X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ডিঙি নৌকায় লেবুর হাট!

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২১, ১৩:১১

ঝালকাঠির শহর থেকে কীর্তিপাশা হয়ে সরু সড়ক ধরে এগিয়ে গেলেই বিখ্যাত ভীমরুলী বাজার। খালের পাড় ঘেঁষে বিখ্যাত ভাসমান বাজারে যেতে যেতে ধরা দেবে চিরায়ত গ্রাম-বাংলার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য। যদিও এক সময়ের মেঠোপথ এখন পিচঢালা সড়ক। মোটরসাইকেলযোগে শহর থেকে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছা যায় ভীমরুলী বাজারে।

পেয়ারার জন্য বিখ্যাত হলেও এখন ভীমরুলীর ভাসমান হাটে লেবুর রাজত্ব। আগস্ট মাস থেকে বসবে পেয়ারার হাট। এখন ব্রিজের উপরে দাঁড়ালে দেখা যাবে শত শত ছোট ডিঙি নৌকায় করে হাটে আসছে লেবু। খালের মধ্যে যেন সবুজের এক সমারোহ। লেবু চাষিরা খুব সকালে বিভিন্ন বাগানের গাছ থেকে লেবু সংগ্রহ করে নৌকায় নিয়ে আসছে ভীমরুলী খালের ভাসমান হাটে।

আশপাশের ২২ গ্রামের চাষিরা প্রতিদিন মিলিত হন এই হাটে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখান থেকে লেবু নিয়ে যান। ভাসমান লেবু বাজারের বেচা-কেনা দেখতে দেশি- বিদেশি অনেক পর্যটকও ভিড় করতেন। 

তবে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণ পাইকার ও পর্যটকদের সংখ্যা এখন কম। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই হাট জমে থাকে লেবু চাষি, পাইকার ও দর্শনার্থীদের কোলাহলে। 

এখানে শুধু লেবুর বেচাকেনাই হয় না। ভাসমান হাটের সঙ্গে জড়িতরা জানান, পেয়েরার মৌসুমে পর্যটকের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। আগস্ট মাসের শেষের দিকে একই নৌকায় করে আমড়া চাষিরা ভাসমান হাটে পসরা বসান। পেয়ার, আমড়া, লেবুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি বেচাকানার জন্য বিখ্যাত ভীমরুলীর ভাসমান হাট।  

সরেজমিন ভীমরুলীর ভাসমান হাটে গিয়ে দেখা যায় লেবু চাষিরা ভীমরুলীর খালে ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় লেবু নিয়ে পাইকারদের আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিছু কিছু পাইকারও দেখা গেলো খাল পাড়ে। তারা নৌকা ডেকে কিনারে এনে লেবুর দরদাম করছেন। লেবু চাষিরা লেবু বিক্রি করছেন পোন হিসেবে। ৮০টি লেবুতে এক পোন হয়। 

ঝালকাঠির সদর উপজেলার ডুমুরিয়া, খেজুরা, কীর্তিপাশা, মিরাকাঠি, বাউকাঠি, শতদশকাঠি, ভিমরুলী, কাফুরকাঠি, আটঘর, গাভারামচন্দ্রপুর, পোষন্ডাসহ ২২ গ্রামের চাষিরা এই হাটে লেবু বিক্রি করেন। কাগজি লেবুই এখানে বেশি জনপ্রিয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুগন্ধ ও রসে ভরা এই লেবুর চাহিদাও বেশি। এসব এলাকায় শুধু লেবু চাষ করেই অনেকে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন।

জেলার কৃষি বিভাগ জানায় ঝালকাঠি জেলায় ২৫০ হেক্টর জমিতে লেবুর চাষ হয়। বছরে জেলায় ১৮৭৫ মে.টন লেবু উৎপাদন হয়। লেবুর উৎপাদন খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরা লেবু চাষে বেশ আগ্রহী।

লেবু চাষিরা জানান, এক পোন (৮০টি) লেবু তারা চারশ’ টাকা বিক্রি করেন। তবে লকডাউনের কারণে জেলার বাইরে তাদের পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় এখন দাম কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও আগের দরে লেবু বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন চাষিরা।

লেবু চাষি তৈয়বুর রহমান বলেন, আমি চার বিঘা জমিতে কাগজি লেবুর চাষ করেছি। উৎপাদন খরচ ছিল ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু বছরে বিক্রি করেছি প্রায় ৪ লাখ টাকার লেবু। 

ভাসমান হাটে আসা কয়েকজন লেবু চাষি জানান সার সংকট, সরকারি ঋণ ও কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় পরামর্শ না পাওয়ার কথা। চাষিরা বলেন, সারের অভাবে অনেক সময় লেবু গাছের পাতা সাদা হয়ে যায়। এ কারণে ফলন ব্যহত হয়। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের সহায়তা চেয়েছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, লেবু মানুষের শরীরে লেবু ভিটামিন সি'র ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। লেবু চাষের পরিধি বাড়াতে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং সার ও ঋণের সংকট দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

বাসচাপায় প্রাণ গেলো তিন বন্ধুর

বাসচাপায় প্রাণ গেলো তিন বন্ধুর

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কারদাতারা অন্ধকারে হারিয়ে গেছে’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০৮

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করছি। যারা বঙ্গবন্ধুকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছিল; যারা বঙ্গবন্ধুকে অপমানিত করেছে; যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে আজ তারা মহা-অন্ধকারে হারিয়ে গেছে। তারা আজ কোথাও নেই। আজ জিয়াউর রহমানের কি অবস্থা। জিয়া পরিবারের কি অবস্থা। তার স্ত্রী অপরাধী হয়ে জেল খাটছেন। তার এক ছেলে পলাতক। আরেক ছেলে মাদকাসক্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এই হচ্ছে জিয়া পরিবারের অবস্থা। জিয়া, খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুকে অনেক অপমান করেছেন। আজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের বিরলের ফুলবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) তুলাই নদী খননের উদ্যোগ নেয়। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক খননকৃত তুলাই নদীর দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী বিরলের ফুলবাড়ী সেতু সংলগ্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং ফুলবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেশে বক্তব্য দেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার দেড় বছর পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ একদিনের জন্য বন্ধ হয়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম একদিনের জন্য বন্ধ থাকেনি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজ সময়মতো এগিয়ে গেছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৯৫ ভাগ। এই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, তুলাই নদীর নাব্যতা পুনরুদ্ধারে বোচাগঞ্জ উপজেলার ঈশানিয়া থেকে বিরল উপজেলার ভান্ডারা পর্যন্ত ৬৮ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হবে। প্রায় ২৬ লাখ ঘনমিটার খননকাজে প্রায় ৪৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে। 

২০২০ সালের নভেম্বরে খননকাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছরের নভেম্বর পর্যন্ত এ কাজের মেয়াদ রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৩.৫৮ লাখ ঘনমিটার খনন হয়েছে। তুলাই নদী খননের ফলে নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষিজমিতে সেচ কাজের সুবিধা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নদীর দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিএর প্রকল্প পরিচালক রকিবুল ইসলাম তালুকদার, ইউএনও মো. আব্দুল ওয়াজেদ, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায় এবং বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সৈয়দ হোসেন।

/এএম/

সম্পর্কিত

হিলির ২১ মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ

হিলির ২১ মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ

অপকর্মে জড়িতদের আ.লীগে স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী 

অপকর্মে জড়িতদের আ.লীগে স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী 

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৩৩

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ি পেয়ারাবাগান এলাকার একটি বাড়ি থেকে এক তরুণীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুজ্জামানকে (২৩) আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে ভুক্তভোগীর করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানান, গত তিন বছর আগে সিরাজগঞ্জের এক তরুণীর সঙ্গে মনিরুজ্জামানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সিরাজগঞ্জ থেকে এসে ওই তরুণী গাজীপুরের পেয়ারাবাগান এলাকায় মায়ের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। এছাড়া স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করছেন। এরই মধ্যে মনিরুজ্জামান ওই তরুণীর ঠিকানা সংগ্রহ করে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে ওই তরুণীকে এক আত্মীয়ের বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। বাসায় এসে বিষয়টি মাকে জানান তরুণী।

পরে ওই ঘটনায় মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাজীপুর আদালতে একটি মামলা করেন। সেটি জানতে পেরে কনস্টেবল বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে ওই তরুণীকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ওই তরুণীর বাসায় এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দেয় পুলিশের এ কনস্টেবল। এক পর্যায়ে তরুণীকে ঝাপটে ধরে যৌন হয়রানি করে। এ সময় তার চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের খবর দেয়। খবর পেয়ে কোনাবাড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মনিরুজ্জামানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় রবিবার ভুক্তভোগী তরুণী দ্বিতীয়বারের মতো মামলা দায়ের করলে মনিরুজ্জামানকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

নতুন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, ৫৬ দিনে হবে এক কেজি

নতুন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, ৫৬ দিনে হবে এক কেজি

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

জীবিত থেকেও এক জেলার শতাধিক মানুষ ‘মৃত’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৪

‘জীবিত থাইকেও যদি জাতীয় পরিচয়পত্র তালিকায় মৃত থাকি, তাইলে মরে যাওয়া ভালো ছিল। তালিকায় মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকা নিতে পারতাছি না, ব্যাংক থেকে ঋণ উঠাইতে পারতাছি না, ছেলেমেয়েকে স্কুলে ভর্তি নিতাছে না, শুধু ভোগান্তিতে পড়তে হইতাছে।’ কথাগুলো বলেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুরের স্বল্পা চরপাড়া এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে কৃষিশ্রমিক মোফাজ্জল হোসেন (৩৫)।

২০১৯ সালে মৃত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সর্বশেষ জাতীয় পরিচয়পত্র হালনাগাদের সময় মোফাজ্জল হোসেনকে মৃত দেখানো হয়। 

মোফাজ্জল হোসেন জানান, পাঁচ বছর আগে তার বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন মারা যান। সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় বড় ভাইয়ের সঙ্গে তাকেও স্থানীয় তথ্য সংগ্রহকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের হালনাগাদের তালিকায় মৃত দেখিয়েছেন। দুই বছর আগে ব্যাংকে ঋণ নিতে যাওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার জাতীয় পরিচয়পত্র খুঁজে দেখেন মৃত। এরপর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সংশোধনের আবেদন করেন। বারবার নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে দুই বছরেও সমাধান হয়নি সমস্যা। তালিকায় মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকাসহ অনলাইনের কোনও সেবা নিতে পারছেন না তিনি। 

শুধু মোফাজ্জল নন, ২০১৯ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় জেলার শতাধিক জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হয়েছে। এসব ব্যক্তি নির্বাচন অফিসে আবেদন করে দিনের পর দিন ঘুরছেন। কিন্তু কোনও সমাধান পাচ্ছেন না।

একই সমস্যায় পড়েছেন ঈশ্বরগঞ্জের মরিচারচর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে জুবায়ের হোসেন (৩৫)। তিনি জানান, এক মাস আগে মোবাইলে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাজারের দোকানে যান। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বারবার চেষ্টা করেও খুলতে পারেননি। পরে বিকাশ এজেন্ট জানান তার আইডি কার্ডে সমস্যা আছে। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আইডি কার্ডের সমস্যার কথা জানান। সেখানের কর্মকর্তা সার্ভারে তল্লাশি করে জানান তালিকায় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এই কথা শোনার পর জুবায়ের হতবাক হয়ে যান। নির্বাচন কর্মকর্তার পরামর্শে সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আজও তার আইডি কার্ড সংশোধন হয়নি।

জুবায়ের আরও জানান, এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটলো বুঝতে পারছেন না। মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকার নিবন্ধনসহ অনলাইনে কাজ করতে পারছেন না।

এদিকে, করোনার গণটিকা নিতে গিয়ে উপজেলার মরিচারচর গ্রামের দিনমজুর শিপন মিয়া (৩২) জানতে পারেন মৃত। বারবার চেষ্টা করেও টিকা নিতে পারেননি। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে।

শিপন মিয়া জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তালিকা করতে গাফিলতি করেছেন। এ জন্য তার নাম মৃতদের তালিকায় উঠেছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকার মানুষ তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছেন। পরিচয়পত্রের সমস্যার কারণে করোনার টিকা নিতে পারেননি। এ ছাড়া জমি রেজিস্ট্রিসহ কোনও সেবাই নিতে পারছেন না। সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে বারবার ঘুরেও দেড় বছরেও না হওয়ায় হতাশ শিপন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সারওয়ার জাহান বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানো হয়েছে মর্মে সংশোধনের আবেদন করেছেন। তাদের আবেদন ঢাকার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের জনবল কম থাকায় মাঠপর্যায়ে ২০১৯ সালে মৃত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় এলাকাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতা নেওয়া হয়। তথ্য সংগ্রহের সময় শিক্ষকরা ভুলবশত মৃত ব্যক্তির পাশাপাশি জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এ কারণে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করা হচ্ছে; যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান এবং সংশোধন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেই করা যাবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ হবে। সেই সঙ্গে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর যে সমস্যা তা দ্রুতই সমাধান করা যাবে।

জেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জীবিত ব্যক্তিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানোর বিষয়টি মানবাধিকার লঙ্ঘন। এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িতরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। সরকার ইচ্ছা করলেই এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন। ভোগান্তিতে পড়া ব্যক্তিদের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’

/এএম/

সম্পর্কিত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে কমেছে মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে কমেছে মৃত্যু

ঢাকায় ঝগড়ার জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, বৃদ্ধা নিহত আহত ১০

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের ধাক্কায় আয়েশা বেগম (৮০) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে সরাইলের পানিশ্বর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। বৃদ্ধার মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষ আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহত আয়েশা বেগমের নাতি শ্যামল মিয়া জানান, সরাইলের পানিশ্বর গ্রামের হুজুর বাড়ির দক্ষিণ পাড়ার সাদ্দাম ও শফিকের সঙ্গে উত্তর পাড়ার ইউনুছ মিয়ার ছেলে জামাল মিয়া ঢাকার একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন। গত এক মাস আগে কারখানায় তুচ্ছ ঘটনায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি তাদের গ্রামের বাড়িতে জানাজানি হলে উভয়পক্ষের আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে আসামিরা হাজিরা দিতে আসেন। হাজিরা শেষে বাড়িতে ফেরার পর দক্ষিণ পাড়ার ইউনুছের সঙ্গে উত্তর পাড়ার শফিকের প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা হাতাহাতিতে লিপ্ত হন। এ সময় তাদের ঝগড়া থামাতে যায় সাদ্দাম মিয়ার পক্ষের বৃদ্ধা আয়েশা বেগম। প্রতিপক্ষ ইউনুছ মিয়ার লোকজন ধাক্কা দিলে আয়েশা বেগম মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. ফয়েজুর রহমান ফয়েজ জানান, ওই বৃদ্ধাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।

পানিশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দীন ইসলাম বলেন, ‘বৃদ্ধা আয়েশার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দুইপক্ষ আজ বিকালে আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখনও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫

বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

নতুন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, ৫৬ দিনে হবে এক কেজি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২২

জার্মপ্লাজম ব্যবহার করে ধারাবাহিক সিলেকশন ও ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে অধিক মাংস উৎপাদনকারী একটি মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই)। পরিবর্তনশীল আবহাওয়া উপযোগী এই মুরগির জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাল্টি কালার টেবিল চিকেন’ (এমসিটিসি)।

গবেষকদের দাবি, এটি অধিক মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত। বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং জলবায়ুর প্রেক্ষাপটেই এর উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বিএলআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আতাউল গনি রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে আমরা মুরগির পরীক্ষা করিয়েছি। এমসিটিসি সংশ্লিষ্ট যত ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার সেগুলোও সম্পন্ন হয়েছে। দেখা গেছে, এই মুরগির মাংসের গুণাগুণ দেশি মুরগির অনুরূপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমসিটিসি জাতের মুরগির মাংসের স্বাদ ও পালকের রং দেশি মুরগির মতো মিশ্র বর্ণের হওয়ায় খামারিরা দাম প্রচলিত সোনালি বা অন্যান্য ককরেল মুরগির তুলনায় বেশি পাবেন। এই জাতের মুরগি পালনে জায়গার পরিমাণ, ব্রিডিং, তাপমাত্রা, আলো ও বায়ু ব্যবস্থাপনা অন্যান্য মুরগির মতোই। এই জাতের মৃত্যুর হার খুবই কম। বিএলআরআই পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় সর্বোচ্চ ১.৫ শতাংশ মৃত্যুহার পাওয়া গেছে।’

বিএলআরআইয়ের গবেষকরা বলছেন, মাংসের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এ জাতের উদ্ভাবন করা হয়েছে। আট সপ্তাহে (৫৬ দিনে) এই মুরগির গড় ওজন হবে ৯৭৫ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত। এ ওজন হতে প্রতিটি মুরগির প্রায় ২.২০-২.৪০ কেজি খাবার খায়। যেখানে বাজারে বহুল প্রচলিত অনেক মুরগির এই ওজনে আসতে প্রায় ৯০ দিন লেগে যায়।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমসিটিসি মুরগির জাতটিকে আমরা বলে থাকি, দেশীয় ব্রয়লার। সরকারি চারটা ফার্ম এবং প্রাইভেট দুইটা ফার্মের মাধ্যমে আমরা পুরো বাংলাদেশকে কাভার করার চেষ্টা করছি। পরবর্তী সময়ে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আরও অন্যান্য এলাকায় এর কার্যক্রম পরিচালনা করবো। এক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’

মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘‘মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ধারাবাহিক গবেষণার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে উৎপাদন, অভিযোজন ক্ষমতা, মৃত্যুহার, রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যে মূল্যায়ন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক খামার পর্যায়ে মূল্যায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য প্রথমে ‘আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড কোম্পানি’র সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং তাদের সঙ্গে যৌথ গবেষণা এখনও চলমান রয়েছে। খামার পর্যায়ে সম্প্রসারণ সফলভাবে করতে পারলে একদিকে স্বল্পমূল্যে প্রান্তিক খামারিরা অধিক মাংস উৎপাদনকারী জাতের বাচ্চা পাবেন। অন্যদিকে, আমদানি নির্ভরশীলতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। একইসঙ্গে মুরগির বাচ্চা ও মাংসের বাজার মূল্যের উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেশের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় প্রাণিজ আমিষসহ অন্যান্য পুষ্টির চাহিদা পূরণে এ জাতের মুরগি ভূমিকা রাখবে।’’

/এফআর/

সম্পর্কিত

যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

বাসচাপায় প্রাণ গেলো তিন বন্ধুর

বাসচাপায় প্রাণ গেলো তিন বন্ধুর

রহিমার ডিম বিক্রির টাকাও আত্মসাৎ করেছে এহসান গ্রুপ

রহিমার ডিম বিক্রির টাকাও আত্মসাৎ করেছে এহসান গ্রুপ

রাগীবের কথার যাদুতে এহসানে জড়িয়ে নিঃস্ব শিক্ষক

রাগীবের কথার যাদুতে এহসানে জড়িয়ে নিঃস্ব শিক্ষক

জমি দিয়েছিলেন দাদা, বিদ্যালয়ের কক্ষ দখল করে বসবাস

জমি দিয়েছিলেন দাদা, বিদ্যালয়ের কক্ষ দখল করে বসবাস

যুবলীগের ২ নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি

যুবলীগের ২ নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি

নুরুলের ৪৬০ কোটি টাকার সম্পদের কথা শুনে হতবাক গ্রামবাসী

নুরুলের ৪৬০ কোটি টাকার সম্পদের কথা শুনে হতবাক গ্রামবাসী

এভাবে চললে দেশের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ: জোনায়েদ সাকি

এভাবে চললে দেশের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ: জোনায়েদ সাকি

সর্বশেষ

পাঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি

পাঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি

শেষ দুই ম্যাচ জিতে সমাপ্তি টানলো আফগান যুবারা

শেষ দুই ম্যাচ জিতে সমাপ্তি টানলো আফগান যুবারা

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কারদাতারা অন্ধকারে হারিয়ে গেছে’

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কারদাতারা অন্ধকারে হারিয়ে গেছে’

যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

© 2021 Bangla Tribune