে দুর্যোগ অঞ্চল ঘোষণা করেন তিনি। দাবানল নিয়ন্ত্রণে ৪৫টি হেলিকপ্টার, ৫৫টি ভারী যানবাহন এবং এক হাজার ৮০টি জলযান কাজ করছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৫:৪৭

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ- এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটি বলছে গত ছয় মাস ধরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আন্দোলনে দমন পীড়ন চালিয়ে আসছে নিরাপত্তা বাহিনী। যা স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।

গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ামারের সু চি সরকারের কাছ থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে নেয় সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে সু চিসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে বন্দি করে। প্রতিবাদে গত ৬ মাস ধরে মিয়ানমারের রাজধানী ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করে আসছেন সাধারণ মানুষ। চলমান আন্দোলন প্রথম থেকেই দমানোর চেষ্টা করে আসছে জান্তা। গণতন্ত্রের দাবি আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামলেই চালানো হচ্ছে নির্যাতন।

এমন পরিস্থিতিকে মানবতাবিরোধী অপরাধ অ্যাখায়িত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। নিউইয়র্ক-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, সামরিক অভুত্থানের বিরুদ্ধে যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। বিরোধীদের গ্রেফতার, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে।

সংগঠনটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডাস বলেন, নাগরিকের ওপর এ ধরনের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।

এদিকে, শনিবারও মান্দালয়ের মোটরবাইকে চড়ে লাল ও সবুজ পতাকা উড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলে নেওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীল গুলিতে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৬ হাজারের বেশি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৪:৩২

উচ্ছেদের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ লাখের বেশি বাসিন্দা। করোনা মহামারিতে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় ভাড়াটে উচ্ছেদ স্থগিতাদেশ স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। ফলে ঘর ছাড়ার ঝুঁকিতে বহু মানুষ।

করোনা মহামারিতে গত বছরের মার্চ থেকে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদের সব প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। করোনায় দুর্দশায় পড়া ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু ভাড়াটে উচ্ছেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগস্টেই বাসা ছাড়তে হবে তাদের।

স্থগিতাদেশ আগামী মধ্য অক্টোবরের পর্যন্ত বাড়ানোর দাবিতে ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল সদস্য কোরি বুশ, আয়ানা প্রেসলি এবং ইলহান ওমর শুক্র থেকে শনিবার ক্যাপিটলের বাইরে অবস্থান করেন।

কোরি বুশ টুইটারে লিখেন, আমরা সিনেট এবং হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করছি। সুতরাং মানুষকে অবশ্যই তাদের বাড়িতে রাখা উচিত। এ বিষয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করতে মার্কিন নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি পরিষধের স্পীকার ন্যান্সি পেলোসিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে সেনেটের ডেমোক্র্যাট শীর্ষ নেতা চাক শুমার প্রতিও আহ্বান জানান। 

ইলান ওমর টুইটে উল্লেখ করেন, ‘অনেক মানুষ ঘর ছাড়ার ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। আমরা তাদের জন্য আছি’।

এর আগে নির্দিষ্ট আইনি প্রস্তাব ছাড়া ভাড়া পরিশোধ করতে না পারা লোকজনকে উচ্ছেদের মেয়াদ আর বর্ধিত না করার কথা জানান মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এমন নির্দেশনার পর উচ্ছেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বর্ধিতের সুযোগ নেই। ফলে কংগ্রেসকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাইয়ের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত কয়েক বহু লোকের ঘরভাড়া বাকি পড়েছে। এই হিসাবে তালিকাভুক্ত ভাড়াটেদের শুধু ধরা হয়েছে। তালিকার বাইরেও রয়েছেন অনেকে। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০২:৩৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন ফরাসিরা। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারের ভাইরাস পাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান লাখ লাখ মানুষ। শনিবারের বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের।

করোনার সংক্রমণ রোধে আগামী ৯ আগস্ট থেকে নতুন আইন জারি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সে। এই আইন অনুসারে যদি কেউ কফি শপ বা রেস্তোরাঁয় যেতে চান, তবে তার অ্যান্টিকরোনাভাইরাস পাশ থাকতে হবে। এ ছাড়া বিমানে ভ্রমণ বা আন্তঃনগর ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে লাগবে এ পাশ। তবে দুই ডোজ টিকা নিলেই পাবেন। কিন্তু এখনও বহু নাগরিক টিকা না পাওয়ায় সরকারের এমন কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শনিবার টানা তৃতীয় সপ্তাহের বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারী।

এ দিনের আন্দোলন গত সপ্তাহের তুলনায় সহিংস রূপ নেয়। রাজধানী প্যারিসের শঁজ এলিজে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ দেখান। ফলে রাজধানী জুড়ে তিন হাজারের মতো নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে নিরাপত্তা সদস্যরা। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন তারা। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামনেও অবস্থান করেন বিক্ষুব্ধরা।

খবরে বলা হয়েছে, অ্যান্টি ভ্যাকসিন পাশ বিরোধী বিক্ষোভে ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় দুই লাখের মতো মানুষ রাস্তায় নামেন। এর মধ্যে ১৪ হাজারের বেশি অবস্থান করেন প্যারিসে। ফ্রান্সে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

সর্বশেষ

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

আজ বন্ধু দিবসঘরে বসেই দেদার আড্ডা

কেন বারবার একই ভুল

কেন বারবার একই ভুল

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

ফের বাবা হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ফের বাবা হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সাড়ে ১৩ হাজার তালেবান সদস্যকে হত্যার দাবি আফগান সরকারের

সাড়ে ১৩ হাজার তালেবান সদস্যকে হত্যার দাবি আফগান সরকারের

গুরুত্বপূর্ণ তিন শহরের দখল নিতে তালেবানের তীব্র লড়াই

গুরুত্বপূর্ণ তিন শহরের দখল নিতে তালেবানের তীব্র লড়াই

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

১০০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরে বিয়ের পিঁড়িতে কনে (ভিডিও)

১০০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরে বিয়ের পিঁড়িতে কনে (ভিডিও)

আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর মিজোরাম পুলিশের

আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর মিজোরাম পুলিশের

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

© 2021 Bangla Tribune