X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রধান ভূমিকা নেবে তুরস্ক: বাইডেন প্রশাসন

আপডেট : ১৮ জুন ২০২১, ১৯:১১

ন্যাটো বাহিনীর আফগানিস্তান ত্যাগের পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রধান ভূমিকা নেবে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে বাইডেন প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

জেক সুলিভান সাংবাদিকদের জানান, সোমবার বাইডেন-এরদোয়ান বৈঠকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে কথা হয়েছে দুই নেতার। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশটি থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহারের আগেই আফগানিস্তানে টার্কিশ মিশন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন দুই নেতা।

তিনি বলেন, এরদোয়ান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাদের কিছু সহায়তা প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও এসব সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উভয়েই তাদের টিমকে এ ব্যাপারে বিশদভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় তুরস্ক মুখ্য ভূমিকা নেবে; এ ব্যাপারে দুই নেতার অবস্থান স্পষ্ট। এখন বিষয়টি কীভাব কার্যকর করা যায়; সে ব্যাপারে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

সোমবার ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকের পর বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তানে তুর্কি মিশনে পাকিস্তান ও হাঙ্গেরির সম্পৃক্ততা চায় তুরস্ক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তুর্কি কর্মকর্তা বলেন, তুরস্ককে যদি আফগানিস্তানে থাকতে হয় তাহলে তারা কীসের ভিত্তিতে সেখানে থাকবে? ন্যাটো জোটের অধীনে কিংবা দ্বিপক্ষীয় শর্তে? যদি এটি ন্যাটোর পৃষ্ঠপোষকতায় হয় তাহলে তারা কার কর্তৃত্বে সেখানে থাকবে? ওই কর্মকর্তা বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো আফগানিস্তানে তুরস্কের উপস্থিতি দেখতে চায়। তারা কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা চায়।

তিনি জানান, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সম্ভাব্য সব দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। ওয়াশিংটন কিছু বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা এবং ভূমধ্যসাগরে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান নিয়ে বিরোধের পর থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আঙ্কারার সম্পর্কে কিছুটা ফাটল দেখা দিয়েছে। এখন কাবুল বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব পেলে পশ্চিমাদের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের উন্নতি ঘটতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, তারা তুরস্কের প্রস্তাবকে স্বাগত জানাচ্ছেন। কিন্তু এই কাজের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অনেক কিছু চাইছে আঙ্কারা।

এদিকে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা করতে তুরস্ক যে প্রস্তাব দিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তালেবান। তালেবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন বলেছেন, ২০২০ সালের স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে তুরস্কের উচিত নিজেদের সেনাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা। রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তালেবানের মতামত জানতে চাইলে দোহাভিত্তিক এক মুখপাত্র জানান, ২০ বছর ধরে তুরস্ক ন্যাটোর অংশ ছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী তুর্কি সেনাদের আফগানিস্তান ছাড়তে হবে।

তালেবান মুখপাত্র আরও বলেন, তুরস্ক একটি মুসলিম দেশ। আফগানিস্তানের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে যখন আমরা নতুন ইসলামি সরকার গঠন করবো তখন তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও ভালো সম্পর্ক প্রত্যাশা করি।

তালেবানের সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তানে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার ‘কোনও আশা’ রাখা উচিত নয়। দূতাবাস ও বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আফগানদেরই দায়িত্ব। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল জাজিরা।

/এমপি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৭
image

মার্কিন বাহিনীতে কর্মরত সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সোমবার আলাস্কার ইয়েলসন বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় এনিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের হিসেব অনুযায়ী ২০২০ সালে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ৩৮৫ জন সেনা সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। ২০১৮ সালে এই পরিমাণ ছিলো ৩২৬ জন। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে এই পর্যন্ত আলাস্কায় আত্মহত্যা করেছেন ছয় জন।

সোমবার আলাস্কা সফরে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ‘কেবল এখানে নয় বরং পুরো বাহিনীতে আত্মহত্যার হারে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যায় একটা প্রাণ হারানোয় অনেক ক্ষতি। এই সমস্যা মোকাবিলায় আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি, আরও অনেক কিছুই করতে হবে।’

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার নেপথ্যে চাপের অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে থাকে। অন্যান্য ফ্যাক্টরের মধ্যে সামরিক বাহিনীতে অনিশ্চিত জীবন, চীনা প্রভাব মোকাবিলায় কমান্ডারদের অতিরিক্ত সেনা চাইতে থাকাও রয়েছে।

আলাস্কায় মোতায়েন করা মার্কিন সেনারা কঠিন আবহাওয়া, ভূতাত্ত্বিক অবস্থান এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যে থাকেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ এবং স্থান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাদের। এছাড়া যেসব সেনা সদস্য সাধারণ মানুষের বসবাসের এলাকায় থাকেন তাদেরও জীবন যাত্রায় ব্যয় অনেক বেশি।

মার্কিন বাহিনীর আলাস্কা কমান্ডার মেজর জেনারেল পিটার অ্যান্ড্রিসিয়াক জানিয়েছেন, তাদের বাহিনীতে কিছু পরিবর্তন আনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে শীতের মৌসুমে সেনা সদস্যদের পরিবহন আরও বেশি সহজ করাসহ নানা পদক্ষেপ।

/জেজে/

সম্পর্কিত

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

এবার লখনৌ অবরোধের হুঁশিয়ারি ভারতীয় কৃষকদের

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৫:৩৩
image

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌ অভিমুখী সব রাস্তা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নেতা রাকেশ তিকাইত। সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের আট মাস পূর্তিতে এই ঘোষণা দেন তিনি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দিল্লিতে পরিণত হবে লখনৌ। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ভারতীয় কৃষকেরা। এসব আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে অবস্থান নিয়ে আছে তারা। কৃষক নেতা ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হলেও অচলাবস্থার অবসান হয়নি।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নেতা রাকেশ তিকাইত ছাড়াও যোগেন্দ্র যাদভ, শিভকুমার কাক্কার মতো প্রভাবশালী কৃষক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এই সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা ‘মিশন উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখন্ড’ ঘোষণা করেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে এসব রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কৃষক নেতারা জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ‘কৃষক মহাপঞ্চায়েতে’র পর আন্দোলন জোরালো করার এসব কর্মসূচি শুরু হবে। উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরে এই মহাপঞ্চায়েত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কৃষক নেতাদের দাবি, এই মহাপঞ্চায়েত হবে এই ধরনের সবচেয়ে বড় আয়োজন।

কৃষক নেতা যোগেন্দ্র যাদব বলেন, ‘আমরা মিশন উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখন্ড শুরু করছি। এর মাধ্যমে আন্দোলন আরও বেশি তীব্র হবে আর মনোযোগ পাবে। এর মধ্যে থাকবে বড় মিছিল, মহাপঞ্চায়েত। আমরা বিজেপি এবং বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে সব ক্ষেত্রে বিক্ষোভ নিশ্চিত করবো। এসব বিক্ষোভ শুরু হবে গ্রাম পর্যায় থেকে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

পাথরের ধাক্কায় বিধ্বস্ত সেতু, ৯ পর্যটক নিহত

পাথরের ধাক্কায় বিধ্বস্ত সেতু, ৯ পর্যটক নিহত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৫
image

করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই মুহূর্তে বিদ্যমান কোনও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার হোয়াইট হাউজ এই খবর নিশ্চিত করেছে। গত শুক্রবার এই হোয়াইট হাউজে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো ২০২০ সালে বহাল করা নিষেধাজ্ঞা খুব স্বল্প মেয়াদে প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের সবচেয়ে দ্রুততম ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট হলো ডেল্টা। বিশ্ব মহামারি পরিস্থিতি উল্টে দিয়েছে এটি। এমন সময় ভ্যারিয়েন্টটি শক্তিশালী হচ্ছে যখন বিভিন্ন দেশে অর্থনীতি চালু করতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষ দশ জন ভাইরোলজিস্ট ও এপিডেমিওলজিস্ট বলছেন, করোনার টিকা না নেওয়া মানুষেরাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো মানুষকে অসুস্থ করা নয়, বরং এটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। এর ফলে টিকা না নেওয়া মানুষদের মধ্যে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

সোমবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন পিসাকি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে আজ আমরা যেখানে আছি... আমরা বিদ্যমান ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখছি।’ তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে আমাদের এখানে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে টিকা না নেওয়া মানুষেরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে আর আশঙ্কা করা হচ্ছে সামনের সপ্তাহগুলোতে আক্রান্ত হওয়া অব্যাহত থাকবে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৭
image

অভিবাসীদের বহনকারী আরও একটি নৌকা লিবিয়া উপকূলে ডুবে গেছে। জাতিসংঘের এক অভিবাসন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় অন্তত ৫৭ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি জানিয়েছেন, রবিবার উপকূলীয় খুমস শহর থেকে নৌকাটি রওনা দেয়। এতে অন্তত ৭৫ আরোহী ছিলেন। মাসেলি জানান, সোমবার ১৮ জনকে উদ্ধার করে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেঁচে যাওয়া আরোহীরা নাইজেরিয়া, ঘানা এবং গাম্বিয়ার নাগরিক। তারা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নৌকাটি বন্ধ হয়ে যায়। আর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তখন ডুবে যায়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘জেলে এবং কোস্ট গার্ড সদস্যরা যাদের উপকূলে ফিরিয়ে এনেছেন তারা জানিয়েছেন, তলিয়ে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ২০ জন নারী এবং দুই শিশু রয়েছেন।’

ইউরোপে উন্নত জীবনের সন্ধানে যেতে চাওয়া অভিবাসী ও শরণার্থী বোঝাই নৌকা ডুবির সর্বশেষ ঘটনা এটি। গত সপ্তাহে লিবীয় উপকূলে ভূমধ্যসাগরে আরেকটি নৌকা ডুবিতে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া পাঁচশ’ জনকে আটক করে লিবিয়ায় ফেরত নেওয়া হয়।

গত কয়েক মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি জমানোর ঘটনা বেড়েছে। এই বছরের প্রথম অর্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থনে লিবিয়ার কোস্ট গার্ড প্রায় ১৫প হাজার শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থী এবং অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:০৬
image

এই বছরের শেষ নাগাদ যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যদিও এই সময়ের পর ইরাকের সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ এবং উপদেশ দেওয়া চালিয়ে যাবে মার্কিন সেনাবাহিনী। হোয়াইট হাউজে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-খাদিমির সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর অবশিষ্টাংশ মোকাবিলায় স্থানীয় বাহিনীকে সহায়তা দিতে বর্তমানে ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। যুদ্ধরত সেনা তুলে নেওয়া হলেও ইরাকে প্রায় একই সংখ্যক মার্কিন সেনাই থেকে যাবে। তবে যুদ্ধরত সেনা সরিয়ে নেওয়াকে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং    ইরান সমর্থিত একটি শিয়া গোষ্ঠীর নেতাকে হত্যার পর থেকে ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানী বাগদাদে এক ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এই ঘটনার পর ইরান সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি তোলে।

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার মাধ্যমে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের শুরু করা আরেকটি যুদ্ধের অবসান ঘটালেন জো বাইডেন। এই বছর তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউজে আলোচনার সময় বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা এই নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করলেও আমাদের সন্ত্রাস দমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ জবাবে আল খাদিমি বলেন, ‘আজ আমাদের সম্পর্ক যেকোনও সময়ের চেয়ে জোরালো। আমাদের সহযোগিতা অর্থনীতি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং আরও বহু কিছুতে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরাকে কোনও যুদ্ধরত বিদেশি সেনার প্রয়োজন নেই।

২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনকে উৎখাত এবং তার ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংসের অজুহাতে ইরাকে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি বাহিনী। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ‘স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরাকের’ প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশটি নিমজ্জিত হয় রক্তক্ষয়ী সাম্প্রদায়িক বিভাজনে।

২০১১ সালে যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যায়। তবে ইরাক সরকারের অনুরোধে তিন বছর পরে আবারও দেশটিতে প্রবেশ করে তারা। ওই সময়ে দেশটির একটি বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ শুরু করে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট। ২০১৭ সালে আইএস-এর পতন ঘটলেও গোষ্ঠীটির অবশিষ্টাংশ নির্মূলে দেশটিতে থেকে যায় মার্কিন বাহিনী।

/জেজে/

সম্পর্কিত

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

সর্বশেষ

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

অলিম্পিকে প্রথম রাউন্ডে রোমানের জয়

টোকিও অলিম্পিকঅলিম্পিকে প্রথম রাউন্ডে রোমানের জয়

খুলনার চার হাসপাতালে ১৩ মৃত্যু

খুলনার চার হাসপাতালে ১৩ মৃত্যু

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

ফেরিঘাট সরানো পদ্মা সেতুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ: প্রকৌশলী

ফেরিঘাট সরানো পদ্মা সেতুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ: প্রকৌশলী

করোনায় চট্টগ্রামে রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১০ জন

করোনায় চট্টগ্রামে রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১০ জন

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

© 2021 Bangla Tribune