X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

তৃতীয় দফায় রাজশাহীতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন

আপডেট : ২৩ জুন ২০২১, ১৭:৫৫

তৃতীয় দফায় রাজশাহীতে আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে লকডাউন। চলবে আগামী ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত। বুধবার (২৩ জুন) দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল সংবাদ সম্মেলন করে লকডাউন বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২২জুন) সিটি মেয়রসহ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে। বৈঠকে রাজশাহীর করোনা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশন এলাকায় লকডাউনের পাশাপাশি উপজেলা এলাকায় বিধিনিষেধ বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত হয়। যেন মানুষ অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এলাকার বাইরে যেতে না পারে।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল আরও বলেন, লকডাউনে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল, মার্কেট, দোকান ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে। তবে ওষুধ, কাঁচাবাজার, চিকিৎসাসেবা লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। লকডাউনের সময় বাস, ট্রেনসহ কোনও প্রকার যানবাহন রাজশাহী নগরীতে প্রবেশ করতে পারবে না। সেই সঙ্গে রাজশাহী মহানগর থেকে বাইরেও যেতে পারবে না। তবে আমসহ কৃষি ও খাদ্যসামগ্রীবাহী পরিবহন চলাচল করবে। জনসমাবেশ হয় এমন সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

উল্লেখ্য, রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় গত ১১ জুন সিটি করপোরেশন এলাকায় এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৬ জুন আরও সপ্তাহ বাড়িয়ে ২৪ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। বুধবার তৃতীয় দফায় আগামী ৩০ জুন মধ্য রাত পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়।

/এএম/

সম্পর্কিত

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৪৮

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে ৪১৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গত বুধবার রাতভর ও বৃহস্পতিবারের (২৯ জুলাই) ভারী বৃষ্টিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার দুই লাখেরও বেশি মানুষ। ডুবে গেছে জনপদ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছের ঘের, পানের বরজ ও বিভিন্ন ফসলি জমি।

টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস ও পানিতে ডুবে রোহিঙ্গাসহ ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে টেকনাফে ছয়, উখিয়ায় রোহিঙ্গাসহ নয়, মহেশখালীতে পাহাড় ধসে দুই ও ঈদগাঁওতে তিন জন মারা গেছেন। জেলার প্রধান নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জানায়, টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৫৫ হাজার ১৫০টি পরিবারের দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি পড়েছে। জেলার ৭১টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভার মধ্যে ৪১টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ তিন কোটি টাকা। প্লাবিত এসব এলাকায় ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৫৮ গ্রাম, রামু উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৩৫ গ্রাম, চকরিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১০০ গ্রাম, পেকুয়া উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের ছয় গ্রাম, মহেশখালী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৩৮ গ্রাম, উখিয়া উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের ১২০ গ্রাম ও টেকনাফ উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৫৬ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ তিন কোটি টাকা

জেলা প্রশাসনের দেওয়া এই তথ্যে কুতুবদিয়া উপজেলার প্লাবিত এলাকার সংখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে কুতুবদিয়া উপজেলায় অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, প্লাবিত এলাকার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৩৫ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরি ভিত্তিতে আরও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

বাগেরহাটে পানিবন্দি অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার

বাগেরহাটে পানিবন্দি অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:০৯

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে লিমন মোল্লা (১০) নামে এক শিশুর হাত, পা ও মুখ বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে শিশুটির মরদেহ তার বাড়ির অদূরে একটি ডোবায় পাওয়া যায়। লিমন মোল্লা দোনা গ্রামের ব্যবসায়ী ইমন মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় এপি কালিকাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

লিমনের পিতা ইমন মোল্লা বলেন, পূর্ব শত্রুতার কারণে পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। লিমন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে নিখোঁজ হয়। এরপর তাকে অনেক খোঁজ করে রাতে একটি ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহত শিশুটির লাশ থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।



/টিটি/

সম্পর্কিত

বাগেরহাটে পানিবন্দি অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার

বাগেরহাটে পানিবন্দি অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

বাগেরহাটে পানিবন্দি অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:০৪

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজারের বেশি পরিবার। ভেসে গেছে পুকুর, কয়েক হাজার চিংড়ি ও মাছের ঘের। দমকা হাওয়ার সঙ্গে টানা বৃ‌ষ্টিপা‌তে জনজীবন বিপর্যস্ত হ‌য়ে ‌পড়ে‌ছে।

বৃষ্টির পানিতে বাগেরহাট পৌরসভা ও জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার বেশ কয়েকটি কাঁচা-পাকা সড়কও ডুবে গেছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় রান্না বন্ধ বহু পরিবারের। উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মোংলার অসংখ্য এলাকা এখন পানিতে নিমজ্জিত। এসব এলাকার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। ডুবে যাওয়া ঘেরের মাছ বাঁচাতে বৃষ্টিতে ভিজে শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন চাষিরা।

রামপাল উপজেলার খোকন বলেন, ‘বৃষ্টিতে আমাদের বাড়িঘরে পানি উঠে গেছে। ঘেরের মাছ বের হয়ে গেছে। সবজিরও ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।’

একই উপজেলার শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে আমাদের এলাকার অনেক ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে অনেকের। ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। খুবই সমস্যায় পড়েছি।’

পানিবন্দিদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে

রামপাল উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুজ্জামান জানান, অতি বৃষ্টির কারণে রামপালে মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ৷ পানিতে ডুবে তিন হাজার ৫৪২টি পুকুর। এতো মোট ক্ষতি হয়েছে ৭০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এদিকে তিন হাজার ২৩৭টি ঘেরে মোট তিন কোটি ৮৪ হাজার টাকা এবং মোট অবকাঠামাে ক্ষতি আট লাখ ৮০ হাজার টাকা ৷ এ পর্যন্ত প্রাথমিক তথ্যে রামপালে মােট মৎস্য সম্পদের ক্ষতি প্রায় তিন কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ৷ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এদিকে শরণখোলা উপজেলায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাতুনে জান্নাত। তিনি বলেন, শরণখোলা উপজেলার অধিকাংশ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। আমরা তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। লোকালয়ের পানি নামানোর জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  (২৯ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল বাকী তালুকদার পানিবন্দিদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের নির্দেশনায় এই খাবার বিতরণ করা হয়। 

আলহাজ্ব আব্দুল বাকী তালুকদার বলেন, পানিবন্দিরা রান্না করতে পারছে না। তারা না খেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে জেনে সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের নির্দেশনায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

খুলনা মৎস্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস জানান, বাগেরহাটের সাদা মাছের পোনা, চিংড়ি মাছের পোনা ও কাঁকড়া খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাঁচ হাজার চিংড়ি ঘের ভেসে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, টানা বৃষ্টিতে শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, রামপাল, বাগেরহাট সদর ও কচুয়ার বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ৫০ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু করেছি। তাদেরকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:৪৯

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর সদরের সাজিপাড়া মহল্লা থেকে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় বাড়ির অন্যকক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় স্বামীকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আক্কেলপুর থানার ওসি সাইদুর রহমান। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আক্কেলপুর পৌর সদরের সাজিপাড়া মহল্লার আলী আকবর ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে আলী আকবর স্ত্রী হালিমাকে বাড়ির শয়নকক্ষে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যার পর নিজে বিষপান করেন। এ সময় তাদের সন্তানরা স্বজনদের বাড়িতে ছিল। 

খবর পেয়ে পুলিশ হালিমার মরদেহ উদ্ধার করে। আলী আকবরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারের পর আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিবারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।   

ওসি সাইদুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার অভিযোগে আলী আকবরকে আটকের পর মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

খালাস শেষে অক্সিজেন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের পথে শেষ ট্যাংকলরিটি

খালাস শেষে অক্সিজেন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের পথে শেষ ট্যাংকলরিটি

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:০৪

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলায় দিন দিন করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। শনাক্তে রেকর্ড তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে শয্যা পাচ্ছে না রোগীরা। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে প্রয়োজনীয় ওষুধের চাহিদা। ওষুধ না পাওয়ায়ায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। 

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মানুষ অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত ওষুধ কেনায় বাজারে হঠাৎ সংকট দেখা দিয়েছে। প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদাও বেড়েছে। এসময় কোম্পানি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধের জোগান দিতে না পারায় সংকট তৈরি হচ্ছে।

কুমিল্লার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরে দেখা যায়, জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড, এইচ প্লাস, নাপা সিরাপ ও জিংক টেবলেটসহ প্যারাসিটামল জাতীয় কয়েকটি ওষুধ কম পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদাপত্র নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরেও ওষুধ না পাচ্ছেন রোগী ও স্বজনরা। চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ না পেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। অপরদিকে, ওষুধের দোকানিরা তাকিয়ে রয়েছেন ওষুধ কোম্পানির এজেন্টদের দিকে।

সরেজমিন দেখা যায়, কিছু দোকানে ওষুধ পাওয়া গেলেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার অনেক দোকানি বেশি দামের আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

কুমিল্লার ঝাউতলা এলাকার বাসিন্দা আসমত উল্লাহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য অসুস্থ। তাদের জন্য নাপা এক্সট্রা কিনতে আসেন নগরীর কান্দিরপাড়ের এবি ফার্মেসিতে। কিন্তু এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ পাননি। 

আসমত উল্লাহ জানান, এর আগে তিনি ওষুধটির জন্য কুমিল্লার পুলিশ লাইন্স ও ঝাউতলা এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরেছেন। কিন্তু কোথাও নাপা এক্সট্রা পাননি।

নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মইনুল ইসলামের পাঁচ বছর বয়সী ছেলের জ্বর। এ জন্য ওষুধ নিতে বাজারে আসেন। কিন্তু কোনও ফার্মেসিতে ওষুধ না পেয়ে হতাশা হয়ে বাড়ি ফিরে যান। 

ওষুধ সংকটের বিষয়ে কুমিল্লা কান্দিরপাড়ের ড্রাগ হাউসের মালিক গণেশ দত্ত চৌধুরী জানান, চাহিদার তুলনায় কোম্পানিগুলো ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না। বিশেষ করে নাপা ট্যাবলেট, নাপা সিরাপ, এইচ ট্যাবলেট ও এইচ সিরাপসহ প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়ে গেছে। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ‘প্যারাসিটামল’ জাতীয় ওষুধ প্রথম সারির প্রায় সব কোম্পানি সরবরাহ করছে না। ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ওষুধ সংকটের বিষয়ে জানা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে এখনই খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সর্বশেষ

চিপ সংকটে পড়তে পারে ইন্টেল

চিপ সংকটে পড়তে পারে ইন্টেল

আমার সেই কাঙ্ক্ষিত গান এটি: টিনা রাসেল

আমার সেই কাঙ্ক্ষিত গান এটি: টিনা রাসেল

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

লকডাউনে মায়ের চেহলাম আয়োজন করায় ছেলেকে জরিমানা

লকডাউনে মায়ের চেহলাম আয়োজন করায় ছেলেকে জরিমানা

কুমিল্লায় লকডাউনের ছয় দিনে ১২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় 

কুমিল্লায় লকডাউনের ছয় দিনে ১২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় 

নমুনা দিতে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরেকজনের মৃত্যু

নমুনা দিতে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরেকজনের মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune