X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থীদের ক্ষমা করে দেবে স্পেন

আপডেট : ২২ জুন ২০২১, ০০:৫৮
image

কাতালোনিয়া অঞ্চলের স্বাধীনতাকামীদের এই সপ্তাহে সাধারণ ক্ষমা করে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। মঙ্গলবার তাদের সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে। এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে স্পেনে বিক্ষোভ হলেও সরকার বলছে এই পদক্ষেপ কাতালোনিয়ার উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রায় চার বছর আগে স্বাধীনতার দাবিতে সরব হয়ে ওঠে স্পেনের আধা সায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়া। এনিয়ে দেশটিতে তৈরি হয় বিগত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট। ২০১৭ সালে ব্যর্থ স্বাধীনতা ঘোষণার ঘটনায় অঞ্চলটির নয় নেতাকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড দেয় স্পেনের আদালত। আরও তিন নেতা অসহযোগে দোষী প্রমাণিত হলেও তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি। এবারে তাদের সকলকে সাধারণ ক্ষমা করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে স্পেন সরকার।

বিরোধীদের অভিযোগ রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যেই কাতালোনিয়ার নেতাদের ক্ষমা করে দিতে চাইছে স্পেনের সরকার। সোমবার বার্সেলোনায় এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, ‘আগামীকাল সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমার আলোকে আমি প্রস্তাব করবো যেন মন্ত্রিসভা ক্ষমা অনুমোদন করে দেন।’ তিনি বলেন, ‘চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে কাউকে না কাউকে প্রথম পদক্ষেপ ফেলতে হয়। স্পেন সরকার এখন সেই পদক্ষেপ ফেলছে।’

তবে এই সিদ্ধান্তের ব্যাপক বিরোধী রয়েছে। দেশটির এল মুন্দো সংবাদপত্রের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, স্পেনের ৬১ শতাংশ নাগরিক এই সাধারণ ক্ষমার বিরোধী। দেশটির সুপ্রিম কোর্টও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে এক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্ত মানার বাধ্যবাধকতা সরকারের নেই।

কাতালোনিয়ার বিক্ষোভকারীরাও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ। তারা মনে করেন এই নেতাদের কখনওই কারাগারে পাঠানো উচিত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন স্বাধীনতাকামী নেতা কুইয়িম তোরা। এই সিদ্ধান্তকে তিনি প্রোপাগান্ডা আখ্যা দিয়েছেন।

/জেজে/

সম্পর্কিত

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০২:১৪

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এই আহ্বান জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই সেনা সমর্থন নিয়ে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসাচ মেচিচকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ। এক মাসের জন্য পার্লামেন্টও স্থগিতের ঘোষণা দেন তিনি। তার এমন পদক্ষেপকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ বিক্ষোভ বা সহিংসতার কথা চিন্তা করলে সশস্ত্র বাহিনী বুলেট দিয়ে তার জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন কায়েস সাঈদ। একইসঙ্গে এক মাসের জন্য কারফিউ ঘোষণা করেছেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রশাসনিক ক্ষমতা দখলের পর তিনি তাকে দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার আল জাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিউনিসিয়ায় সম্প্রতি দেশটির সংবিধান পরিপন্থী যেসব ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে তিনি উদ্বিগ্ন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০০:৪৭

পুলিৎজার পুরস্কার-বিজয়ী চিত্রসাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের ভারতে চিফ ফটোগ্রাফার দানিশ সিদ্দিকি আফগানিস্তানে নিহত হন গত ১৬ জুলাই। দেশি-বিদেশি সব সংবাদমাধ্যমেই তখন রিপোর্ট করা হয়েছিল, আফগান সেনাবাহিনী ও তালেবানের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গিয়েই দানিশ প্রাণ হারান।

কিন্তু এখন মার্কিন থিঙ্কট্যাঙ্ক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো, প্রাবন্ধিক ও নামী নিরাপত্তা গবেষক মাইকেল রুবিন জানাচ্ছেন, দানিশ সিদ্দিকি মোটেও সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হননি – বরং তালেবান যোদ্ধারা তাকে একটি মসজিদ থেকে টেনে বের করে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেছে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মাইকেল রুবিন এই উপসংহারে পৌঁছেছেন। ২৯ জুলাই তিনি ওয়াশিংটন এক্সামিনার সাময়িকীতে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন। সেখানে তিনি পরিষ্কার লিখেছেন, ‘দানিশ সিদ্দিকি ক্রসফায়ারের মাঝে পড়ে মারা যাননি, তাকে কিছুতেই যুদ্ধের ‘কোল্যাটারাল ড্যামেজ’ও বলা যাবে না। বরং সত্যিটা হলো, তালেবান তাকে নৃশংসভাবে হত্য করেছে।’

এই নিবন্ধের জন্য মাইকেল রুবিন কাবুলে, আফগানিস্তানের প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং দিল্লিতে দানিশ সিদ্দিকির কর্মস্থলে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। দানিশ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, দিল্লির সেই জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ক্যাম্পাসেই তাকে দাফন করার আগে যারা তার মরদেহ খুব কাছ থেকে দেখেছেন – তাদের কাছ থেকেও তথ্য নিয়েছেন।

দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যুর যে ঘটনাক্রম তার গবেষণা থেকে উঠে এসেছে তা এমন:

১৬ জুলাই আফগান সেনার ‘সঙ্গী’ হয়ে দানিশ যাচ্ছিলেন স্পিন বোলডাক অঞ্চলের দিকে, যেখানে পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারের একটি সীমান্ত পোস্ট দখলের জন্য তালেবানের সঙ্গে সেনার যুদ্ধ চলছিল। সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে এভাবে যে সাংবাদিকরা যান তাদের বলে ‘এমবেডেড’ জার্নালিস্ট, আর এই অভিযানে আফগান সেনা দানিশকে সঙ্গে নিয়েছিল কারণ তারা নিজেদের বিজয় নিয়ে নিশ্চিত ছিল। তারা ভেবেছিল, রয়টার্সে এই যুদ্ধজয়ের ছবি বিশ্বজুড়ে তাদের দারুণ বিজ্ঞাপন হবে।

স্পিন বোল্ডাকের কাস্টমস চৌকি থেকে দলটি যখন মাত্র কয়েকশো মিটার দূরে, তখন তালেবানের অতর্কিত হামলায় দলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। দলটির কমান্ডার কয়েকজন সেনাকে নিয়ে একদিকে ছিটকে যান, আর দানিশ ও তিনজন আফগান সেনা ছিটকে যান সম্পূর্ণ অন্যদিকে। দানিশের শরীরে একটি বোমার ‘শার্পনেল’ বিঁধেছিল – তাই তারা গিয়ে আশ্রয় নেন কাছের একটি মসজিদে, সেখানে তাকে ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক শুশ্রূষাও দেওয়া হয়।

ততক্ষণে আশেপাশে খবর রটে গেছে, মসজিদে একজন পশ্চিমী বার্তা সংস্থার সাংবাদিক লুকিয়ে আছেন। তালেবান সে খবর পেয়েই সেখানে হামলা চালায় এবং টেনে-হিঁচড়ে দানিশ ও তার সঙ্গীদের বের করে আনে। মাইকেল রুবিন নিশ্চিত, দানিশ সিদ্দিকি যখন তালেবানের হাতে ধরা পড়েন তখন তিনি জীবিত ছিলেন। এরপর তারা দানিশের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং তাকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়। দেহটিও ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় বুলেটে।

সেনাদলটির কমান্ডারও ততক্ষণে সদলবলে মসজিদের কাছে ফিরে এসে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন – কিন্তু তালেবানের হাতে তারাও নিহত হন। পরে যে ভারতীয় কর্মকর্তারা কাবুলে দানিশের দেহ গ্রহণ করেন, মাইকেল রুবিন তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছেন, আগে দানিশের মাথায় ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে মেরে তালেবান তাকে হত্যা করে – তারপর তার শরীরে বুলেটবৃষ্টি চালানো হয়।

মাইকেল রুবিনের ভাষায়, ‘তালেবানের নৃশংসতা সুবিদিত। কিন্তু সেই নৃশংসতাকেও যে দানিশের বেলায় তারা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল তার একমাত্র কারণ সে ছিল ভারতীয়।’ এমনকি ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাসে দানিশ যে মুসলিম ছিলেন, তার জন্যও তাকে কোনও রেহাই দেয়নি ইসলামের ধ্বজাধারী বলে নিজেদের দাবি করা তালেবান যোদ্ধারা।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন বাঙালি কূটনীতিবিদ গৌতম মুখোপাধ্যায়। তিনি এদিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘সত্যি বলতে কী আমি এই খবরে বিন্দুমাত্র আশ্চর্য নই। তালেবানের ভারত-বিরোধিতা এতোটাই চরমে যে, তারা ভারতীয় মুসলিমদেরও ইসলামের সত্যিকারের প্রতিনিধি বলে মনে করে না। দানিশ সিদ্দিকির মতো একজন প্রতিভাবান আলোকচিত্রী তাদের সেই ভারত-বিদ্বেষের বলি হলেন এটাই চরম দুর্ভাগ্যের।’

/এমপি/

সম্পর্কিত

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে ইসরায়েল

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:৩৩
image

দখলকৃত পশ্চিম তীরে নিহত এক ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজার সময় টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বুধবার মোহাম্মদ আল-আলামি নামের ১২ বছর বয়সী শিশুটি ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হয়।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের বেইত উমর শহরে বাবার সঙ্গে গাড়িতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ১২ বছরের মোহাম্মদ আল-আলামি। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ নিয়ে বেইত উমরে মিছিল করে ফিলিস্তিনিরা।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের দল ফাতাহ পার্টির পতাকায় মোড়ানো কফিন নিয়ে মিছিলের পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে। পাল্টা পদক্ষেপে ইসরায়েলি সেনারা টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে।

ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণে এক ফিলিস্তিনি তরুণ মারাত্মক আহত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষের পর বেইত উমর শহরের রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ও পাথর পড়ে রয়েছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:৪১

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে গাড়ি চাপায় এক বিচারককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রথমে দুর্ঘটনা ধারণা করা হলেও সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করা গেছে, গাড়ি চাপাতেই বিচারক উত্তর আনন্দকে হত্যা করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবামাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার প্রাতঃভ্রমণে বের হন অতিরিক্ত বিচারক উত্তম আনন্দ। বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি টেম্পু চাপা দেয় তাকে। স্থানীয়রা তুলে হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এ ঘটনাকে প্রাথমিক অবস্থায় দুর্ঘটনা বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীতে সিসিটিভির ফুটেজে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়।  ফাঁকা সড়কে গাড়িটি তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, এই টেম্পুটি বিচারককে ধাক্কা দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে চুরি হয়। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিচারের দাবিতে তোলাপাড় শুরু হয়েছে।

উদ্বেগ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, তিনি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিচারক হত্যার ঘটনায় আইনজীবী মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

/এলকে/

সম্পর্কিত

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:৪০
image

দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিক দেফনি কারুয়ানা গ্যালিজিয়া হত্যায় মাল্টা রাষ্ট্র দায়ী বলে এক গণ তদন্তে উঠে এসেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই সাংবাদিকের জীবনের ঝুঁকিকে স্বীকৃতি দিতে এবং তা এড়াতে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্র।

২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবরে মাল্টায় নিজ বাড়ির অদূরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হন ৫৩ বছর বয়সী সাংবাদিক গ্যালিজিয়া। ব্লগ লিখে তিনি ‘ওয়ান ওম্যান উইকিলিকস’ খ্যাতি পেয়েছিলেন।  বলা হয়, মাল্টার সব পত্রিকা মিলিয়ে যত কপি বিক্রি হয়, তার চেয়ে বেশি মানুষ গ্যালিজিয়ার ব্লগ পড়ে থাকে। পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারি নিয়ে রিপোর্টের জন্য ইউরোপের সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশটির শাসক গোষ্ঠি এবং মাফিয়া চক্র, দুপক্ষেরই পথের কাটা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের ১৫ দিন আগে পুলিশকে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর নাম উঠে আসার পর ২০১৯ সালে পদত্যাগ করেন মাল্টার তৎকালীন প্রধামন্ত্রী জোসেফ মাস্কাট। গ্যালিজিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বাধীন গণ তদন্তের দাবি জানানো হলে পদত্যাগের কয়েক মাস আগে তার অনুমোদন দেন মাস্কাট।

গত দুই বছরে এই তদন্ত দল কয়েক ডজন প্রত্যক্ষদর্শী, তদন্তকারী, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকের বক্তব্য শুনেছে। ৪৩৭ পাতার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাল্টা রাষ্ট্র দায়মুক্তির একটি পরিবেশ গড়ে তুলেছে। বড় বড় ব্যবসায়ী এবং সরকারের মধ্যে অপ্রত্যাশিত ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

কারুয়ানা গ্যালিজিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ফেব্রুয়ারিতে তিন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে ১৫ বচর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আরও বেশ কয়েক জনকে আটক করা হলেও তাদের বিচার শুরু হয়নি।

/জেজে/

সম্পর্কিত

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

সর্বশেষ

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডাকটিকিট প্রকাশের সুবর্ণজয়ন্তীর স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ

ডাকটিকিট প্রকাশের সুবর্ণজয়ন্তীর স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

প্যারিসে কিউবার দূতাবাসে পেট্রোল বোমা হামলা

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

ঈদ বার্তায় এরদোয়ানের ‘ঘুমিয়ে পড়া’র ভিডিও ভাইরাল

ঈদ বার্তায় এরদোয়ানের ‘ঘুমিয়ে পড়া’র ভিডিও ভাইরাল

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

© 2021 Bangla Tribune