X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

উগান্ডায় যেভাবে জলহস্তীর শিকার হচ্ছে মানুষ

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০

উগান্ডায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে জলহস্তী। ফলে মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এই প্রাণী। দেশটিতে গত দুই মাসে ২৭ জনকে হত্যা করেছে। সেখানকার সাধারণ মানুষের কাছে এখন আতঙ্কের নাম জলহস্তী।

উগান্ডার লেক ভিক্টোরিয়ায় পানিতে আনতে যায় এক নারী ও শিশু। চুপচাপ বসে থাকা এক জলহস্তী তখনই ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের ওপর। প্রাণ হারান তারা। একইভাবে সেখানকার জেলেদের ছোট ছোট নৌকায় ক্ষিপ্র গতিতে আক্রমণ করে বসে জলহস্তী।

এই হিংস্র প্রাণীর হামলায় প্রায় প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ওয়াকিসো জেলায় জলহস্তীর শিকার হচ্ছেন অনেকে।  

স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, ‘জলহস্তী এখানকার মানুষকে শেষ করে দিচ্ছে। এখানে করোনার চেয়ে এই প্রাণীর হামলায় অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন’।

তিনি আরও যোগ করেন, 'এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উগান্ডার বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। কিন্তু তাদের এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি’।

এই জেলার চেয়ারম্যান মাতিয়া লওয়ানগা বাওয়ানিকা বলেন, ‘এখানে কিছু জলহস্তী রয়েছে যেগুলো মানুষ হত্যা করে চলছে। একজনকে হত্যার পর কিছুদিনের জন্য আড়ালে চলে যায়। কিছুদিন পর আবারও আক্রমণ চালায়’।

উগান্ডা বন্যপ্রাণী সংস্থার মুখপাত্র বশির হানগি জানিয়েছেন, 'কিছু আক্রমণাত্মক জলহস্তী মানুষ হত্যা করছে। তবে এই প্রাণীকে পানিতে রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিন্তু মানুষ যখন মাছ অথবা পানি আনতে নদীতে যায় তখনই হামলার শিকার হচ্ছে’। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রাণীদের কাছাকাছি চলে আসায় সংঘাতের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রাণীদের আবাস সংকুচিত হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন তারা।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ইয়েমেনে তুমুল লড়াইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথির ১৪০ যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে তুমুল লড়াইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথির ১৪০ যোদ্ধা নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় হতাহত ১৩, হামলাকারীর আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় হতাহত ১৩, হামলাকারীর আত্মহত্যা

ইন্দোনেশিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা অভিযানে নিহত

ইন্দোনেশিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা অভিযানে নিহত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০১

আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর নিপীড়নের অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু করবে না আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আদালতটির প্রধান প্রসিকিউটর এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস এখবর জানিয়েছে।

২০১৬ সালের প্রতিবেদনে আইসিসি প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছিলেন, আফগানিস্তান, পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও লিথুয়ানিয়ার কারাগারে মার্কিন সেনা ও সিআইএ হয়ত বন্দিদের ওপর নির্যাতন ও বেআইনি আচরণ করেছে।

গত বছর মার্চ মাসে আইসিসি তদন্তের অনুমতি দেয়। কিন্তু আফগান কর্তৃপক্ষকে মামলার বাদি বলার পর তদন্ত বিলম্বিত হয়। আফগানিস্তানে এখন তালেবান শাসন শুরু হওয়ার পর আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খানকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু না করতে।

এর বদলে আইসিসি তালেবান ও ইসলামিক স্টেট জঙ্গি গোষ্ঠীর আফগান শাখা দ্বারা সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের বিষয়ে মনোযোগ দেবে বলে জানিয়েছেন করিম খান।

তিনি কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ২৬ আগস্টের হামলার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তালেবানের আফগান দখলের পর বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে এই বোমা হামলা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আফগান ও ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়।

/এএ/

সম্পর্কিত

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪০

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির জামিয়া নগরের নুর এলাকায় একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয় মুসলিমরা। হাই কোর্টের আবেদনে মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না ছড়ায় সেজন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, জামিয়া নগর এলাকার ২০৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির কিছু বাসিন্দা সম্প্রতি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আবেদনে তারা জানান, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইতোমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরটি ভাঙার জন্য এতে থাকা থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ বার তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে ফেলে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। মন্দিরটি যাতে কোনোভাবেই ভাঙা নয় হয়, সে জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারীরা।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭০ সালে নুর নগরে তৈরি হয়েছিল মন্দিরটি। তার পর থেকে প্রতিদিনই সেখানে পুজো ও কীর্তন হয়ে আসছে। নুর নগর লাগোয়া আর একটি এলাকায় ইতোমধ্যে মন্দির ভেঙে অবৈধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গেছে। নুর নগরেও যে কোনও সময়ে ওই মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদন শুনে তিন দিন আগে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়। মন্দিরটিও যেন অক্ষত অবস্থায় থাকে।

এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, পুলিশকে তা দেখতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০২

দেশ পরিচালনায় আফগানিস্তানে ১৯৬৪ সালে গৃহীত সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করতে যাচ্ছে তালেবান। মঙ্গলবার তালেবানের ভারপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই সংবিধানে নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ভিন্নমতধারীদের নির্মূল করার বলা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

তালেবানের আইনমন্ত্রী জানান, আফগানিস্তানের স্বল্পস্থায়ী গণতন্ত্রের স্বর্ণযুগে যে সংবিধান অনুসারে দেশ পরিচালনা হয়েছে তা ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু তা হবে স্বল্প মেয়াদে এবং সংশোধন সহকারে।

মৌলভী আবদুল হাকিম শারায়ি বলেন, ইসলামি আমিরাত সাবেক বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহর সময়কালের সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু শরিয়াহ আইন ও ইসলামি আমিরাতের নীতিবিরোধী কিছু থাকলে তা বর্জন করা হবে।

প্রায় ছয় দশক আগে, পরাশক্তিদের হস্তক্ষেপের আগে আফগানিস্তানে অল্প কিছু সময়ের জন্য সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল। তখন ক্ষমতায় ছিলেন বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহ।

১৯৬৩ সালে ক্ষমতায় আসার এক বছর পর এই সংবিধান অনুমোদন করেন জহির শাহ। এর ফলে ১৯৭৩ সালে উৎখাত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় এক দশক দেশটিতে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু ছিল।

১৯৬৪ সালের সংবিধানে প্রথমবারের মতো নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, নারী অধিকারের এই অংশটুকু তালেবানের কট্টরপন্থী মতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আশির দশকে সোভিয়েত দখলদারিত্বের পর আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আসে তালেবানের কঠোর শাসন। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানের পর দেশটিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এতে আগের রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়নি। ২০০৪ সালে গৃহীত সংবিধানে প্রেসিডেন্ট শাসন ও নারীদের সমান অধিকার রাখা হয়েছিল।

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫০

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবান নেওয়ার পর পাকিস্তানও জঙ্গিদের হাতে চলে যাওয়ার হুমকি ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো, তালেবান হয়তো ১৫০টি পারমাণবিক অস্ত্রের দখল পেতে পারে। রবিবার এক সাক্ষাৎকারে বোল্টন এ আশঙ্কার কথা জানান।

সাক্ষাৎকারে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন জন বোল্টন। তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।

বোল্টন বলেন, পাকিস্তানের ওপর চীনের প্রভাব এরইমধ্যে অনেক, এটি আরও বাড়বে এবং যা ভারতকে বেশি চাপে ফেলবে। বিশ্বের ওই অংশে এটি অনেক বড় ঘটনা।

বাইডেন বিশ্বদরবারে যুক্তরাষ্ট্রকে বিব্রত করেছেন বলে দাবি করেছেন এই সাবেক উপদেষ্টা। তার মতে, এখন মার্কিন মিত্ররা ভাবছেন, নিজের প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতিতে বাইডেনের কোনও নিয়ন্ত্রণ আছে কিনা।

তবে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাইডেনের পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তির প্রশংসা করেছেন তিনি। তার কথায়, ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে এটি আমাদের বড় অগ্রগতি। এটি চীনের প্রতি স্পষ্ট বার্তা যে আমরা তাদের যা খুশি করতে দেবো না এবং এ বিষয়ে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

অবশ্য চীনের দ্বারা সৃষ্ট হুমকি মোকাবিলায় বাইডেন প্রশাসন যথেষ্ট মনোযোগী না বলে মনে করার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪৮

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া দাঙ্গা কোনও আকস্মিক ঘটনার ফল নয়, পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই তা ঘটানো হয়েছে বলে মনে করে আদালত। সোমবার দাঙ্গায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তির জামিন আবেদন বাতিলের সময় দিল্লি হাই কোর্ট এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

৫০ জনেরও বেশি নিহত ও দুই শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার দাঙ্গা প্রসঙ্গে আদালত বলেছে, ‘২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দাঙ্গা একটি ষড়যন্ত্র, পরিকল্পিত এবং ঘটানো। আকস্মিক কোনও ঘটনা থেকে এটা হয়নি।’

আদালত বলেছে, প্রসিকিউশনের উপস্থাপন করা ভিডিও ফুটেজ থেকে স্পষ্ট যে বিক্ষোভকারীদের আচরণে প্রমাণ হয় স্বাভাবিক জীবন যাত্রা এবং সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটাতেই দাঙ্গার পরিকল্পনা করা হয়।

বিচারপতি সুব্রামনিয়াম প্রসাদ বলেন, ‘সংঘবদ্ধভাবে সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ধ্বংস করা থেকে এটাও প্রমাণিত হয় যে শহরের আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটাতেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়।’ বিচারপতি বলেন,  দাঙ্গার সময় সাধারণ মানুষের উপর লাঠি, ব্যাট, লোহার রড দিয়ে হামলা করা হয়। এর থেকেই প্রমাণিত যে শহরের আইন-শৃঙ্খলায় বাধা দেওয়ার জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল।

দিল্লির দাঙ্গায় ৫০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। আহত হন ২০০ জনের বেশি। এই ঘটনায় গত বছর ডিসেম্বরে মহম্মদ ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবল রতন লালকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনি। আদালতে তিনি দাবি করেন পরিবারের সুরক্ষার জন্যই অস্ত্র রেখেছিলেন। অবশ্য তাকে জামিন দেয়নি আদালত। যদিও আর এক ধৃত মহম্মদ সেলিম খানকে জামিন দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট।

/জেজে/

সম্পর্কিত

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সিধুর পদত্যাগ

পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সিধুর পদত্যাগ

ভবানিপুরের উপনির্বাচন চলবে: উচ্চ আদালত

ভবানিপুরের উপনির্বাচন চলবে: উচ্চ আদালত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

ইয়েমেনে তুমুল লড়াইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথির ১৪০ যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে তুমুল লড়াইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথির ১৪০ যোদ্ধা নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় হতাহত ১৩, হামলাকারীর আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় হতাহত ১৩, হামলাকারীর আত্মহত্যা

ইন্দোনেশিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা অভিযানে নিহত

ইন্দোনেশিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা অভিযানে নিহত

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

কাবুলে ড্রোন হামলাকে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বললো যুক্তরাষ্ট্র

কাবুলে ড্রোন হামলাকে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বললো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক মার্কিন সেনার গুলিতে নিহত ৪

যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক মার্কিন সেনার গুলিতে নিহত ৪

কাবুলে জোড়া বিস্ফোরণে নিহত ৪০: ইন্ডিয়া টুডে

কাবুলে জোড়া বিস্ফোরণে নিহত ৪০: ইন্ডিয়া টুডে

কাবুল বিমানবন্দরে জনসমুদ্র, মার্কিন সেনার গুলিতে নিহত ৫

কাবুল বিমানবন্দরে জনসমুদ্র, মার্কিন সেনার গুলিতে নিহত ৫

ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হাইতি, মৃত ৩ শতাধিক

ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হাইতি, মৃত ৩ শতাধিক

সর্বশেষ

শিশুকে কুপিয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন

শিশুকে কুপিয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন

বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট শুরু ৭ অক্টোবর

বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট শুরু ৭ অক্টোবর

বিসিবিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন

বিসিবিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন

উত্তপ্ত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ দাবি

উত্তপ্ত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ দাবি

‘সামাজিক মাধ্যমে জঙ্গিবাদসহ অপশক্তির পুনরুত্থান নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ’

‘সামাজিক মাধ্যমে জঙ্গিবাদসহ অপশক্তির পুনরুত্থান নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ’

© 2021 Bangla Tribune