X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

কোরবানির পশুর হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব পরামর্শক কমিটির

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ২৩:৫৫

করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আসন্ন ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে কোরবানির হাট বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। গত সোমবার (১২ জুলাই) রাতে পরামর্শক কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বুধবার (১৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় কমিটি।

এতে বলা হয়, লকডাউনের অংশ হিসেবে কমিটি কোরবানির হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব করে প্রয়োজনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে সরকার লকডাউন শিথিল করে সীমিত পরিসরে কোরবানির হাট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিলে কিছু শর্ত বেধে দিয়েছে কমিটি।

সেগুলো হলো—শহর এলাকায় কোরবানির পশুর হাট বসার অনুমতি না দেওয়া। শারীরিক দূরত্ব এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে উন্মুক্ত স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া। বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বছরের বেশি বয়সী) এবং অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কোরবানির হাটে না যাওয়া। হাটে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে আলাদা পথ রাখা। বাজারে আসা সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা। জনসাধারণকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে, যে যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করার বিষয়ে উৎসাহিত করা। জনসাধারণের অনলাইন কোরবানির হাটের সুবিধা গ্রহণ উৎসাহিত করা। বাড়ির আঙিনায় কোরবানি না করে, সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করা। ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামাত যেভাবে আয়োজন করা হয়েছিল, এবারও তেমনভাবে ঈদ-উল-আজহার জামাত আয়োজন করা।

কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ

কমিটি বলছে, সারাদেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার সারাদেশে কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করছে, যা সন্তোষজনক। জাতীয় পরামর্শক কমিটির পূর্ববর্তী সভার সুপারিশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি পরীক্ষার মূল্য পুনরায় নির্ধারণ করায় সভায় সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দৈনিক টেস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি জন্য বেসরকারি পর্যায়েও টেস্ট বৃদ্ধি প্রয়োজন, এ লক্ষ্যে টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় কিটের দাম আরও হ্রাস পাওয়ায় পরীক্ষার মূল্য কমিয়ে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

/জেএ/এমআর/

সম্পর্কিত

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১১৭, শনাক্ত ৫৭১৭

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১১৭, শনাক্ত ৫৭১৭

শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে

শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে

২৪ হাজার ছাড়ালো মৃত্যু

২৪ হাজার ছাড়ালো মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু 

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৫

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিনে সারাদেশে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গণটিকার আওতায় এদিন ৭৫ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। এর পাশাপাশি অন্যান্য দিনের নিয়মিত ৫ লাখ টিকাও প্রদান চলবে। 

টিকা নেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ও টিকাকার্ড সঙ্গে আনতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিয়নের কোনও একটি ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে একটি বুথ, পৌরসভার প্রতিটি কেন্দ্রে একটি কেন্দ্রে একটি বুথ, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩টি বুথের মাধ্যমে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সারাদেশে আগে থেকে যেসব কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি চলছিল সেগুলো অব্যাহত থাকবে।  টিকাদান শুরু হবে সকাল ৯টা থেকে। তবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় দুপুর আড়াইটা থেকে দেওয়া হবে টিকা। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সারা দেশের সব কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

খুরশীদ আলম বলেন, মঙ্গলবার যে গণ টিকাদান হবে, সারা দেশে কোভিড-১৯ এই ক্যাম্পেইনে আমরা শুধু প্রথম ডোজের টিকা দেবো এবং একইভাবে আগামী মাসের একই তারিখে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেবো। আমাদের লক্ষ্যমাত্রায় না পৌঁছা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকাদান চলমান থাকবে। শেষ টিকা প্রদানের পর আমাদের টিম এক ঘণ্টা অবস্থান করবে। স্থানীয়ভাবে টিকাদানের সময় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারবে। কোনোভাবেই আমাদের ইপিআই সেশনের টিকা দেওয়া বন্ধ রাখা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, এই ক্যাম্পেইনে আগে থেকে নির্ধারিত জনগোষ্ঠী ২৫ বছর বয়সী বা তদূর্ধ্বদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়ে টিকা দেবো।

ক্যাম্পেইন শুরুর প্রথম ২ ঘণ্টা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাষোর্ধ্ব বয়স্ক নাগরিক, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে জানিয়ে ডা. আবুল বাশার বলেন, তবে স্তন্যদানকারী মা ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনবো না।

এ দিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২৯টি কেন্দ্রে গণটিকা দেওয়া হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আজ ৫৪টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৫৪টি কেন্দ্রেই কোভিড-১৯ এর টিকা কার্যক্রম চলবে। এছাড়া দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭৫টি ওয়ার্ডের ৭৫টি টিকা কেন্দ্রেও চলবে গণটিকা কার্যক্রম।

জানা গেছে, উত্তর সিটি করপোরেশনে মঙ্গলবার ও পরের দিন বুধবার প্রতিদিন দুপুর আড়াইটা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৫০০ জন করে দুই দিনে মোট ১ হাজার জনকে টিকা দেওয়া হবে। যারা ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার যে কোনও হাসপাতালে টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু এখনও এসএমএস পাননি শুধুমাত্র তারাই এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা নিতে পারবেন। তবে ষাটোর্ধ্ব বয়সীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ভিন্ন। ষাটোর্ধ্ব কেউ রেজিস্ট্রেশন না করলেও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সাথে নিয়ে গেলে টিকা দেওয়া হবে।

এছাড়াও টিকা গ্রহণকারীগণ যে কেন্দ্র থেকে ১ম ডোজের টিকা গ্রহণ করবেন এক মাস পর একই কেন্দ্র থেকে ২য় ডোজের টিকাও গ্রহণ করতে পারবেন। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ৭৫টি কেন্দ্রে গণটিকা দেওয়া হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩৫০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। এদিন টিকা গ্রহণকারীদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। সবমিলিয়ে এই কার্যক্রমে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মোট ৫২ হাজার ৫০০ ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

এবারের টিকাদান কর্মসূচি ‘গ্রামগঞ্জ’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সেখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক রয়েছেন, হার্ড টু রিচ এলাকায়- যারা সব সময় টিকাদান কেন্দ্রে আসতেও পারেন না, তাদের জন্য এবারের টিকাদান কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার থাকবে।

/এসও/ইউএস/

সম্পর্কিত

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

টিকার জন্য বাজেটে বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি টাকা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

টিকার জন্য বাজেটে বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি টাকা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

‘কোভিশিল্ড’ আছে আর মাত্র ৪ লাখ ডোজ

‘কোভিশিল্ড’ আছে আর মাত্র ৪ লাখ ডোজ

টিকা দেবে কিনা আজ রাতে জানাবে যুক্তরাষ্ট্র

টিকা দেবে কিনা আজ রাতে জানাবে যুক্তরাষ্ট্র

যেসব কারণে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নেতা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০০

সাহসী, যৌক্তিক আর সুস্পষ্টভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর হয়ে কথা বলতে পারার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। আর তার এই অবস্থানের বীজ বপন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সব মিলিয়ে এই জননেত্রী আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা তিনি অর্জন করেছেন। তার কাজ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাংলাদেশ বিশ্ব অঙ্গনে সম্মানের আসনে পৌঁছাতে পেরেছে।

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও উন্নত-সমৃদ্ধ দেশের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে তার নেওয়া পদক্ষেপের বস্তবায়ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেখে চলা অবদান সারা বিশ্বেই প্রশংসিত। সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে ‘ভ্যাকসিন হিরো’, ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’, ‘স্টেট ম্যান’, ‘স্টার অব ইস্ট’, ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ ইত্যাদি সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুকন্যার মাধ্যমে আজ  বাংলাদেশ ‘সমুদ্র জয়’ থেকে শুরু করে অর্জন করেছে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ'-এর মতো সম্মাননা।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় গোড়াপত্তন

১৯৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগ্যতার বহির্প্রকাশ ঘটান শেখ হাসিনা। দীর্ঘ দুই দশকের অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে দেশের পার্বত্য এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য ইউনেস্কো তাকে ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার দেয়। ক্ষমতার ওই মেয়াদেই জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ‘ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলন’-এ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক ‘সেরেস’ (CERES) মেডেল প্রদান করে। সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তিনি।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও পারস্পরিক সন্তোষজনক সম্পর্ক, নিজ দেশের জনগণের কল্যাণ, নারী ও শিশু এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতায় অবদানের জন্য ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. এ পি জে আবদুল কালামের নামে প্রতিষ্ঠিত ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল-এর ‘ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ পান।

মানবিক প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে আসা ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হন শেখ হাসিনা। অসহায় মানুষগুলোর প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তিনি ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত হন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে দায়িত্বশীল নীতি ও তার মানবিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী ‘আইপিএস ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এবং ২০১৮ সালে ‘স্পেশাল ডিসটিংশন অ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশিপ পদক’ পান। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিউজ এজেন্সি ‘দি ইন্টার প্রেস সার্ভিস-আইপিএস’ এবং নিউইয়র্ক, জুরিখ ও হংকং-ভিত্তিক তিনটি অলাভজনক ফাউন্ডেশনের নেটওয়ার্ক গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন ২০১৮ সালে শেখ হাসিনাকে এ দুটি পদক প্রদান করে।

চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ

২০১৫ সালে শেখ হাসিনা বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিবেশ-বিষয়ক পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার লাভ করেন। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দূরদর্শী পদক্ষেপ নেওয়ায় তাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ওই বছরেই জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আইসিটির ব্যবহারে প্রচারণার জন্য শেখ হাসিনাকে ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো (এমডিজি) অর্জনে বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসে অবদানের জন্য জাতিসংঘের অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রগামী

উইমেন ইন পার্লামেন্ট (ডব্লিউআইপি) ও ইউনেস্কো বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীকে ‘ডব্লিউআইপি গ্লোবাল ফোরাম অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাসে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য ২০১৯ সালে তাকে এ পদক দেওয়া হয়। নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য ২০১৪ সালে শেখ হাসিনাকে ‘ট্রি অব পিস’ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘গ্লোবাল সামিট অব ওমেন’ তাকে এই সম্মাননা দেয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দু’বার সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য খাতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০১১ ও ২০১৩ সালে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৬ সালে ইউএন উইমেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ’ পুরস্কার ও ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পদক প্রদান করে।

টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৯ সালে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

এছাড়া ১৯৯৯ পার্ল এস বাক অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা পদক, এমকে গান্ধী পদক, ২০০৯ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী স্বর্ণ পদক, হেড অব স্টেট পদক, ২০১১ ও ২০১২ গ্লোবাল ডাইভার্সিটি অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৭ নেতাজী স্মৃতি পুরস্কার পান।

খাদ্য উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও আইসিটি উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি তাকে সনদ প্রদান করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে আন্তরিক ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করছেন, কিন্তু বিশ্ব তাদের নিজেদের তথ্য দিয়ে যাচাই করে দেখছে, বাংলাদেশকে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছানোয় শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ভূমিকা রাখছে। যে যা-ই বলুক, বিশ্ববাসী প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নেতৃত্ব অনুধাবন করছে, যিনি কেবল বাংলাদেশ না, শোষিত মানুষের পক্ষে উন্নয়নশীল দেশগুলোর নেতা হয়ে উঠতে পেরেছেন। এবারও জাতিসংঘে তার যে সাহসী উচ্চারণ, সেটা স্বীকৃতিযোগ্য বটে। সবার জন্য ভ্যাকসিন সহজলভ্য করা, জলবায়ু পরিবর্তনে ধনী দেশগুলোর দায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান, এগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অনন্য ভূমিকার জন্য ৩১টির বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে তিনি ভূষিত হয়েছেন।’

/এপিএইচ/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু 

প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু 

শৃঙ্খলা ছাড়া কোনও জাতি বড় হতে পারে না: বঙ্গবন্ধু

শৃঙ্খলা ছাড়া কোনও জাতি বড় হতে পারে না: বঙ্গবন্ধু

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

শৃঙ্খলা ছাড়া কোনও জাতি বড় হতে পারে না: বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ  পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

জীবনের সর্বস্তরে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। শৃঙ্খলা ছাড়া কোনও জাতি বড় হতে পারে না। বিমান বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা নস্যাতের সাধ্য কারও নেই। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যত বড় ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, আমাদের বিমান ও স্থল বাহিনী জনসাধারণের সঙ্গে মিলিতভাবে তা প্রতিহত করবে।’

দৈনিক বাংলা, ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের এ দিন বিমান বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং তাদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। হাজার হাজার লোক এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সংসদ সদস্য,  রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান ও পদস্থ কর্মকর্তারা বিমান বাহিনীর সৈনিকদের বা শহীদ সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ যেদিন সবার মাঝে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে, সেদিন বীর শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সামরিক বাহিনী থাকা স্বাধীনতার একটি অঙ্গ। বিধ্বস্ত দেশকে গড়ার কাজে হাত দেবার জন্য, একইসঙ্গে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের জন্য তাদের নিজস্ব সশস্ত্রবাহিনী থাকা একান্ত অপরিহার্য।’

ডেইলি অবজারভার, ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে তুলে দিতে পারি না।’ শৃঙ্খলাবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘জীবনের সর্বস্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। শৃঙ্খলা ছাড়া কোনও জাতি বড় হতে পারে না।’

বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘পাকিস্তানে আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যারা ফিরে আসছেন, তারা বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে এখানে চাকরি পাবেন, সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। তবে তাদের মধ্যে যে কিছু কিছু বেঈমান রয়েছে, তাদের ক্ষমা নেই।’

দৈনিক বাংলা, ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ বিমান বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা বিশেষ ব্যবস্থা থেকে এই বাহিনী গড়ে উঠেছে। দস্যুরা এদেশে সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে।’  বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘দেখলেও আনন্দ লাগে যে, একটি ভাঙা হেলিকপ্টার নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেখানে আজ  বাংলাদেশের আকাশে মিগ উড়ে।’  এর আগে বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার স্বাগতম জানিয়ে সংক্ষিপ্ত ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামে বিমান বাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বিমান বাহিনীর এই বীরত্ব ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।’ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, ‘তাঁর ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাতেই বিমান বাহিনী সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠেছে।’

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০১

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেসা দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা নব পর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা।

ডিজিটাল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেত্রী ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। এরপর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম ও ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সন্তানদের সঙ্গে তিনি জন্মদিনটি কাটাবেন। তার অনুপস্থিতিতেই দিনটি উৎসব মুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা সবসময়ই আপোষহীন। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনায় দায়িত্ব নিয়ে তার সরকার ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের জন্য আইন প্রণয়ন করে। এই আইনের আওতায় স্থাপিত ট্রাইব্যুনাল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছে এবং রায় কার্যকর করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রী সংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতিও হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ৬ বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে লিপ্ত হওয়ার পরপরই তিনি শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন। তাকে বারবার কারান্তরীণ করা হয়। হত্যার জন্য কমপক্ষে ২০ বার সশস্ত্র হামলা করা হয়।

তবে শত বাধা-বিপত্তি এবং হত্যার হুমকিসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ভাত-ভোট এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল থেকে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা। বাংলাদেশ পেয়েছে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে।  অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারাবিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে করোনাকালেও দেশের প্রবৃদ্ধি এশিয়ায় প্রায় সব দেশের ওপরে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যে স্বনির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ অবকাঠামো, যোগাযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, বাণিজ্য, আইসিটি এবং এসএমই খাতে এসেছে ব্যাপক সাফল্য। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের পাশাপাশি শেখ হাসিনার ঝুলিতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা ও পদক। এ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেওয়া আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যাও অনেক। টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতা জন্য ২০১৯ এর ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দেয় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। একই মাসে শেখ হাসিনাকে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পদক প্রদান করা হয়। এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট শান্তি প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র সমুন্নত ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পর্যায়ের পদক প্রদান করে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে দায়িত্বশীল নীতি ও তার মানবিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী আইপিএস ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৮ স্পেশাল ডিসটিংশন অ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশিপ গ্রহণ করেন।

দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা ছিলেন পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেসাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন।

শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩, নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

শেখ হাসিনা ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজে পড়ার সময় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ৬-দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬-দফা দাবিতে পূর্ববাংলায় এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠী ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে। শুরু হয় প্রচণ্ড দমন-নির্যাতন। আটক থাকা অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।

এই ঝড়ো দিনগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর জন্ম হয়। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে সপরিবারে নিহত হবার আগে ছোট বোন শেখ রেহানাসহ শেখ হাসিনা ইউরোপ যান। সেখানে অবস্থানকালে তিনি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার খবর পান। তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফেরার কোনও পরিবেশ না থাকায় তিনি ইউরোপ ছেড়ে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।

১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ঐ বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে। তিনি প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দক্ষতা দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য কুড়িয়েছেন সুনাম। দেশের জন্য বয়ে এনেছেন গৌরব ও সাফল্য। রাষ্ট্র পরিচালনায় বিগত বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের চলমান উন্নয়নের ধারার কথা তুলে ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রধানমন্ত্রীকে বর্তমান  বিশ্বের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা তার দক্ষতা ও বিচক্ষণতা দিয়ে এখন বিশ্বমানের নেতার পর্যায়ে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।

শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্য অন্তপ্রাণ শেখ হাসিনা লেখালেখিও করেন। তার লেখা এবং সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০টিরও বেশি। প্রকাশিত অন্যতম বইগুলো হচ্ছে- শেখ মুজিব আমার পিতা, সাদা কালো, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আমাদের ছোট রাসেল সোনা, আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম, সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বিপন্ন গণতন্ত্র, সহেনা মানবতার অবমাননা, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সবুজ মাঠ পেরিয়ে ইত্যাদি।

কর্মসূচি

দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এছাড়াও একইদিন কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার (মেরুল বাড্ডা), ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথম প্রহরে (২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে) খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ (২৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) সকাল ৬টায় তেজগাঁও জকমালা রাণীর গির্জা এবং বিকাল ৫টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

/ইএইচএস/এমআর/এফএএন/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

আজকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সফলতা কামনা করেছেন মমতা ব্যানার্জি।

/এসএসজেড/এমআর/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১১৭, শনাক্ত ৫৭১৭

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১১৭, শনাক্ত ৫৭১৭

শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে

শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে

২৪ হাজার ছাড়ালো মৃত্যু

করোনাভাইরাস২৪ হাজার ছাড়ালো মৃত্যু

চলছে সবকিছু, সচেতনতাই ভরসা

চলছে সবকিছু, সচেতনতাই ভরসা

আবারও লকডাউন দেওয়া হতে পারে: ওবায়দুল কাদের

আবারও লকডাউন দেওয়া হতে পারে: ওবায়দুল কাদের

সব রেকর্ড ভেঙে করোনায় একদিনে ২৬৪ জনের মৃত্যু

সব রেকর্ড ভেঙে করোনায় একদিনে ২৬৪ জনের মৃত্যু

করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৭৭৬

করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৭৭৬

মাস্ক নিশ্চিতে গ্রামে গ্রামে থাকবে কমিটি

মাস্ক নিশ্চিতে গ্রামে গ্রামে থাকবে কমিটি

সর্বশেষ

সাংবাদিক হামিদুজ্জামান রবি মারা গেছেন

সাংবাদিক হামিদুজ্জামান রবি মারা গেছেন

২৮ কোটি টাকার চেক চুরি করা আইনজীবীর বিরুদ্ধে সমন

২৮ কোটি টাকার চেক চুরি করা আইনজীবীর বিরুদ্ধে সমন

হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে স্বামীর পরিবার উধাও

হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে স্বামীর পরিবার উধাও

প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু 

প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু 

রানীই সবচেয়ে ছোট গরু

রানীই সবচেয়ে ছোট গরু

© 2021 Bangla Tribune