X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

স্থিতিশীল বঙ্গোপসাগর-ভারত মহাসাগর দেখতে চায় বাংলাদেশ

আপডেট : ২৫ জুন ২০২১, ১৭:৪৪

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে গত এক দশকে দেশের অগ্রযাত্রা লক্ষণীয়। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে স্থিতিশীলতা চায় বাংলাদেশ। শুধু তা-ই নয়, এই অঞ্চলের বিবদমান কোনও পক্ষে জড়াতে চায় না বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের এই অঞ্চলে যদি অস্থিতিশীলতা দেখা দেয় তাহলে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সমস্যা হবে। সুতরাং আমরাও চাই এই ভারত মহাসাগর ও বে অব বেঙ্গল এরিয়া যেন স্থিতিশীল থাকে। এর মাধ্যমে চলাচল থেকে শুরু করে সমুদ্রসম্পদ আহরণ সবকিছু আমরা সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পারবো।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে স্থিতিশীলতার দিকে কীভাবে যেতে পারি। এখন যদি আমরা কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যে জড়িয়ে যাই বা যাদের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যাহত হয়; তবে অবশ্যই লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাধাপ্রাপ্ত হবো।’

অর্থনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আঞ্চলিক ও পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মাত্রা ভিন্ন রকমের হবে জানিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘হাতের পাঁচ আঙুল সমান হয় না এবং সে জন্য আমাদের কাছের দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যমূলক নীতি অবলম্বন করতে হবে। দূরের দেশগুলোর জন্য হয়তো বা সেটি আমরা নাও করতে পারি।’

বঙ্গবন্ধুর ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়’ নীতিকে মূলমন্ত্র হিসেবে ধরে নিলে ভারসাম্যমূলক নীতি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই একটা বিশেষ মুহূর্তে বা বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কোনও একটি পক্ষ অবলম্বন করতে হতে পারে, বা কোনও বিতর্কের জন্ম হতে পারে; কিন্তু আমাদের সব সময় চেষ্টা থাকবে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।’

ভারত

আমাদের এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী ভারত এবং শক্তিশালীও বটে। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বর্তমানে আমাদের যে সম্পর্ক এবং গতি-প্রকৃতি, সেটি যাতে কোনও মতেই বাধাগ্রস্ত না হয়। এটিকে কীভাবে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা যায় সেদিকে লক্ষ থাকবে। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে এটা খেয়াল রাখতে হবে।’

যেকোনও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সমস্যা থাকে এবং ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশের আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যেসব প্রতিবন্ধকতা থাকে সেগুলোকে আমাদের ম্যানেজ করতে হবে।’

আঞ্চলিক দেশ

এই অঞ্চলে ভারত ছাড়া আরও অন্যান্য ছোট ছোট দেশ আছে, যাদের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে উল্লেখ করে মাসুদ বিন মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ কারণে আমাদের সম্পর্ক শুধু যে ভারতকেন্দ্রিক হবে সেটি নয়।’

আমাদের একটি প্রতিবেশী (মিয়ানমার) এখন কিছুটা ঝামেলার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘এরপর আমরা আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে আরও ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে চাই।’

চীন

এরপর অবশ্যই আসে আরেক বড় প্রতিবেশী চীনের কথা। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাদের ভূমিকার কথা অবশ্যই চলে আসে; কিন্তু এখনকার বাস্তবতা হলো, চীনের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সম্পর্ক অনেক বেশি এগিয়ে গেছে। সুতরাং এটা যাতে কোনও মতে ব্যাহত না হয়।’

‘আমাদের অনেক বৃহৎ প্রকল্পে চীন সহায়তা করছে এবং সেগুলো সুসম্পন্ন হওয়া দরকার। তাছাড়া চীনের কাছ থেকে আমরা বিভিন্ন জিনিসের জোগান সুলভ মূল্যে পেয়ে থাকি এবং এই বিকল্প উৎস প্রয়োজন রয়েছে’—বলেন পররাষ্ট্র সচিব।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এসব বিষয় বিবেচনা করলে চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো রাখতে হবে এবং তাদের যেসব উদ্যোগ রয়েছে, যেমন- বিআরআই ইত্যাদি, এগুলোর সুযোগ নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই সংযুক্তির কোনও সুবিধা নিতে পারি কিনা সেটার জন্যই বিআরআইএ যোগ দিয়েছি।’

জাপান

জাপানকে অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে সবাই জানে এবং ওই দেশটির সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতার সময় থেকেই সম্পর্ক। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যদি কৌশলগত স্তরে নিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে লাভ ছাড়া কোনও ক্ষতি হবে না। তাদের যে বিগবিসহ অন্যান্য উদ্যোগ রয়েছে, সেখানে সংযুক্তির একটা সুযোগ রয়ে গেছে এবং সেখানে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো রয়েছে। রয়েছে নেপাল ও ভুটান। এর সুযোগ নিয়ে আমরা জাপানের সঙ্গে আরও ভালো সম্পর্ক করতে চাই।’

যুক্তরাষ্ট্র

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মার্কিন প্রশাসন পক্ষে না থাকলেও মার্কিন জনগণ সব সময় বাংলাদেশের সমর্থন দিয়েছেন; সুতরাং এখানে সদিচ্ছার কোনও কমতি নেই।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘এ কারণে দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক কৌশলগত, মিলিটারি সম্পর্ক বেড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান প্রায় একই।’

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ, মানবপাচার, মাদক চোরাচালান এবং অন্যান্য ইস্যুতে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি অথবা আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা আছে। এছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ রয়েছে।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘ইউএসএআইডি ভূমিকা রাখতো, কিন্তু এখন দেশের উন্নয়ন সহযোগিতায় তেমন ভূমিকা রাখে না। কারণ, আমাদের নিজেদের সক্ষমতা অনেক বেড়ে গেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সঠিক পথেই রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের অনেক বড় ট্রেডিং পার্টনার এবং তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় মার্কেট।’

জিও স্ট্র্যাটেজি

যেসব ভূ-কৌশলগত উদ্যোগ বৃহৎ শক্তিগুলো নিচ্ছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকার পক্ষপাতি পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, ‘উদ্যোগগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে, কিন্তু এ ধরনের সংঘাতমূলক পরিস্থিতি থেকে সব সময় নিজেদের স্বার্থে দূরে থাকাটাই বাঞ্ছনীয়।’

আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত বিশ্বের দেশ হওয়া এবং এর জন্য নিরবচ্ছিন্ন উচ্চ প্রবৃদ্ধি দরকার বলে জানান তিনি।

/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৮-৩০ অক্টোবরের ঘটনা।)

 

১৯৭৩ সালের ২৮ অক্টোবর স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ঈদুল ফিতরের দিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তাদের জনগণকে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান। শত না পাওয়া ও পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাওয়া জাতির যে লড়াই, সেটাকে এগিয়ে নেওয়ার শপথও ছিল সেই আহ্বানে। আন্তর্জাতিক পরিসরে সেইসময় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিও তখন আলোচনায়।

১৯৭৩ সালের ঈদুল ফিতরের ছবি, দৈনিক বাংলা

জাতিসংঘের জরুরি শান্তিবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের পথে

আরব-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি তদারকির জন্য জাতিসংঘ সামরিক বাহিনীর অগ্রগামী দল হিসেবে তিনটি দেশের সৈন্য জাতিসংঘের পতাকা নিয়ে সাইপ্রাস থেকে পশ্চিম এশিয়ার পথে যাত্রা করে। দেশ তিনটি হল ফিনল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও সুইডেন। এর আগে নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবে জাতিসংঘ জরুরি বাহিনী গঠনের আহ্বান জানানো হয়।

অন্যান্যবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও অন্যান্য বৃহৎ শক্তির সৈন্য এতে থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী তার সামরিক ঘাঁটিগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর জাতিসংঘ এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নিক্সন প্রশাসন বলে, তারা পশ্চিম এশিয়ার নাজুক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে মস্কোর নিজস্ব শান্তিরক্ষা বাহিনী প্রদানের আশঙ্কা করেছিলেন। নিরাপত্তা পরিষদে ১৪-০ ভোটে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধবিরতি তদারকির জন্য জরুরি বাহিনী গঠনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

 

শেরেবাংলা বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতীক

দেশব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মশতবার্ষিকী (২৯ অক্টোবর, ১৯৭৩) পালিত হয়। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনাসভা আয়োজন হয় এদিন। তাতে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কোরবান আলী। আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক মেহনতী মানুষের মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাঙালির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

সভাপতির ভাষণে কোরবান আলী বলেন, শেরে বাংলা আনীত ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে পাকিস্তানের কথা ছিল না। তাই তিনি পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছিলেন। কোরবান আলী শেরে বাংলার সংগ্রামমুখর জীবনের ওপর আলোকপাত করে বলেন, তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির অনুপ্রেরণা। আগামী দিনের সুখী-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য তার আদর্শই বঙ্গবন্ধু সরকার ও জনগণের পাথেয়।

আলোচনায় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক বলেন, শেরে বাংলা বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বঙ্গবন্ধুর কৃষক-শ্রমিক রাজ কায়েমের মাধ্যমে বাংলার মানুষের মধ্যে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

শেরে বাংলার আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কৃষক-শ্রমিক রাজ প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে চলেছে। দুঃখ-দারিদ্র্য দূর করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো ছিল এই নেতার রাজনৈতিক দর্শনের মূলমন্ত্র। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্রনায়ক শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারা এ মন্তব্য করেন।

 

যুদ্ধে থামলেও আরবরা আমেরিকায় তেল দেবে না

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান বা যুদ্ধবিরতি হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবসান হবে না বলে তেল উৎপাদনকারী মহল জানায়। পাশ্চাত্য জগতের অন্যান্য দেশে রফতানির যৌথ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে ইতোমধ্যে নমনীয় মনোভাব দেখালেও আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ বন্ধের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে না বলে জানায় উৎপাদনকারী দেশগুলো।

/এফএ/

সম্পর্কিত

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

বৃহস্পতিবার থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী পাস ইস্যুর সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:০৪

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ পাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সিনিয়র সচিব, সচিব এবং মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের একান্ত সচিবদের (পিএস) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

দীর্ঘ ১৯ মাস পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) থেকে সীমিত পরিসরে পুনরায় চালু হচ্ছে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশের পাস ইস্যু কার্যক্রম।

করোনা মহামারি বাড়তে থাকলে ২০২০ সালের ১৯ মার্চ থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল সরকার।

চিঠিতে বলা হয়, ‘অতিমারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সচিবালয়ের দৈনিক দর্শনার্থী প্রবেশ পাস স্থগিত করা হয়েছিল। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে জরুরি প্রয়োজনে সচিবালয়ে দৈনিক সীমিত আকারে দর্শনার্থী প্রবেশ পাস ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

এতে জানানো হয়, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর পক্ষে তাদের একান্ত সচিবরা ১০টি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সচিবদের পক্ষে তাদের একান্ত সচিবরা পাঁচটি এবং অতিরিক্ত সচিবরা তিনটি করে পাস ইস্যু করতে পারবেন।

/এসআই/এমএস/

সম্পর্কিত

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

তিন বাহিনীর কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা সমতাকরণের প্রস্তাব

তিন বাহিনীর কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা সমতাকরণের প্রস্তাব

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে হেলিকপ্টার

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে হেলিকপ্টার

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫১

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন সৌদিগামী মো. রাসেল। দুহাতে ভারী ব্যাগ। হন্যে হয়ে খুঁজছেন একটা ট্রলি। কিন্তু পাচ্ছেন না। তার মতো অনেকেই পড়েছেন ট্রলি সংকটে। বিমানবন্দরের প্রবেশপথটাও যেন মাছবাজার। স্বাস্থ্যবিধি তো দূরে থাক, সাধারণ শৃঙ্খলাও নেই। অতিমাত্রায় ভিড়ের কারণে ফ্লাইট বিলম্বের ঘটনাও ঘটছে। মূলত আরব আমিরাতগামী যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা টার্মিনালের ভেতরে করাতেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বিমানবন্দর।

অতিরিক্ত ভিড় ও শব্দের কারণে এয়ারলাইন্সগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। অন্য রুটের যাত্রীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে। টার্মিনালের ভেতর করোনার নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা সরানো না গেলে জটিলতা আরও বাড়বে বলে শঙ্কা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শর্ত অনুযায়ী, দেশটিতে বাংলাদেশিদের প্রবেশ করতে হলে ফ্লাইটের ৬ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। যে কারণে ফ্লাইটের অন্তত আট ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে আসতে হচ্ছে যাত্রীদের। প্রবেশের সময় প্রত্যেকে একটি করে ট্রলি নিয়ে প্রবেশ করছেন। কিন্তু বোর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত প্রায় সাত ঘণ্টা সেই ট্রলি আটকে রাখতে হচ্ছে তাদের। এতে অন্য যাত্রীরা পড়ছেন ট্রলি সংকটে।

বেশি জটিলতা দেখা দেয় সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার ভেতর। এ সময় অন্য গন্তব্যের যাত্রী ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী প্রায় ১২শ’ যাত্রী অবস্থান করেন। কারণ, বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে এমিরেটস, ৬টা ১৫ মিনিটে এয়ার অ্যারাবিয়া আবুধাবি, ৭টায় ফ্লাই দুবাই, ইউএস-বাংলা, সাড়ে ৭টায় এমিরেটস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনের আরব আমিরাতগামী ৬টি ফ্লাইট রয়েছে।অন্যরা

বিরক্ত, আছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও

বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট দিয়ে উত্তর পাশে অবস্থান করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী যাত্রীরা। ফ্লাইটের আগে ৭-৮ ঘণ্টা সেখানেই থাকতে হয় তাদের। উড়োজাহাজে ওঠার আগ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ বার লাইনে দাঁড়াতে হয়। লাইন সামলাতেও হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের হইচই তো আছেই, তাদের নির্দেশনা দিতে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করায় হচ্ছে শব্দদূষণও। এতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছেন এয়ারলাইন্সের কর্মী ও অন্য যাত্রীরা। শব্দদূষণের কারণে তাদের এক কথা গলা চড়িয়ে দু-তিনবার করেও বলতে হচ্ছে।

এদিকে বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করা হলেও স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের ফেলা আবর্জনায় নোংরাও হচ্ছে বিমানবন্দর।

ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, এমিরেটস, ইতিহাদ, ফ্লাই দুবাই, এয়ার অ্যারাবিয়া, এয়ার অ্যারাবিয়া আবুধাবি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এসব এয়ারলাইনের ফ্লাইটে সপ্তাহে ১৮-২০ হাজার যাত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত যাচ্ছেন। আরও ছয়-সাতটি এয়ারলাইন্স আমিরাতগামী যাত্রী পরিবহন করছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার জন্য ৬টি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় ১ হাজার ৬০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী কর্মীদের ফি দেবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষায় আরব আমিরাতগামী ৩১ যাত্রীর পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।

  আমিরাতগামী যাত্রীদের ১০ বারও লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে

সমাধান কী?

নমুনা সংগ্রহে বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় ১০টি বুথ আছে। পরীক্ষা হয় নিচতলার ল্যাবে। ৬টি প্রতিষ্ঠানের ২টি করে মোট ১২টি আরটি পিসিআর মেশিন আছে। একটি মেশিনে একসঙ্গে ৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা যায়। এতে সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা। যে কারণে করোনা পরীক্ষাসহ যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতায় প্রায় সাত ঘণ্টা লেগে যায় আমিরাতের যাত্রীদের।

করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রায় তিন মাস বাংলাদেশের জন্য ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা ছিল আরব আমিরাতের। ৪ আগস্ট বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের যাত্রীদের ট্রানজিট সুবিধা চালু করে দেশটি। শর্ত দেওয়া হয়—ফ্লাইট ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগে র‌্যাপিড পিসিআর পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। তখন বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও জায়গা নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের পার্কিং ভবনের ছাদে ল্যাব স্থাপনের প্রস্তাব করলে সংশ্লিষ্ট ল্যাব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের আপত্তির মুখে তা হয়নি। পরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বিমানবন্দরের ভেতর জায়গা নির্ধারণ করে দেন। যদিও তখন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানিয়েছিলেন, বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপন করা হলে স্বাভাবিক কার্যক্রম দারুণভাবে বিঘ্নিত হবে।

এ প্রসঙ্গে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান বলেন, ‘বিমানবন্দরটি ছোট। স্বাভাবিকভাবেই চাপ বেশি থাকে। আরব আমিরাতগামী যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা বিমানবন্দরের ভেতরে হওয়ায় চাপ বেড়েছে। স্বাভাবিক পরিবেশ রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য শুরু থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ল্যাব স্থাপনের প্রস্তাব ছিল বেবিচকের। সমস্যাগুলো স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। পার্কিং ভবনের দ্বিতীয় তলায় যাত্রীদের নমুনা সংগ্রহ ও বসার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেটা হলে এ সমস্যা দূর হবে।’

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

তিন বাহিনীর কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা সমতাকরণের প্রস্তাব

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪২

সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা সমতাকরণ চায় সংসদীয় কমিটি। এ বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের একটি প্রস্তাবে একমত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি এই সুপারিশ করেছে বলে বুধবার (২৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে।

জানা গেছে, কমিটি তার আগের বৈঠকে এই সুপারিশ করে। এ বিষয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রগতি বুধবারের বৈঠককে অবহিত করা হয়। এতে বলা হয়, সেনাবাহিনী থেকে জানানো হয়, বাহিনীর কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা সমতাকরণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পেলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কমিটি তার আগের বৈঠকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালকে (সিএমএইচ) ২০২২ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানেরও সুপারিশ করে। ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অসাধারণ সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালনসহ চিকিৎসা সেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-কে ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদানের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়।

এর অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রণালয় কমিটিতে জানিয়েছে, স্বাধীনতা পদকের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের নাম প্রস্তাবের বিষয়টি সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস পরিদফতরে (ডিজিএমএস) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ডিজিএমএস থেকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাওয়ার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

এছাড়া কমিটি আগের বৈঠকে ড্রোন এবং কাউন্টার ড্রোন পরিচালনার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলে। এছাড়া ডিজিএফআইসহ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে এ বিষয়ে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও সমন্বয় করার সুপারিশ করে।

বুধবারের বৈঠকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে পটুয়াখালীতে বাস্তবায়নাধীন শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রকল্পের অগ্রগতির প্রতিবেদন উপস্থাপিত হয়। এর নবনির্মিত ভবনগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি, সৌরকোষ, বর্জ্য নিষ্কাশনের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ব্যবহার করে চারপাশে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সেনানিবাসকে পরিবেশবান্ধব করার জন্য কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া সংসদীয় কমিটিকে পটুয়াখালীতে বাস্তবায়নাধীন শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, মো. মোতাহার হোসেন, মো. নাসির উদ্দিন ও বেগম নাহিদ ইজাহার খান অংশগ্রহণ করেন।

/ইএইচএস/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

বৃহস্পতিবার থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী পাস ইস্যুর সিদ্ধান্ত

বৃহস্পতিবার থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী পাস ইস্যুর সিদ্ধান্ত

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে হেলিকপ্টার

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে হেলিকপ্টার

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে হেলিকপ্টার

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫১

পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে দুটি হেলিকপ্টার। এর জন্য সরকারের মোট ব্যয় হবে ৪২৮ কোটি ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৬ টাকা।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ক একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন।

তিনি জানান, সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জননিরাপত্তা বিভাগের আওতাধীন পুলিশ অধিদফতরের রাশিয়ার সরকারি প্রতিষ্ঠান জেএসসি ‘রাশিয়ান হেলিকপ্টার’-এর কাছ থেকে এমআই-১৭১এ২ মডেলের দুটি হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈঠকে অনুমোদিত অন্য প্রস্তাবগুলো হলো—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন’ প্রকল্পের নির্মাণকাজ জয়েন্টভেঞ্চার বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড ও ইলেকট্রো গ্লোবাল এবং জয়েন্টভেঞ্চার মাহেন্দ্র বেসিন পাওয়ার লিমিটেড (এমবিপিএল) এবং অ্যাডভান্স টেকনোলজি কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের (এটিসিএল) কাছ থেকে দুটি প্যাকেজের পূর্ত কাজ ১০০ কোটি ৬১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৩ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

/এসআই/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

পুলিশের সহযোগী হিসেবে আনসারও ভিআইপি নিরাপত্তা দেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের সহযোগী হিসেবে আনসারও ভিআইপি নিরাপত্তা দেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকা উৎপাদন করলে বিদেশেও রফতানি করতে পারবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা উৎপাদন করলে বিদেশেও রফতানি করতে পারবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পুলিশের শূন্য পদে নিয়োগ শিগগিরই, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের শূন্য পদে নিয়োগ শিগগিরই, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদক পাচ্ছেন সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ

পদক পাচ্ছেন সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

১৯৭৩: সেদিন ছিল ঈদ-আনন্দ ও বেদনার উদযাপন

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল বিমানবন্দর

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

যে কারণে ভারতে স্থগিত হলো শিল্পী রোকেয়া সুলতানার প্রদর্শনী

সংসদের ১৫তম অধিবেশন ১৪ নভেম্বর

সংসদের ১৫তম অধিবেশন ১৪ নভেম্বর

স্কুল শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যেই করোনার টিকা

স্কুল শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যেই করোনার টিকা

‘জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকবে’

‘জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকবে’

আরব আমিরাতে কর্মীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণের অনুরোধ প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর 

আরব আমিরাতে কর্মীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণের অনুরোধ প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর 

বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ সমর্থনে আরবদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ব জোরদার হয়

বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ সমর্থনে আরবদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ব জোরদার হয়

সর্বশেষ

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা: আহত কিশোরের মৃত্যু

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা: আহত কিশোরের মৃত্যু

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

© 2021 Bangla Tribune